Logo
শিরোনাম

টিকা নিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী, ভাইরাল ভিডিওটি ভুয়া

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ২২৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক


গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সচিবালয় ক্লিনিকে ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। মন্ত্রীর ভ্যাকসিন নেয়ার ভিডিওটি গণমাধ্যমের কাছে সংরক্ষিত আছে। যদিও তার টিকা নেয়ার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভুয়া ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যা নিয়ে অনলাইনে-অফলাইনে চলছে সমালোচনার ঝড়।

জানা গেছে, ১৭ ফেব্রুয়ারি সাড়ে সকাল ১০টায় ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী। ওই সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সচিব, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা জানান, প্রথমে মন্ত্রী ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন, সে সময় ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করেন সাংবাদিকরা। পরে একজন গণমাধ্যমকর্মী ফুটেজ পাননি উল্লেখ করে মন্ত্রীর কাছে পুনরায় ভিডিও নেয়ার জন্য আরেকবার ভ্যাকসিন দেয়ার চিত্র ধারণের সুযোগ চেয়ে অনুরোধ করেন। এসময় মন্ত্রী পুনরায় সাংবাদিকের সুবিধার্থে বসে ভ্যাকসিন নেয়ার ফুটেজ নিতে সহায়তা করেন।

সেসময় টিকা নেয়ার পর অনুভূতি জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, খুবই স্বাভাবিক, মনেই হয়নি যে টিকা নিলাম। বুঝতেই পারিনি কখন টিকা পুশ করেছে। কোনো রকম খারাপ কিছু মনে হওয়া বা ব্যথা পাওয়া এমন কিছুই নয়। অত্যন্ত সুন্দরভাবে টিকা দিয়েছে। আমার ভ্যাকসিন নেয়ার তারিখ আগে ছিল, জ্বরের কারণে আমি প্রথমদিন টিকা নিতে পারিনি। পরে আবার রেজিস্ট্রেশন ট্রান্সফার করে আজ টিকা নিয়ে নিলাম।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মন্ত্রী ভ্যাকসিন নিচ্ছেন না- এমন একটি ভুয়া ভিডিও আজ শনিবার ভাইরাল হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি নিয়ে জানতে চাইলে আ ক ম মোজাম্মেল হক গণমাধ্যমকে বলেন, ১৭ তারিখে (১৭ ফেব্রুয়ারি) আমি ভ্যাকসিন নিয়েছি। ভ্যাকসিন নেওয়ার পর সচিবের সঙ্গে আমরা যখন বাইরের দিকে যাচ্ছি, ওই সময় একটি চ্যানেলের সাংবাদিক এসে বলেন, তারা ফুটেজ পাননি। ওই সাংবাদিক অনুরোধ করেন, আমি যেন আবার একটু ভ্যাকসিন নেওয়ার ডেমো করি। মূলত তার অনুরোধেই আবার একটু ভ্যাকসিন নেওয়ার ডেমো করতে হয়েছে।

আ ক ম মোজাম্মেল হক আরও বলেন, আমার ভ্যাকসিন নেওয়ার ফুটেজ বিটিভির কাছে রয়েছে। কেউ যদি চ্যালেঞ্জ করতে চায় যে আমি ভ্যাকসিন নিইনি, আমি ওই ফুটেজ দেখাতে পারব।

এর আগে, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সংসদ সচিবালয় ক্লিনিকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক ও সচিব তপন কান্তি ঘোষ ভ্যাকসিন নিয়েছেন বলে জানিয়েছিল মন্ত্রণালয়। সব গণমাধ্যমেই সে খবর প্রকাশ পেয়েছিল।

তবে শনিবার ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষ ও স্বাস্থ্য সচিব মো. আব্দুল মান্নানের সঙ্গে সংসদ সচিবালয় ক্লিনিকের কোভিড ভ্যাকসিন প্রয়োগ কেন্দ্রের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন আ ক ম মোজাম্মেল হক। কিছুক্ষণ পর তারা একটি রুমে প্রবেশ করেন। এসময় মন্ত্রী চেয়ারে বসলে একজন নার্স একটি সিরিঞ্জ নিয়ে তার বাম হাতে ভ্যাকসিন প্রয়োগের অভিনয় করেন। এসময় হাসিমুখে চেয়ারে বসেছিলেন মন্ত্রী। পরে বের হয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলছেন, এই অভিনয়টুকু করলেও এর আগেই ভ্যাকসিন নিয়েছেন তিনি। গণমাধ্যমের অনুরোধ ফেলতে না পেরেই তিনি এই অভিনয় করেছেন।

