Logo
শিরোনাম

শোয়েব মালিকের ব্যাটে রংপুরের বড় সংগ্রহ

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ জানুয়ারী 20২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) শোয়েব মালিক ও আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহ পেয়েছে রংপুর। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭৯ রান করে নুরুল হাসান সোহানের দল। এর মধ্যে শোয়েব ও আজমতউল্লাহ’র ব্যাট থেকেই আসে ১১৭ রান। জেতার জন্য চট্টগ্রামের প্রয়োজন ১৮০ রান।

সোমবার মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামে রংপুর। প্রথম ওভারের তৃতীয় বলে শেখ মেহেদিকে হারিয়ে শুরু হয় রংপুরের ইনিংস। বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি পারভেজ হোসেন ইমনও। ৬ রান করে তার ফেরার পর নাঈম শেখকে সঙ্গ দেন শোয়েব মালিক। নবম ওভারে বাজে শট খেলে বিদায় নেন ৩৪ রান করা নাঈম। 

নাঈমের বিদায়ের পর ব্যাট করতে নামা ওমরজাইকে নিয়ে এগোতে থাকেন শোয়েব মালিক। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ২৯ বলে স্পর্শ করেন অর্ধশতক। অপরপ্রান্তে থাকা ওমরজাই ব্যাট চালাতে থাকেন দ্রুতগতিতে। মালিকের সঙ্গে গড়েন ৫৩ বলে ১০৫ রানের জুটি। এরপর অষ্টদশ ওভারে এসে মেহেদি হাসান রানার শিকার হন তিনি। ২৪ বলে ৪ ছক্কা ও এক চারে ৪২ রান করে বিদায় নেন আফগান এই অলরাউন্ডার।

ওমরজাই বিদায় নিলে শেষটা সামলে নেন মালিক। দলকে এনে দেন বড় সংগ্রহ। ৫ ছক্কা ও ৫ চারে ৪৫ বলে ৭৫ রান করে অপরাজিত থাকেন পাকিস্তানি অলরাউন্ডার। এর আগে মোহাম্মদ নওয়াজ ৯ ও শামিম হোসাইন ৭ রান করে উইকেট হারান। 

চট্টগ্রামের হয়ে মেহেদী হাসান রানা নেন ৩ উইকেট। ২ উইকেট নেন শুভাগত হোম এবং ১ উইকেট নেন বিজয়কান্ত।


আরও খবর



আক্রমণের ধার বাড়াতে মুদ্রিককে দলে ভেড়াল চেলসি

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২২ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চোটে জর্জরিত চেলসি আক্রমণের ধার বাড়াতে দলে টানল নতুন খেলোয়াড়। শাখতার দেনেৎস্ক থেকে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবটিতে যোগ দিলেন ফরোয়ার্ড মিখাইলো মুদ্রিক। দুই ক্লাবের পক্ষ থেকে রবিবার (১৫ জানুয়ারি) বিবৃতি দিয়ে বিষয়টি জানানো হয়েছে। সাড়ে ৮ বছরের জন্য স্ট্যামফোর্ড ব্রিজের ক্লাবটিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন ইউক্রেইনের এই ফুটবলার।

ক্লাবের ওয়েবসাইটে দেওয়া বিবৃতিতে শাখতার জানায়, ২২ বছর বয়সী মুদ্রিকের বিনিময়ে সাত কোটি ইউরো পাবে তারা। বিভিন্ন বোনাসসহ যোগ হতে পারে আরও তিন কোটি ইউরো। টানা দুই বছর শাখতারের বর্ষসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন মুদ্রিক। চলতি মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্বে দারুণ খেলে আলোচনায় আসেন তিনি। গ্রুপ পর্বে তিনটি গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট করেন মুদ্রিক।

ইউক্রেইনের দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে চেলসিতে যোগ দিলেন মুদ্রিক। ২০০৬ সালে প্রথম ইউক্রেইনিয়ান ফুটবলার হিসেবে লন্ডনের ক্লাবটিতে যোগ দিয়েছিলেন সাবেক তারকা ফরোয়ার্ড আন্দ্রে শেভচেঙ্কো। চেলসিতে যোগ দেওয়ার প্রতিক্রিয়ায় মুদ্রিক বলেন, গ্রাহাম পটারের দলে খেলার জন্য মুখিয়ে আছেন তিনি।

