Logo
শিরোনাম

আমার দেখা তসলিমা নাসরিন

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ আগস্ট ২০২২ | ৪৭২জন দেখেছেন

Image
সারা বিশ্বে তসলিমা নাসরিন যখন আলোচিত তখন বিভিন্ন দেশের সাংবাদিক লেখকরা তার উৎস বৃত্তান্ত খুঁজতে এসে আমাকে খুঁজে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলতেন। আমি তাদেরকে যতোটা সম্ভব নির্মোহভাবে বলার চেষ্টা করেছি আমার

ফজলুল বারী

রুদ্রর সংগে এই ছবিটা পোষ্ট করেছেন তসলিমা নাসরিন। ময়মনসিংহের ছবি। তসলিমা তখন ১৯। রুদ্র ২৫। আমরা প্রথম তসলিমাকে চিনি চিত্রালীর চিঠিপত্র বিভাগ আপনাদের চিঠি পেলামএ। তসলিমা নাসরিন, ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ পরিচয়ে তিনি চিঠি লিখতেন। এরপর বিচিত্রার ব্যক্তিগত বিজ্ঞাপনে তাকে নিয়ে বেশ হৈচৈ হয়।

ফেনীর একজন লিখেছিলেন, বাংলাদেশের সব মেয়েরাই চরিত্রহীনা। তসলিমা এর জবাবে লিখেন, ‘….সাহেব, এতদিনে আপনার একটা ভালো পরিচয় দিলেন, নিশ্চয় কোন চরিত্রহীনা মায়ের গর্ভ থেকে.! প্রতি শব্দ ৫০ পয়সা হিসাবে ব্যক্তিগত বিজ্ঞাপন দিতে হতো বিচিত্রায়। এখন ফেসবুক আসায় সারাদিন ফ্রি কতকিছু লেখা যায়!

১৯৮৭/৮৮ সালে টিএসসিতে তসলিমা-রুদ্রকে দেখতাম। তখন তাদের সম্পর্কের শেষ সময়। একসংগে টিএসসিতে এলেও দুজন দুদিকে তাকিয়ে যারযার বন্ধুদের সংগে আড্ডা দিতেন। এরপর আসে নাইমুল ইসলাম খান, মিনার মাহমুদ যুগ। খবরের কাগজের লেখা নিয়ে আলোচনা বাড়লে এর জবাব দিতে পুর্বাভাসে হুমায়ুন আজাদকে দিয়ে নারী লেখার আয়োজন করেন মোজামমেল বাবু।

খবরের কাগজের পেস্টিং শেষ করে প্রতি সপ্তাহে ময়মনসিংহ চলে যেতেন নাইমুল ইসলাম খান। সেখানে একটা হোটেলের একটি রুম, নিজস্ব কাপড় চোপড়, টুথপেস্ট, ব্রাস সব সেখানে থাকতো। নাইমুল ইসলাম খানের যুগে ঢাকায় ডাক্তার হিসাবে বদলি নিয়ে আসেন তসলিমা নাসরিন। এই সম্পর্ক ভেংগে গেলে জীবনে আসেন মিনার মাহমুদ।

মিনার মাহমুদকে বিয়ের পর পূর্বাভাসে তসলিমা নাসরিন মরে গেছে শিরোনামে একটা লেখা তিনি লিখেন। এতে বলা হয় তিনি এখন মাগুর মাছের ঝোল রান্না করে স্বামীর অপেক্ষায় বসে থাকেন। মহসিন শাস্ত্রপানি এর জবাবে লিখেন তসলিমা নাসরিনের অনিবার্য মৃত্যু! শান্তিনগরে বাসায় তখন অনেক দুপুরে মিনার ভাইর সংগে আমি খেতে যেতাম।

এই সম্পর্ক ভেংগে গেলে আমেরিকা চলে যান মিনার মাহমুদ। আমান উদ দৌলা ভাই আমাদের প্রিয় প্রজন্মে লিখেন, আমার এক বান্ধবী সম্প্রতি চতুর্থ স্বামী গ্রহন করেছেন।তসলিমা আমাকে ফোন করে বলেন, বদরুল আমার হাতের রান্না এই ঢাকা শহরে আপনার চেয়ে কে বেশি খেয়েছে বলেনতো। সেই আপনার পত্রিকায় আমান এ ধরনের কথা লিখলো!আমি তখন তাকেও লিখতে অনুরোধ করি। তসলিমা লিখতে শুরু করেন, আমার মেয়েবেলা। প্রিয় প্রজন্ম বন্ধ হয়ে গেলে আমার মেয়েবেলা কলকাতা থেকে বই আকারে বেরোয়।