যোগাযোগ করলে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষও জানান, মন্ত্রী ভ্যাকসিন নিয়েছেন। তিনি বলেন, সেদিন আমরা দুজনেই ভ্যাকসিন নিয়েছি। মন্ত্রী আমার আগেই ভ্যাকসিন নিয়েছেন। উনি নেওয়ার পর আমি নিয়েছি।


আরও খবর

আমার দেখা তসলিমা নাসরিন

শনিবার ০৫ জুন ২০২১




কঙ্গোতে আগ্নেয়গিরি বিস্ফোরণে নিহত ১৫

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ৯৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আফ্রিকার দেশ ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) নাইরাগঙ্গো আগ্নেয়গিরি বিস্ফোরণের ফলে ছড়িয়ে পড়া আগুনে ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদে আশ্রয়ে যাওয়া লোকজন ধ্বংসস্তূপে ফিরতে শুরু করেছেন। এ পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

গোমার উপশহরীয় বুহেনে জেলায় গিয়ে আগুন স্তিমিত হয়ে এসেছে। শত শত বাড়িঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এর মধ্যে বহুতল ভবনও রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পুনর্বাসনে কয়েক মাস সময় লেগে যেতে পারে।

রোববার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টার দিকে গোমা থেকে ছয় মাইল অর্থাৎ ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নাইরাগঙ্গো পর্বতে আগ্নেয়গিরির ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

২০ লাখ বাসিন্দার শহরটির রাতের আকাশ নাইরাগঙ্গোর আগুনে লাল রং ধারণ করে। জ্বলন্ত লাভার বিস্ফোরণে দূর-দূরান্তে গিয়ে পড়ছে আগুনের ফুলকি। উত্তপ্ত লাভার ঢলের আতঙ্কে প্রাণ বাঁচাতে শহর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন স্থানীয়রা। দ্রুত নিরাপদে যাওয়ার জন্য তাড়াহুড়োর ফলে সড়ক দুর্ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

জেলখানা থেকে পালাতে গিয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে দুজন আগুনে পুড়ে মারা গেছেন। ডিআর কঙ্গো সরকারের মুখপাত্র প্যাট্রিক মুয়ায়া রোববার এ তথ্য জানান।

ইউনিসেফ বলছে, ১৭০টি শিশু নিখোঁজ রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ছাড়া দেড়শ শিশুকে তাদের পরিবার থেকে আলাদা জায়গায় রাখা হয়েছে।

আগুন ছড়িয়ে পড়তে থাকলে দলে দলে হেঁটেই শহর ছাড়েন মানুষজন। উদগীরণ শুরু হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর সরকারি ঘোষণা এলেও এর আগেই পূর্বাঞ্চলে রুয়ান্ডা সীমান্তের উদ্দেশে ছুটতে শুরু করেছিলেন হাজারও মানুষ। আগুন ছড়িয়ে পড়ার পর তাদের অনেকে ধ্বংস্তস্তূপে ফিরে গেছেন।

নিউজ ট্যাগ: আগ্নেয়গিরি

আরও খবর



ঢাকায় এবার কোরবানির পশুর হাট ২৩টি

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ১৩০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঈদুল আজহা সামনে রেখে ২৩টি অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। এর মধ্যে ১৩টি হাট বসবে ঢাকা দক্ষিণে। ১০ টি ঢাকা উত্তর সিটি এলাকায়।

এর বাইরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) স্থায়ী হাট গাবতলী এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) স্থায়ী হাট সারুলিয়ায়ও পশু কেনাবেচা হবে।

পশুর অস্থায়ী এসব হাট ইজারা দেওয়ার জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে দুই সিটি করপোরেশন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাসের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বিবেচনায় হাটের সংখ্যা ১৩টি করা হয়েছে, তবে সেটা কমতেও পারে।