মুদ্রিক জানান, চমৎকার এক লিগে অনেক বড় এক ক্লাব এবং ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে এটি আমার জন্য খুব আকর্ষণীয় একটি অধ্যায়। আমি আমার নতুন সতীর্থদের সঙ্গে দেখা করার জন্য রোমাঞ্চিত এবং গ্রাহাম পটার ও তার স্টাফের সঙ্গে কাজ করতে ও শিখতে উন্মুখ।

জানুয়ারির দলবদলে পঞ্চম খেলোয়াড় হিসেবে চেলসি শিবিরে যোগ দিলেন মুদ্রিক। তাকে পেয়ে সমস্যা কিছুটা দূর হবে চোটের কারণে আক্রমণের দুই খেলোয়াড় ক্রিস্টিয়ান পুলিসিক ও রাহিম স্টার্লিংকে হারানো দলটির।  ১৮ ম্যাচে ২৫ পয়েন্ট নিয়ে প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট টেবিলে দশম স্থানে আছে চেলসি।

নিউজ ট্যাগ: মিখাইলো মুদ্রিক

আরও খবর



ডায়াবেটিসের যে লক্ষণ ফুটে ওঠে চোখে

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিসে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার সমস্যাকে ডায়াবেটিস বলা হয়। রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে গেলে শরীরের বিভিন্ন গুরুতর সব অঙ্গে এর প্রভাব পড়ে।

ডায়াবেটিস কী? এই রোগ সম্পর্কে যা জানা জরুরি: ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ডায়াবেটিস অ্যান্ড ডাইজেস্টিভ অ্যান্ড কিডনি ডিজিজেস দ্বারা পরিচালিত এক মার্কিন সমীক্ষা অনুসারে, ডায়াবেটিস চোখের মারাত্মক ক্ষতি করে। যা ঝাপসা দৃষ্টি থেকে একসময় অন্ধত্বের কারণ হতে পারে।

নখ দেখেই বুঝে নিন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত কি না: এ কারণে প্রথম থেকেই ডায়াবেটিস রোগীর চোখের যত্ন নিতে হবে। এতে অন্ধত্বের ঝুঁকি কমবে। ডায়াবেটিসের কারণে চোখে ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি হয়। সময়মতো ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি শনাক্ত ও চিকিৎসা করা না হলে ডায়াবেটিস রোগীর মারাত্মক বিপদ হতে পারে। এজন্য অবশ্যই নিয়মিত চোখ স্ক্রিনিং করাতে হবে।

ডায়াবেটিস বেড়েছে কি-না বুঝে নিন সকালের ৫ লক্ষণে: এ বিষয়ে ভারতের শার্প সাইট আই হাসপাতালের সিনিয়র রেটিনা কনসালট্যান্ট ডা. সিদ্ধার্থ সাইন জানান, প্রায়ই অস্পষ্ট দৃষ্টি বা ঝপসা দেখার সমস্যা ডায়াবেটিসের লক্ষণ হতে পারে। ধীরে ধীরে এই সমস্যা বাড়তে থাকে। রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়লে চোখের লেন্স শরীরের বিভিন্ন টিস্যুর মতোই প্রচুর পরিমাণে তরল টেনে নেয়। যা ফোকাস করার ক্ষমতাকে নষ্ট করে। ডায়াবেটিসের কারণে আমাদের রেটিনায় নতুন রক্তনালি তৈরি হতে পারে। যদি নতুন রক্তনালিগুলো চোখের বাইরে তরলের স্বাভাবিক প্রবাহে হস্তক্ষেপ করে, তাহলে চোখের গোলায় চাপ তৈরি হতে পারে।

ফলে গ্লুকোমার কারণে অপটিক নার্ভের ক্ষতি হয়। কারণ রক্তে অত্যধিক চিনির কারণে ক্ষুদ্র রক্তনালিগুলো বাধাগ্রস্ত হয় ও রেটিনা তার রক্ত সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।

