Logo
শিরোনাম

শবে মেরাজ ১৯ ফেব্রুয়ারি

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ জানুয়ারী 20২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র রজব মাসের চাঁদ দেখা গেছে। এই হিসাবে আগামী মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) থেকে পবিত্র রজব মাস গণনা শুরু হবে।

১৯ ফেব্রুয়ারি (রোববার) দিবাগত রাতে পবিত্র শবে মেরাজ পালিত হবে।

সোমবার (২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. মুনিম হাসান।

সভায় জানানো হয়, পবিত্র রজব মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, বাংলাদেশের আকাশে সোমবার পবিত্র রজব মাসের চাঁদ দেখা গেছে। এই হিসাবে আগামী ২৪ জানুয়ারি পবিত্র রজব মাস গণনা শুরু এবং আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি রোববার দিবাগত রাতে পবিত্র শবে মেরাজ পালিত হবে।


আরও খবর

আজ সরস্বতী পূজা

বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩

শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব

রবিবার ২২ জানুয়ারী ২০২৩




২০২২ সালে রেকর্ড বাণিজ্য উদ্বৃত্ত চীনের

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চীনের বাণিজ্য উদ্বৃত্তে ক্রমবর্ধমান প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। গত বছর ৮৭ লাখ ৭৬০ কোটি ডলারের বাণিজ্য উদ্বৃত্তের দেখা পেয়েছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটি। এটি ২০২১ সালের রেকর্ড পর্যায় থেকে ২৯ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। পাশাপাশি এটি ১৯৫০ সালে গণনা শুরু হওয়ার পর সর্বোচ্চ। চীনের এ বাণিজ্য উদ্বৃত্ত বিশ্বের যেকোনো দেশের চেয়ে বেশি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে দুর্বল চাহিদা এবং কোভিডজনিত কারণে সাংহাই ও অন্য শিল্পাঞ্চলগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ থাকলেও এমন রেকর্ড গড়েছে দেশটি।

জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কাস্টমসের (জিএসি) তথ্য অনুসারে, চীনের রফতানি ২০২২ সালে আগের বছরের তুলনায় ৭ শতাংশ বেড়ে ৩ লাখ ৯৫ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছেছে। রফতানি বাড়ার হার ২০২১ সালের ২৯ দশমিক ৯ শতাংশের তুলনায় অনেক ধীর। এ সময়ে আমদানি ১ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ২ লাখ ৭০ হাজার কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে। আমদানি বাড়ার গতিও ২০২১ সালের ৩০ দশমিক ১ শতাংশের তুলনায় অনেক মন্থর। দেশটির ভোক্তা ব্যয় দুর্বল হয়ে পড়ায় আমদানি ধীর হয়েছে। সব মিলিয়ে দেশটির রফতানি ও আমদানির মধ্যকার ব্যবধান ৮৭ হাজার ৭৬০ কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে। যেখানে ২০২১ সালে বাণিজ্য উদ্বৃত্তের পরিমাণ ছিল ৬৭ হাজার ৪০ কোটি ডলার।

জিএসির মুখপাত্র লু ডালিয়াং এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গত বছর চীনের বৈদেশিক বাণিজ্য ও রফতানি অনেক প্রতিবন্ধকতা এবং চ্যালেঞ্জের মুখেও দৃঢ় স্থিতিস্থাপকতা দেখিয়েছে। গত বছর বিশ্বের প্রধান অর্থনীতিগুলোয় মূল্যস্ফীতি রেকর্ড পর্যায়ে উন্নীত হয়েছিল। এ প্রবণতা ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো আগ্রাসীভাবে সুদের হার বাড়িয়েছে। জীবনযাত্রার উচ্চ ব্যয়ের কারণে অতিপ্রয়োজনীয় নয় এমন ব্যয়ের ক্ষেত্রে লাগাম টানছেন ভোক্তারা। ফলে বিশ্বজুড়ে চাহিদা দুর্বল হয়ে পড়েছে। এতে গত বছরের শেষ দিকে সংকুচিত হয়েছে চীনের রফতানি। ডিসেম্বরে টানা তৃতীয় মাসের মতো রফতানি সংকুচিত হয়েছে। গত মাসে সংকোচনের গতি আরো ত্বরান্বিত হয়েছে।

