Logo
শিরোনাম

আইনজীবীকে আক্রমণ করায় কুকুরের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৬৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পাকিস্তানে এক আইনজীবীর ওপর হামলার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে দুটি কুকুরকে।

সম্প্রতি দেশটির করাচিতে ওই হামলার ঘটনার পর গত ৬ জুলাই আদালতের বাইরে কুকুর দুটির দণ্ড নির্ধারণ হয়। আইনজীবী মির্জা আখতার আলি সকালে হাঁটতে বের হয়েছিলেন।

এ সময় স্থানীয় হুমায়ুন খানের দুটি জার্মান শেপার্ড তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। গুরুতর আহত হন আইনজীবী। সিসিটিভিতে ওই আক্রমণের ভিডিও ধরা পড়ে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর অনেকেই কুকুর মালিকের সমালোচনা করেন। অনেকে আবাসিক এলাকায় বিশেষ জাতের কুকুর রাখা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

সমালোচনার মুখে বিষয়টি আপসে মিটিয়ে নিতে আইনজীবীকে অনুরোধ করেন কুকুর মালিক। আইনজীবী ক্ষমা করতে রাজি হন কয়েকটি শর্তে। শর্তগুলো হলো  প্রথমত কুকুর মালিক হুমায়ুন খান এ ঘটনার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চাইবেন। দ্বিতীয়ত বাড়িতে আর কোনো বিপজ্জনক বা উগ্র কুকুর পুষবেন না।

তৃতীয় শর্ত হলো হামলাকারী দুটি কুকুরকে অবিলম্বে একজন পশুচিকিৎসক দিয়ে মানবিকভাবে হত্যা করাতে হবে। এ ছাড়া ওই মালিকের আরও যেসব কুকুর রয়েছে, সেগুলো ছেড়ে দিতে হবে।

উভয়পক্ষ ও সাক্ষীর উপস্থিতিতে এ নিয়ে একটি চুক্তি হয়। চুক্তির কাগজপত্র পরে আদালতে জমা দেওয়া হয়।


আরও খবর



গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশালে করোনা ও উপসর্গে মৃত্যু ২০

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৩৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় নতুন করে ১৮৩ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে বিভাগে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৯০৫ জনে। এই সময়ে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের করোনার আইসোলেশন ওয়ার্ডে উপসর্গ নিয়ে ১৩ জন ও করোনা ওয়ার্ডে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া গেল ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে বরিশাল জেলায় দুজন, পটুয়াখালীতে এক, পিরোজপুরে দুই ও ঝালকাঠিতে দুজনসহ মোট সাতজন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত বরিশাল বিভাগে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৪১৪ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন জানিয়েছেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস। তিনি জানান, মোট আক্রান্ত ২৭ হাজার ৯৯৫ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৭ হাজার ৫২০ জন। 

আক্রান্ত সংখ্যায় বরিশাল জেলায় নতুন সর্বোচ্চ ১০৯ জন নিয়ে মোট ১১ হাজার ৯৫৩ জন, পটুয়াখালী জেলায় নতুন আটজন নিয়ে মোট ৩ হাজার ৪৪২, ভোলা জেলায় নতুন ৪৯ জনসহ মোট দুই হাজার ৮২৬ জন, পিরোজপুর জেলায় নতুন ৯ জনসহ মোট তিন হাজার ৮৫৫, বরগুনা জেলায় নতুন চারজন নিয়ে মোট আক্রান্ত ২ হাজার ৩৮৭ এবং ঝালকাঠি জেলায় নতুন চারজন শনাক্ত নিয়ে মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৫৩২ জনে।

এদিকে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালকের দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় শুধুমাত্র বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের করোনার আইসোলেশন ওয়ার্ডে উপসর্গ নিয়ে ১৩ জনের এবং করোনা ওয়ার্ডে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

এ নিয়ে শুধুমাত্র শেবাচিম হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডেই উপসর্গ নিয়ে ৭১০ জন এবং করোনা ওয়ার্ডে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৬৫ জনের মৃত্যু হলো। আর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করা ৭১০ জনের মধ্যে ৪৬ জনের কোভিড টেস্টের রিপোর্ট এখনও হাতে পাওয়া যায়নি।

ওই হাসপাতাল পরিচালক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার) সকাল পর্যন্ত শেবাচিমের করোনার আইসোলেশন ওয়ার্ডে ৩৭ জন ও করোনা ওয়ার্ডে ১৫ জন ভর্তি হয়েছেন। করোনা ও আইসোলেশন ওয়ার্ডে এখন ২৭৭ জন চিকিৎসাধীন। এদের মধ্যে ১০১ জন করোনা ওয়ার্ডে এবং ১৭৬ জন আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আরটি পিসিআর ল্যাবে মোট ১৮৮ জন করোনা পরীক্ষা করান। এর মধ্যে ৫২ দশমিক ৬৫ শতাংশ পজিটিভ শনাক্তের হার।



আরও খবর



করোনায় মৃত্যু ১৪ হাজার ছাড়াল, শনাক্ত ৪৩৩৪

প্রকাশিত:শনিবার ২৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ জুলাই ২০২১ | ৯৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৪ হাজার ৫৩ জনে। গতকাল শুক্রবার দেশে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে ১০৮ জনের মৃত্যু হয়েছিলো।

শনিবার (২৬ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। যেখানে বলা হয়েছে, একই সময়ে নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও ৪ হাজার ৩৩৪ জন। এ নিয়ে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮ লাখ ৮৩ হাজার ৮৩৮ জনে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় ১৯ হাজার ৮৪৪ নমুনা সংগ্রহ করা হলেও পরীক্ষা করা হয়েছে ১৯ হাজার ২৬২টি নমুনা। যেখানে শনাক্তের হার ২২ দশমিক ৫০ শতাংশ। এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৩ দশমিক ৬২ শতাংশ।