এছাড়া কিছু উপসর্গ যেমন- চোখের সামনে ভাসমান কালো দাগ দেখা বা অন্ধকারে কোনো রং চোখে ভেসে ওঠা ইত্যাদি লক্ষণ মোটেও সুবিধার নয়। এটি হতে পারে ডায়াবেটিসের লক্ষণ। এ ধরনের পরিবর্তনগুলো যদি চিকিৎসা ছাড়াই চলতে থাকে তাহলে রোগীর স্থায়ী অন্ধত্ব ও দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

মার্কিন সমীক্ষা অনুসারে, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও চোখ সুস্থ রাখার সেরা উপায় হলো- নিয়মিত রক্তের গ্লুকোজ, রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল পরিমাপ করা ও নিয়ন্ত্রণে রাখা, ধূমপান ত্যাগ করা ও বছরে অন্তত একবার হলেও চোখ পরীক্ষা করা।

নিউজ ট্যাগ: ডায়াবেটিস

আরও খবর

৮ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি

বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩




দিন দিন বাড়ছে শিশুদের কিডনি রোগ

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ডা. আবু সাঈদ শিমুল

শিশুদের কিডনির সমস্যা হলে সেই শিশুর তো ক্ষতি হয়ই, সঙ্গে সঙ্গে পুরো পরিবারেই নেমে আসে উদ্বেগ আর হতাশা। সবচেয়ে উদ্বেগের কথা হলো, শিশুদের মধ্যে কিডনি রোগ দিন দিন বাড়ছেই। কিন্তু দেরিতে রোগ নির্ণয়ের ফলে অনেক বাচ্চাই এমন সময় চিকিৎসকের কাছে যায়, যখন আর করার কিছু থাকে না। শিশুদের কিডনি রোগের একটা অংশ জন্মগত। এসব ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থায় মায়েদের সচেতন হতে হবে। আবার জন্মের পরও বিভিন্ন রোগে কিডনি বিকল হতে পারে। এই ক্ষেত্রেও সামান্য সাবধান হলে শত শত শিশুকে বাঁচানো সম্ভব।

শিশুদের কিডনি রোগের কারণ: বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকির কারণ রয়েছে। যেমন: একিউট কিডনি ইনজুরি বা হঠাৎ কিডনি বিকল। সাধারণত বাংলাদেশে যেই কারণে এই কিডনি ইনজুরি হয় সেগুলো হলো ডায়রিয়া, বমি, অপরিচ্ছন্নতা, মা শিশুকে বুকের দুধ না খাওয়ানো। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের ওষুধ, হারবাল ওষুধ চিকিৎসকের চিকিৎসাপত্র ছাড়া ব্যবহার করা। অনেক সময় বিনা কারণে এক্স-রে করলে এক্স-রের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণেও কিডনি বিকল হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের জন্য কিডনি বিকল হয়ে যেতে পারে। তবে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত হলো ডায়রিয়া ও বমি। এর কারণেও কিডনি বিকল হতে পারে। শিশু যদি ক্রনিক কিডনি ডিজিজ বা সিকেডিতে আক্রান্ত হয়, কিডনি পুরোপুরি অক্ষম হয়, ডায়ালাইসিস বা কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হয়, তবে চিন্তার কিছু নেই। দেশেই এখন কিডনি রোগের সুচিকিৎসা সম্ভব। এ ছাড়া নিয়মিত ফলোআপ, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, সঠিক খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক চর্চা ইত্যাদির মাধ্যমে দীর্ঘদিন সুস্থভাবে বেঁচে থাকা সম্ভব।

শিশুর কিডনি রোগের লক্ষণ: ঘন ঘন প্রস্রাব করা, প্রস্রাবে ইনফেকশন হওয়া, ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব করা, বিছানায় প্রস্রাব করা (৬ বছরের অধিক বয়সে), প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া, প্রস্রাবের সময় তলপেট/কোমর ব্যথা করা, শরীরে পানি আসা/ফুলে যাওয়া, প্রস্রাব কমে যাওয়া, কিডনিতে পানি জমা হওয়া, কিডনি ছোট-বড় হওয়া, উচ্চরক্তচাপ দেখা দেয়া, কিডনিতে জন্মগত ত্রুটি থাকা।  এসব লক্ষণ দেখা গেলে, পরিবারের কারও কিডনি রোগ থাকলে, শিশু সময়ের আগে জন্মগ্রহণ করলে, জন্মের পর শিশুর ওজন স্বাভাবিকের তুলনায় কম হলে দেরি না করে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হতে হবে।

