Logo
শিরোনাম

শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব

প্রকাশিত:রবিবার ২২ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৫৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। রবিবার দুপুর ১২টার দিকে শুরু হয়ে আখেরি মোনাজাত শেষ হয় পৌণে ১টায়।

মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা সাদ কান্ধলভীর বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ কান্দলভী।আখেরি মোনাজাতের শুরুতে ইজতেমার ময়দান ও আশপাশের এলাকায় নেমে আসে শুনশান নীরবতা। আমিন আমিন, আল্লাহুম্মা আমীন ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো ইজতেমা ময়দান।

মোনাজাতের আগে বিশ্ব ইজতেমার ৫৬তম আসরে চলে পবিত্র কোরআন-হাদিসের আলোকে বয়ান। এর আগে অনুষ্ঠিত হয় হেদায়াতি বয়ান। দেশ বিদেশের লাখ লাখ মুসল্লিদের উপস্থিতিতে এবাদত, বন্দেগি, জিকির, আসকার আর আল্লাহু আকবর ধ্বনিতে উত্তাল টঙ্গীর তুরাগপাড়ের বিশ্ব ইজতেমা ময়দান।


আরও খবর

আজ সরস্বতী পূজা

বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩

শবে মেরাজ ১৯ ফেব্রুয়ারি

সোমবার ২৩ জানুয়ারী 20২৩




মহিষের আক্রমণে আ.লীগ নেতাসহ নিহত ৩

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ১৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে মহিষের আক্রমণে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতিসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুইজন মারা যান। এর আগে বিকেলে হাজেরা বেগম নামে এক নারী মারা গেছেন।

নিহতরা হলেন উপজেলার লাউহাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসমত আলী খান ও একই এলাকার কিতাব আলী। অপর নিহত হাজেরা বেগম উপজেলার তারুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

জানা গেছে, দেলদুয়ারের এলাসিন ইউনিয়নের বারপাখিয়া গ্রামের শরিফ মিয়া কৃষিকাজের জন্য এক জোড়া মহিষ কেনেন। গত রোববার একটি মহিষ দড়ি ছিঁড়ে পালিয়ে যায়। এ সময় লাউহাটি ইউনিয়নের তারুটিয়া গ্রামের মানুষের ওপর হামলা চালায়। পরে মহিষটিকে ধরতে গিয়ে দুই ঘণ্টায় নারী-পুরুষসহ অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছে। পরে আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

দেলদুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির আলী মৃধা বলেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজন মারা গেছেন। এর আগে গতকাল এক নারী মারা গেছেন। এ নিয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। বাকিরা চিকিৎসাধীন রয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: মহিষের আক্রমণ

আরও খবর

ভাতিজার দায়ের কোপে চাচা খুন

বৃহস্পতিবার ০৫ জানুয়ারী ২০২৩

টাঙ্গাইলে ট্রেনের ধাক্কায় দুই যুবক নিহত

বৃহস্পতিবার ২২ ডিসেম্বর 20২২




প্রাথমিকে অনলাইনে বদলি আবেদন চলবে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত

প্রকাশিত:সোমবার ০২ জানুয়ারী 2০২3 | হালনাগাদ:সোমবার ২৩ জানুয়ারী 20২৩ | ৫৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষকদের একই উপজেলায় দ্বিতীয় ধাপের অনলাইনে বদলি আবেদন আগামী ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চালু থাকবে। সোমবার (২ জানুয়ারি) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নাসরিন সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছ থেকে একই উপজেলার মধ্যে অনলাইন বদলির আবেদন গ্রহণ করা হয়। পরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সমন্বিত অনলাইন বদলি নির্দেশিকা (সংশোধিত) ২০২২ জারি হয়। একই উপজেলায় দ্বিতীয় দফা অনলাইন বদলি আবেদনের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত শর্ত মানতে হবে। এ ক্ষেত্রে আগামীকাল (৩ জানুয়ারি) থেকে ৮ জানুয়ারি ২০২৩ পর্যন্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের একই উপজেলায় বদলির আবেদন কার্যক্রম চালু থাকবে।

