Logo
শিরোনাম

রমেক পরিচালকের অপসারণের দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ জানুয়ারী 20২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালকের অপসারণ চেয়ে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা।

সোমবার (২৩ জানুয়ারি) হাসপাতালের পরিচালকের দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে দ্বিতীয় দিনের মতো চলমান বিক্ষোভ থেকে এ আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।

বিক্ষোভ শেষে হাসপাতালের স্বাস্থ্য কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগে স্মারকলিপি প্রদান করেন বিক্ষোভকারীরা।

দুপুরে পরিচালকের কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. রাকিবুল হাসান তারেক, সাধারণ সম্পাদক ডা. কিশোর হাসান ও রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সমিতির সভাপতি শাহীন ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান নয়নসহ অন্যান্য নেতারা।

ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডা. কিশোর হাসান জানান, ২৬৬ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক পর্যায়ক্রমে ২৪ ঘণ্টা রংপুর বিভাগের মানুষকে সেবা দিয়ে আসছেন। অথচ ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কোনো সুযোগ-সুবিধা নেই। পরিচয়পত্র নেই, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের জন্য বরাদ্দকৃত হোস্টেলে থাকার জন্য বেড, বিছানা ও পানির ব্যবস্থা নেই। বিষয়টি অনেকবার পরিচালকের কাছে তুলে ধরলেও কোনো সুরাহা না করে উল্টো খারাপ আচরণ করে কক্ষ থেকে বের করে দেন। আমরা এর দ্রুত সমাধান চাই।

এ সময় রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সমিতির সভাপতি শাহীন ইসলাম বলেন, পরিচালক দায়িত্বে আসার পর থেকেই নানা অজুহাতে কর্মচারীদের ওপর অত্যাচার চালিয়ে আসছেন। সেই সঙ্গে লাগামহীন দুর্নীতি করছেন তিনি। এ সব বিষয়ে প্রতিবাদ করায় চাকরিচ্যুত করার হুমকি দেন তিনি। আমরা ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছি, এর মধ্যে অপসারণ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে যাব।

এ বিষয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আ ম আখতারুজ্জামান জানান, তারা স্মারকলিপি দিয়েছেন। আমরা অভিযোগের বিষয়গুলো দেখছি। পরিচালক স্যারের সঙ্গে এ বিষয়ে বসে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়, তা দেখা হচ্ছে।

নিউজ ট্যাগ: রমেক হাসপাতাল

আরও খবর

প্রেমিকার বাবাকে পিটিয়ে হত্যা

বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩




শপথ নিলেন নিউজিল্যান্ডের নতুন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নিউজিল্যান্ডের ৪১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ক্রিস হিপকিন্স। দেশটির বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্নের স্থলে নতুন নেতা হিসেবে ক্রিস হিপকিন্সকে বেছে নিয়েছে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টি।

বুধবার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানী ওয়েলিংটনে একটি অনুষ্ঠানে ৪৪ বছর বয়সী ক্রিস হিপকিন্সকে শপথ বাক্য পাঠ করান নিউজিল্যান্ডের গভর্নর জেনারেল।

নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর হিপকিন্স বলেছেন, এটি আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান ও দায়িত্ব। আগামীর চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আমি উজ্জীবিত ও উদ্দীপ্ত।’

মহামারি করোনা মোকাবিলার জন্য চিপ্পি নামে পরিচিত হিপকিন্সের সুনাম রয়েছে। ২০০৮ সালে তিনি প্রথমবারের মতো পার্লামেন্টের জন্য নির্বাচিত হন। ২০২০ সালের জুলাইয়ে তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন। 

হিপকিন্সই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে একমাত্র মনোনীত ব্যক্তি ছিলেন। রবিবার তার দলের এক বৈঠকে তাকে বেছে নেওয়া হয়।


আরও খবর



মানবতাবিরোধী অপরাধে ত্রিশালের ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ জানুয়ারী 20২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ১৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ময়মনসিংহের ত্রিশালে ছয় আসামিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আজ সোমবার ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

আসামিরা হলেন—মো. মোখলেসুর রহমান মুকুল, মো. সাইদুল রহমান রতন, শামসুল হক ফকির, নুরুল হক ফকির, মো. সুলতান মাহমুদ ফকির ও নাকিব হোসেন আদিল সরকার। তারা সবাই পলাতক রয়েছেন।

২০১৭ সালের ২৬ জানুয়ারি এ মামলার তদন্ত শুরু করা হয়। পরে ওই বছরের ৩১ ডিসেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হয়। চার্জ গঠনের সময় আসামির সংখ্যা ছিল ৯।