তসলিমা নাসরিন যখন মোল্লাদের হুমকির মুখে আত্মগোপনে তখন তাকে দেশ থেকে নিরাপদে বেরিয়ে যেতে ডক্টর কামাল হোসেন, তাঁর মেয়ে সারা হোসেন, ডাক্তার জাফর উল্লাহ চৌধুরী, তাঁর স্ত্রী শিরিন হক প্রশংসনীয় সহায়তা দিয়েছেন।

সারা বিশ্বে তসলিমা নাসরিন যখন আলোচিত তখন বিভিন্ন দেশের সাংবাদিক লেখকরা তার উৎস বৃত্তান্ত খুঁজতে এসে আমাকে খুঁজে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলতেন। আমি তাদেরকে যতোটা সম্ভব নির্মোহভাবে বলার চেষ্টা করেছি আমার দেখা তসলিমা নাসরিন। মিশরে নাগিব মাহফুজ আমাকে বলেছিলেন তিনি বাংলাদেশকে চেনেন তসলিমার কারনে।

সর্বশেষ ২০১৬ সালে কলকাতায় গেলে সেখানে অবস্থানরত একজন তার পক্ষে তদবিরের জন্য তসলিমাকে ফোন করে আমাকে ধরিয়ে দেন। বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিতে তখন তসলিমার সুপারিশ কাজে লাগতো। আমি ফোনে কথা বলতেই বিব্রতকর একটা অবস্থায় পড়ি। তসলিমা আমাকে চিনতেই পারছিলেননা! কোন ফজলুল বারী? আমি কি তাকে চিনি? আপনার সংগে আমার কি আগে কখনো কথা হয়েছে? কিন্তু ক্রমশ কথার মধ্যে ডুবে গেলেন তসলিমা নাসরিন। তখন তিনি আর ফোন ছাড়তেই চাইছিলেননা। তসলিমা নাসরিন সেই তদবিরটি করে দিয়েছিলেন।


আরও খবর



হবিগঞ্জে বাস-মাইক্রোবাস মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৪

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ আগস্ট ২০২২ | ৬১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

হবিগঞ্জের ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মাধবপুরে বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৪ জন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৫ জন। তাঁদেরকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ সোমবার (১৮ জুলাই) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার শাহজীবাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালেহ আহমেদ।

ওসি জানান, দুপুরে বৃষ্টি হচ্ছিল। এ সময় সিলেটমুখী একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে ঢাকামুখী আল মোবারাকা’ বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন। আহত হন আরও ১২ জন। খবর পেয়ে শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানা-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। তাঁদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। আহতদের হাসপাতালে পাঠানোর পর চিকিৎসক আরও দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। 


আরও খবর



সরকার জ্বালানিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ আগস্ট ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বর্তমান সরকার রূপকল্প-২০৪১ অর্জনে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম প্রধান নিয়ামক হিসেবে জ্বালানি খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রদান করে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস-২০২২ উপলক্ষে সোমবার দেওয়া এক বাণীতে বলেন, প্রতি বছরের মতো এবারও জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস-২০২২ উদযাপন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এবারের প্রতিপাদ্য বহুমুখী জ্বালানি-সমৃদ্ধ আগামী যথাযথ হয়েছে বলে আমি মনে করি।

