
খেলা শেষ হওয়ার
পাঁচ ওভার আগেও বোঝা যায়নি কে জিতবে। টান টান ম্যাচে শেষ পর্যন্ত নিউজল্যান্ডকে হারাল
ইংল্যান্ড। প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ১৭৯ রান করে তারা। অর্ধশতরান করেন দুই ওপেনার
জস বাটলার ও অ্যালেক্স হেলস। নিউজল্যান্ডের হয়ে গ্লেন ফিলিপ্স অনেক চেষ্টা করলেও দলকে
জেতাতে পারেননি। এই জয়ের ফলে বিশ্বকাপের শেষ চারে যাওয়ার লড়াইয়ে টিকে থাকল ইংল্যান্ড।
টসে জিতে প্রথমে
ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক বাটলার। শুরুটা খুব ভাল করেন দুই ওপেনার।
বাটলারের সঙ্গে হেলস মিলে দলের রানকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন। বেশি আক্রমণাত্মক ব্যাটিং
করেন হেলস। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অর্ধশতরান করেন তিনি। কিন্তু ৫২ রান করার পরে মিচেল
স্যান্টনারের বলে আউট হয়ে যান তিনি।
হেলস আউট হওয়ার
পরে রানের গতি বাড়ান বাটলার। তাঁকে সাহায্য করেন নিউজল্যান্ডের ফিল্ডাররা। প্রথমে
কিউয়ি অধিনায়ক উইলিয়ামসন ও পরে ড্যারিল মিচেল তাঁর ক্যাচ ছাড়েন। সেই ক্যাচ ফস্কানোর
ফায়দা তোলেন বাটলার। হাত খুলে খেলা শুরু করেন তিনি। কিন্তু বাকিরা তাঁকে সাহায্য করতে
পারেননি। এক মাত্র লিয়াম লিভিংস্টোন ২০ রান করেন।
বাটলার ৪৭ বলে
৭৩ রান করে রান আউট হয়ে যাওয়ায় কিছু রান কম ওঠে ইংল্যান্ডের। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে
৬ উইকেটে ১৭৯ রান করে তারা। নিউজল্যান্ডের হয়ে লকি ফার্গুসন ২ উইকেট নেন।
জবাবে ব্যাট করতে
নেমে শুরুটা ভাল হয়নি নিউজল্যান্ডের। দ্বিতীয় ওভারে সাজঘরে ফেরেন ডেভন কনওয়ে। ফিন অ্যালেন
করেন ১৬ রান। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামা উইলিয়ামসনকেও খুব একটা ছন্দে দেখাচ্ছিল না।
পাওয়ার প্লে-তে মাত্র ৪০ রান ওঠে।
নিউজল্যান্ডকে
খেলায় ফেরান গ্লেন ফিলিপ্স। মইন আলি তাঁর সহজ ক্যাচ ছাড়ার পরে হাত খুলে শট খেলা শুরু
করেন তিনি। তাঁকে দেখে কয়েকটি বড় শট খেলেন উইলিয়ামসনও। দু’জনের মধ্যে ৯১ রানের জুটি হয়।
একটা সময় মনে
হচ্ছিল, দু’জনে ইংল্যান্ডের হাত থেকে খেলা
বার করে নিয়ে যাবেন। তখনই ইংল্যান্ডকে খেলায় ফেরান বেন স্টোকস। উইলিয়ামসনকে ৪০ রানের
মাথায় আউট করেন তিনি। রান পাননি জিমি নিশাম, ড্যারিল মিচেলরা। দলকে জেতানোর পুরো দায়িত্ব
গিয়ে পড়ে ফিলিপ্সের উপর। অনেক চেষ্টা করেও দলকে জেতাতে পারেননি তিনি। শেষ পর্যন্ত
আউট হয়ে যান ৬২ রান করে। তার সঙ্গেই শেষ হয়ে যায় নিউজল্যান্ডের জয়ের আশা। ২০ রানে ম্যাচ
হারে নিউজল্যান্ড।

