Logo
শিরোনাম

স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ দিবস আজ

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ১২৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
দানবের সাথে লড়াইয়ে যেকোনো পরিণতিকে মাথা পেতে বরণের জন্য আমরা প্রস্তুত। তেইশ বছর রক্ত দিয়ে এসেছি। প্রয়োজন বোধে বুকের রক্তে গঙ্গা বইয়ে দেব। তবু সাক্ষাৎ মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়েও বাংলার বীর শহীদদের

আজ ঐতিহাসিক ৩ মার্চ; স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ দিবস। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ অনুষ্ঠিত একটি জনসভাতেও স্বাধীনতার কথা বলেছিলেন। ওই সভায় তিনি না থাকলেও যেন বাঙালির স্বাধীনতা আন্দোলন না থেমে থাকে সে জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।

ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর টালবাহানা এবং জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিতের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠেছিল পুরো দেশ। ছাত্রলীগ এবং শ্রমিকলীগের উদ্যোগে ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পল্টন ময়দানের জনসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপস্থিতিতে পাঠ করা হয় স্বাধীনতার ইশতেহার। বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীকার আন্দোলনের সর্বাধিনায়ক ঘোষণা করে ছাত্রসমাজ।

বঙ্গবন্ধু ওই সভায় বলেছিলেন, আমি মরে গেলেও সাত কোটি মানুষ দেখবে দেশ সত্যিকার স্বাধীন হয়েছে। তিনি বলেন, হয়তো এটাই আমার শেষ ভাষণ। আমি যদি না-ও থাকি, আন্দোলন যেন থেমে না থাকে। বাঙালির স্বাধীনতার আন্দোলন যাতে না থামে।

একাত্তরের ৩ মার্চ পল্টনে ছাত্রলীগ এবং শ্রমিকলীগের উদ্যোগে এক বিশাল জনসভায় বঙ্গবন্ধু এ আহ্বান জানান। পরদিন ৪ মার্চ দৈনিক ইত্তেফাক এবং আজাদে সভার বিস্তারিত ছাপা হয়।

জনসভায় বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার কথা বলায় উদ্বেলিত মানুষ বীর বাঙালি অস্ত্র ধর, বাংলাদেশ স্বাধীন কর, গ্রামে গ্রামে দূর্গ গড়, মুক্তিবাহিনী গঠন কর স্লোগানে রাজপথ প্রকম্পিত করে। নূরে আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বঙ্গবন্ধুকে বাংলার স্বাধীকার আন্দোলনের সর্বাধিনায়ক ঘোষণা করা হয় । জনসভায় বক্তব্য রাখেন তোফায়েল আহমেদ, শ্রমিক নেতা আবদুল মান্নান এবং ডাকসু নেতা আবদুল কুদ্দুস মাখন।

ড. মোহাম্মদ হান্নান তাঁর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস গ্রন্থে এ ব্যাপারে বিস্তারিত লিখেছেন। তিনি লেখেন, বঙ্গবন্ধু এদিন ভাষণে অফিস আদালতে যাওয়া এবং কর খাজনা দেওয়া বন্ধ রাখতে বলেন। রেডিও, টেলিভিশন, সংবাদপত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করলে তিনি তা মান্য না করার নির্দেশ দেন।

বঙ্গবন্ধু বলেন, দানবের সাথে লড়াইয়ে যেকোনো পরিণতিকে মাথা পেতে বরণের জন্য আমরা প্রস্তুত। তেইশ বছর রক্ত দিয়ে এসেছি। প্রয়োজন বোধে বুকের রক্তে গঙ্গা বইয়ে দেব। তবু সাক্ষাৎ মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়েও বাংলার বীর শহীদদের রক্তের সাথে বেঈমানি করব না।

এর আগে ৩ মার্চ রাজনৈতক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ঢাকায় পাকিস্তানের নির্বাচিত রাজনৈতিক দলের নেতাদের একটি বৈঠক ডাকেন। আমন্ত্রিতদের তালিকায় উল্লেখযোগ্যরা ছিলেন- পাকিস্তান আওয়ামী লীগের শেখ মুজিবুর রহমান, পাকিস্তান পিপলস পার্টি থেকে জুলফিকার আলী ভুট্টো, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি থেকে খান আবদুল ওয়ালী খান, পাকিস্তান মুসলিম লীগ (কাইউম) থেকে খান আবদুল কাইউম খান, মুসলিম লীগ কাউন্সিল থেকে মিয়া মোমতাজ দৌলানা প্রমুখ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার এই রাজনৈতিক সভাকে বন্দুকের নলের মুখে নিষ্ঠুর তামাশা বলে অভিহিত করে তা প্রত্যাখ্যান করেন।

বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক, কবি এবং সাংবাদিক আবুল মোমেন ৩ মার্চের জনসভায় বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলা প্রসঙ্গে বলেছিলেন, আগে থেকে পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তিনি এদিনের জনসভাতেও স্বাধীনতার প্রসঙ্গটি এনেছিলেন। যদিও জোরালোভাবে তা উচ্চারিত হয়েছিল ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে।

সাংবাদিক আবুল মোমেন বলেন, অনেক আগে থেকে বিচ্ছিন্নভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিষয়টি আলোচিত হলেও সত্তর দশকে এবং আগে সংগঠিত নানা আন্দোলন সংগ্রামে স্বাধীনতার প্রত্যাশাটি আরো বেশি জোরালো হয়ে উঠে। স্বাধীনতার প্রতি জনগণের প্রত্যাশা অনুধাবন এবং পাকিস্তানীদের প্রতিক্রিয়া এবং প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণের জন্য ৩ মার্চের জনসভায় বঙ্গবন্ধু স্বাধানতার প্রসঙ্গটি তুলেছিলেন বলে মনে করেন আবুল মোমেন।

পল্টনের সভা থেকে এ দিন ৪ থেকে ৬ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন ৬টা থেকে ২টা পর্যন্ত হরতাল পালনের আহ্বান জানানো হয়। ৫ মার্চ বায়তুল মোকারম থেকে একটি লাঠি মিছিল বের করারও কর্মসূচি ঘোষিত হয়। এদিকে ৩ মার্চ সারা দেশে পূর্ণ হরতাল শেষে ঢাকা, চট্রগ্রাম, রংপুর ও সিলেটে গোলযোগ হয়। পরদিন দৈনিক আজাদের খবরে বলা হয়, এদিন রাজশাহীতে টেলিফোন অফিসের সামনে সামরিক বাহিনীর গুলিতে আহতদের স্থানীয় মুসলীম কমার্শিয়াল ব্যাংকের বারান্দায় ফেলে রাখা হয়। এ সময় আহতদের কয়েকজন ব্যাংকের দেয়ালে তাঁদের দেহ থেকে নিঃসরিত রক্ত দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন কর কথা লেখেন।


আরও খবর

ইতিহাসের কলঙ্কিত সেই ভয়াল ২৫ মার্চ আজ

বৃহস্পতিবার ২৫ মার্চ ২০২১




বদলে যাচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা পদ্ধতি

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ১১৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বদলে যাচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা পদ্ধতি। পরীক্ষা হবে একাদশ শ্রেণিতে একবার এবং দ্বাদশে একবার। দুই পরীক্ষার ফল যোগ করে হবে মূল রেজাল্ট। এই পদ্ধতি কার্যকর হবে ২০২৪ সাল থেকে। এছাড়া ২০২২ সালে প্রথম-দ্বিতীয় ও ষষ্ঠ-সপ্তম এই ৪ শ্রেণির পাঠ্যক্রমে পরিবর্তন আসছে।

পরিবর্তনশীল বিশ্বে প্রায় ৫ বছর পরপর পাঠ্যক্রমে আসে পরিমার্জন। এ দেশেও কয়েক দশক ধরে চলছে শিক্ষাক্রমে নানা পরিবর্তন ও পরিমার্জন।

১৯৯৫ সালের পর, ২০১২। যে শিক্ষাক্রমের আলোকে ৯ম শ্রেণিতে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা ৩টি শাখায় ভাগ হয়ে যায়। তবে, সবশেষ '১৭ সালে শুরু হওয়া পরিকল্পনায় ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত একই পাঠ্যবইয়ের কাজ চলছে। সেক্ষেত্রে শাখা ভাগ হবে উচ্চ মাধ্যমিকে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড চেয়ারম্যান জানান, এর ফলে ২০২৪ সাল থেকে বদলে যাচ্ছে এসএসসি পরীক্ষা। বদলের কাজ চলছে এইচএসসি পরীক্ষা মূল্যায়ন পদ্ধতিরও। সেই ক্ষেত্রে বোর্ড পরীক্ষা হবে দুটি। একাদশ শ্রেণিতে একবার, দ্বাদশে একবার। দুই পরীক্ষার ফল যোগ করে হবে এইচএসসি'র রেজাল্ট। নতুন শিক্ষাক্রম অনুসারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক ছুটি বেড়ে হবে ২দিন।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেন, ২০২২ সালে প্রথম-দ্বিতীয় ও ষষ্ঠ-সপ্তম এই চার শ্রেণির পাঠ্যক্রমে পরিবর্তন আসছে। আর ২০২৪ সালে এসএসসিতে দেয়া হবে নতুন কারিকুলাম। এরপর উচ্চ মাধ্যমিকে পরিবর্তন আনা হবে।