তিনি বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ৯ আগস্ট বিদেশি তেল কোম্পানি শেল ওয়েল হতে ৫টি গ্যাসক্ষেত্র- তিতাস, হবিগঞ্জ, রশিদপুর, কৈলাশটিলা ও বাখরাবাদ কিনে রাষ্ট্রীয় মালিকানা প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ১৯৭৫ সালের ১৪ মার্চ বাংলাদেশে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ইএসএসও ইস্টার্ন ইন.-কে সরকারিকরণ করে জ্বালানি তেলের মজুত, সরবরাহ ও বিতরণে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। জাতির পিতার এই যুগান্তকারী ও দূরদর্শী সিদ্ধান্তের ফলে দেশে জ্বালানি নিরাপত্তার গোড়াপত্তন ঘটে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকারের সময়ে সুন্দলপুর, শ্রীকাইল, রূপগঞ্জ, ভোলা নর্থ ও জকিগঞ্জ নামে মোট ৫টি নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে। আরও নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের জন্য বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার লাইন কিলোমিটার ২-ডি সিইসমিক জরিপ এবং ১ হাজার ৫৩৬ বর্গকিলোমিটার ৩-ডি সিইসমিক জরিপ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সাল থেকে জুন ২০২২ পর্যন্ত সময়ে ২১টি অনুসন্ধান, ৫০টি উন্নয়ন ও ৫৬টি ওয়ার্কওভার কূপ খননের ফলে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ১০০০ এমএমসিএফডি।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে গ্যাসের উৎপাদন ছিল দৈনিক ১ হাজার ৭৪৪ মিলিয়ন ঘনফুট। আমদানিকৃত এলএনজিসহ বর্তমানে গ্যাস সরবরাহ দৈনিক ৩ হাজার ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হয়েছে। সারা দেশে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য গ্যাস নেটওয়ার্ক রাজশাহীতে সম্প্রসারণ করা হয়েছে এবং বগুড়া-রংপুর-সৈয়দপুর পাইপলাইন নির্মাণ চলমান রয়েছে। আমরা পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য গ্যাস বিতরণ লাইন স্থাপন এবং পায়রা বন্দরে ফ্লোটিং স্টোরেজ রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছি। এছাড়া ২০৪১ সাল পর্যন্ত গ্যাসের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে মাতারবাড়িতে দৈনিক ১ হাজার ঘনফুট ক্ষমতার ১টি স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার জ্বালানি খাতকে আধুনিক ও ডিজিটালাইজড করার জন্য এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং প্রবর্তন এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে গ্যাস ও কয়লার উৎপাদন বৃদ্ধিতে সর্বাত্মক কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। একইসঙ্গে দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ জ্বালানি চাহিদা পূরণে গ্যাস উত্তোলন, প্রাকৃতিক গ্যাস ও খনিজ কয়লার মজুত নির্ধারণ, আহরিত জ্বালানি সম্পদ ব্যবহারের নতুন ক্ষেত্র প্রস্তুত এবং এ সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো উন্নয়নে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ, ক্যাপটিভ পাওয়ার, সার, শিল্প, গৃহস্থালি, সিএনজি, ব্যবসা-বাণিজ্যে বর্ধিত হারে গ্যাস সরবরাহ করার ফলে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়েছে। গ্যাসের অপচয় রোধকল্পে আবাসিক গ্রাহকদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রি-পেইড মিটারের আওতায় আনার কার্যক্রম বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৪ লাখ প্রি-পেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি বিশ্বাস করি, জ্বালানির অপচয় রোধ করে সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এ দিবসটি আমাদের অনুপ্রেরণা জোগাবে।’ তিনি জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস-২০২২ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। 


আরও খবর



বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক পেলেন ৫ নারী

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ আগস্ট ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা সমাজসেবা এবং স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পাঁচ বিশিষ্ট নারীকে শ্রেণিভুক্ত সর্বোচ্চ জাতীয় পদক বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবপদক দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার পক্ষ থেকে পদক তুলে দেন অনুষ্ঠানের সভাপতি মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা।

এ পদক নারীদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে শ্রেণিভুক্ত সর্বোচ্চ জাতীয় পদক। আজ জাতীয়ভাবে বঙ্গমাতার ৯২তম জন্মবার্ষিকী পালিত হচ্ছে। বঙ্গমাতার অবদানকে চিরস্মরণীয় করার লক্ষ্যে এবছর রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, সমাজসেবা এবং স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পাঁচ জন বিশিষ্ট নারীকে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক ২০২২ দেওয়া হয়েছে।

এ বছর রাজনীতি ক্ষেত্রে সিলেট জেলার সৈয়দা জেবুন্নেছা হক, অর্থনীতি ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলার সংসদ সদস্য সেলিমা আহমাদ, শিক্ষা ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপচার্য অধ্যাপক নাসরীন আহমাদ, সমাজসেবা ক্ষেত্রে কিশোরগঞ্জ জেলার মোছা. আছিয়া আলম এবং স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ ক্ষেত্রে গোপালগঞ্জ জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা আশালতা বৈদ্য (যুদ্ধকালীন কমান্ডার) বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক পেয়েছেন।