গত মাসে এক বছর আগের তুলনায় দেশটির রফতানি ১০ দশমিক ১ শতাংশ কমেছে। এ হার নভেম্বরের ৯ শতাংশ সংকোচনের চেয়ে বেশি। গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে চীনা পণ্যের রফতানি ১ শতাংশ বেড়ে ৫৮ হাজার ১৮০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। যদিও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময় আরোপিত বাড়তি শুল্ক এখনো অনেক পণ্যের ওপরে রয়েছে। অন্যদিকে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি থেকে চীনের আমদানি ১ শতাংশ কমে ১৭ হাজার ৭৬০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। এ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত ২০২১ সালের চেয়ে ১ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ৪০ হাজার ৪১০ কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে। ক্রমবর্ধমান এ বাণিজ্য ব্যবধানই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে শুল্ক বাড়াতে প্ররোচিত করেছিল।

এদিকে পশ্চিমা অর্থনীতিগুলোয় মন্দার ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় চীনের রফতানি বাড়ার হার আরো দুর্বল হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। কোনো কোনো অর্থনীতিবিদ এমন আশঙ্কাও করছেন যে চলতি বছর চীনের রফতানি সংকুচিত হতে পারে। অর্থনীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের জুলিয়ান ইভান্স-প্রিচার্ড চলতি সপ্তাহে একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে, চীনের রফতানি চলতি বছরের মাঝামাঝি পর্যন্ত সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

২০২২ সালের শুরুর দিকে কোভিডজনিত লকডাউনের কারণে চীনের রফতানি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। মার্চে সাংহাই ও অন্য শিল্পাঞ্চলগুলো দুই মাস লকডাউনের মধ্যে ছিল। এতে উৎপাদন ও পণ্য পরিবহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গত বছরের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ৩০ হাজার ১১০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। যেখানে এ সময়ে মার্কিন পণ্যের আমদানি ৭ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৩৬০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ৭ হাজার ৮০০ কোটি ডলারে নেমেছে। এছাড়া গত মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নে চীনা পণ্যের রফতানি ৩৯ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৩৬০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। যেখানে ২৭ দেশের জোটটি থেকে আমদানি ৩১ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ২ হাজার ৪০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। এ সময়ে ইউরোপের সঙ্গে দেশটির বাণিজ্য উদ্বৃত্ত ৫০ শতাংশ কমে ১ হাজার ৯৬০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে দূরত্বও অঞ্চলটির সঙ্গে চীনের বাণিজ্য কমাতে ভূমিকা রেখেছে।

নিউজ ট্যাগ: চীন

আরও খবর



পেরুতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত ১২

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পেরুতে মাসব্যাপী চলা রাজনৈতিক সংকটের মধ্যে সর্বশেষ সহিংসতায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার (৯ জানুয়ারি) বিক্ষোভকারীরা যখন একটি বিমানবন্দরে জড়ো হওয়ার চেষ্টা করে তখন এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ন্যায়পাল অফিসের একজন কর্মকর্তা এএফপিকে বলেন, পুনো অঞ্চলের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর জুলিয়াকাতে এই রক্তপাত ঘটে।

দেশটির প্রেসিডেন্ট দিনা বোলুয়ার্তের পদত্যাগের দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা। গত ৭ ডিসেম্বর তৎকালীন প্রেসিডেন্ট পেদ্রো ক্যাস্টিলো ক্ষমতাচ্যুত ও গ্রেপ্তার হওয়ার পর দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি।

কংগ্রেস ভেঙে দিয়ে ডিক্রির মাধ্যমে শাসন শুরুর চেষ্টা করার পরে ক্যাস্টিলোকে অপসারণ করা হয়। এরপর বেশ কয়েকটি দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের মুখোমুখি হন তিনি। এর জেরে বছরের পর বছর ধরে চলা রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীল দেশটিতে সপ্তাহব্যাপী সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে।

বামপন্থি ক্যাস্টিলোকে অপসারণে ক্ষুব্ধ বিক্ষোভকারীরা বোলুয়ার্তের পদত্যাগ এবং অবিলম্বে নতুন নির্বাচন চান। তারা ইতোমধ্যে ২০২৬ থেকে ২০২৪ সালের এপ্রিলে নেমে এসেছেন।

পেরুর একটি টিভি চ্যানেলকে ক্যালোস মঙ্গে হাসপাতালের একজন কর্মকর্তা বলেন, জুলিয়াকাতে সোমবার নিহত ব্যক্তিদের গায়ে গুলি লেগেছে। ক্যাস্টিলোকে ক্ষমতাচ্যুত করার ফলে সৃষ্ট সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত সারাদেশে ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