একদিনে নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ২৯৫ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ৮ লাখ ৮৫৪ জন। বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মারা যাওয়া ৭৭ জনের মধ্যে ষাটোর্ধ ৩৮ জন। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১৭ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ১৩ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ৫ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ৩ জন ও ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ১ জন।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ৪৮ জন ও মহিলা ২৯ জন। যাদের মধ্যে বাসায় ৪ জন ছাড়া বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন। একই সময়ে বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৭৭ জনের মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে সর্বোচ্চ ২০ জন, খুলনায় ১৯, ঢাকায় ১৭, রাজশাহীতে ৯, সিলেট ও রংপুরে ৪ জন করে, ময়মনসিংহে ৩ জন ও বরিশালে ১ জন মারা গেছেন।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।


আরও খবর



ঘরমুখো যাত্রী-যানবাহনের চাপ বেড়েছে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৫৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কেই রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছে মানুষ। প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদুল আজহা উদযাপন করতে ঘরমুখো যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেড়েছে। যার প্রভাব পড়েছে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে।

এতে করে পৌলি থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব পর্যন্ত ১৭ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। মধ্যরাত থেকে এ যানজটের শুরু হয়েছে। গাড়ি চলাচলেও ধীরগতি রয়েছে। এতে করে চালক ও ঘরমুখো যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। উত্তরাঞ্চলগামী যাত্রী বাস ও ঢাকামুখী গরুবাহী ট্রাকের চাপও রয়েছে।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়াসির আরাফাত জানিয়েছেন, ঈদকে সামনে রেখে সড়কে যানবাহনের অনেক চাপ রয়েছে। অনেক স্থানে থেমে থেমে চলাচল করছে যানবাহন।


আরও খবর



খুলনায় ফের বেড়েছে করোনায় মৃত্যু, একদিনে ৬০ জন

প্রকাশিত:রবিবার ১১ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | ৭৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

খুলনা বিভাগে করোনাভাইরাসের গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৫৯১ জনের। এ নিয়ে শনাক্তের সংখ্যা ৭১ হাজার ছাড়াল। এর আগে শনিবার (১০ জুলাই) বিভাগে ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। আর শুক্রবার (৯ জুলাই) বিভাগে সর্বোচ্চ ৭১ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

রবিবার (১১ জুলাই) বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক রাশেদা সুলতানা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে খুলনা জেলায়। বাকিদের মধ্যে কুষ্টিয়ায় ১৩ জন, নড়াইলে সাতজন, যশোর ও চুয়াডাঙ্গায় ছয়জন করে, মেহেরপুরে পাঁচজন, মাগুরায় চারজন, ঝিনাইদহে তিনজন ও বাগেরহাটে দুজন মারা গেছেন।

খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায় গত বছরের ১৯ মার্চ। করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৭১ হাজার ৫৫০ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ৫৯৩ জন আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৬ হাজার ২৯৯ জন।


আরও খবর



আশ্রয়ণের ক্ষতিগ্রস্ত ঘর পুনর্নির্মাণ হবে সরকারি খরচে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৫৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া যেসব ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা সরকারি খরচে মেরামত বা পুনর্নির্মাণ করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা ও পরিকল্পনায় গৃহহীনদের জন্য বিনামূল্যে গৃহনির্মাণ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা তথা সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অগ্রসরমান সংগ্রামের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিকভাবে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সময়োপযোগী কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, যা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের উন্নয়ন নীতি থেকে উৎসারিত হয়েছে।

টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতকরণে প্রধানমন্ত্রীর এসব উদ্যোগ ইতিহাসের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং বিশ্বব্যাপী ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, নাগরিকের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবার জন্য বাসস্থানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে সরকার প্রায় এক কোটি ২০ হাজার গৃহহীন মানুষকে বাড়ি উপহার দিয়েছেন।

প্রায় এক লাখ ২০ হাজার বাড়ির মধ্যে ২৪টি স্থানের নির্মাণকাজের ত্রুটি গণমাধ্যমে উঠে এসেছে, যা বাস্তবায়িত প্রকল্পের ০.২৫ ভাগ জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ত্রুটিপূর্ণ যে ০.২৫ ভাগ স্থাপনা চিহ্নিত হয়েছে তা সরকারি খরচে মেরামত এবং প্রয়োজনে পুনর্নির্মাণ করা হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এসব গৃহ সরকারি খাসজমিতে নির্মিত হয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে খাসজমিসহ তুলনামূলক নিচু স্থানে হওয়ায় স্থাপনাসমূহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার পরও বিশাল কর্মযজ্ঞের হিসাবের খাতায় ক্ষুদ্র অংশে ত্রুটি দেখা দিলেও যারা এ ত্রুটির জন্য দায়ী এবং দায়িত্বে অবহেলা ও অনিয়মে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, কোনো ছাড় দেয়া হবে না।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এ প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি মহৎ উদ্যোগ এবং গভীর আবেগ ও ভালোবাসার কর্মসূচি বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী সব গৃহহীন মানুষের জন্য গৃহনির্মাণ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, কিন্তু সরকারের এ মহৎ কার্যক্রম যখন দেশে-বিদেশে প্রশংসিত হচ্ছে এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে দেশের বিরাট একটি জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখন একটি মতলবি মহল বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার নামে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপতৎপরতায় মেতে উঠেছে।


আরও খবর