আরও খবর



করোনায় ২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৬২০

প্রকাশিত:শুক্রবার ২২ জুলাই 20২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ আগস্ট ২০২২ | ৫৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ২৫৮ জনে।

একই সময়ে নতুন করে ৬২০ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা পৌঁছেছে ২০ লাখ ৮৯৯ জনে।

শুক্রবার (২২ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশের ৮৮০টি ল্যাবরেটরিতে ৭ হাজার ৩৯৫টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। আর পরীক্ষা করা হয় ৭ হাজার ৪১৯টি নমুনা। মহামারির শুরু থেকে দেশে এ পর্যন্ত মোট ১ কোটি ৪৫ লাখ ৪৫ হাজার ৪৫২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৭৬৫ জন। এ নিয়ে দেশে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৩৩ হাজার ২৫৯ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম কোনো রোগীর মৃত্যুর তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।


আরও খবর



ওয়ানডে সিরিজও জয় দিয়ে শুরু করলো জিম্বাবুয়ে

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ আগস্ট ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

টি-টোয়েন্টির পর ওয়ানডে সিরিজও জয় দিয়ে শুরু করল জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের দেওয়া ৩০৪ রানের লক্ষ্য তারা টপকে গেছে ১০ বল হাতে রেখেই। সিকান্দার রাজা ও ইনোসেন্ট কাইয়ার জোড়া সেঞ্চুরিতে ৫ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রোডেশিয়ানরা। এই জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল আফ্রিকার এই দেশটি।

তাসকিনের ছোড়া বলে কাভারে ক্যাচ দিয়েছিলেন সিকান্দার রাজা। সহজ ক্যাচই ছিল। জুটি ভাঙার দারুণ একটা সুযোগ এসেছিল বাংলাদেশর সামনে। তবে বদলি ফিল্ডার হিসেবে নামা তাইজুল ইসলাম নিতে পারেননি সেটি। ৪৩ রানে ব্যাটিং করার সময় বেঁচে গেলেন রাজা। অত:পর সেই রাজা হাকিয়েছেন ক্যারিয়ারের চতুর্থ শতক। ১৩৫ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়েন।

রাজার পর জীবন পেয়েছিলেন কাইয়াও। এবার অবশ্য ততটা সহজ ছিল না, তবে থার্ডম্যান থেকে ছুটে এসে হাত লাগাতে পারলেও ক্যাচটি রাখতে পারেননি তাসকিন। কাইয়া জীবন পেয়ে যান ৬৮ রানে। তারপর ক্যারিয়ারের প্রথম শতক হাকিয়ে (১১০ রান) আউট হন।

যদিও ইনিংসের শুরুতে জিম্বাবুয়ের ব্যাটারদের ভালোই চাপে ফেলেছিলেন টাইগার বোলাররা। ৩০৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে। সেই চাপ সামলাতে সেট হতে না হতেই ফিরে যান ওয়েসলি মেধেভেরেও। ইনিংসের প্রথম ওভারেই আঘাত করেছেন মোস্তাফিজুর রহমান। শেষ বলে অফ স্টাম্পের বাইরের ডেলিভারিতে ব্যাট চালিয়ে ইনসাইড-এজে বোল্ড হয়েছেন রেজিস চাকাভা। পরের ওভারে আঘাত করেছেন শরীফুল ইসলাম। তাঁকে তুলে মারতে গিয়ে ক্যাচ তুলেছেন তারিসাই মুসাকান্দা। ৬ রানে ২ উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে।

৬২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় জিম্বাবুয়ে। কিন্তু সেই ভালোভাবেই সামলেছেন জিম্বাবুয়েন ব্যাটার ইনোসেন্ট কাইয়া ও সিকান্দার রাজা। টাইগার ফিল্ডারদের ক্যাচ মিসে জীবন পেয়ে জ্বলে উঠেছিলেন দুজনেই। শেষ পর্যন্ত তারাই হয়ে থাকলেন জিম্বাবুয়ের জয়ের নায়ক।

বাংলাদেশের হয়ে মোস্তাফিজ, মিরাজ, মোসাদ্দেক ও শরিফুলসহ প্রত্যেকেই নেন একটি করে উইকেট। ১০ ওভারে ৫২ রান দিলেও উইকেট শূন্য থাকেন পেসার তাসকিন।


আরও খবর