জুলিয়াকার মেয়র অস্কার ক্যাসেরেস শান্তি ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়ে বলেন, পেরুভিয়ানরা একে অপরকে হত্যা করছে। আমি শান্ত থাকার জন্য অনুরোধ করছি। এর আগে, শনিবার জুলিয়াকা বিমানবন্দর দখল করার চেষ্টা করেছিল বিক্ষোভকারীরা। কিন্তু এটি সুরক্ষিত রাখে পুলিশ ও সৈন্যরা।

বলিভিয়ার সীমান্তে পুনো অঞ্চলে অবস্থিত জুলিয়াকা। এখানে আয়মারা আদিবাসী গোষ্ঠীর বহু লোক বসবাস করেন। এই সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে পুনো সরকারবিরোধী বিক্ষোভের কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠেছে। গত ৪ জানুয়ারি সেখানে হরতাল ঘোষণা করা হয়েছিল।

নববর্ষের ছুটিতে বোলুয়ার্তে সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে বিরতি নেওয়া হয়। কিন্তু ওই দিন এটি আবার শুরু হয়েছে। সোমবার পর্যন্ত পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় এলাকাগুলোসহ দেশটির ছয়টি বিভাগে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভকারীরা।

বোলুয়ার্তে ক্যাস্টিলোর ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং তার মতোই একজন বামপন্থি। কিন্তু অনেক আদিবাসী বোলুয়ার্তেকে বিশ্বাসঘাতক বলে অভিহিত করেছেন। কারণ তিনি তাদের স্বার্থ রক্ষা করেন না।


আরও খবর



বিপিএলে দেশি কোচে বেশি ভরসা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) মানেই যেন বিদেশি কোচের মেলা। প্রধান কোচ তো বটেই, কোচিং স্টাফের বেশির ভাগ পদে সাধারণত বিদেশিদের ওপরই ভরসা রাখে ফ্র্যাঞ্চাইজিরা। যদিও স্থানীয় কোচদের সাফল্যের হারই বেশি। তবু আরও অনেক ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টের মতো বিপিএলেও বিদেশি কোচদের বেশ কদর থাকে।

এবার এখানেই ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। আগামী শুক্রবার থেকে শুরু হতে যাওয়া এই বিপিএলে সাত দলের পাঁচ প্রধান কোচই দেশি। গত বিপিএলে দেশি-বিদেশি কোচের অনুপাত ছিল সমান ৩: ৩। করোনা বিরতির আগে ফ্র্যাঞ্চাইজি পদ্ধতি থেকে সরে আসা বিপিএলের সাত দলের ছয় প্রধান কোচই ছিলেন বিদেশি। ২০১৯ সালের সেই বিপিএলে একমাত্র স্থানীয় কোচ হিসেবে ছিলেন মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। ঢাকা প্লাটুনের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

এবার চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ও ঢাকা ডমিনেটরস শুধু বিদেশি কোচের দিকে ঝুঁকেছে। চট্টগ্রামের ফ্র্যাঞ্চাইজিটির প্রধান কোচের ভূমিকায় দেখা যাবে সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটার জুলিয়ান উডকে। গত বিপিএলে সিলেট সানরাইজার্সের ব্যাটিং কোচ ছিলেন উড। ঢাকার কোচ হয়ে এসেছেন সাবেক শ্রীলঙ্কান বাঁহাতি পেসার চামিন্দা ভাস।

খুলনা টাইগার্স, রংপুর রাইডার্স, সিলেট স্ট্রাইকার্স, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস ও ফরচুন বরিশালপাঁচ দলের কোচ স্থানীয়। খুলনায় তামিম ইকবাল-ইয়াসির আলী রাব্বিদের নিয়ে শিরোপা লড়াইয়ে নামবেন খালেদ মাহমুদ সুজন। বিরতি দিয়ে বিপিএলে ফেরা রংপুর বেছে নিয়েছে দেশের স্বনামধন্য স্পিন বোলিং কোচ হিসেবে পরিচিত সোহেল ইসলামকে, যিনি সর্বশেষ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগজয়ী শেখ জামালেরও কোচ ছিলেন।

নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি সিলেট ভরসা রেখেছে সাবেক বাংলাদেশ অধিনায়ক রাজিন সালেহের ওপর। সালাউদ্দিন এবারও থাকছেন বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লার সঙ্গে। বরিশালের লঞ্চ সামলাবেন নাজমুল আবেদিন ফাহিম। সালাউদ্দিন, ফাহিম ও সুজন বিপিএলে পুরোনো নাম। সালাউদ্দিনের অধীনে সবচেয়ে বেশি তিনবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কুমিল্লা। সুজনেরও শিরোপা জেতার অভিজ্ঞতা রয়েছে।

