
ওবেড ম্যাকয়ের
দুরন্ত বোলিং এবং ব্রেন্ডন কিংয়ের সাহসী ব্যাটিংয়ের জেরে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ভারতকে
পাঁচ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নির্ধারিত ওভারের দুই বল আগেই
১৩৮ রানে অলআউট হয়ে যায় ভারত। জবাবে চার বল বাকি থাকতে জয়ের প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয়
ক্যারিবীয়রা।
ভারতের শুরুটা
এদিন একেবারেই ভালো হয়নি। ওপেন করতে নেমেছিলেন রোহিত এবং সূর্যকুমার যাদব। ম্যাকয়ের
প্রথম বলেই আকিল হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান রোহিত। ১৭ রানের মাথায় দ্বিতীয় উইকেটের
পতন। ছয় মেরে শুরুটা ভালো করেছিলেন সূর্যকুমার যাদব। তিনিও ম্যাকয়ের বলে আউট হন।
তিনে নামা শ্রেয়াসকে
তুলে নেন আলজারি জোসেফ। একটি চার এবং দু’টি ছক্কা মেরে
আক্রমণাত্মক মেজাজে শুরু করেছিলেন ঋষভ পন্থ। তাকে ফেরান আকিল হোসেন। মাত্র ৬.৩ ওভারে
৬১ রানে চার উইকেট পড়ে যাওয়ায় কাউকে ধরে খেলতেই হতো। সেই কাজটাই করলেন হার্দিক পান্ডে
এবং রবীন্দ্র জাদেজা। হার্দিক ৩১ করেন ৩১ বল খেলে। আর জাদেজার ২৭ রান আসে ৩০ বলে। শেষ
পর্যন্ত ১৯ ওভার ৪ বলে ১৩৮ রানে গুটিয়ে যায় রোহিতের দল। ম্যাকয় ১৭ রানে ছয় উইকেট নেন।
দু’টি উইকেট নেন জেসন হোল্ডার।
রান তাড়া করতে
নেমে শুরু থেকেই ভাল খেলতে থাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কার্যত একার হাতে ম্যাচ জেতানোর দায়িত্ব
নিয়ে নেন ব্রেন্ডন। উল্টো দিকে থাকা কাইল মেয়ার্সকে (৮) ফেরান হার্দিক। নিকোলাস পুরান
(১৪), শিমরন হেটমায়ারও (৬) সফল হতে পারেননি। তবে ব্রেন্ডন যতক্ষণ ক্রিজে ছিলেন, ততক্ষণ
ওয়েস্ট ইন্ডিজকে চিন্তা করতে হয়নি।
ক্যারিবীয়রা সামান্য
চাপে পড়েছিল ব্রেন্ডন ফেরার পর। দলের ১০৭ রানের মাথায় আবেশ খানের বল বুঝতে না পেরে
ফিরে যান ব্রেন্ডন। ৫২ বলে ৬৮ করেন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান তোলার গতি এরপরে বেশ
খানিকটা কমে যায়। চাপে রাখার চেষ্টা করছিলেন হার্দিক এবং অর্শদীপ সিংহ। তবে শেষ রক্ষা
হয়নি। শেষ ওভারে দরকার ছিল ১০ রান। আবেশের প্রথম ডেলিভারিই ‘নো বল’ হয়। তার পরের দু’টি বলে ছয় এবং চার মেরে ম্যাচ শেষ করে
দেন টমাস।

