শিরোনাম

রাসেল ডমিঙ্গোর উপর বিসিবির সিদ্ধান্ত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করছেন না ওটিস গিবসন। সে হিসেবে বাংলাদেশের দলের বোলিং কোচ হয়ে আর থাকছেন না তিনি। পূর্বের চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। 

এদিকে রাসেল ডমিঙ্গোই আপাতত হেড কোচের দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানিয়েছেন বিসিবি।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভরাডুবির পর পাকিস্তানের বিপক্ষে সাম্প্রতিক ব্যর্থতায় রাসেল ডমিঙ্গোর চেয়ার এমনিতেই নড়বড়ে ছিল। গেল বছরের নভেম্বরেই ডমিঙ্গোকে ছাঁটাই করার গুঞ্জন উঠেছিল। নিউজিল্যান্ড সিরিজের পরই তাকে ছেঁটে ফেলা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছিল।

কিন্তু সিরিজটি শেষ হতেই জানা গেল উল্টো খবর। বৃহস্পতিবার বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্সের চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস বলেন, হেড কোচ হিসেবে আপাতত রাসেল ডমিঙ্গোই থাকছেন।

২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর ইংলিশ কোচ স্টিভ রোডসকে বিদায় করে ডমিঙ্গোকে হেড কোচের দায়িত্ব দেয় নাজমুল হাসান পাপনের নেতৃত্বাধীন বোর্ড।  প্রাথমিকভাবে চুক্তি ছিল ২ বছরের। 

কিন্তু ঘরের মাঠে আফগানিস্তানের কাছে টেস্ট হারের হতাশা দিয়ে শুরু হয় ডমিঙ্গো বাংলাদেশ দলের কোচিং ক্যারিয়ার। এরপর দল ভারত ও পাকিস্তান সফরেও কিছুই করতে পারেনি তার অধীনে।

মাঝে করোনার কারণে দীর্ঘ সময় খেলার বাইরে ছিল বাংলাদেশ দল। তবে খেলা মাঠে ফিরলেও ডমিঙ্গোর অধীনে সুদিন ফেরেনি টাইগারদের। দুর্বল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজ হার আর নিউজিল্যান্ড সফরে সব ম্যাচ হারের পর ব্যাপক সমালোচনা হয়।

অবশ্য দারুণ কিছু প্রাপ্তিই রয়েছে ডমিঙ্গোর অধীনে। ঘরের মাটিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয় আর জিম্বাবুয়ে সফরে দারুণ পারফরম্যান্স করে টাইগাররা।  এরপর মিরপুরে অস্ট্রেলিয়া আর নিউজিল্যান্ডকে হারায় রিয়াদবাহিনী।

 

নিউজ ট্যাগ: রাসেল ডমিঙ্গো

আরও খবর

উন্মোচন করা হল ঢাকা দলের জার্সি

সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২




কাশ্মীরে বন্দুকযুদ্ধে দুই পাকিস্তানিসহ নিহত ৬

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৬১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভারতশাসিত জম্মু-কাশ্মিরে নিরাপত্তার বাহিনীর সঙ্গে পৃথক বন্দুকযুদ্ধে দুই পাকিস্তানিসহ ৬ জন নিহত হয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যায় কুলগাম ওবং অন্তনাগে সংঘর্ষে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। নিহতদের সন্ত্রাসী বলে দাবি করছে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী।

পুলিশের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, কাশ্মিরের কুলগাম ও অনন্তনাগ জেলায় দুটি পৃথক সংঘর্ষে জঙ্গিরা নিহত হন। কাশ্মির পুলিশের ইনস্পেক্টর জেনারেল বিজয় কুমার দাবি করেন, নিহতরা পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী জইশ-ই-মুহাম্মদের সদস্য। নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহতের ঘটনাকে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন তিনি।

কাশ্মির পুলিশ আরও জানিয়েছে, নিহত ছয়জনের মধ্যে চার জনকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজন পাকিস্তানি এবং দুজন স্থানীয় সন্ত্রাসী। বাকি দুজনের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। পুলিশের ধারণা, ইংরেজি নববর্ষের আগে বড়সড় নাশকতার পরিকল্পনা ছিল তাদের।

এদিকে অনন্তনাগের নৌগাম এলাকায় তল্লাশি অভিযানের সময় এক পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, অনন্তনাগে সংঘর্ষ শুরুর পরই কুলগামের মিরহামা গ্রামে অভিযান চালানো হয়। ওই গ্রামে সন্ত্রাসী লুকিয়ে থাকার খবর ছিল পুলিশের কাছে। সংঘর্ষের ঘটনায় কাশ্মিরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় তল্লাশি বাড়িয়েছে প্রশাসন।


আরও খবর

আবুধাবিতে ড্রোন হামলায় তিনজন নিহত

সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২




আইসোলেশনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৬ জানুয়ারী ২০২২ | ৫৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আইসোলেশনে গেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট। রবিবার নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে যান তিনি। এর আগে তার ১৪ বছর বয়সী কন্যার করোনা শনাক্ত হয়। এরপরই জনসমাগম এড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।

