Logo
শিরোনাম

টিকা নিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী, ভাইরাল ভিডিওটি ভুয়া

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৩৩৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক


গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সচিবালয় ক্লিনিকে ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। মন্ত্রীর ভ্যাকসিন নেয়ার ভিডিওটি গণমাধ্যমের কাছে সংরক্ষিত আছে। যদিও তার টিকা নেয়ার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভুয়া ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যা নিয়ে অনলাইনে-অফলাইনে চলছে সমালোচনার ঝড়।

জানা গেছে, ১৭ ফেব্রুয়ারি সাড়ে সকাল ১০টায় ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী। ওই সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সচিব, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা জানান, প্রথমে মন্ত্রী ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন, সে সময় ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করেন সাংবাদিকরা। পরে একজন গণমাধ্যমকর্মী ফুটেজ পাননি উল্লেখ করে মন্ত্রীর কাছে পুনরায় ভিডিও নেয়ার জন্য আরেকবার ভ্যাকসিন দেয়ার চিত্র ধারণের সুযোগ চেয়ে অনুরোধ করেন। এসময় মন্ত্রী পুনরায় সাংবাদিকের সুবিধার্থে বসে ভ্যাকসিন নেয়ার ফুটেজ নিতে সহায়তা করেন।

সেসময় টিকা নেয়ার পর অনুভূতি জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, খুবই স্বাভাবিক, মনেই হয়নি যে টিকা নিলাম। বুঝতেই পারিনি কখন টিকা পুশ করেছে। কোনো রকম খারাপ কিছু মনে হওয়া বা ব্যথা পাওয়া এমন কিছুই নয়। অত্যন্ত সুন্দরভাবে টিকা দিয়েছে। আমার ভ্যাকসিন নেয়ার তারিখ আগে ছিল, জ্বরের কারণে আমি প্রথমদিন টিকা নিতে পারিনি। পরে আবার রেজিস্ট্রেশন ট্রান্সফার করে আজ টিকা নিয়ে নিলাম।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মন্ত্রী ভ্যাকসিন নিচ্ছেন না- এমন একটি ভুয়া ভিডিও আজ শনিবার ভাইরাল হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি নিয়ে জানতে চাইলে আ ক ম মোজাম্মেল হক গণমাধ্যমকে বলেন, ১৭ তারিখে (১৭ ফেব্রুয়ারি) আমি ভ্যাকসিন নিয়েছি। ভ্যাকসিন নেওয়ার পর সচিবের সঙ্গে আমরা যখন বাইরের দিকে যাচ্ছি, ওই সময় একটি চ্যানেলের সাংবাদিক এসে বলেন, তারা ফুটেজ পাননি। ওই সাংবাদিক অনুরোধ করেন, আমি যেন আবার একটু ভ্যাকসিন নেওয়ার ডেমো করি। মূলত তার অনুরোধেই আবার একটু ভ্যাকসিন নেওয়ার ডেমো করতে হয়েছে।

আ ক ম মোজাম্মেল হক আরও বলেন, আমার ভ্যাকসিন নেওয়ার ফুটেজ বিটিভির কাছে রয়েছে। কেউ যদি চ্যালেঞ্জ করতে চায় যে আমি ভ্যাকসিন নিইনি, আমি ওই ফুটেজ দেখাতে পারব।

এর আগে, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সংসদ সচিবালয় ক্লিনিকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক ও সচিব তপন কান্তি ঘোষ ভ্যাকসিন নিয়েছেন বলে জানিয়েছিল মন্ত্রণালয়। সব গণমাধ্যমেই সে খবর প্রকাশ পেয়েছিল।