অনলাইন বদলি আবেদনে নিম্নলিখিত শর্ত মানতে হবে- শিক্ষকরা ক্রমানুসারে সর্বোচ্চ তিনটি বিদ্যালয় পছন্দের তালিকায় রাখবেন। তবে কোনো শিক্ষকের একাধিক পছন্দ না থাকলে শুধুমাত্র একটি বা দুইটি বিদ্যালয় পছন্দ করতে পারবেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে বদলির আদেশ জারি হলে তা বাতিল করতে পরে কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

যাচাইকারী কর্মকর্তা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ২২ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখে জারি করা সবশেষ সমন্বিত অনলাইন বদলি নির্দেশিকা (সংশোধিত) ২০২২ অনুযায়ী আবেদনকারীর আবেদন ও অন্যান্য কাগজপত্র যাচাই করবেন। যাচাইকারী কর্মকর্তা সতর্কতার সঙ্গে কাজটি করবেন। পরে পুনর্বিবেচনার আবেদন করলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।

উল্লেখ্য, আবেদনকারীর পছন্দক্রম অনুযায়ী বদলি হওয়ার নিশ্চয়তা নেই। একাধিক আবেদনকারীর পছন্দকে সফটওয়্যারের মাধ্যমে নির্বাচিত করা হয়। এ ক্ষেত্রে কোনো হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।


আরও খবর



দুপুরেও সূর্যের দেখা মেলেনি চুয়াডাঙ্গায়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৫১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চুয়াডাঙ্গায় সকাল থেকে ঘনকুয়াশায় অন্ধকারাচ্ছন্ন আবহাওয়া বিরাজ করছে। কুয়াশার চাদরে ঢেকে গেছে গোটা জেলা। বেলা বেড়ে দুপুর হলেও সূর্যের দেখা মেলেনি। মঙ্গলবার ঘনকুয়াশায় দৃষ্টিসীমা ৫০০ মিটারে নেমে এসেছে। এমতবস্থায় দুর্ঘটনা এড়াতে যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। এদিকে শীতজনিত কারণে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে অনেকে।

চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হওয়ায় এ জেলায় প্রচণ্ড শীত অনুভূত হচ্ছে। জেলার শৈত্য প্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়। বাতাসের আর্দ্রতা ৯৯ শতাংশ। দৃষ্টিসীমা ৫০০ মিটার। এর আগে এদিন সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল। ওই সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ।

গত ১০ দিন ধরে এ জেলায় ক্রমাগত তাপমাত্রা কমছে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া থাকায় সূর্যের দেখা মিলছেনা। দিনে শীত কম হলেও রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা কমে হাঁড় কাঁপানো শীত অনূভূত হচ্ছে। এর ফলে জনজীবনে দুর্ভোগ বাড়ছে এবং শীতজনিত ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, ঠাণ্ডাজ্বর, কাশিতে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ।

গত তিন দিনে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে প্রায় ৩৫০ জন রোগী শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। যা ধারণ ক্ষমতার চেয়ে ১৫ গুণ বেশি। তাছাড়া হাসপাতালে বহিঃবিভাগে ৩০০ থেকে ৪০০ রোগী প্রতিদিন চিকিৎসা নিচ্ছেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা.আসাদুর রহমান মালিক বলেন, শীতের তীব্রতা বাড়ার কারণে শিশু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। শীতজনিত ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া রোগী বেশি।

এই সময়ে শিশুদের মায়ের বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। সেই সঙ্গে তাদের শরীরে গরম কাপড় পরিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা প্রয়োজন বলে সবাইকে সচেতন হতে পরামর্শ দেন তিনি।

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান জানান, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণভাণ্ডার থেকে পাওয়া ২০ হাজার ১০০ কম্বল শীতার্ত মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে আরও ৩০ হাজার কম্বলের চাহিদা পাঠানো হয়েছে। খুব শিগগির ওগুলো পাওয়া গেলে বিতরণ করা হবে। 

নিউজ ট্যাগ: চুয়াডাঙ্গা

আরও খবর

কড়াইয়ের গরম তেলে পড়ে শিশুর মৃত্যু

শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩




গ্রিন হাইড্রোজেনে ভারতের ২৩০ কোটি ডলারের তহবিল

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদন, ব্যবহার ও রফতানিতে ২৩০ কোটি ডলারের তহবিল অনুমোদন দিয়েছে ভারত সরকার। এর মধ্য দিয়ে ভারতকে বর্ধনশীল খাতটির বৈশ্বিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