ডিএনসিসির অস্থায়ী হাটগুলোর মধ্যে রয়েছে উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টরের বৃন্দাবন থেকে উত্তর দিকে বিজিএমইএ পর্যন্ত খালি জায়গা, ভাটারা (সাইদনগর), কাওলা শিয়ালডাঙ্গাসংলগ্ন খালি জায়গা, ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্বাচল ব্রিজসংলগ্ন মস্তুল ডুমনী বাজারমুখী রাস্তার উভয় পাশের খালি জায়গা, উত্তরখান মৈনারটেক শহীদনগর হাউজিং প্রকল্পের খালি জায়গা, বাড্ডা ইস্টার্ন হাউজিংয়ের ই-ব্লকে (সেকশন-৩ এর খালি জায়গা), উত্তরা ১৫ নম্বর সেক্টরের ১ নম্বর ব্রিজের পশ্চিমের অংশ, ২ নম্বর ব্রিজের পশ্চিমে গোলচত্বর পর্যন্ত সড়কের ফাঁকা জায়গা, মিরপুর সেকশন-৬ ইস্টার্ন হাউজিংয়ের খালি জায়গা এবং ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট খেলার মাঠ।

আর ঢাকা দক্ষিণ সিটির অস্থায়ী হাটগুলো হলো- উত্তর শাহজাহানপুর খিলগাঁও রেলগেট বাজার মৈত্রী সংঘের ক্লাবসংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, হাজারীবাগ এলাকায় ইনস্টিটিউট অব লেদার টেকনোলজি মাঠসংলগ্ন উন্মুক্ত এলাকা, পোস্তগোলা শ্মশানঘাটসংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, মেরাদিয়া বাজারসংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, লিটল ফ্রেন্ডস ক্লাবসংলগ্ন গোপীবাগ বালুর মাঠ, কমলাপুর স্টেডিয়ামসংলগ্ন বিশ্বরোডের আশপাশের খালি জায়গা, দনিয়া কলেজ মাঠসংলগ্ন খালি জায়গা, ধূপখোলা ইস্ট অ্যান্ড ক্লাবসংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, ধোলাইখাল ট্রাক টার্মিনালসংলগ্ন উন্মুক্ত জায়গা, আফতাবনগর (ইস্টার্ন হাউজিং) ব্লক-ই, এফ, জি, এইচ সেকশন ১ ও ২-এর খালি জায়গা, আমুলিয়া মডেল টাউনের আশপাশের খালি জায়গা, লালবাগের রহমতগঞ্জ ক্লাবসংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, শ্যামপুর-কদমতলী ট্রাক স্ট্যান্ডসংলগ্ন খালি জায়গা এবং গোলাপবাগে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মার্কেটের পেছনের খালি জায়গা।


আরও খবর



বিশ্বের প্রয়োজনেই মৎস্য খাতকে এগিয়ে নিতে হবে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৭ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৩২৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো গোটা বিশ্বকে এক জায়গায় নিয়ে এসেছে। সে জায়গা থেকে সমগ্র বিশ্বের প্রয়োজনেই মৎস্য খাতকে এগিয়ে নিতে হবে

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দেশের মৎস্য খাত যাতে বিপন্ন অবস্থায় না পড়ে সেজন্য যৌক্তিক, বাস্তবতাপূর্ণ ও বিজ্ঞানসম্মত প্রস্তুতি নিতে হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে মৎস্য অধিদপ্তর এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন কমিউনিটি বেজড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট ফিসারিজ এন্ড অ্যাকোয়াকালচার ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ শীর্ষক প্রকল্পের উদ্বোধনী কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা জানান।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, ভৌগলিক অবস্থানের কারণে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে আমাদের উপকূলীয় অঞ্চলের মৎস্যসম্পদ নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ ক্ষতি কাটিয়ে উঠার জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে নানা কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে। প্রচলিত ও অপ্রচলিত সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ আহরণ করে খাবারের সমৃদ্ধিসহ বিদেশে রফতানির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ করার জন্য গভীর সমুদ্রে টুনা মাছ আহরণ প্রকল্পসহ একাধিক প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা করেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। প্রকৃতির প্রতিকূলতা যাতে আমাদের ধ্বংস করে দিতে না পারে সেজন্য প্রস্তুতি থাকতে হবে। এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় আমরা ব্যাপক পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি।

