Logo
শিরোনাম

১ ইউরো দিয়ে বাড়ি কেনা যাবে ইতালিতে

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৬৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

১০০ টাকায় আজকাল তো জামা-জুতাই কিনতে পাওয়া যায় না সেখানে একটি আস্ত বাড়ি কেনা যাবে, তাও আবার ইতালিতে। নিশ্চয়ই এমনটি ভাবছেন! অবাক করা হলেও সত্যিই, ইতালিতে মাত্র ১ ইউরোর বিনিময়ে বাড়ি কেনার সুযোগ আছে।

কফির দামে সেখানে বাড়ি বিক্রি হচ্ছে। ইতালির ক্যাসিগ্লিয়োন ডি সিসিলিয়া শহরে নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে বিশালাকার সব বাড়ি। তার পাশেই আছে সিসিলির পূর্ব উপকূল ঘেঁষা মনোমুগ্ধকর সমুদ্র সৈকত। বাড়ির পাশেই সমুদ্র সৈকত, কতটা মনোরোম পরিবেশ ভাবুন একবার!

জানা গেছে, ইতালির এই শহরের মেয়র আন্তোনিনো কামারদা নতুন মানুষদেরকে আনার চেষ্টা করছেন ক্যাসিগ্লিয়োন ডি সিসিলিয়াতে। ১৯ দশকের শুরু থেকে জনসংখ্যা কমতে কমতে সেখানে ১৪ হাজার থেকে ৩ হাজার জনে নেমে এসেছে।

ক্যাস্তগ্লিয়োন ডি সিসিলিয়ায় প্রায় ৯০০টি পরিত্যক্ত বাড়ি আছে। আর এগুলোই নামমাত্র দামে বিক্রির চেষ্টা করছেন কর্তৃপক্ষ। মেয়র আন্তোনিও কামারদা বলেছেন, তিনি এই শহরে আবারও প্রাণ ফেরাতে চান। মানুষ না থাকার কারণে ভুতুড়ে শহরে পরিণত হয়েছে এটি। শত শত বাড়ি পড়ে আছে মানুষের অভাবে।

তাই যদি কেউ ইতালির ছোট্ট শহরে বসবাস করতে চান, তাদেরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মেয়র। এই স্কিমটি ২০২১ সালের মার্চ মাসে চালু হয়েছে। এ বিষয়ে মেয়র একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছেন।

এ শহরের প্রায় অর্ধেক বাড়ি-ঘরই ভগ্নপ্রায় হয়ে গেছে। তাই এগুলো এক ইউরো প্রতীকী দরে বিক্রি হবে। যেসব বাড়ির অবস্থা কিছুটা ভালো; সেগুলো ৪-৫ হাজার ইউরোতে বিক্রি করা হবে। সেখানকার বেশিরভাগ বাড়িই সংস্কার করে নিতে হবে কেনার পর।

ইতালির চেয়ে সিসিলিতে স্থানীয় ট্যাক্স তুলনায় কম। ক্রেতারা ইতালীয় সরকারের সুপারবোনাস প্রকল্পেরও সুবিধা নিতে পারেন। যেগুলো সংস্কারের জন্য ১১০ শতাংশ করের বিনিময়ে ঘরগুলো আবার নতুনের মতো করে নিতে পারবেন।

কাস্তিগ্লিয়োন ডি সিসিলিয়া শহরে খ্রিস্টপূর্ব ৪০৩ খ্রিস্টাব্দ থেকে জনবসতি গড়ে ওঠে। সে হিসেবে এ শহরটি প্রাগৈতিহাসিক সময়ের। এই শহর থেকে মাত্র ৪০ মিনিট গেলেই নিকটতম সৈকত মেরিনা দি কোটোন চোখে পড়বে। সেখানে আরও আছে কমলার বাগান, জলপাইয়ের বাগান, নদী, ওয়াইনের কারখানা ইত্যাদি।

নিউজ ট্যাগ: ইতালি

আরও খবর

আজ বিশ্ব মা দিবস

রবিবার ০৯ মে ২০২১




২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ১৪ হাজার প্রাণহানি

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | ৮৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিশ্বব্যাপী মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে। সারাবিশ্বে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ১৩ কোটি ৯৬ লাখ ৭০ হাজার ৮১৪ জন। গত একদিনে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ১৪ হাজার মানুষের। ফলে এ মহামারিতে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২৯ লাখ ৯৯ হাজার ২৪৬ জনের। এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাস সৃষ্ট মহামারি কোভিড-১৯ থেকে সুস্থ হয়েছেন ১১ কোটি ৮৭ লাখ ১৯ হাজার ৫৬ জন।

শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ৯টায় আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় ৫ লাখ ৭৮ হাজার ৯৯৩ জনের প্রাণ নিয়েছে এই মহামারি। এছাড়া করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩ কোটি ২২ লাখ ২৪ হাজার ১৩৯ জনের। আর সুস্থ হয়েছেন ২ কোটি ৪৭ লাখ ৭০ হাজার ৯৮০ জন।

যুক্তরাষ্ট্রের পর করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ ভারত। এশিয়ার মধ্যে করোনায় সবচেয়ে বিপর্যস্ত অবস্থা দেশটির। ভারতে এখন পর্যন্ত করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১ কোটি ৪২ লাখ ৮৭ হাজার ৭৪০ জন। মারা গেছেন ১ লাখ ৭৪ হাজার ৩৩৫ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ২৫ লাখ ৪৩ হাজার ৯৭৮ জন।

তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে ব্রাজিল। লাতিন আমেরিকার এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১ কোটি ৩৭ লাখ ৫৮ হাজার ৯৩ জন। তাদের মধ্যে মারা গেছেন ৩ লাখ ৬৫ হাজার ৯৫৪ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ২২ লাখ ৩৬ হাজার ২৯৫ জন।

করোনাভাইরাস শনাক্তের তালিকায় চারে ইউরোপের দেশ ফ্রান্স। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৫১ লাখ ৮৭ হাজার ৮৭৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। মারা গেছেন ১ লাখ ৭৩ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ৮ হাজার ৩৫ জন।

তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৩৩তম। এখন পর্যন্ত দেশে ৭ লাখ ৭ হাজার ৩৬২ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ১০ হাজার ৮১ জনের। সেরে উঠেছেন ৫ লাখ ৯৭ হাজার ২১৪ জন।


আরও খবর



ভারতে আবারও হাসপাতালে আগুন, নিহত ৪

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | ৮৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
শর্টসার্কিট থেকে ওই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে। দেশটির সরকার নিহত রোগীর পরিবারকে ৫ লাখ এবং আহতদের ১ লাখ রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। বুধবার স্থানীয় সময় ভোর ৩টা ৪০ মিনিটে

এক সপ্তাহের ব্যবধানে ভারতের আবারও হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চার রোগী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন দগ্ধ হয়েছেন। এর আগে গত সপ্তাহে দেশটির একটি করোনা হাসপাতালে আগুন লেগে ১৩ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন। বুধবার ভোরে মহারাষ্ট্রের রাজধানী মুম্বাই থেকে ২৮ কিলোমিটার দূরে থানে নামক এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর এনডিটিভির।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শর্টসার্কিট থেকে ওই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে। দেশটির সরকার নিহত রোগীর পরিবারকে ৫ লাখ এবং আহতদের ১ লাখ রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। বুধবার স্থানীয় সময় ভোর ৩টা ৪০ মিনিটে প্রাইম ক্রিটিকেয়ার নামে বেসরকারি ওই হাসপাতালে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে ভবনটির দ্বিতীয় তলা পুরোপুরি পুড়ে গেছে।

সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ওই হাসপাতলে কোনো করোনা আক্রান্ত রোগী ছিলেন না। অগ্নিকাণ্ডের পর ২০ রোগীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ছয়জন আইসিইউতে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

থানে পৌর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগুন লাগার পর অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার সময় চার রোগীর মৃত্যু হয়। যদিও স্থানীয় বিধায়ক ও মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী জিতেন্দ্র আওহাদ জানিয়েছেন, আগুনে দগ্ধ হয়ে ওই চার রোগী মারা গেছে।

গত ২২ এপ্রিল রাত সাড়ে ৩টার দিকে মুম্বাইয়ের কাছে পালঘরে ভিরারের বিজয় বল্লভ কোভিড হাসপাতালে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগে ১৩ জনের প্রাণহানি হয়।


