শিরোনাম

আবারও যাত্রীবাহী লঞ্চে আগুন

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৬৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে বরিশালগামী যাত্রীবাহী এমভি সুরভী-৯ নামের লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শনিবার (৮ জানুয়ারি) রাত ১২টার দিকে মতলব উত্তরের মোহনপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

লঞ্চের ইঞ্জিনের সাইলেন্সার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়। তবে লঞ্চে থাকা স্টাফদের তৎপরতায় দ্রুতই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। খবর পেয়ে নৌ-ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।

জানা যায়, এমভি সুরভী-৯ নামের লঞ্চটি ঢাকা থেকে বরিশাল যাচ্ছিল। রাত ১২টার দিকে মোহনপুর এলাকা অতিক্রমকালে লঞ্চের ইঞ্জিনরুমে ইঞ্জিনের সাইলেন্সার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এ সময় লঞ্চে থাকা যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তবে লঞ্চের স্টাফদের প্রচেষ্টায় প্রথমেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ফলে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএর উপপরিচালক মো. কায়ছারুল ইসলাম বলেন, লঞ্চের ইঞ্জিনের সাইলেন্সার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। যাত্রীরা নিরাপদে আছেন। নিরাপত্তার স্বার্থে বিআইডব্লিউটিএর একটি টিম লঞ্চে তাদের সঙ্গে বরিশাল যাবে। এ ছাড়া কোস্টগার্ডের একটি টিম চাঁদপুর সীমানা পর্যন্ত লঞ্চটিকে এগিয়ে দিয়ে আসবে।বিআইডব্লিউটিএ আরও জানান, লঞ্চটি থেকে যাত্রীদের অন্য লঞ্চে তুলে দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।


আরও খবর

শরীয়তপুর-চাঁদপুর নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ

বৃহস্পতিবার ০৬ জানুয়ারী ২০২২




বেতন-ভাতা না দিয়েই অফিস গুটিয়ে চলে গেছে বিতর্কিত প্রিয়া সাহার এনজিও

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ১৫৯১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দীর্ঘ ৯ মাসেরও অধিক সময় ধরে বেতন ভাতা বন্ধ রেখে সেই বিতর্কিত প্রিয়া সাহার এনজিও শারি রাতের আঁধারে অফিস গুটিয়ে চলে গেছে। কোথায় গেছে তাও কেউ বলতে পারছে না। অফিসের অনেক কর্তাব্যক্তিরা মোবাইলও রিসিভ করছেন না। তবে প্রতিষ্ঠানটির ফিনান্স সমন্বয়কারী প্রদীপ দাস বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন অফিস গুটিয়ে নেওয়া হয়নি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২১ সালের এপ্রিল মাস থেকে উক্ত শারি এনজিও ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ এবং খুলনা অফিসের আওতায় প্রায় ৮০জন কর্মকর্তা, কর্মচারিদের কোন প্রকার বেতনাদি দিচ্ছেনা। উপরন্তু আত্মসাতের উদ্দেশ্যে ওই সকল কর্মীদের পূর্বের পাওনা তথাকথিত স্টাফ ওয়েলফেয়ারের নামে কর্তনকৃত বেতনের ৫% হারে যে টাকা জমা হয়েছে, তাও দিচ্ছে না। টাকা চাইলেই অফিসের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক ও সাবেক ডেসটিনি কর্মকর্তা শক্তিময়ী হীরা বলেন, আমেরিকায় প্রিয়া সাহার সাথে কথা বলতে। অনেকে আবার প্রিয়া সাহার সাথে কথা বললে তিনি ধমকের সুরে তাদেরকে থামিয়ে দেন বলে ভূক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন।

এদিকে খোঁজ নিয়ে আরও জানা গেছে, অফিসে কর্মরত কর্মীদের বেতন ভাতা না দেওয়ার উদ্দেশ্যেই হঠাৎ করে অফিস গুটিয়ে চলে গেছে এই সংস্থাটি। কোথায় গেছে তাও কেউ বলতে পারছে না। যদিও অফিসের সাথে সম্পর্কিত কেউ ফোনই ধরছে না। শারি সংস্থার সেই বিতর্কিত নির্বাহী পরিচালক প্রিয়া সাহার স্বামী মলয় সাহা অফিসের জেনারেল ফান্ডে থাকা সকল টাকা নিয়ে গেছেন বলে সংস্থার হিসাব শাখা থেকে জানা গেছে। যে কারণে কর্মীদের প্রাপ্য বেতন ভাতাদিও দিতে পারছে না এই সংস্থাটি। উল্লেখ্য যে, জার্মান ভিত্তিক দাতা সংস্থা ব্রেড ফর দ্যা ওয়ার্ল্ড এবং মিজেরিয়র’ বাংলাদেশের তথাকথিত বেসরকারী সংস্থা শারিকে প্রতি বছর অন্ততঃ আড়াই কোটি টাকা অনুদান দিত।