তবে বিপিএলের মতো মঞ্চে প্রধান কোচ হিসেবে এবারই প্রথম সোহেল আর রাজিন সালেহ। স্থানীয় কোচদের জন্য এটা বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন রাজিন। গতকাল তিনি বলছিলেন, বিপিএল অনেক বড় একটা মঞ্চ স্থানীয় কোচদের জন্য। এ বছর অনেক দলে দেশি কোচরা আছেন, এটা আমাদের জন্য অনেক বড় সুযোগ। বিপিএল এমন একটা মঞ্চ, এখানে ভালো কাজ করলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যেকোনো জায়গায় কাজ করার আত্মবিশ্বাস জন্মাবে। অনেক ভালো অভিজ্ঞতা হবে দেশি কোচদের জন্য। বাংলাদেশ ক্রিকেটের উন্নয়নে যেটা কাজে দেবে।

বড় সুযোগ পেলেও কাজটা যে যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং, সেটা মানছেন রাজিন, অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং হবে। এখানে শুধু স্থানীয় না, বাইরের অনেক ক্রিকেটারও থাকবে। তাদের পরিচালনা করা, তাদের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার কাজ তো চ্যালেঞ্জিংই। চ্যালেঞ্জিং হলেও অনেক কঠিন মনে করি না।

স্থানীয় কোচদের কাছে এটা কতটা অনুপ্রেরণার, বলছিলেন রংপুরের কোচ সোহেল, অনুপ্রেরণার যেমন, সুযোগও বটে। ফ্র্যাঞ্চাইজিরা আমাদের ওপর বিশ্বাস রাখতে শুরু করেছে। আমরাও যে এ ধরনের মঞ্চে দল চালাতে পারি, তারা বুঝতে পেরেই দায়িত্ব দিয়েছেন। এখানে কাজ করে নিজেদের আত্মবিশ্বাস বাড়বে।

শুধু প্রধান কোচ নয়, এবার কোচিং স্টাফের বাকি পদগুলোতেও স্থানীয় কোচদের ছড়াছড়ি। সিলেটের কোচিং স্টাফেই যেমন প্রধান ও ব্যাটিং কোচ রাজিন। সহকারী কোচ বাংলাদেশ দলের সাবেক পেসার নাজমুল ইসলাম, পেস বোলিং কোচ সৈয়দ রাসেল, স্পিন বোলিং কোচ মুরাদ খান ও ফিল্ডিং কোচের দায়িত্বে থাকবেন ডলার মাহমুদ ও রাসেল আহমেদ। এবার স্থানীয় কোচদের অপেক্ষা শুধু নিজেদের মেলে ধরার।


আরও খবর



গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আমরা জয়ী হব: মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | ১৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আমাদের বহুদলীয় গণতন্ত্র দিয়েছিলেন জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জাতি আজ আবার সঙ্কটে পড়েছে। আজকে সমগ্র জাতি অন্ধকারে নিমজ্জিত। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার চক্রান্ত করছে তার বিরুদ্ধে গোটা জাতি জেগে উঠেছে। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে গোটা জাতি জেগে উঠেছে। জাতি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে শপথ নিয়ে জেগে উঠেছে। ইনশাআল্লাহ আমরা মানুষকে সংঘটিত করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, দেশ রক্ষার লড়াই সংগ্রামে জয়ী হবো।

জিয়াউর রহমানের ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে দলের স্থায়ী কমিটির নেতাদের সঙ্গে নিয়ে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। এ সময় স্থায়ী কমিটির নেতাদের মধ্যে ছিলেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মির্জা আব্বাস, ড. আব্দুল মঈন খান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

মির্জা ফখরুল বলেন, জনগণের নেতা জিয়াউর রহমান। যিনি জাতির ক্রান্তিলগ্নে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি ও বহুদলীয় গগণতন্ত্রের প্রবক্তা। আমরা তাকে শ্রদ্ধা জানাই। তার রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।

তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমান একজন ক্ষণজন্মা মানুষ। তিনি মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে নিজে নেতৃত্ব দিয়েছেন। পরে ৭ নভেম্বরও তিনি জাতির ক্রান্তিলগ্নে হাল ধরেছিলেন। হতাশাগ্রস্ত জাতিকে দিক নির্দেশনা দিয়েছিলেন। তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ায় বাংলাদেশের মানুষ নতুনভাবে উজ্জীবিত হয়ে নতুন স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। তিনি একদলীয় শাসন থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র উপহার দিয়েছিলেন। মুক্তবাজার অর্থনীতি উপহার দিয়েছেন। আজকে আধুনিক বাংলাদেশের উন্নয়নের ভিত্তি রচনা করেছিলেন জিয়াউর রহমান।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, জিয়াউর রহমান গোটা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার মাধ্যমে দেশকে উন্নতি ও অগ্রগতির দিকে নিয়ে যেতে স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য, তাকে আমরা বেশিদিন পাইনি। বাংলাদেশের শত্রুদের হাতে তিনি শহীদ হয়েছেন। বর্তমানেও আমরা তার আদর্শ ও ১৯ দফাকে সামনে রেখে আমরা পথ চলছি।

জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনকালে আরও ছিলেন, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির মো. আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তরের আমান উল্লাহ আমান, আবুল খায়ের ভূইয়া, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, কেন্দ্রীয় নেতা শহীদ উদ্দীন চৌধুরী অ্যানি, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, মীর সরফত আলী সপু, মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, রফিকুল আলম মজনু, আমিনুল হক, ফজলুর রহমান খোকনসহ অসংখ্য নেতাকর্মী।

পরে বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারাও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। তাদের অন্যতম হলেন- মুক্তিযোদ্ধা দলের ইশতিয়াক আজিজ উলফাৎ, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ, ডা. মো. আব্দুস সালাম, মৎস্যজীবী দলের মো. আব্দুর রহিম, অধ্যক্ষ সেলিম মিয়া, ওমর ফারুক পাটেয়ারি, শ্রমিক দলের আনোয়ার হোসাইন, আবুল খায়ের খাজা, কাজী মো. আমীর খসরু, মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, মাহবুব আহমেদ বাদল, তাঁতী দলের কাজী মনিরুজ্জামান মনির, মহিলা দলের আফরোজা আব্বাস, হেলেন জেরিন খান, শাম্মি আখতার, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ডা. পারভেজ রেজা কাকন, প্রকৌশলী মাহবুব আলম, প্রকৌশলী আইয়ুব হোসেন মুকুল, ছাত্রদলের কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, সাইফ মাহমুদ জুয়েল প্রমুখ।


আরও খবর



কিশোর গ্যাংয়ের হাতে স্কুলছাত্র খুন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলার শংকুচাইল এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নবম শ্রেণি পড়ুয়া রায়ান হোসেন খান নামে এক স্কুলছাত্রকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে ৭-৮ জনের একদল কিশোর গ্যাং। রোববার বিকেলে বুড়িচং উপজেলার রাজাপুর ইউপির শংকুচাইলের পূর্ণমতি সড়কের মাথায় ঘটনাটি ঘটে।রাতে ঢাকা নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

নিহত রায়ান হোসেন খান (১৪) উপজেলার রাজাপুর শংকুচাইল খান বাড়ির সৌদি প্রবাসী গিয়াস উদ্দিন খানের ছেলে। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেলে নিহত রায়ান খান বাড়ির পাশেই রাজাপুর রেলস্টেশনে হাটতে বের হয়। এ সময় পার্শ্ববর্তী গ্রাম পূর্ণমতী সড়কের মাথায় যাওয়ার সময় সড়কের অদূরে এক জোড়া কিশোর-কিশোরীকে একসঙ্গে দেখতে পায়। তখন সে তার পরিচিত কেউ হতে পারে ভেবে তাদের সামনে গেলে রায়ানের ওপর তারা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্য হাতাহাতি হলে পাশের জমিতে ট্রাকটার দিয়ে হাল চাষ করা এক ট্রাকটরচালক ঘটনাটি দেখে তিনি রায়ানকে ছাড়িয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।

কিছুক্ষণ পরে ট্রাকটারচালক ঘটনাটি মীমাংসা করে দেওয়ার কথা বলে রায়ানকে বাড়ি থেকে ডেকে পূর্ণমতি রাস্তার মাথার দিকে যাওয়ার সময় আগে থেকে ওত পেতে থাকা ৭-৮ জনের কিশোর গ্যাং তার ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে মাথায় ও পুরো শরীরে আঘাত করে রেল সড়কের কাছে ফেলে যায়।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকায় নিয়ে যেতে বলে। পরে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে তার মৃত্যু হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুমিল্লা বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন জানান, এ ঘটনায় রায়ানের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার পর থেকে পুলিশের একাধিক টিম অভিযানে নেমেছে। দ্রুত আসামিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।


আরও খবর

কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২ শ্রমিক নিহত

বৃহস্পতিবার ১৯ জানুয়ারী ২০২৩