তবে শনিবার ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষ ও স্বাস্থ্য সচিব মো. আব্দুল মান্নানের সঙ্গে সংসদ সচিবালয় ক্লিনিকের কোভিড ভ্যাকসিন প্রয়োগ কেন্দ্রের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন আ ক ম মোজাম্মেল হক। কিছুক্ষণ পর তারা একটি রুমে প্রবেশ করেন। এসময় মন্ত্রী চেয়ারে বসলে একজন নার্স একটি সিরিঞ্জ নিয়ে তার বাম হাতে ভ্যাকসিন প্রয়োগের অভিনয় করেন। এসময় হাসিমুখে চেয়ারে বসেছিলেন মন্ত্রী। পরে বের হয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলছেন, এই অভিনয়টুকু করলেও এর আগেই ভ্যাকসিন নিয়েছেন তিনি। গণমাধ্যমের অনুরোধ ফেলতে না পেরেই তিনি এই অভিনয় করেছেন।

যোগাযোগ করলে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষও জানান, মন্ত্রী ভ্যাকসিন নিয়েছেন। তিনি বলেন, সেদিন আমরা দুজনেই ভ্যাকসিন নিয়েছি। মন্ত্রী আমার আগেই ভ্যাকসিন নিয়েছেন। উনি নেওয়ার পর আমি নিয়েছি।


আরও খবর



মমেক হাসপাতালে আরও ১৩ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ আগস্ট ২০21 | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৮৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে করোনায় ৫ জন এবং উপসর্গ নিয়ে মারা যায় ৮ জন। তাদের মধ্যে ময়মনসিংহে ৬ জন, নেত্রকোনার ৪ জন, জামালপুরের ২ জন ও কিশোরগঞ্জের ১ জন রয়েছে। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা ইউনিটের ফোকাল পারসন ডা. মহিউদ্দিন খান মুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে নতুন ৩২ জন ভর্তিসহ এখন পর্যন্ত ২৬৯ জন এবং আইসিইউতে ২১ জন চিকিৎসাধীন আছেন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩২ জন।

এদিকে সিভিল সার্জন ডা. নজরুল ইসলাম জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৯৩টি নমুনা পরীক্ষায় আরও ১৮৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৬৮ শতাংশ। জেলায় মোট আক্রান্ত ১৯ হাজার ৯২০ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৫ হাজার ৯৩৮ জন।


আরও খবর



বিশ্বে করোনায় মৃত্যু-শনাক্ত কমেছে

প্রকাশিত:রবিবার ২২ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৮৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির সংখ্যা কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৮ হাজার ৬৬১ জন। আগের দিনের তুলনায় মৃত্যু কমেছে প্রায় ১ হাজার ৩৫০ জন। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৪৪ লাখ ৩৬ হাজার ৬৪২ জনে।

একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ লাখ ৬১ হাজার ৪৭৭ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি। এতে মহামারির শুরু থেকে ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১ কোটি ২১ লাখ ৪৬ হাজার ২৫৯ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছে ১৮ কোটি ৯৭ লাখ ৭৫ হাজার জন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটার থেকে রোববার (২২ আগস্ট) সকালে এই তথ্য জানা গেছে।

ওয়ার্ল্ডওমিটারের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ৮৫ লাখ ১৯ হাজার ২৯৪ জন এবং মারা গেছেন ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৮৪০ জন মারা গেছেন।

করোনায় আক্রান্তের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রতিবেশি দেশ ভারত। তবে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের তালিকায় দেশটির অবস্থান চতুর্থ। দেশটিতে মোট আক্রান্ত ৩ কোটি ২৪ লাখ ২৩ হাজার ৫৪৯ জন এবং মারা গেছেন ৪ লাখ ৩৪ হাজার ৩৯৯ জন।

লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল করোনায় আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় ও মৃত্যুর সংখ্যায় তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগী ২ কোটি ৫ লাখ ৫৬ হাজার ৪৮৭ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৭৪ হাজার ২৪৩ জনের।

অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়ায়। এই সময়ের মধ্যে দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ৩৬১ জন এবং নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৬ হাজার ৭৪৪ জন। এছাড়া মহামারির শুরু থেকে দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৩৯ লাখ ৬৭ হাজার ৪৮ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার ৩৪২ জনের।