রোগ নির্ণয়: শিশুদের কিডনি রোগ শনাক্ত এবং যথাযথ চিকিৎসার জন্য একজন দক্ষ শিশু কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ বা পেডিয়াট্রিক নেফ্রোলজিস্টের পরামর্শ প্রয়োজন। অভিজ্ঞ পেডিয়াট্রিক নেফ্রোলজিস্টের নির্দেশনা অনুযায়ী রক্ত, প্রস্রাব এবং আলট্রাসাউন্ড পরীক্ষার মাধ্যমে কিডনি রোগ নির্ণয় করা সম্ভব।

চিকিৎসা: কিডনি রোগের চিকিৎসা নির্ভর করে তা কোন পর্যায়ে আছে বা কী কারণে হয়েছে। সুতরাং এ ক্ষেত্রে দ্রুত রোগ নির্ণয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জন্মগত কিডনি রোগের চিকিৎসায় কিছু ক্ষেত্রে অপারেশন প্রয়োজন হয়। তবে এদের মধ্যে বেশির ভাগ শিশুই বারবার প্রস্রাবের সংক্রমণের ঝুঁকিতে থাকে। তাই তাদের ক্ষেত্রে লম্বা সময় ধরে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খেতে হয়।

ডায়রিয়াজনিত কারণে কিডনি সমস্যা হলে, প্রয়োজনমতো পানিশূন্যতা এবং রক্তের লবণের তারতম্য ঠিক করা হয়। ক্রনিক কিডনি ফেইলিউর প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে ওষুধের সাহায্যে এবং জীবনযাত্রা পরিবর্তন বা নিয়ন্ত্রণ করে বেশ উপকার পাওয়া যায়। তবে শেষ পর্যায়ে ধরা পড়লে ডায়ালাইসিস ও কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রয়োজন হয়।

শিশুর জ্বর, ডায়রিয়া ও কিডনি রোগ: জ্বর হলে শিশুরা খেতে চায় না । এ সময় তারা বুকের দুধ, পানি কিংবা তরলও কম খায় । এ বিষয়টিকে অনেক মা-বাবা গুরুত্ব দেন না। এর ফলে তাৎক্ষণিক কিডনি অকেজো বা একিউট কিডনি ইনজুরি হয়ে যেতে পারে। তাই শিশুর যেকোনো অসুস্থতায় প্রচুর তরল খাওয়াতে হবে। পানি বা বুকের দুধ খাওয়াতে পারলে খুব ভালো হয়, কিন্তু তা খাওয়ানো না গেলে ছয় মাসের বেশি বয়সী শিশুদের বাসায় তৈরি জুস, শরবত ইত্যাদি খাওয়াতে উচিত। ডায়রিয়ায় সঠিকভাবে স্যালাইন বানাতে হবে। আধা লিটার পানিতে এক প্যাকেট ওরস্যালাইন- এটাই হলো খাওয়ার স্যালাইন বানানোর একমাত্র পদ্ধতি। শিশুর বয়স কম কিংবা অন্য যুক্তিতে স্যালাইন বা পানির পরিমাণ কমবেশি করা যাবে না।

শিশুদের কিডনি রোগ প্রতিরোধে করণীয়: শিশুদের কৃত্রিম জুস ও প্রিজারভেটিভ মিশ্রিত ও টিনজাত খাবার দেয়া যাবে না। কারণ এতে কিডনি বিকল হতে পারে।

আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়েট্রিকসের গাইডলাইন অনুযায়ী কোনো শিশু তিন বছর বয়সের পর যখনই ডাক্তারের কাছে যাবে, তখনই প্রেশার মাপাবে। শিশুদের প্রেশার বাড়ার অন্যতম প্রধান কারণ কিন্তু উচ্চরক্তচাপ। তাই শিশুদের প্রেশার বা রক্তচাপ বেশি হলেই কিডনি সুস্থ আছে কি না পরীক্ষা করে তা দেখতে হবে। শিশুর প্রস্রাবের সঙ্গে ব্যথাযুক্ত বা ব্যথাহীনভাবে রক্ত গেলে কিংবা এলবুমিন নামক প্রোটিন গেলে সঙ্গে সঙ্গে শিশু কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিতে হবে। মাতৃগর্ভে থাকার সময় মায়ের যে আলট্রাসনোগ্রাম করা হয়, তা দিয়েই প্রাথমিকভাবে শিশুর কিডনির জন্মগত রোগ আছে কি না, তা দেখা যায়। তাই আলট্রাসনোগ্রাম পরীক্ষার সময় চিকিৎসককে শিশুর কিডনি পরীক্ষার কথাও জানান। এ জন্য জন্মগত ত্রুটি নির্ণয় করতে পারে এমন অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ দিয়েই পরীক্ষা করানো উচিত। শিশুর জন্মের পরেই লক্ষ করুন, ছেলেশিশুর পুরুষাঙ্গ স্বাভাবিক আছে কি না, শিশুর মূত্রনালির বহির্মুখটি সঠিক স্থলে আছে কি না, ছেলেশিশুদের ক্ষেত্রে তার অণ্ডকোষ দুটি স্বাভাবিক অবস্থানে আছে কি না ইত্যাদি। না থাকলে বা কোনো সন্দেহ হলে অবশ্যই ডাক্তার দিয়ে পরীক্ষা করান।

শিশু যাতে পর্যাপ্ত পানি পান করে, সে বিষয়টি নিশ্চিত করুন। যেমন- স্কুলে টিফিনের সঙ্গে যথেষ্ট পরিমাণ পানি দিন। কোথাও বেড়াতে গেলে সঙ্গে পর্যাপ্ত পানি রাখুন। এ ছাড়া যেকোনো জ্বর কিংবা ডায়রিয়ায় শিশু যেন পর্যাপ্ত পানি খায়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে।  শিশুদের শরীরে খোসপাঁচড়া ও গলাব্যথা হলে তা অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসা নেয়া উচিত। কারণ এ দুটি রোগ থেকে কিডনি অকার্যকর হতে পারে, যা প্রাথমিক পর্যায়ে নিরাময় ও জটিলতা প্রতিরোধ সম্ভব। অপ্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ, বিশেষ করে ব্যথানাশক ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকা। শিশুর প্রস্রাব কমে গেলে বা শরীর ফুলে গেলে দ্রুত শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে হবে।

ওপরের নিয়মগুলো মেনে চললে এবং সময়মতো চিকিৎসকের কাছে গেলে কিডনি রোগ থেকে আমাদের শিশুরা অনেকটা রক্ষা পাবে।

লেখক: শিশু বিশেষজ্ঞ, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

নিউজ ট্যাগ: কিডনি রোগ

আরও খবর

৮ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি

বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩




ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে ৫ মুসল্লির মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ২১ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ১৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গাজীপুরের টঙ্গীতে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে এ পর্যন্ত ৫ মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের মিডিয়া সমন্বয়ক মোহাম্মদ সায়েম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ পর্যন্ত বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে পাঁচজন মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।

মৃতরা হলেন- আব্দুল জব্বারের ছেলে আব্দুল হান্নান (৪৫), রাজধানীর গুলিস্তানের বঙ্গবাজার এলাকার ব্যবসায়ী বোরহান (৪৮), গাইবান্ধার আব্দুল হামিদ মণ্ডল (৫৫), অপরজন ঢাকার সাভারের বাসিন্দা আব্দুল আলীমের ছেলে মফিজুল ইসলাম। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ৩টায় বরগুনার আব্দুল আলীর ছেলে মফিজুল ইসলামের (৭৫) মৃত্যু হয়।

মোহাম্মদ সায়েম বলেন, শুক্রবার এশার নামাজের সময় জিকির করছিলেন ইজতেমায় যোগ দিতে আসা ঢাকার কদমতলী থানার আব্দুল হান্নান, হঠাৎ অচেতন হয়ে মারা যান তিনি। এরপর রাত ১১টার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান গুলিস্তানের বোরহান।