নাফতালি বেনেটের দফতর জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী কাজে দেওয়ার জন্য কোভিড-১৯ পিসিআর টেস্টের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছেন। অর্থাৎ, পরীক্ষার ফলাফলে করোনা নেগেটিভ আসলেই কাজে যোগ দেবেন তিনি।

কোভিড-১৯ এর ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই বেনেট কন্যার করোনা শনাক্ত হলো। খবর পেয়েই তিনি নিজ বাসার উদ্দেশে যাত্রা করেন।

করোনা শনাক্ত হওয়া নাফতালি বেনেটের কন্যা অবশ্য আগেই ভ্যাকসিন নিয়েছেন বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দফতর। তবে তার শরীরে ওমিক্রন বা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে কিনা সেটি জানানো হয়নি।


আরও খবর

আবুধাবিতে ড্রোন হামলায় তিনজন নিহত

সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২




শিক্ষার্থীদের রাজনীতি সচেতন হওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৭২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শিক্ষার্থীদের রাজনীতি সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, রাজনীতি সচেতন না হলে সফল মানুষ হতে পারবে না, সুনাগরিক হতে পারবে না, তুমি তোমার নিজের দায়িত্বও যথাযথভাবে পালন করতে পারবেন না। রাজনীতি করো বা না করো কেউ রাজনীতির বাইরে নয়। তাই শিক্ষার্থীদের রাজনীতি সচেতন হতে হবে।

রবিবার (২৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর দক্ষিণ যাত্রাবাড়ীর দনিয়া কলেজে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব ড. মো. মোজাম্মেল হক। অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মশিউর রহমানসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সবাইকে রাজনীতি সচেতন হতে হবে। এই ক্যাম্পাসে আসার পর ছাত্র রাজনীতিকর সঙ্গে যুক্তদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটি আমার ভালো লেগেছে। অর্থাৎ এই ক্যাম্পাসে রাজনীতি নিষিদ্ধ নয়। আমার দুটি প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে। একটি প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ভয় পেয়েছি। কারণ সেখানে লেখা আছে ধূমপান ও রাজনীতিমুক্ত ক্যাম্পাস। অর্থাৎ ধূমপানের মতো রাজনীতিটাও পরিত্যজ্য; সেই প্রতিষ্ঠান এই মেসেজ দেওয়ার চেষ্টা করছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জীবনের সব ক্ষেত্রের মতো রাজনীতিতে ভালো-মন্দ আছে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে রাজনীতি ভলো নয়। রাজনীতি সেই জয়গা, যেখানে জীবনের সব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। আমাদের ব্যক্তি জীবনটা কেমন চলবে সেই সিদ্ধান্ত নিজেরাই নেই। কিন্তু আমাদের জীবন-জীবিকা কেমন চলবে, দেশটা কেমন হবে, আমার লেখাপড়ার সুযোগ থাকবে কি থাকবে না, খবারের সংস্থান হবে কি হবে না, কাজের সংস্থান হবে কি হবে না, সকালে উঠে কলটা চালালে পানি আসবে কি আসবে না, সেই সিদ্ধান্তগুলো যেখানে গৃহীত হয় সেটাই রাজনীতি। সেখানে দায়িত্বে পাশাপাশি ক্ষমতারও একটি যোগ আছে। সেখানে কিছু সুযোগ সন্ধানী লোক আসতে পারে। কিন্তু তার অর্থ এই নয়, রাজনীতি জায়গা ঠিক নয়। মানুষের জন্যই রাজনীতি করতে হবে। মানুষ মাত্রই রাজনৈতিক জীব। রাজনীতির বাইরে কেউ নয়, রাজনীতির ঊর্ধ্বেও মানুষ নয়।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, রাজনীতি করো বা না করো, সেটা একেবারে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপচ্ছন্দের ব্যাপার। দলীয় রাজনীতি করবে কি করবে না সেটাও তোমার ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু রাজনীতি সচেতন না হয়ে তুমি সফল মানুষ হতে পারবে না, সুনাগরিক হতে পারবে না। কারণ তুমি তোমার দায়িত্ব পালন করতে পারবে না। সিদ্ধান্ত গ্রহণের জায়গায় তোমার সিদ্ধান্ত, তোমার দেশের সিদ্ধান্ত কে নেবে সেই সিদ্ধান্ত তুমি সঠিকভাবে নিতে পারবে না। তাই তোমাকে রাজনীতি সচেতন হতেই হবে। ভালো আর মন্দের দফাৎ বুঝতেই হবে, সাদা আর কালোর তফাৎ করতে জানতেই হবে।

এসময় নিজের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন দীপু মনি। তিনি বলেন, রাজনীতির নামে অনেক কিছু দেখেছি। রাজনীতির নামে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করতে দেখেছি, ষড়যন্ত্র দেখেছি। রাজনীতির নামে দেশকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়ার অপচেষ্টা দেখেছি, নারীদের হানাদার বাহিনীর হাতে তুলে দিতে দেখেছি। রাজনীতির নামে জাতির পিতাকে হত্যা করতে দেখেছি। তাকে হত্যা করে কোন রাজনীতি করা হলো?