মন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখার জন্য মৎস্য খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। এ খাতের সম্প্রসারণ ও গুণগত মানে বিকাশ শুধু বাংলাদেশেই নয়, সারাবিশ্বের জন্য প্রয়োজন। কারণ বিশ্ব এখন গ্লোবাল ভিলেজ। পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো গোটা বিশ্বকে এক জায়গায় নিয়ে এসেছে। সে জায়গা থেকে সমগ্র বিশ্বের প্রয়োজনেই মৎস্য খাতকে এগিয়ে নিতে হবে।

তিনি আরো যোগ করেন, জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের কোন দায় না থাকলেও বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য ছোট ছোট রাষ্ট্র এর কারণে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। সে জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ভার্চুয়াল লিডার সামিটে বিশ্বকে সমন্বিত ও সমভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নেতৃবৃন্দকে আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার জন্য একটি তহবিলের রাখার কথা বলেছেন। বিশ্বপরিমন্ডলে একটি সুচিন্তিত ব্যবস্থাপনা ও সমন্বিত পদক্ষেপের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ উল্লেখযোগ্য অধ্যায় হিসেবে অভিহিত করেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় তিনি বিশ্বে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো প্রজ্ঞা, দৃঢ়তা, সাহস ও বিচক্ষণতা দেখিয়ে দূরদৃষ্টিসম্পন্ন সুপারিশ দিয়েছেন।

এসময় জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সকল আন্তর্জাতিক সংস্থাকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করে বাংলাদেশের মৎস্য খাতের সম্প্রসারণ করার জন্য কারিগরী সহযোগিতাসহ অন্যান্য বিষয়ে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান মন্ত্রী।

মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস আফরোজের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ তৌফিকুল আরিফ, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ এবং এফএও-এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি রবার্ট ডি সিম্পসন। মন্ত্রণালয়ের ঊধ্বর্তন কর্মকর্তাবৃন্দ, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর-সংস্থা প্রধানগণ, মৎস্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, এবং মৎস্যজীবী সমিতির প্রতিনিধি কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর এলাকার ৪টি উপজেলায় এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকার ৫টি উপজেলায় উল্লিখিত প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পটির আওতায় জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে অভিযোজন ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কর্মকর্তা ও চাষি প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞতা বিনিময়, জলবায়ু সহিষ্ণু মৎস্য চাষ প্রযুক্তি সম্প্রসারণ, কাঁকড়া ও গলদা হ্যাচারি পরিচালনায় পরামর্শ সেবা প্রদান, বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষায় জনসাধারণের সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধিসহ নানাবিধ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।


আরও খবর



ডব্লিউএইচওর অনুমোদন পেল চীনের সিনোভ্যাকের টিকা

প্রকাশিত:বুধবার ০২ জুন 2০২1 | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ৪৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চীনের সিনোভ্যাক বায়োটেক কোম্পানির কোরোনাভ্যাক কোভিড টিকা জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

মঙ্গলবার ডব্লিউএইচও টিকাটি অনুমোদন করার কথা জানিয়েছে। এ নিয়ে চীনের উৎপাদিত করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় টিকা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেল।

স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের প্যানেল এক বিবৃতিতে ১৮ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য সিনোভ্যাকের এই টিকার দুই ডোজ সুপারিশ করেছে। দুই থেকে চার সপ্তাহ পর দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া যাবে।

এর আগে গত ৭ মে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত ওষুধ কোম্পানি সিনোফার্মের তৈরি দুটি টিকার মধ্যে বিবিআইবিপি-করভি (BBIBP-CorV) জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছিল ডব্লিউএইচও।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছ থেকে টিকা জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পাওয়ার মানে হল, বিশ্বের দেশগুলো এ টিকার মান ও কার্যকারিতায় আস্থা রাখতে পারে।

ডব্লিউএইচও চীনের সিনোভ্যাকের এই টিকাকে কোভ্যাক্স প্রোগ্রামের আওতায়ও আনবে। মূলত গরিব দেশগুলোর টিকাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে কোভ্যাক্স নামের এই প্ল্যাটফার্ম গড়ে তোলা হয়েছে।