চলতি দশকের শেষ নাগাদ ৫০ লাখ টন পরিবেশবান্ধব জ্বালানি উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে ভারতের। নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে তৈরি করা বিদ্যুৎ ব্যবহার করে পানির তড়িৎ বিশ্লেষণ থেকে বানানো হয় গ্রিন হাইড্রোজেন। বিশ্বের মোট হাইড্রোজেনের বেশির ভাগই তৈরি করা হয় জীবাশ্ম জ্বালানি বিশেষ করে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে।

ভারতের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেন, গ্রিন হাইড্রোজেন সহজলভ্য করা এবং আগামী পাঁচ বছরে এর দাম কমিয়ে আনাই এ তহবিল অনুমোদনের উদ্দেশ্য। এর মাধ্যমে ভারতে কার্বন নিঃসরণও কমে আসবে এবং এ খাতে দেশ সবচেয়ে বড় রফতানিকারক হয়ে উঠতে পারে। এ অর্থায়নের কারণে ২০৩০ সাল নাগাদ ১২৫ গিগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতা বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে। গত অক্টোবর পর্যন্ত ভারতের ১৬৬ গিগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতা রয়েছে। তাছাড়া ৫০ হাজারের বেশি নতুন চাকরির ক্ষেত্র তৈরি করা, এ খাতে আরো বেশি বেসরকারি বিনিয়োগ আহ্বান করা, জীবাশ্ম জ্বালানি আমদানি কমানো এবং পাঁচ কোটি টন গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ কমানোও এমন পদক্ষেপের উদ্দেশ্য ছিল।

ভারতের সেরা নবায়নযোগ্য কিছু জ্বালানি প্রতিষ্ঠান যেমন আদানি গ্রুপের মালিকানাধীন কোম্পানি, রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রি ও জেএসডব্লিউ এনার্জি, সরকারি খাতের কোম্পানি যেমন ইন্ডিয়ান অয়েল, এনটিপিসি লিমিটেড এবং নবায়নযোগ্য প্রতিষ্ঠান রিনিউ পাওয়ার গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদনে মনোযোগ দিচ্ছে।

বিশ্বে বর্তমানে যে পরিমাণ হাইড্রোজেন ব্যবহার হচ্ছে তার খুব অল্পই গ্রিন হাইড্রোজেন। এর মোট পরিমাণ বছরে সাত কোটি টন। সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিকভাবে তৈরি করা হয় গ্রে হাইড্রোজেন, যা জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহারে তৈরি। এছাড়া ব্লু হাইড্রোজেনও জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহারে তৈরি করা হয়। কিন্তু সেখানে নিঃসরণ কমানোর জন্য কার্বন ক্যাপচার পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদনের ফলে কার্বন নিঃসরণ আরো কমে আসবে অথবা কোনো নিঃসরণই হবে না।

গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদনে উৎসাহিত করতে ভারত বেশকিছু দেশ যেমন চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের পথ অনুসরণ করছে। জ্বালানি বিশ্লেষকদের প্রত্যাশা, আগামী কয়েক বছরে গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদনের খরচ অনেক কমে আসবে। এতে ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রিন হাইড্রোনের বাজার ২০ গুণ বেড়ে ৮ হাজার কোটি ডলারে গিয়ে দাঁড়াবে।


আরও খবর



দেশের বাজারে ইতিহাসের সর্বোচ্চে শুকনো মরিচের দাম

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ১৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশের বাজারে শুকনো মরিচের দাম বেড়ে ইতিহাসের সর্বোচ্চে অবস্থান করছে। বর্তমানে মসলাপণ্যটির উৎপাদন নিম্নমুখী। তার ওপর এলসি জটিলতাসহ নানা কারণে ভারত ও মিয়ানমার থেকে আমদানি অব্যাহত কমছে। অর্থাৎ চাহিদার অনুপাতে পণ্যটির সরবরাহ অপ্রতুল। এ কারণেই বাজারদরে উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে।