সর্বশেষ ২০২০ সালের শেষের দিকে করোনা চলাকালীন সময় ত্রাণের জন্য উক্ত দুটি দাতা সংস্থা থেকে ৪৫ লাখ টাকা অতিরিক্ত অনুদান দিলেও কোন ত্রাণ না দিয়ে পুরোটাই আত্মসাত করে আমেরিকায় প্রিয়া সাহার কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে দাতা সংস্থা ব্রেড ফর দ্যা ওয়ার্ল্ড তাদের নিজস্ব অডিট টিম পাঠিয়ে অডিট করালে ত্রাণের পাশাপাশি আরও বেশ কিছু আত্মসাতের বিষয় ধরা পড়ে। ফলে ওই দাতা সংস্থা শারিকে অনুদান বন্ধ করে দেয়।

জানা গেছে, দেশের দলিত সম্প্রদায়কে নিয়ে কাজ করার, তাদের জীবনমান উন্নয়নে কথা বলে আনা টাকার নামমাত্র কিছু টাকা খরচ করে কিছু ট্রেনিং প্রোগ্রামসহ কিছু সচেতনতামূলক সভা, সেমিনার করে অনুদানের বাকী টাকা আত্মসাৎ করতো শারি।

এ সকল বিষয় জানার জন্য শারি’র ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক শক্তিময়ী হীরা এর মোবাইল নম্বর ০১৬৭৬২৮৬০১৫ এ ফোন করা হলে তিনি তা রিসিভ করেন নি। অন্যদিকে সংস্থার ফিনান্স সমন্বয়কারী প্রদীপ দাস এর সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অফিস গুটিয়ে নেওয়ার কথা সঠিক নয়। তবে ফান্ড না থাকায় বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ আপাতত বন্ধ রয়েছে। ফান্ড না পাওয়ায় ষ্টাফদের বেতনভাতাও একটু বকেয়া পড়েছে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর কাছে বাংলাদেশের হিন্দুদের নির্যাতন করা হয় এবং হিন্দুরা দেশ থেকে পালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করায় দেশব্যাপী সমালোচনার মুখে পড়ে বিতর্কিত হন পিরোজপুরের নাজিরপুরের মেয়ে এবং শারি’র নির্বাহী পরিচালক প্রিয়া সাহা।

২০১৯ সালের ১৭ জুলাই হোয়াইট হাউজে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের আয়োজনে সেকেন্ড মিনিস্টারিয়াল টু এ্যাডভান্স রিলিজিয়াস ফ্রিডম’ নামের একটি ইভেন্টে যোগ দিতে গিয়ে প্রিয়া সাহা তৎকালীন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর কাচে অভিযোগ করেন, বাংলাদেশে থেকে (তার ভাষায়) ৩৭ মিলিয়ন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান নিখোঁজ হয়েছে’, তার নিজের বাড়িঘরও আক্রান্ত হয়েছে কিন্তু এর কোন বিচার হয় নি। মি ট্রাম্পকে অনুরোধ করেন তিনি যেন বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের সাহায্য করেন- যাতে তারা দেশে থাকতে পারে।

প্রিয়া সাহা সেদিন ট্রাম্পকে বলেন, স্যার, আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি। এখানে ৩৭ মিলিয়ন (তিন কোটি ৭০ লাখ) হিন্দু বৌদ্ধ এবং খ্রিস্টান নিখোঁজ হয়ে গেছে। দয়া করে আমাদের, বাংলাদেশী মানুষদের, সাহায্য করুন। আমরা আমাদের দেশে থাকতে চাই। সে দেশে এখনো ১৮ মিলিয়ন (১ কোটি ৮০ লাখ) সংখ্যালঘু আছেন। আমার অনুরোধ হচ্ছে, আমাদের সাহায্য করুন। আমরা আমাদের দেশ ছেড়ে যেতে চাই না। শুধু আমাদের দেশে থাকতে সাহায্য করুন।’

প্রিয়া সাহা আরো বলেন, আমি আমার বাড়ি হারিয়েছি। তারা আমাদের বাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে। তারা আমাদের জমি নিয়ে নিয়েছে। কিন্তু এর কোন জাজমেন্ট (বিচার) হয় নি।’

এ সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাকে প্রশ্ন করেন বাড়ি ও জমি কে নিয়েছে ?