শিক্ষাক্রম পরিবর্তন ও পরিমার্জনে শহর গ্রামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৈষম্য যেন আরো না বাড়ে সে বিষয়ে সর্তক করেন শিক্ষাবিদরা।

শিক্ষাবিদ রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের জন্য সহশিক্ষা কার্যক্রম ও সহশিক্ষা পাঠকার্যক্রমের দৃষ্টি আর্কষণ করতে হবে। উপর থেকে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে না দিয়ে মাঠ পর্যায়ের বাস্তবতার আলোকে পরিকল্পনা প্রয়োজন বলে পরামর্শ তাদের।

নতুন সময়সীমা অনুসারে, '২৩ সালে তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম এবং অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে, '২৪ সালে দশম এবং '২৬ সালের মধ্যে দ্বাদশ শ্রেণির নতুন বইয়ের কাজ শেষ হবে।



নিউজ ট্যাগ: এইচএসসি

আরও খবর



ফরিদপুরে বালুভর্তি ট্রাক নিয়ে ভেঙে পড়ল সেতু

প্রকাশিত:শনিবার ২০ মার্চ ২০21 | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ৯০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
ট্রাকটি ফরিদপুরের জুঙ্গরদি এলাকায় কুমার নদীর ওপর নির্মিত বেইলি সেতুর ওপর উঠলে সেতুটির মাঝখানের অংশ ভেঙে যায়। খবর পেয়ে নগরকান্দা ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার জুঙ্গরদি এলাকায় কুমার নদীর ওপর নির্মিত বেইলি সেতুটি বালুভর্তি ট্রাক নিয়ে ভেঙে পড়েছে। আজ শনিবার ভোর ৬টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে, সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় ফরিদপুর জেলা শহরের সঙ্গে নগরকান্দা উপজেলার সড়কপথের যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে পড়েছে।

নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম রেজা বিপ্লব জানান, বালুভর্তি একটি ট্রাক মাগুরার দিক থেকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের দিকে যাচ্ছিল। ট্রাকটি ফরিদপুরের জুঙ্গরদি এলাকায় কুমার নদীর ওপর নির্মিত বেইলি সেতুর ওপর উঠলে সেতুটির মাঝখানের অংশ ভেঙে যায়। খবর পেয়ে নগরকান্দা ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ চালায়। এ ঘটনায় হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, পুরোনো এই সেতুটির ওপর দিয়ে বেশ কিছু দিন ধরে আতঙ্ক নিয়ে চলাচল করছিল যানবাহন ও স্থানীয়রা। বারবার একটি নতুন সেতু নির্মাণের দাবি জানালেও তা বাস্তবায়িত না হওয়ায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছে এলাকাবাসী।


আরও খবর



করোনায় মারা গেলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের ডিজি

প্রকাশিত:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ড. এ কে এম রফিক আহাম্মেদ মারা গেছেন। শনিবার (১০ এপ্রিল) ভোর ৪টা ১৪ মিনিটে তিনি মারা যান।

ডা. এ কে এম রফিক আহাম্মেদ ২০১৯ সালের ২২ মে মহাপরিচালক হিসাবে পরিবেশ অধিদফতরে যোগদান করেন। ডা. আহাম্মেদ ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন এবং গত ২৭ বছরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এর আগে তিনি দুবাইয়ের বাংলাদেশের কনসুলেট জেনারেলের বাণিজ্যিক পরামর্শদাতা হিসাবে সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ সম্পর্কিত দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে কাজ করেছেন।

এছাড়া তিনি তৎকালীন পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব এবং মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব হিসাবে কাজ করেছেন। ডা. আহাম্মেদ ২০১৪ সালে পরিচালক (জলবায়ু পরিবর্তন ও আন্তর্জাতিক সম্মেলন) হিসাবে পরিবেশ অধিদফতরেও কাজ করেছিলেন।

ডা. এ কে এম রফিক আহাম্মেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাণিবিদ্যায় স্নাতক (অনার্স) এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে, তিনি ২০০১ সালে অ্যাডিলয়েড, অস্ট্রেলিয়া ইন এনভায়রনমেন্টাল স্টাডিজ-এ একটি মাস্টার প্রোগ্রাম গ্রহণ করেন এবং একই বিভাগে পিএইচডি সম্পন্ন করেন।