এছাড়া এখন পর্যন্ত ফ্রান্সে ৬৬ লাখ ২ হাজার ৩১১ জন, রাশিয়ায় ৬৭ লাখ ২৬ হাজার ৫২৩ জন, যুক্তরাজ্যে ৬৪ লাখ ৬০ হাজার ৯৩০ জন, ইতালিতে ৪৪ লাখ ৭৮ হাজার ৬৯১ জন, তুরস্কে ৬১ লাখ ৯৭ হাজার ৪১ জন, স্পেনে ৪৭ লাখ ৭০ হাজার ৪৫৩ জন, জার্মানিতে ৩৮ লাখ ৭০ হাজার ৭৬ জন এবং মেক্সিকোতে ৩১ লাখ ৯৭ হাজার ১০৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

অন্যদিকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ফ্রান্সে এক লাখ ১৩ হাজার ২৬৭ জন, রাশিয়ায় এক লাখ ৭৫ হাজার ২৮২ জন, যুক্তরাজ্যে এক লাখ ৩১ হাজার ৫৯১ জন, ইতালিতে এক লাখ ২৮ হাজার ৭২৮ জন, তুরস্কে ৫৪ হাজার ৩২৭ জন, স্পেনে ৮৩ হাজার ১৩৬ জন, জার্মানিতে ৯২ হাজার ৪৭৩ জন এবং মেক্সিকোতে ২ লাখ ৫২ হাজার ৮০ জন মারা গেছেন।


আরও খবর



করোনায় ফের মৃত্যু ও শনাক্ত বেড়েছে

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৮৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে করোনা সংক্রমণের ৫৪৭তম দিনে ৭০ জনের মৃত্যুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬ হাজার ৫৬৩ জন। গতকাল মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৬১।

গত ৫ আগস্ট দেশে সর্বোচ্চ ২৬৪ জন রোগী মারা যায়। গত ২৮ জুলাই সর্বোচ্চ শনাক্ত হয় ১৬ হাজার ২৩০ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. নাসিমা সুলতানার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় (অ্যান্টিজেন টেস্টসহ) ২৫ হাজার ১৬৩টি পরীক্ষায় দুই হাজার ৪৩০ জন এই ভাইরাসে শনাক্ত হয়েছেন। এই সময়ে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার নয় দশমিক ৬৬ শতাংশ।

তবে শুরু থেকে মোট পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৭১ শতাংশ।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত ৬৭ লাখ ১০ হাজার ২১৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ২৩ লাখ ৫৩ হাজার ৭৯৭টি নমুনা। অর্থাৎ, মোট পরীক্ষা করা হয়েছে ৯০ লাখ ৬৪ হাজার ১৫টি নমুনা। এর মধ্যে শনাক্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ১৪ হাজার ৪৫৬ জন। তাদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় পাঁচ হাজার ৬০ জনসহ মোট ১৪ লাখ ৫১ হাজার ৬৩ জন সুস্থ হয়েছেন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৫ দশমিক ৮১ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় যে ৭০ জন মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মধ্যে ৪০ জন পুরুষ ও ৩০ জন নারী। তাদের মধ্যে ৬৮ জনের হাসপাতালে (সরকারিতে ৫০ জন, বেসরকারিতে ১৮ জন) মৃত্যু হয়েছে। তারাসহ মৃতের মোট সংখ্যা ২৬ হাজার ৫৬৩ জন। মোট শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৭৫ শতাংশ।

এখন পর্যন্ত সরকারি হাসপাতালে মারা গিয়েছেন ২২ হাজার ৫৯৯ জন, যার শতকরা হার ৮৫ দশমিক ০৮ শতাংশ। বেসরকারি হাসপাতালে মারা গিয়েছেন তিন হাজার ১৬৯ জন, যার শতকরা হার ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ। বাসায় ৭৬২ জন মারা গিয়েছেন, যার শতকরা হার দুই দশমিক ৮৭। এছাড়াও মৃত অবস্থায় হাসপাতালে এসেছেন ৩৩ জন, যার শতকরা হার দশমিক ১২ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত ১৭ হাজার ১৮৮ জন পুরুষ মারা গেছেন যা মোট মৃত্যুর ৬৪ দশমিক ৭১ শতাংশ এবং নয় হাজার ৩৭৫ জন নারী মৃত্যুবরণ করেছেন যা মোট মৃত্যুর ৩৫ দশমিক ২৯ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ৬১ জনের মধ্যে একুশ থেকে ত্রিশ বয়সী তিনজন, ত্রিশোর্ধ্ব চারজন, চল্লিশোর্ধ্ব সাতজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ১৪ জন, ষাটোর্ধ্ব ২৮ জন, সত্তরোর্ধ্ব ১২ জন ও আশি ঊর্ধ্ব দু’জন।