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, রাজনীতি সেটাই যার মধ্যে থাকে দেশের জন্য ভালোবাসা, দেশের সেবা, মানুষের জন্য ভালোবাসা, মানুষের সেবা। আশাকরি তোমরা সবাই রাজনীতি করো বা না করো, সেই রাজনীতির সঠিক পথ তোমরা বেছে নিতে পারো।


আরও খবর

ফের অবরুদ্ধ শাবি ভিসি !

সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২




সিনিয়র সচিব হলেন প্রশাসনের তিন কর্মকর্তা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ১২০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

প্রশাসনের তিন কর্মকর্তাকে সিনিয়র সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষ, জ্বালানি ও খণিজসম্পদ বিভাগের সচিব হিসেবে বদলির আদেশাধীন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন এবং প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়াকে সিনিয়র সচিব হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে, মো. মাহবুব হোসেনকে জ্বালানি ও খণিজসম্পদ বিভাগে এবং  মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়াকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পদায়ন করা হয়।


আরও খবর



মরে গেলেও মাঠ ছাড়বো না: তৈমূর

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, লক্ষাধিক ভোটে পাস করব। মরে গেলেও মাঠ ছাড়বো না। প্রশাসনকে বলব, জনগণের সেবা করা আপনাদের দায়িত্ব।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে লক্ষাধিক ভোটে পাসের আশা প্রকাশ করে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকার বলেছেন, তিনি মরে গেলেও ভোটের মাঠ ছাড়বেন না। শনিবার (১৫ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তৈমূর আলম খন্দকার।

ইতোমধ্যে নাসিক নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণার সময় শেষ হয়েছে। রোববার (১৬ জানুয়ারি) ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। 

এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমি প্রচার না, সংবাদ সম্মেলন করছি। আমি ভোট চাইনি। আমার ঘরে আগুন লাগিয়ে দিলে আমি কী বলব না। আমার লোকজন গ্রেফতার হচ্ছে, আমার গলায় আপনি ফাঁসি লাগিয়ে দেবেন—আমি কথা বলতে পারব না, সেটা তো হবে না। এটা নৈতিক দায়িত্ব। মানুষের ওপর যত অত্যাচার হয় ভোটাররা তত ঐক্যবদ্ধ হয়। 

তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, লক্ষাধিক ভোটে পাস করব। মরে গেলেও মাঠ ছাড়বো না। প্রশাসনকে বলব, জনগণের সেবা করা আপনাদের দায়িত্ব। বহুবার রিকোয়েস্ট করেছি এখন বিবেকের কাছে ছেড়ে দিলাম। আগামীকালের ভোট যাই হোক, আমরা মাঠে থাকব। গ্রেফতার হলে হবো কিন্তু নির্বাচন চালিয়ে যাবো।

তিনি বলেন, আজকে আপনাদের সামনে হাজেরা বেগম উপস্থিত আছেন। তিনি মহানগর শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদকের স্ত্রী। তিনি আমার বাড়িতে রাত ২টা পর্যন্ত ছিল। তাকে ঈদগাহের সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরও চারজনকে প্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বেশিরভাগই আমার দলের গুরুত্বপূর্ণ পদের নেতা এবং নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করছে। এমনকি সরকারি দলের সদস্যদেরও হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। পাঠানটুলি এলাকার ছেলে আহসান, সে-ই এলাকায় আমার নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করেছিল। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমি এখনো তার খোঁজ পাইনি।

তিনি আরও বলেন, এখানে অনেক লোক আছেন, যারা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আছেন। এদের মধ্যে এমন কোনো লোক নেই, যাদের বাড়িতে দুই থেকে তিনবার লোক যায়নি। প্রধানমন্ত্রীকে বলতে চাই, আপনি আমাদের ওপর এত অত্যাচার করছেন কেন? প্রশাসনের এহেন কাজে আপনার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পাপনও কাল এখানে ছিল। তাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। এভাবে আমার লোকদের গ্রেফতার করা হলে নির্বাচন কমিশন যে বলছে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে—এটাই কী সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রক্রিয়া।

এই প্রার্থী বলেন, এখানে যারা আছেন, তাদের জিজ্ঞেস করে দেখেন পুলিশ কীভাবে অত্যাচার করছে। একটি অডিও ভাইরাল হয়েছে। ভোটারদের নৌকায় ভোট দেওয়ার জন্য প্রেসার দেওয়া হচ্ছে। নয়তো তাদের ভোট দিয়ে দেওয়া হবে।

জেলা পুলিশ সুপারের বক্তব্যের প্রতিবাদে তৈমূর বলেন, আপনাদের মাধ্যমে যে কথা বলি, এটা কি তার কর্ণগোচর হয় না? এসব সাফাইয়ের কোনো ভিত্তি নাই। রবি কি মাদক ব্যবসায়ী, জামাল হোসেন কি হেফাজত। ১৯৫২ সালে যারা এ দেশের আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালিয়েছিল, তারা বাঙালি পুলিশই ছিল। 


আরও খবর