আরও খবর



মতিঝিলে মোদিবিরোধী বিক্ষোভ, ‘শিশুবক্তা’ রফিকুল আটক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ এপ্রিল ২০২১ | ১০৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানীর মতিঝিল শাপলাচত্বর এলাকায় মোদিবিরোধী বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে যুব অধিকার পরিষদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছে। এ সময় বিক্ষোভকারীরা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কুশপুত্তলিকা দাহ করেন।

এ ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে রফিকুল ইসলাম মাদানী ওরফে শিশুবক্তাকে আটক করেছে।

ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার জেরে শাপলাচত্বর হয়ে দৈনিক বাংলা-গুলিস্তান রাস্তাটি বন্ধ রয়েছে। ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। তবে বিকল্প রাস্তা হিসেবে শাপলাচত্বর থেকে ফকিরাপুল হয়ে গাড়ি চলাচল করছে।

এর আগে গত মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সংলগ্ন ডাস চত্বরে নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে প্রগতিশীল ছাত্রজোটের বিক্ষোভ ও কুশপুতুল পোড়ানোর কর্মসূচিতে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে সাংবাদিক এবং ছাত্রজোটের নেতাকর্মীসহ ২৫ জন আহত হন। ওই হামলার জন্য ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের অভিযুক্ত করেন ছাত্রজোটের নেতারা।

প্রতক্ষ্যদর্শীরা তখন বলেছিলেন, নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে আগমনের বিরোধিতা করে মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে প্রগতিশীল ছাত্রজোটের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি ছিল। তবে সকাল থেকে রাজু ভাস্কর্য এলাকায় অবস্থান নেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ছাত্রজোটের ৩০-৪০ জন নেতাকর্মী টিএসসি চত্বর থেকে মিছিল নিয়ে শাহবাগ হয়ে আবার টিএসসি ফিরে এসে ডাসের সামনে নরেন্দ্র মোদির কুশপুতুল দাহ করতে থাকেন এবং ভারতবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

ছাত্রজোটের নেতাদের অভিযোগ, এসময় ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মী কুশপুতুলের আগুন নেভানোর জন্য দূর থেকে পানি ছুড়তে থাকেন। একপর্যায়ে ছাত্রলীগের কর্মীরা ছাত্রজোটের নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকেন। জোটের নেতাকর্মীরা প্রতিরোধ গড়ে তুললে ছাত্রলীগ সংঘবদ্ধ হয়ে আবারও তাদের ওপর হামলা চালায়, তখন দুই পক্ষই সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে ছাত্রজোটের অন্তত ২০ থেকে ২৫ জন আহত হন।

প্রসঙ্গত, আজকের বিক্ষোভ থেকে আটক হওয়া রফিকুল ইসলাম রাজধানীর জামিয়া মাদানীয়া বারিধারা মাদরাসায় লেখাপড়া করেছেন। শারীরিক আকৃতিতে ছোট হওয়ায় তাকে সবাই শিশুবক্তা বলেন এবং এ হিসেবেই পরিচিতি পান তিনি। নেত্রকোনা জেলার পশ্চিম বিলাশপুর সাওতুল হেরা মাদরাসার পরিচালক রফিকুল ইসলাম ২০ দলীয় জোটভুক্ত জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ও রাবেতাতুল ওয়ায়েজিনের সঙ্গে যুক্ত আছেন বলেও জানা যায়।


আরও খবর



মিরকাদিম মেয়রের বাসভবনে বিস্ফোরণ চার দিন পর স্ত্রীর মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৪৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মুন্সিগঞ্জের মিরকাদিম পৌরসভার মেয়র হাজী আবদুস ছালামের বাস ভবনে গ্যাস লিকেজে বিস্ফোরণের ঘটনার চার দিন পর স্ত্রী কানন বেগম (৪০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। শনিবার সকালে শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে চিকিসাৎধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ তথ্যটি নিশ্চিত করেন মৃত কানন বেগমের বোনের ছেলে মো রাজিব। মৃত কাকন বেগমের দুই মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন।

উল্লেখ, মিরকাদিম পৌরসভার রামগোপালপুর এলাকায় মেয়রের বাস ভবনে সোমবার (৬ এপ্রিল) রাত ৯ টার দিকে গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ হয়। এসময় স্ত্রী কাকান বেগম, চারজন কাউন্সিলরসহ অন্তত ১৩ জন দগ্ধ হয়।

পরে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে ১২ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে মুন্সিগঞ্জে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

নিউজ ট্যাগ: মুন্সিগঞ্জ

আরও খবর