আর বিভাগওয়ারী হিসাবে ঢাকা বিভাগে ৩১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২০ জন, রাজশাহী বিভাগে তিনজন, খুলনা বিভাগে তিনজন, বরিশাল বিভাগে দু’জন, সিলেট বিভাগে ছয়জন ও রংপুর বিভাগে চারজন ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন।

করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২২২টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ২২ কোটি ১২ লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৪৫ লাখ ৭৮ হাজার মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ১৯ কোটি ৭৭ লাখের বেশি।


আরও খবর

দেশে করোনায় আরও ৪৩ জনের মৃত্যু

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

ডেঙ্গুতে হাসপাতালে আরও ২৩২ রোগী

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১




ডেঙ্গুর নতুন ধরন ডেনভি-৩, ঢাকায় সংক্রমণ বেশি

প্রকাশিত:রবিবার ২৯ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৯০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
ডা. সাইফুল্লাহ মুন্সি বলেন, দেশে প্রথম ডেঙ্গুর ডেনভি-৩ ধরন শনাক্ত হয় ২০১৭ সালে। এর আগে শনাক্ত হওয়া বাকি দুই ধরনের

দেশে প্রতিদিনই বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। এ অবস্থার মধ্যেই রোগীদের শরীরে শনাক্ত হয়েছে ডেঙ্গুর নতুন একটি ধরন। ডেনভি-৩ নামের এই ধরনটিতে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন রাজধানীবাসী। রবিবার (২৯ আগস্ট) সকালে ১১টায় বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর) এ তথ্য জানায়।

সকালে বিসিএসআইআরের আইএফআরডি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ডেঙ্গু ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের তথ্য উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান গবেষক ড. সেলিম খান জানান, ২০টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স করে ডেঙ্গুর এই নতুন ধরন শনাক্ত করা হয়েছে।

এ সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সাইফুল্লাহ মুন্সি বলেন, দেশে প্রথম ডেঙ্গুর ডেনভি-৩ ধরন শনাক্ত হয় ২০১৭ সালে। এর আগে শনাক্ত হওয়া বাকি দুই ধরনের (ডেনভি-১ ও ২) বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠেছে।

তিনি আরও বলেন, ডেনিভি-৩ ডেনভি-১ ও ২ এর চেয়ে বেশি ভয়ঙ্কর। তাই এই দুই ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হওয়াদের মধ্যে কেউ ডেনভি-৩ তে আক্রান্ত হলে তার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এবার ডেঙ্গুর এই ধরনেই আক্রান্ত বেশি।


আরও খবর

দেশে করোনায় আরও ৪৩ জনের মৃত্যু

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

ডেঙ্গুতে হাসপাতালে আরও ২৩২ রোগী

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১




কৃত্রিম প্রজননে সফল বিএফআরআই: ফিরছে বিলুপ্ত প্রায় কাকিলা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৬ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১১৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
দেশের বিলুপ্তপ্রায় ৬৪টি মাছের মধ্যে ৩০টি মাছের কৃত্রিম প্রজননে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট সফলতা লাভ করেছে। সফলতার ধারাবাহিকতায় ৩১তম মাছ হিসেবে কাকিলা মাছ যুক্ত হলো