এরপর ২০১৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করার পর শেষ হয় ২০২০ সালের ৫ জানুয়ারি। এতে মোট ১৯ জন সাক্ষ্য দেন। ২০২২ সালের ৫ ডিসেম্বর মামলাটির যুক্তিতর্ক শেষ হয়। এরপর যে কোনো দিন রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়।

 


আরও খবর



ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ কী

প্রকাশিত:রবিবার ২২ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তিতে সম্পূর্ণ আলাদা রাশিয়া ও ইউক্রেনের সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক সম্পর্ক বেশ জটিল ও পুরোনো। প্রায় ১১ মাস আগে রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযানের মধ্য দিয়ে খানিকটা আড়ালে থাকা ওই বিরোধ চূড়ান্ত রূপ ধারণ করে। 

ইতোমধ্যে ইউক্রেনের প্রায় ২৭ শতাংশ ভূখণ্ড দখলে নিয়েছে রাশিয়া। ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া ওই যুদ্ধে উভয়পক্ষের প্রায় এক লাখ করে সেনা নিহত হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনের অবকাঠামো যতটা ধ্বংস হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে কয়েক দশক লেগে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।  পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক সূচকে সব দিক থেকে পিছিয়ে থাকা ইউক্রেন যুদ্ধে জড়াল কেন, এ প্রশ্ন শুরু থেকেই উঠেছে। এর অনেকগুলো উত্তর আছে। এমনই এক উত্তর খুঁজেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক ব্র্যান্ডন জে সফটস। উত্তর খুঁজতে তিনি যতটা না ইউক্রেন, তার চেয়ে বেশি মনোযোগ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে। কারণ আরও অনেকের মতো তিনিও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ন্যাটোর প্রক্সিযুদ্ধ মনে করেন। 

এশিয়া টাইমসে এক বিশ্লেষণে ব্র্যান্ডন জে সফটস লিখেছেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র প্রধান বিশ্বশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়। তার মধ্যে এক ধরনের সামরিক ও অর্থনৈতিক গরিমা দেখা দেয়। বিশ্বের নানা প্রান্তে সে নিজের আধিপত্য বিস্তারে মনোযোগী হয়। কিন্তু খেয়াল করলে দেখা যাবে, শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মিশন ব্যর্থ হতে থাকে।  বিশেষ করে, গত ৩০ বছরে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য বিস্তারের মিশন কখনই সফল হয়নি। বারবার ব্যর্থ হওয়ার পরও এক ধরনের ইগো বা জেদের বশবর্তী হয়ে সে আফগানিস্তান, ইরাক, লিবিয়া ও সিরিয়ায় সামরিক অভিযান চালিয়েছে। এসব অভিযানের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লেগেছে। তার চেয়ে বড় কথা, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী মনোভাবের বিস্তার ঘটেছে। 

যুক্তরাষ্ট্রের মিশন যে কারণে ব্যর্থ: ব্র্যান্ডন জে সফটস মনে করেন, আফগানিস্তান ও ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের মিশন ব্যর্থ হওয়ার একাধিক কারণ আছে। যদি কোনো একটি কারণকে এককভাবে দায়ী করতে হয়, তা হলো- বাস্তবসম্মত রাজনৈতিক লক্ষ্যের অভাব। প্রুয়েশিয়ার উনিশ শতকের আর্মি জেনারেল ও সামরিক তাত্ত্বিক কার্ল ভন ক্লজউইৎসকে উদ্ধৃত করে ব্র্যান্ডন জে সফটস লেখেন, যুদ্ধ সব সময় রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। তাই যুদ্ধের ফল কেমন হবে, তা সর্বদা রাজনীতি ও সমরনীতির যৌথ সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে। আফগানিস্তান ও ইরাকসহ মধ্যপ্রাচ্যের সব যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও সামরিক সিদ্ধান্তে সমন্বয় ছিল না। ইরাকে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত পুরোটাই ভুল ছিল। আফগানিস্তানে দুই ক্ষেত্রেই ত্রুটি ছিল। 