এর আগে, ইজতেমার প্রথম পর্বে ৭ মুসল্লির মৃত্যু হয়। তারা হলেন নরসিংদীর মনোহরদী থানার মাসিমপুর গ্রামের রহমতুল্লাহর ছেলে হাবিবুর রহমান হাবি, চট্টগ্রামের রাউজান থানা সদরের আবদুর রশিদের ছেলে আবদুর রাজ্জাক, খুলনার ডুমুরিয়া থানার মলমলিয়া গ্রামের মোবারক হোসেনের ছেলে মুফাজ্জল হোসেন খান, গাজীপুরের আবু তৈয়ব ওরফে আবু তালেব, সিলেটের নুরুল হক, মুন্সীগঞ্জের আক্কাস আলী এবং ঢাকার বংশালের কাজী আলাউদ্দিন রোড এলাকার বাসিন্দা ছমির উদ্দিনের ছেলে আনিসুর রহমান।

নিউজ ট্যাগ: বিশ্ব ইজতেমা

আরও খবর

আজ সরস্বতী পূজা

বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩

শবে মেরাজ ১৯ ফেব্রুয়ারি

সোমবার ২৩ জানুয়ারী 20২৩




‘বালুখেকো’ সেলিম খানের জামিন মঞ্জুর 

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের দায়ের করা মামলায় চাঁদপুরের ‌বিতর্কিত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সেলিম খানের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (৮ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আছাদুজ্জামান ৩০ হাজার টাকার মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন। সেলিম খানের আইনজীবী শাহিনুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত বছরের ১২ অক্টোবর একই আদালত সেলিম খানের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছিলেন। গত বছরের ১ আগস্ট সেলিম খানের বিরুদ্ধে দুদকের সহকারী পরিচালক আতাউর রহমান বাদী হয়ে সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ মামলাটি দায়ের করেন। 

মামলার এজাহারে বলা হয়, সেলিম খান অবৈধ উপায়ে ৩৪ কোটি ৫৩ লাখ ৮১ হাজার ১১৯ টাকার সম্পদ তার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। এছাড়া তিনি ৬৬ লাখ ৯৯ হাজার ৪৭৭ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। সেলিম খান যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেছেন, তা যাচাই-বাছাই করে অসংগতি পাওয়া গেছে। লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর মৌজায় সেলিম খানের ১৯ দশমিক ৮৯ একর জমি, ঢাকার কাকরাইলে আজমিন নামে একটি পাঁচতলা ভবন, কাকরাইলে ৭১৫ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ভুঁইগড় এলাকায় ১০ তলা বাড়িসহ মোট ২৬ কোটি ৪২ লাখ ৩২ হাজার ২১ টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদ রয়েছে। 

এছাড়াও তার ছয়টি ড্রেজার, তিনটি প্রাইভেটকার, জিপ, একটি পিস্তল, একটি শটগান, আসবাব, পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার, একটি মোটরসাইকেল, ইলেকট্রনিক সরঞ্জামাদি, ৯টি সিনেমা নির্মাণ ও আমদানিতে বিনিয়োগ, ৫৮টি সিনেমা নির্মাণে অনুমতির নিবন্ধন ফি জমা, ব্যাংক হিসাবে জমা ও হাতে নগদসহ আরও ১১ কোটি ১৯ লাখ ৩৫ হাজার ৩৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

এজাহারে আরও বলা হয়, স্থাবর ও অস্থাবর মিলে সেলিম খানের ৩৭ কোটি ৬১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৮৫ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে এবং পারিবারিক ও অন্যান্য বাবদ ১ কোটি ৬ লাখ ৩৮ হাজার ৩১০ টাকা পাওয়া গেছে। এসব সম্পদের বিপরীতে গ্রহণযোগ্য ৪ কোটি ১৪ লাখ ২৪ হাজার ৫৭৬ টাকা আয়ের তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলেও বাকি ৩৪ কোটি ৫৩ লাখ ৮১ হাজার ১১৯ টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয় বহির্ভূত।


আরও খবর