প্রায় হারিয়ে যাওয়া স্বাদু পানির মাছ কাকিলার কৃত্রিম প্রজনন কলাকৌশল উদ্ভাবনে সফলতা পেয়েছেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) বিজ্ঞানীরা। মুক্ত জলাশয়ের এই মাছটিকে বদ্ধ পরিবেশে অভ্যস্তকরণেও সাফল্য পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ফলে এই মাছটির প্রাচুর্য আবারও ফিরবে বলে আশা করছেন তারা।

বিএফআরআইর স্বাদু পানি উপকেন্দ্র যশোরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. রবিউল আউয়াল হোসেন, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শিশির কুমার দে এই গবেষণা পরিচালনা করেন।

গবেষক দলের সদস্য ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, 'তিন বছর নিবিড় গবেষণার পরে এখন সাফল্য এসেছে। ফলে কাকিলা বিলুপ্তির আশঙ্কার বদলে আবারও পানিতে ঢেউ তুলবে বলে আশা করা যায়। কাকিলা মাছের কৃত্রিম প্রজনন এটিই বাংলাদেশ প্রথম এবং বিশ্বের কোথাও এ মাছের কৃত্রিম প্রজননের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।'

বিএফআরআইয়ের বিজ্ঞানীরা বলছেন, স্বাদু পানির অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে বিশেষ করে নদী-নালা, হাওর-বাঁওড়, খাল-বিল ইত্যাদি জলাশয়ে যে মাছগুলো পাওয়া যায়, তাদের মধ্যে কাকিলা অন্যতম। খেতে সুস্বাদু এই মাছটি মানব দেহের জন্য উপকারী অনুপুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ এবং কাটা কম বিধায় অনেকের কাছে প্রিয়।

এক সময় অভ্যন্তরীণ জলাশয়ে মাছটি প্রচুর পরিমাণে পাওয়া গেলেও জলবায়ুর প্রভাব, প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও মানবসৃষ্ট নানাবিধ কারণে বাসস্থান ও প্রজনন ক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এ মাছের প্রাচুর্যতা ব্যাপকহারে কমে যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই তারা এই মাছটির প্রাচুর্যতা ফিরিয়ে আনতে গবেষণা শুরু করেন।

এই বিজ্ঞানীরা জানান, কাকিলা বা 'কাখলে' একটি বিলুপ্তপ্রায় মাছ। এর দেহ সরু, ঠোঁট লম্বাটে ও ধারালো দাঁতযুক্ত। বাংলাদেশে যে জাতটি পাওয়া যায়, সেটি মিঠা পানির জাত। মাছটি বাংলাদেশের অধিকাংশ অঞ্চলে কাইকল্যা, কাইক্কা নামেই বেশি পরিচিত। বৈজ্ঞানিক নাম Xenentodon cancila. মাছটিকে ইংরেজিতে 'ফ্রেশওয়াটার গারফিশ' বলে। এটি Belonidae পরিবারের অন্তর্গত। বাংলাদেশ ছাড়াও শ্রীলঙ্কা, ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমার, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে এ মাছ পাওয়া যায়। তবে, রং ও আকারে কিছু পার্থক্য থাকে।

গবেষক দলের প্রধান ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. রবিউল আউয়াল হোসেন জানান, কাকিলা মূলত ছোট মাছ খেয়ে থাকে। প্রাকৃতিকভাবে প্রবহমান জলাশয়ে বিশেষ করে নদীতে এবং বর্ষাকালে প্লাবিত অঞ্চলে প্রজনন করে থাকে। পরিণত মাছেরা ভাসমান জলজ উদ্ভিদ নেই এমন স্থানে বসবাস করলেও জলজ উদ্ভিদের পাতার নিচে ও ভাসমান শেকড়ে এদের স্ত্রীরা ডিম পাড়ে।

গবেষক দলের সদস্যরা জানান, তারা তাদের গবেষণায় রাজবাড়ি জেলা সংলগ্ন কুষ্টিয়ার পদ্মা নদী থেকে কাকিলা ব্রুড (মা-বাবা মাছ) মাছ সংগ্রহ করে বিশেষ পদ্ধতিতে অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করে যশোরের স্বাদু পানি উপকেন্দ্রের পুকুরে ছাড়েন। পরে হ্যাচারিতে উৎপাদিত কার্প জাতীয় মাছের জীবিত পোনা ও নানা জলাশয় থেকে সংগৃহীত জীবিত ছোট মাছ খাইয়ে পুকুরের আবদ্ধ পরিবেশে মাছকে অভ্যস্ত করা হয়।