তখন প্রিয়া সাহা একটু কথা গুলিয়ে ফেললেও পর মুহূর্তেই বলেন, মুসলিম মৌলবাদী গোষ্ঠী। তারা সবসময়ই রাজনৈতিক আশ্রয় পাচ্ছে। সব সময়।’

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে প্রিয়া সাহার এমন অভিযোগের বিষয়ে সে সময়ে বাংলাদেশ সরকার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় এবং উক্ত অভিযোগ ভয়ংকর মিথ্যা, সাজানো গল্প বলে অভিহিত করে।

এ ঘটনার পরে তিনি আর বাংলাদেশে ফিরে আসেন নি। তিনি বর্তমানে মুক্তরাষ্ট্রেই বসবাস করছেন। সেখানে তার দুই মেয়েও রয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: প্রিয়া সাহা

আরও খবর



মাস্টার্স শেষ পর্ব পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু ২৬ ডিসেম্বর

প্রকাশিত:বুধবার ২২ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৭৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০১৯ সালের এমএ/এমএসএস/এমবিএ/এমএসসি/এম মিউজ শেষ পর্ব (আইসিটিসহ) পরীক্ষার আবেদন ফরম পূরণ শুরু হবে ২৬ ডিসেম্বর থেকে। আর আবেদন ফরম পূরণের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ জানুয়ারি।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আতাউর রহমান জানান, এ সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন হবে। পরীক্ষার আবেদন ফরম, বিবরণী ফরম পূরণ ও জমাদানের তারিখসহ বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স শেষ পর্ব পরীক্ষাবিষয়ক ওয়েব সাইটে (www.nubd.info/mf) পাওয়া যাবে।


আরও খবর

ফের অবরুদ্ধ শাবি ভিসি !

সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২




শীতে শিশুর কানের সংক্রমণ এড়ানোর উপায়

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জানুয়ারী 2০২2 | হালনাগাদ:রবিবার ১৬ জানুয়ারী ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শীতকালে শিশুদের বিভিন্ন রকম সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা যথেষ্ট শক্তিশালী নয় বলে ঠান্ডা মৌসুমে তাদের সংক্রমণের ঝুঁকি অন্য মৌসুমের তুলনায় বেশি।

শীতকালে শিশুদের অন্যতম বহুল প্রচলিত অসুস্থতা হলো কানের সংক্রমণ। ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ড মেডিক্যাল সেন্টারের মতে, প্রথম তিন বছরের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ শিশুর কানে সংক্রমণ হয়ে থাকে। এর অধিকাংশই ঠান্ডার দিনগুলোতে হয়ে থাকে।

* শিশুদের কানের সংক্রমণের কারণ

শীতকালে কমন কোল্ড বা ঠান্ডা লাগা সংক্রমণের আধিপত্য চলে। এই সংক্রমণের সবচেয়ে প্রচলিত উপসর্গ হলো সর্দিজ্বর। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের ঠান্ডা লাগলে কানে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

কানের ক্যানাল ও গলাকে সংযুক্তকারী একটা টিউব আছে। এটাকে ইউস্ট্যাশিয়ান টিউব বলে। এই টিউব মধ্যকানে উৎপন্ন তরলকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দূর করে থাকে। ঠান্ডা আবহাওয়ায় এসব তরল ঘন হয়ে যায় এবং কমন কোল্ড ইউস্ট্যাশিয়ান টিউবে প্রদাহ সৃষ্টি করে। এর ফলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়ে কানের ক্যানালে তরল জমে যায়। অতঃপর কানে সংক্রমণ হয়। কেবল কমন কোল্ড নয়, ফ্লু ও অন্যান্য শ্বাসতন্ত্রীয় সংক্রমণ থেকেও কানে সংক্রমণ হতে পারে।