ডব্লিউএইচও এর আগে ফাইজার-বায়োএনটেক, অ্যাস্ট্রাজেনেকা, জনসন অ্যান্ড জনসন এবং মডার্নার টিকাও জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দিয়েছিল।

কিন্তু ভারত টিকা রপ্তানি বন্ধ রাখায় গরিব দেশগুলো টিকার পুরো চালান সময়মত পাচ্ছে না। যার কারণে অন্য উৎস থেকে টিকা সংগ্রহের উদ্যোগ নিতে হচ্ছে বিভিন্ন দেশকে।

চীনের সিনোভ্যাক বায়োটেক কোম্পানি জানিয়েছে, তারা মে মাসের শেষ নাগাদ দেশে-বিদেশে এই টিকার ৬০ কোটিরও বেশি ডোজ সরবরাহ করেছে এবং ৪৩ কোটি ডোজ এরই মধ্যে মানুষকে দেওয়া হয়েছে।

ডব্লিউএইচও মঙ্গলবার চীনের সিনোভ্যাকের তৈরি কোভিড টিকা অনুমোদন করলেও বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে আগে থেকেই এ টিকার প্রয়োগ শুরু হয়েছে।

বিভিন্ন দেশে এই টিকার তৃতীয় ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে টিকাটি ৫১ শতাংশ থেকে ৮৪ শতাংশ কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে বলে এর আগে এক পর্যালোচনা প্রতিবেদনে জানিয়েছিল বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত ডব্লিউএইচওস্ট্র্যাটেজিক অ্যাডভাইজরি গ্রুপ (এসএজিই)।

চীন ক্যানসিনো বায়োলজিক্সের তৃতীয় আরেকটি কোভিড টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের তথ্যও জমা দিয়েছে। তবে এই তথ্য এখনও পর্যালোচনা করে দেখেনি ডব্লিউএইচও।


আরও খবর



দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের তাজা বোমার দাম ১৫ পাউন্ড!

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ৭৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জার্মানির তৈরি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের তাজা বোমা ১৫ পাউন্ড খরচ করলেই পাওয়া যাবে! তবে এর আগে বেশ কয়েক হাত ঘুরেছে।

অনলাইনে বিক্রিবাটার ওয়েবসাইটে ব্যবহার করা জিনিস-এর বিভাগে এই বয়ানেই বিজ্ঞাপনটি দেওয়া হয়েছিল, যা দেখে চমকে যায় ব্রিটেনের পুলিশ।  খবর ডেইলি মেইলের।

প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই বিজ্ঞাপনদাতার বাড়িতে চড়াও হয় তারা। বোমাটি সংগ্রহ করে, তার নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ ঘটিয়ে তবে নিশ্চিন্ত হয়। আপাতত বেআইনি পণ্য সংগ্রহের অভিযোগে ওই বিজ্ঞাপনদাতাকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে।

গত ১৮ মে বিজ্ঞাপনটি দেওয়া হয় অনলাইন বিক্রির সংস্থা ই-বের ওয়েবসাইটে। পুলিশ জানিয়েছে, বিজ্ঞাপনদাতা মার্ক উইলিয়াম পেশায় একজন মেটাল ডিটেক্টরিস্ট।

পুলিশকে মার্ক জানিয়েছেন, বোমাটি তিনি খুঁজে পান হ্যাম্পশায়ারে তার ভাইয়ের বাড়ির সামনের একটি খেলার মাঠ থেকে। মাটির নিচে পোঁতা ছিল। বোমাটি যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে, অ্যাডলফ হিটলারের আমলে তৈরি, তা দেখেই বুঝেছিলেন মার্ক। তবে বোমাটি তাজা না কি ব্যবহার করা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো ধারণা ছিল না তার।

মার্ককে এ ব্যাপারে জানান সেনাবাহিনীর জিনিসের সংগ্রাহক রালফ শেরউইন। রালফ জানিয়েছেন, বিজ্ঞাপনটি দেখেই মার্কের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন তিনি।

সঙ্গে সঙ্গেই তৎপর হয় পুলিশ। মার্কের বাড়িতে পৌঁছে তাদের সবাইকে বাড়ি থেকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে দিয়ে বোমাটির নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। তার পর মার্ককে গ্রেফতার করে পুলিশ।


নিউজ ট্যাগ: জার্মানি

আরও খবর