পরে চলতি বছরের মে থেকে বৈজ্ঞানিক প্রটোকল অনুসরণ করে কৃত্রিম প্রজননের উদ্দেশ্যে উপকেন্দ্রের হ্যাচারিতে নির্দিষ্ট সংখ্যক মা-বাবা মাছকে বিভিন্ন ডোজে হরমোন ইনজেকশন প্রয়োগ করা হয়। এভাবে কয়েকবার বিভিন্ন ডোজের ট্রায়াল দেওয়া হলেও মাছের প্রজননে সফলতা আসেনি। অবশেষে ২৫ আগস্ট প্রজননকৃত মাছের ডিম থেকে পোনা বের হয় এবং কাকিলা মাছের কৃত্রিম প্রজননে সফলতা আসে।

ড. মো. রবিউল আউয়াল হোসেন জানান, কাকিলা মাছের প্রজননের জন্য পিজি (পিটুইটারি গ্ল্যান্ড) হরমোন ব্যবহার করা হয়। গত ১৮ আগস্ট পুকুর থেকে মাছ ধরে চার জোড়া মা-বাবা নির্বাচন করে হ্যাচারির চৌবাচ্চায় নির্দিষ্ট সময় ঝর্ণাধারা দিয়ে মা-বাবা মাছকে একটা নির্দিষ্ট মাত্রায় হরমোন ইনজেকশন দেওয়া হয়। পরে মা-বাবা মাছকে একত্রে একটি চৌবাচ্চায় রেখে ঝর্ণাধারা দিয়ে সেখানে কচুরি পানা রাখা হয়। প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পরে মা মাছ ডিম ছাড়ে। ডিমের ভেতরে বাচ্চার বিভিন্ন দশা ও উন্নয়ন অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়। ডিম ছাড়ার প্রায় ৯০ থেকে ১০০ ঘণ্টার মধ্যে নিষিক্ত ডিম থেকে বাচ্চা বের হয়।

গবেষক দলের সদস্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শিশির কুমার দে বলেন, কাকিলা মাছের প্রজননের ট্রায়ালের সময় চৌবাচ্চার পানির গড় তাপমাত্রা ছিল ২৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ ছিল চার দশমিক পাঁচ মিলিগ্রাম/লিটার, পিএইচ ছিল সাত দশমিক ছয়।

এই বিজ্ঞানীরা জানান, প্রতি ১০০ গ্রাম খাবার উপযোগী কাকিলা মাছে ১৭ দশমিক এক শতাংশ প্রোটিন, লিপিড দুই দশমিক ২৩ শতাংশ, ফসফরাস দুই দশমিক ১৪ শতাংশ ও শূন্য দশমিক ৯৪ শতাংশ ক্যালসিয়াম রয়েছে, যা অন্যান্য ছোট মাছের তুলনায় অনেক বেশি।

বিএফআরআইয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদকে উদ্ধৃত করা বলা হয়েছে, দেশের বিলুপ্তপ্রায় ৬৪টি মাছের মধ্যে ৩০টি মাছের কৃত্রিম প্রজননে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট সফলতা লাভ করেছে। সফলতার ধারাবাহিকতায় ৩১তম মাছ হিসেবে কাকিলা মাছ যুক্ত হলো।

বিএফআরআই বলছে, দেশীয় মাছকে সংরক্ষণের জন্যে ময়মনসিংহে ইনস্টিটিউটের সদর দপ্তরে লাইভ জিন ব্যাংক স্থাপন করা হয়েছে। দেশীয় মাছ সংরক্ষণ গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্যে ২০২০ সালে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট একুশে পদক অর্জন করেছে।


আরও খবর

ইভ্যালির এমডি রাসেল ও তার স্ত্রী গ্রেপ্তার

বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১