* শিশুদের কানের সংক্রমণের উপসর্গ

শিশুদের কানের সংক্রমণের সবচেয়ে প্রচলিত উপসর্গ হলো কানে ব্যথা। সংক্রমিত শিশুদের আচরণে বোঝা যেতে পারে যে, কানে কিছু একটা হয়েছে অথবা কানে ব্যথা করছে। জ্বরও আসতে পারে। সাধারণত কানের সংক্রমণে শিশুদের শরীরের তাপমাত্রা ১০০.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত বাড়তে পারে। শিশুদের বালিশে হলুদ-সাদা তরলও কানের সংক্রমণের নির্দেশক হতে পারে। এতে দুর্গন্ধ থাকতেও পারে, আবার নাও থাকতে পারে। সংক্রমিত কানে লক্ষণীয় ফোলা দেখা যেতে পারে। মাথাব্যথাও করতে পারে। অল্পবয়সী শিশুরা মাথায় হাত দিয়ে এটা বোঝানোর চেষ্টা করতে পারে।

* শিশুদের কানের সংক্রমণের চিকিৎসা

শীতকালে শিশু কানের সংক্রমণে ভুগলে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়াই ভালো। এটা ভাইরাস সৃষ্ট হলে তিনি ব্যথানাশক ওষুধ ও নন অ্যান্টিবায়োটিক ইয়ার ড্রপস দিতে পারেন। এটা চার/পাঁচদিনে সেরে ওঠে। অন্যদিকে ব্যাকটেরিয়ার অস্তিত্ব থাকলে প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক উল্লেখ করেন। সংক্রমিত শিশুকে প্রচুর তরল ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে হবে। ধোঁয়া থেকে দূরে রাখুন, কারণ উপসর্গ শোচনীয় হতে পারে। যথাসম্ভব বাইরে যেতে দেবেন না।

* শিশুদের কানের সংক্রমণ এড়াতে যা করবেন

শীতকালে শিশুদের জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন এনে কানের সংক্রমণের ঝুঁকি কমানো যেতে পারে। বাইরে বের হলে তাদেরকে কানটুপি বা মাফলার পরাতে হবে। যেহেতু শীতে সংক্রমণের প্রবণতা বেশি, তাই শিশুদের খাদ্যতালিকায় বেশি করে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার রাখতে হবে। সম্ভব হলে ফ্লু শট দিয়ে দিন। অসুস্থ মানুষ থেকে দূরে রাখুন। ঘরে বেশি শীত লাগলে হিটারের ব্যবস্থা করুন। দিনের বেলা জানালা খুলে দিন। শিশুদেরকে দীর্ঘসময় বাইরে খেলতে দেবেন না, কারণ অত্যধিক ঠান্ডায় কানের তরল শক্ত হয়ে যায়। বাইরে থেকে আসলে গরম পানীয় অথবা গরম স্যূপ খেতে দিন।

নিউজ ট্যাগ: শীতে কানের যত্ন

আরও খবর

মুখে স্বাদ ফেরাতে বানান মুরগির পুলি

সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২

চাইনিজ সবজি রান্নার সহজ রেসিপি

সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২




যাত্রী নিয়ে পরিবহন চলাচলের নতুন নির্দেশনা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাস সংক্রমণ কমাতে গণপরিবহনে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচলের যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল ২৪ ঘণ্টা পার হতে না হতেই সিদ্ধান্ত বদল করা হয়েছে। আগামী শনিবার থেকে যত আসন তত যাত্রী নিয়ে পরিবহন চলাচলের নির্দেশনা দিয়েছে সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি।

বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্যাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, বিআরটিএর চেয়ারম্যানের সঙ্গে আমাদের ফের আলোচনা হয়েছে। শনিবার থেকে গণপরিবহনের যত আসন তত যাত্রী নিয়ে চলাচলের বিষয়ে একমত হয়েছে বিআরটিএ। কারণ অর্ধেক যাত্রী নিয়ে পরিবহন চলাচল করলে যাত্রী ভোগান্তি বাড়বে।

খন্দকার এনায়েত উল্যাহ আরও বলেন, আমরা সব পরিবহন মালিকদের বিআরটিএর এই বার্তা পৌঁছে দিয়েছি। এক্ষেত্রে যারা সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মানবে না তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



‘সরকারের দ্রুত পদক্ষেপে করোনা বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারেনি’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ ডিসেম্বর 20২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জানুয়ারী ২০২২ | ৭৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সর্বাধিক ঝুঁকিতে থাকা মানুষ ও ব্যবসা সুরক্ষায় সরকারের দ্রুত পদক্ষেপের কারণে করোনা মহামারি তার দেশে বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারেনি বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার নিউইয়র্কভিত্তিক জনপ্রিয় সাময়িকী ফরচুনে প্রকাশিত এক নিবন্ধে প্রধানমন্ত্রী লিখেন, বাংলাদেশ কোভিড-১৯ এর শিকার হতে পারত। কিন্তু আমরা আমাদের সর্বাধিক ঝুঁকিতে থাকা জনগণ ও ব্যবসাগুলোর সুরক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।’