আরও খবর



জুলাইয়ের আগে প্রতিবেশী দেশেগুলো পাবে না ভারতের টিকা

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩০ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | ৯৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আগামী জুলাই মাসের আগে বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলংকাসহ প্রতিবেশি দেশগুলোর জন্য করোনার টিকা দিতে পারবে না ভারত। দেশটি ইতোমধ্যেই বাণিজ্যিক এবং বরাদ্দ-ভিত্তিক টিকার ডোজ রফতানি বন্ধ করে দিয়েছে। যেসব প্রতিবেশি দেশ এরই মধ্যেই দাম পরিশোধ করেছে সেগুলো পাঠানোও বন্ধ রাখা হয়েছে। এপ্রিলের শুরুতে ভারতে করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ শুরুর পর এই সিদ্ধান্ত নেয় দেশটি। দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে নাকাল হয়ে পড়েছে ভারত। আগামী ১ মে থেকে সব প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য করোনার টিকা উন্মুক্ত করতে যাচ্ছে দেশটি। দেশের চাহিদা মেটাতে এপ্রিলের শুরুতে সর্বশেষ টিকার চালান রপ্তানি করে ভারত। এরপরই আগে দাম পরিশোধ করা থাকলেও রপ্তানি বন্ধ রেখেছে দিল্লি।

আবারও কবে নাগাদ রপ্তানি শুরু হবে জানতে চাইলে বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ শ্রিংলা কোনও সময়সীমা জানাতে পারেননি। টিকা রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্তের কারণে প্রতিবেশি দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের কোনও অবনতি হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে শ্রিংলা বলেন, বর্তমানে আমাদের প্রয়োজন অনেক বেশি, আর আমাদের সব সহযোগীরাই বুঝতে পারছে এই পরিস্থিতিতে আমাদের প্রয়োজন হলো টিকাদান কর্মসূচি বাড়ানো, দুই-তিনশ কোটি, সেকারণে আমাদের টিকাদান তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে বাড়াতে হয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের প্রয়োজন অনেক বেশি আর আমরা যা উৎপাদন করছি তা আমাদের অভ্যন্তরীণ প্রয়োজন মেটানোর জন্য দরকার পড়বে।

তবে সাউথ ব্লকের অন্তত দুই কর্মকর্তা বলেছেন, ভারতের টিকা রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্তে প্রতিবেশিদের সমস্যার বিষয়ে সচেতন রয়েছেন তারা। বাংলাদেশে বাণিজ্যিক চালান গত ২১ ফেব্রুয়ারির পর আর পাঠানো হয়নি। সেদিন ২০ লাখ ডোজ পাঠানো হয়। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চুক্তি অনুযায়ী তিন কোটি ডোজ কোভিশিল্ড টিকা পাঠানোর কথা রয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী আগামী ছয় মাস ধরে প্রতি মাসে ৫০ লাখ ডোজ ছয় মাসের মধ্যে সরবরাহ করার কথা। তবে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে মাত্র ৭০ লাখ ডোজ টিকা পাঠিয়েছে ভারত। এছাড়া উপহার হিসেবে দুই ধাপে পাঠিয়েছে আরও ৩২ লাখ। সবমিলে বাংলাদেশে আসা টিকার পরিমাণ ১ কোটি দুই লাখ ডোজ।

শ্রীলংকা এক কোটি ৫০ লাখ ডোজ কোভিশিল্ড টিকার বাণিজ্যিক আদেশ দিয়েছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র পাঁচ লাখ ডোজ সরবরাহ করেছে ভারত। শ্রীলংকা ও নেপালে সর্বশেষ চালান পাঠানো হয় গত ৬ ও ২৮ মার্চ। তবে সেগুলো পাঠানো হয় কোভ্যাক্স জোটের আওতায়। আর এসব দেশে বাণিজ্যিক টিকা পাঠানো বন্ধ রয়েছে ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে।

ফলে ভারতের টিকা সরবরাহের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। যদিও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে টিকাদান কর্মসূচি সম্পন্ন করার চাপ ক্রমাগত বাড়ছে। দ্য হিন্দু বলছে, টিকা সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় বাংলাদেশ ও নেপাল সরকার ইতোমধ্যে তাদের উদ্বেগ আনুষ্ঠানিকভাবে দিল্লিকে জানিয়েছে। এদিকে গত কয়েক সপ্তাহে চীন দক্ষিণ এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশে টিকা সরবরাহ করেছে। এছাড়া আরও পাঠানোর প্রস্তাবও দিয়েছে।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর বিতরণে অনিয়ম: ইউপি চেয়ারম্যান মিঠু বরখাস্ত

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৩৭১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-সচিব মো. আবু জাফর স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে জানা গেছে, মুজিববর্ষ উপলক্ষে সরকার কর্তৃক অসহায়দের জন্য দেওয়া বিনামূল্যে বিতরণকৃত ঘর দেওয়ার বিনিময়ে ঘুষ

পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার ২ নম্বর মালিখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুমন মণ্ডল মিঠুকে অনিয়মের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ওই বরখাস্তের চিঠি নাজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে পৌঁছেছে।

নাজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ওবায়দুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-সচিব মো. আবু জাফর স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে জানা গেছে, মুজিববর্ষ উপলক্ষে সরকার কর্তৃক অসহায়দের জন্য দেওয়া বিনামূল্যে বিতরণকৃত ঘর দেওয়ার বিনিময়ে ঘুষ নেওয়া, সরকারি টিউবওয়েল দেওয়ার বিনিময়ে ঘুষ নেওয়া, ভিজিডির (ভালনারবেল গ্রুপ ডেভেলপমেন্ট) উপকারভোগী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ স্থানীয় তদন্তে সত্য প্রমাণিত হওয়ায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

জানা গেছে, সম্প্রতি ইউপি চেয়ারম্যান সুমন মণ্ডল মিঠু বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বিনামূল্যে ঘর দেওয়ার বিনিময়ে উৎকোচ নেওয়া, গভীর নলকূপ দেওয়ার বিনিময়ে, ভিজিডিসহ বিভিন্ন সরকারি অনুদান দিতে উৎকোচ নেওয়ার অভিযোগে স্থানীয়রা বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দেন।


আরও খবর



ভয়াল ২৯ এপ্রিল আজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৭৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উপকূলে মহাপ্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় হারিকেন আঘাত হানার ৩০ বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল রাতে এই ঘূর্ণিঝড় ও ভয়াবহ জলোচ্ছ্বাস কেড়ে নেয় উপকূলের লাখো মানুষের প্রাণ। তাদের মধ্যে কক্সবাজারের চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলায়ই অন্তত ২৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। একই সঙ্গে প্রাণ যায় লাখ লাখ গবাদি পশুর। প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ উপকূলীয় এলাকা কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পরিণত হয় বিরানভূমিতে।

২৯ এপ্রিল উপকূলবাসীর বেদনার দিবস হিসেবে সবার কাছে পরিচিত। ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের দিবাগত মধ্যরাতে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনাসহ দেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ১৫ থেকে ২০ ফুট উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাস আঘাত হানে। এতে দুই লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটার পাশাপাশি নিখোঁজ হয় এক লাখ মানুষ। ৭০ হাজার গবাদিপশু মারা যায়। ওই রাতের তাণ্ডবে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয় বলে সরকারি হিসাবে বলা হয়। তবে বেসরকারি হিসাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও অনেক বেশি হবে।

বাংলা সনের চৈত্র-বৈশাখ মাসের তীব্র গরমে মাঠঘাট ফেটে চৌচির ছিল ওই ঘূর্ণিঝড়ের সময়। শুকনো ছিল খাল, বিল, নদীনালা ও পুকুর। সারা দিন আকাশে মেঘ জমাছিল, গুঁড়িগুঁড়ি হালকা বৃষ্টিও পড়ছিল সারা দিন। সপ্তাহের সোমবার দিন ফুরিয়ে সন্ধ্যা যতই ঘনিয়ে আসছে, বাতাসের একটানা গতিবেগ ততই বাড়তে থাকে।

রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবিরা প্রচার করতে থাকে দুর্যোগের খবর। কিন্তু ভুক্তভোগীরা কেউ পাত্তাই দিলো না- করল অবহেলা। ওই অবহেলাই কাল হলো অনেকের। ঘূর্ণিঝড়ের ছোবলে সন্তান হারায় মা-বাবাকে, মা হারান তাঁর প্রিয় সন্তানদের, স্বামী হারান স্ত্রীকে, স্ত্রী হারান তার প্রাণের চেয়ে প্রিয় স্বামীকে। সে ভয়াল রাতের স্মৃতি মনে পড়লে উপকূলবাসী এখনও আঁতকে উঠে।

২৯ এপ্রিল নিহতদের স্মরণে আজ দেশের উপকূলের প্রতিটি বাড়িতে ফাতেহা চলছে। কোরআনখানি, মিলাদ মাহফিল, দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা, কাঙালিভোজ, চিত্র প্রদর্শনীসহ নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করছেন নানা সংগঠন।


আরও খবর

আজ কলাপাড়ায় ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন!

বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১