ইউক্রেনে যুক্তরাষ্ট্রের একই ভুল: ইউক্রেন যুদ্ধ সম্পূর্ণ এড়ানো যেত বলে মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা বিভাগের সাবেক কর্মকর্তা ব্র্যান্ডন জে সফটস। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের কারণে তা সম্ভব হয়নি। গত ফেব্রুয়ারিতে রুশ হামলা শুরুর প্রথম দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা ইউক্রেন নিয়ে যে কৌশল নিয়েছিল, তা বাস্তবসম্মত বলে মনে করেন ব্র্যান্ডন জে সফটস। তখন রাজধানী কিয়েভ ও পশ্চিম অঞ্চলকে রুশ অধিগ্রহণ থেকে রক্ষা করাই তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল। তা সফলও হয়। কিন্তু এরপর মার্কিন কৌশলবিদদের আকাঙ্ক্ষা বেড়ে যায়। তারা ক্রিমিয়াসহ পূর্ব ইউক্রেনের অধিকৃত সব অঞ্চল থেকে রুশদের তাড়ানোর ঘোষণা দেয়। শুধু তাই নয়, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ক্ষমতা থেকে সরানো ও রাশিয়াকে বিভক্ত করার আকাশকুসুম স্বপ্নে বিভোর হয়ে ওঠে। ব্র্যান্ডন জে সফটসের ধারণা, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ লাগলেও রাশিয়ার বিভক্ত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। 

ইউক্রেন যুদ্ধের সম্ভাব্য পরিণতি : যুদ্ধে ইতোমধ্যে রাশিয়া যতটা বিনিয়োগ করেছে বা জড়িয়ে পড়েছে, তাতে করে পূর্বাঞ্চলের দনবাসের অধিকাংশ ভূখণ্ড দখলে না নিয়ে ছাড়বে না মস্কো। এ অবস্থান থেকে তাদের পিছু হটার কোনো সম্ভাবনা নেই। এ পরিস্থিতিতে যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ কিয়েভের হাতে নেই। তা এখন ওয়াশিংটনের হাতে। অবশ্য শুরু থেকে তাই ছিল। এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রকেই যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগ নিতে হবে। আর তা না করলে ইউক্রেনের ট্র্যাজেডি আরও গভীর হবে। তিন দশক ধরে আলোচিত বহুকেন্দ্রিক বিশ্বের অভ্যুদয় ঘটবে। মলিন হবে ওয়াশিংটনের একাধিপত্য। বুদ্ধিবৃত্তিক, সামরিক ও অর্থনীতি উভয় দিক থেকে এটা ঘটবে।


আরও খবর



আইসিসি বর্ষসেরা ওয়ানডে একাদশে মিরাজ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ, ওয়ানডে ক্রিকেটে ২০২২ সালে দারুণ পারফরম্যান্স করেন তিনি। যার স্বীকৃতি হিসেবে আইসিসির বর্ষসেরা ওয়ানডে দলে জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার।

মঙ্গলবার আইসিসির ওয়েবসাইটে বর্ষসেরা ওয়ানডে একাদশ ঘোষণা করে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

বর্ষসেরা ওয়ানডে একাদশ

বাবর আজম (অধিনায়ক), ট্রাভিস হেড, শাই হোপ, শ্রেয়াস আইয়ার, টম ল্যাথাম, সিকান্দার রাজা, মেহেদী হাসান মিরাজ, আলজারি জোসেফ, মোহাম্মদ সিরাজ, ট্রেন্ট বোল্ট ও অ্যাডাম জামপা।


আরও খবর



আইনসম্মতভাবে আড়ি পাতার ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ইন্টিগ্রেটেড লফুল ইন্টারসেপশন সিস্টেম বা আইনসম্মতভাবে মুঠোফোন ও ইন্টারনেট মাধ্যমে যোগাযোগে আড়ি পাতার ব্যবস্থা চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিনে প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মনিটরিংয়ের (নজরদারি) মাধ্যমে দেশ ও সরকারবিরোধী বিভিন্ন কার্যক্রম বন্ধে এনটিএমসিতে (ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার) ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্স টেকনোলজির (ওএসআইএনটি) মতো আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজিত হয়েছে। একই সঙ্গে একটি ইন্টিগ্রেটেড লফুল ইন্টারসেপশন সিস্টেম (আইনসম্মতভাবে মুঠোফোন ও ইন্টারনেট মাধ্যমে যোগাযোগে আড়ি পাতার ব্যবস্থা) চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরকার দলীয় সংসদ সদস্য শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিনে প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র প্রতিরোধ করে দেশের অগ্রগতি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। যে কোন ধরনের ষড়যন্ত্র রুখে দিতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ষড়যন্ত্রে কোন ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে প্রচলিত আইনে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে বলে জানান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী। তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সাম্প্রদায়িকতাবাদ, জঙ্গিবাদ ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র রুখতে দৃঢ় অবস্থান ও কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করায় দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে।


আরও খবর