নিচে শেখ হাসিনার সম্পূর্ণ নিবন্ধটির অনুবাদ তুলে ধরা হলো:

যাদের সবচেয়ে বেশি সহায়তার প্রয়োজন তাদের সাহায্য করার মাধ্যমে আমরা কোভিড-১৯ এর অভিঘাত মোকাবিলা করেছি। বাংলাদেশও কোভিড-১৯ মহামারির শিকার হতে পারত। কিন্তু আমরা ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠী ও ব্যবসা উভয়কে সুরক্ষিত করতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করি। এর ফলে, মহামারিটি বাংলাদেশে অন্যান্য দেশের মতো মারাত্মকভাবে আঘাত হানতে পারেনি। আমরা এই মহামারি থেকে খুব দ্রুত উত্তরণ করছি এবং এক দশক আগে আমাদের যে অর্থনৈতিক পুনরুত্থান ঘটেছিল, তা সচল রেখে একটি ভাল অবস্থানে পৌঁছতে সক্ষম হই।

কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমাদের প্রচেষ্টা ছিল, মানুষের চাহিদার দিকে লক্ষ্য রেখে জীবন ও জীবিকার মধ্যে সমন্বয় করা এবং এরপর ব্যবসাগুলোকে প্রণোদনা দেয়া- যার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।

গত বছর মহামারির শুরুতে, সরকার হত-দরিদ্র, প্রতিবন্ধী, বয়োজ্যেষ্ঠ, অভিবাসী ও নিঃস-অসহায় নারীদের ত্রাণ দিয়েছে। আমরা খুব দ্রুত ৪ কোটি বা দেশের এক চতুর্থাংশ মানুষের মাঝে অর্থ বিতরণসহ বিভিন্ন সহায়তা দেই। মোট ২২.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা আমাদের জিডিপি’র প্রায় ৬.২ শতাংশের এই সহায়তা ২৮টি পৃথক প্রণোদনা প্যাকেজের মাধ্যমে দেয়া হয়েছে। এছাড়াও আমরা আরো কয়েকশ কোটি মার্কিন ডলার ভ্যাকসিন ক্রয় ও অন্যান্য জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যয় করেছি। ওমিক্রন ধরন এলে আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্তের প্রতি জনগণের সমর্থন অব্যহত থাকবে।

সরকারের নীতি হচ্ছে- কেউ ক্ষুধার্ত থাকবে না।’ এই নীতির আলোকে ১৬.৮ মিলিয়ন পরিবারকে চাল, শিশু-খাদ্য ও নগদ অর্থ প্রদান করা হয়েছে। আমরা বয়স্ক, অক্ষম ও নিঃস্ব-অসহায় নারীদের এই অর্থ প্রদান করা হয়েছে।

আমার বাবা- এ দেশের জাতির পিতা ও প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী স্মরণে মহামারির আগেই আমরা গৃহহীনদের জন্য বাড়ি নির্মাণকাজ সম্প্রসারিত করি। কার্যক্রমটি মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমাদের ব্যাপক অবদান রাখে।

এছাড়াও সরকার করোনাকালে ক্ষুদ্র ব্যবসা ও এর কর্মীদের নানাভাবে সহায়তা দিয়ে তাদের পাশে দাঁড়ায়। আমরা ক্ষুদ্র-ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা, বিশেষত নারী ও কৃষকদের সহজ শর্তে ঋণ দিয়েছি। পর্যটন শিল্পের কর্মীদেরও সরকার সহজ শর্তে ঋণ দিয়েছে। করোনার কারণে শাটডাউনে এ শিল্পও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

বড় ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলোও সহয়তা পেয়েছে: তৈরি পোশাক খাতের মতো রপ্তানি-সংশ্লিষ্ট ব্যবসার কর্মীদেরও আমরা কয়েকশ কোটি ডলার দিয়েছি। কর্মীদের আর্থিক বোঝা লাঘবের জন্য, ওই ঋণগুলোর সুদ ঋণ-গ্রহীতা ও সরকারের মাঝে ভাগ করে নেয়া হয়। গত বছর দুই মাসের জন্য এবং এরপর পরবর্তী ১২ মাসের জন্য বাণিজ্যিক ঋণের সকল সুদকে বস্তুত মওকুফ করে দেয়া হয়।

অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও সামাজিক দূরত্বের নির্দেশ চালু করে, মুখ ঢাকা রাখার নির্দেশ দেয় এবং গত বছরের মার্চের শেষ থেকে জুনের শুরু পর্যন্ত ৬৬ দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করে। শিল্প উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে। ছোট এবং মাঝারি আকারের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়। বৈশ্বিক লকডাউন চাহিদা হ্রাস করে এবং আমাদের পুরো অর্থনীতিকে নাড়িয়ে দেয়। যাইহোক, আমরা কখনও নিজেদের উপর বিশ্বাস হারাইনি এবং আমাদের জনগণকে সক্রিয় রেখেছি। আমরা পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করেছি। সংক্রমিত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে যারা গেয়েছে তাদের চিহ্নিত করেছি। আমরা সারা দেশের হাসপাতালগুলোতে আইসোলেশন সুবিধা স্থাপন করেছি। আমরা ৬ হাজার ২০০ ডাক্তার, ১০ হাজার নার্স এবং ৩ হাজার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা কর্মী নিয়োগ করেছি। পরিশেষে এটাও ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য যে এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও আমরা এই বছরগুলোতে স্থানীয় পর্যায়ে বিনিয়োগের মাধ্যমে আমাদের স্বাস্থ্যসেবা টেকসই রাখতে পেরেছি।

নতুন উদ্যোগ এবং অতীতের বিনিয়োগের সংমিশ্রণ অগণিত জীবন বাঁচিয়েছে এবং আমাদের অর্থনীতি এই প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলায় সক্ষম হয়েছে। গত বছরের নভেম্বর থেকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি প্রায় দুই শতাংশ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের পাঁচটি দ্রুততম ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির মধ্যে একটি। গত ১০ বছরেরও বেশি সময় বাংলাদেশ তার দারিদ্র্য হার ৩১.৫% থেকে ২০.৫% এ নামিয়ে এনেছে। আমাদের প্রতি ২০২১ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় এক দশকে তিনগুণ বেড়ে ২,২২৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা আমাদের প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে বেশি। আমাদের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ সর্বকালের সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। মহামারী আমাদের অগ্রগতিতে বাধা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

প্রকৃতপক্ষে, যাদের সাহায্যের প্রয়োজন ছিল তাদের সাহায্য করার প্রতি আমাদের নিরলস মনোযোগ স্পষ্টভাবে সুফল প্রদান করেছে। আমরা বিশেষভাবে গর্বিত যে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ)  ২০১৪ সাল থেকে রাজনীতিতে নারী ক্ষমতায়নে আঞ্চলিক প্রতিবেশীদের পিছনে রেখে বাংলাদেশকে সপ্তম স্থানে মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছে। আমাদের শিশু মৃত্যুর হার প্রতি ১ হাজারে ২৩.৬৭ এ নামিয়ে আনা হয়েছে। মাতৃ মৃত্যুর হার হ্রাস পেয়েছে প্রতি লাখে ১৭৩ এ নেমে এসেছে। বাংলাদেশীদের গড় দীর্ঘায়ু বেড়েছে ৭৩ বছর।

বাংলাদেশ ডিজিটাল পদ্ধতি গ্রহণ এবং অভিজ্ঞতা অর্জনে বাংলাদেশ বিশ্ব নেতায় পরিণত হয়েছে। আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ’ উদ্যোগ অর্থনীতিকে রূপান্তর এবং বৈচিত্রময় করে তুলেছে। এটি কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে লড়াইকে সহজ করে তুলেছে, অন্যথায় হত না। অধিকাংশ বাংলাদেশীরা এখন তাদের স্মার্টফোনের উপর নির্ভর করে। এর ফলে প্রতি মিনিটে মহামারী সম্পর্কে তাদের অবহিত রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে অন্যতম দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে একটি হতে অনেক দূর পাড়ি দিয়ে এসেছে এবং এ বছর নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন করছে। এখন আমরা ২০২৬ সালের মধ্যে জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশে উত্তরণের পথে রয়েছি। গত একশ’ বছরের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ মহামারী সত্ত্বেও এসব অর্জন সম্ভব হয়েছে। মানুষের সম্পৃক্ততাই এই পরিবর্তনকে সম্ভব করেছে।


আরও খবর