
পশ্চিমা বিশ্বে
মানে ইউরোপ-আমেরিকায় যারা থাকেন, তারা সাধারণত সন্ধ্যা না হতেই রাতের খাবার খেয়ে ফেলেন।
আমাদের গ্রামগুলোতেও একটা সময় বিদ্যুৎ থাকতো না বলে খুব বেশি রাত জাগতো না তারা। এখনো
সে অভ্যাস রয়ে গেছে অনেকের মাঝে। তবে শহরে একেবারেই বিপরীত। ব্যস্ততার কারণে রাত দশটার
আগে ডিনার বা রাতের খাবার খান এমন লোক শহরে খুব কমই পাওয়া যাবে।
কিন্তু ঘুমানোর
অন্তত তিন ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে নিলে অনেক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এ
জন্য খাদ্যাভ্যাস বদলানো যেমন প্রয়োজন তেমনই দরকার জীবনযাপনে পরিবর্তন। কারণ দীর্ঘদিন
রাতে দেরি করে খেলে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
* রাতে দেরি
করে খেলে অল্পতে পরিশ্রান্ত হওয়া, লো প্রেশার, মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা হ্রাস ও ওজন বৃদ্ধি
হতে পারে
* রাতে দেরি
করে খেলে ঢেকুর ওঠা, গলা জ্বালা করা, মাথাব্যথা ও ফুসফুসে প্রদাহ হতে পারে।
* রাতের পর
রাত এমন খাদ্যাভ্যাসে অভ্যস্ত হলে খাদ্যনালির ক্যানসার হতে পারে।
* বেশি রাতে
খাওয়ার অভ্যাস থেকে স্ট্রোক ও হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
* রাতে দেরি
করে খাওয়ার ক্ষতিকর প্রভাবে দিনের বেলায় শরীর খুব দ্রুত পরিশ্রান্ত হয়ে যাওয়া, লো প্রেশারের
সমস্যা এবং মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমে যেতে পারে। পাশাপাশি বাড়তে পারে ওজন।