একসময় শুকনো মরিচের দাম ছিল কেজিপ্রতি ১০০-১৫০ টাকার মধ্যে। করোনাকালীন আমদানি কমে যাওয়ার পাশাপাশি উৎপাদন সংকটে পণ্যটির দাম বেড়ে যায়। বর্তমানে শুকনো মরিচের কেজিপ্রতি দাম সর্বনিম্ন ৩৫০-৫০০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করছে। আসন্ন রমজানের আগে বাড়তি সরবরাহ না হলে পণ্যটির দাম আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

দেশে শুকনো মরিচের সবচেয়ে বেশি সরবরাহ হয় পঞ্চগড়, কুমিল্লা, ভোলা, চট্টগ্রাম, রায়পুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে। এছাড়া ভারত ও মিয়ানমার থেকে আমদানি হওয়া মরিচও দেশীয় চাহিদা মেটায়। তবে ভারত থেকে আমদানি কমে যাওয়ার পাশাপাশি চাহিদামতো দেশীয় উৎপাদন না হওয়ায় রেকর্ড দামে বিক্রি হচ্ছে নিত্যপণ্যটি।

দেশে ভোগ্যপণ্যের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জের বিভিন্ন আড়ত ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কুমিল্লা থেকে সরবরাহ করা শুকনো মরিচ বিক্রি হচ্ছে পাইকারিতে ৩৯০ টাকা, পঞ্চগড়ের মরিচ ৪১০ টাকা, রায়পুরের মরিচ ৪৩০ টাকা ও হাটহাজারীর মরিচ ৫০০ টাকায়। এছাড়া আমদানীকৃত ভারতীয় মরিচ বিক্রি হচ্ছে (গুজরাটি) ৩৬০-৩৭০ টাকায়।

মিয়ানমার থেকে আমদানি করা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩৭০ টাকায়। রবি মৌসুমের দেশীয় মরিচ সরবরাহ শুরু হতে অন্তত দেড়-দুই মাস সময় লাগবে। চাহিদা বিবেচনায় মিয়ানমার থেকে আমদানি শুরু হলে বাজারদর কিছুটা কমে আসে। তবে সম্প্রতি দেশটি থেকে আমদানি কমেছে। ভারতের সরবরাহও নিম্নমুখী। এ কারণে আবারো বাড়তে শুরু করেছে পণ্যটির দাম। দেশীয় উৎপাদন না বাড়লে মরিচের বাজার আরো চড়া হবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মেসার্স বাঁচা মিয়া ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. সেকান্দর বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদার অনুপাতে মরিচের উৎপাদন বাড়ছে না। আমদানির মাধ্যমেই চাহিদা মেটাতে হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। ভারতে বন্যাজনিত কারণে পণ্যটির সরবরাহ কমেছে। দেশটি থেকে পর্যাপ্ত শুকনো মরিচ আমদানি করা যাচ্ছে না।

তাছাড়া বর্তমানে ডলার সংকটসহ বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতাও আমদানি কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ। এসব কারণেই বাজারে স্থিতি ফিরছে না। চলতি মৌসুমে দাম বৃদ্ধির প্রভাবে উৎপাদন বাড়লে আগামী বছর বাজার স্বাভাবিক হতে পারে। দুই সপ্তাহ ধরে পাইকারি পর্যায়ে মরিচের মূল্যবৃদ্ধির কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, ডলার সংকটে আমদানি অনেকটাই স্থবির। আসন্ন রমজান উপলক্ষে বাড়তি চাহিদা ধরে রাখতে মজুদ প্রবণতা বেড়েছে। ভোক্তা পর্যায়ে এরই মধ্যে চাহিদা বাড়তে শুরু করেছে।

খাতসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আগে দেশে শুকনো মরিচের দাম নির্ভর করত পাইকারি বাজার ও স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপারীদের ওপর। বেশ কিছুদিন ধরে দেশের করপোরেট কোম্পানিগুলো উৎপাদন মৌসুমে আগাম মরিচ কিনে মজুদ করে রাখায় স্থানীয় পর্যায়ে সংকট দেখা দেয়। এ কারণে কৃষকরা প্রকৃত মূল্য না পেলেও ভোক্তা পর্যায়ে এসে শুকনো মরিচের দাম আকাশচুম্বী হয়ে পড়ে।

নিউজ ট্যাগ: শুকনো মরিচ

আরও খবর