Logo
শিরোনাম

বালিশ-কুশনের যত্নে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শুধু বালিশের কভার পরিষ্কার করেই আমরা নিশ্চিন্ত থাকি। আর বছর বছর নতুন চাদর আর বালিশের কভার কিনলেও বালিশ বদলে ফেলার কথা একবারও ভাবি না। অথচ জানেন কি, অপরিষ্কার বালিশ রোগজীবাণুর বাসা। ভেবে দেখুন, গড়ে প্রায় প্রতিদিন আট ঘণ্টা আপনি বালিশে শুয়ে কাটাচ্ছেন। প্রতিদিন ঘাম, মৃতকোষ, হাঁচি বা কাশি থেকে আসা ব্যাকটেরিয়া সবই জমা হচ্ছে বালিশে। তাই বালিশের যত্ন নেওয়া এবং বালিশ পরিচ্ছন্ন রাখা প্রয়োজন।

যা করবেন: ধুলোময়লা, ঘামের হাত থেকে বালিশ পরিষ্কার রাখতে চেন দেওয়া বালিশের কভার ব্যবহার করুন। এতে ময়লা কম হবে। চেন দেওয়া কভার না থাকলে বালিশে দুটো কভার ব্যবহার করুন। এতে বালিশের ফেব্রিক পরিষ্কার থাকবে। বালিশের কভার এক সপ্তাহ অন্তর বদলে ব্যবহার করুন। নিয়মিত ব্যবহারের জন্য সুতির মোটা কভার বেছে নিন। 

সপ্তাহে একবার বালিশগুলো ভ্যাকুয়াম করুন। সহজে ধুলোময়লা পরিষ্কার হবে। সারা রাত শোওয়ার পর অনেক সময় ঘামে বালিশ ভিজে যায়। সে ক্ষেত্রে ড্রয়ারে ৫-১০ মিনিট লো-হিট তাপমাত্রায় রেখে বালিশ শুকনো করে নিন। তুলার তৈরি বালিশ সপ্তাহে এক দিন রোদে দিন। বালিশ নরম থাকবে।

বালিশের রোঁয়া থেকে অ্যালার্জির সমস্যা মিটবে। তিন-চার বছর অন্তর তুলা বদলে ফেলুন। বালিশ ভালো থাকবে। সিনথেটিক ফাইবারে তৈরি বালিশ ঘরেই পরিষ্কার করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে ঈষদুষ্ণ পানিতে মাইল্ড ডিটারজেন্ট দিয়ে বালিশ পরিষ্কার করে ঠান্ডা পানিতে ভালো করে বালিশ ধুয়ে নিন। ওয়াশিং মেশিনেও এ ধরনের বালিশ পরিষ্কার করা যায়।

প্রথমে বালিশ চেপে ভেতরের হাওয়া বের করে দিন। এবার ওয়াশিং মেশিনে বালিশ দিয়ে জেন্টল ওয়াশ সাইকেল বাটন প্রেস করুন। পরিষ্কার হওয়ার পর শুধু পানিতে বালিশগুলো ভালো করে ধুয়ে নিন। শেষে পানিতে ২-৩ ফোঁটা ভিনিগার মিশিয়ে তাতে বালিশগুলো একবার ডুবিয়ে তুলে নিন। বালিশের গায়ে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার হয়ে যাবে। ওয়াশিং মেশিনের স্পিনড্রাই করে রোদে শুকনো করে নিন।

বালিশের কভার ধোওয়ার পর কাপড় মেলার তারে এমনভাবে ক্লিপ আটকে দিন যাতে ভালো করে আলো-বাতাস চলাচল করতে পারে। এতে তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে। শিশুদের বালিশের কভার ধোওয়ার পর পানির মধ্যে কয়েক ফোঁটা অ্যান্টিসেপটিক লিকুইড দিয়ে কভার ডুবিয়ে নিংড়ে মেলে দিন। একই বালিশ বছরের পর বছর ব্যবহার করবেন না। বালিশ বেশি পুরনো হয়ে গেলে ভেতরের তুলা শক্ত হয়ে যায়। এ ছাড়া বালিশের শেপও খারাপ হয়ে যায়। এ রকম বালিশে শুলে কিন্তু ঘাড় ব্যথা অবধারিত। বালিশ ব্যবহারের উপযুক্ত আছে কি না তা বোঝার একটা সহজ উপায় আছে। বালিশ দুই পাশ থেকে ধরে ভাঁজ করে ছেড়ে দিন। যদি বালিশ আবার আগের শেপে ফিরে যায় তাহলে বুঝবেন বালিশ ঠিক আছে। না হলে বুঝবেন নতুন বালিশ কেনার সময় হয়েছে। বালিশ স্টোর করতে হলে প্লাস্টিকের ব্যাগে বালিশ ঢুকিয়ে আলমারিতে রাখবেন না। তার বদলে নরম সুতির চাদরে বালিশ মুড়ে আলমারিতে বা বক্স খাটে রাখতে পারেন।

কুশন কেয়ার: বিছানা বা সোফায় রঙিন কুশন সাজিয়ে রাখলে দেখতে বেশ ভালো লাগে। কিন্তু যেমন তেমন ভাবে কুশন ফেলে রাখলে অচিরেই ময়লা হয়ে যাবে। জেনে নিন কুশন কীভাবে ভালো রাখবেন। একসঙ্গে অনেক কুশন চেপে রাখবেন না। কুশনের ফোলাভাব কমে যাবে। কুশন দু-তিন সেট কিনে রাখুন। মাঝেমধ্যে বদলে দিন। দেখবেন ঘরের সাজই বদলে যাবে। সাজানোর জন্য ফোমের কুশন ব্যবহার করুন। সহজে নেতিয়ে পড়বে না। বালিশের মতো কুশনের তুলাও মাঝে মাঝে বদলে ফেলুন।

কুশনের ফোলাভাব কমে গেলে বাড়তি তুলা ভরে নিন। কুশন কভারে বিডস, কাচ বা অ্যাপ্লেকের কাজ থাকলে ড্রাই ওয়াশ করুন। কুশন ফেদারের হলে ড্রাই ক্লিন করতে হবে। ফেদারের কুশন ভ্যাকুয়াম ক্লিন করবেন না। এতে ফেদার নষ্ট হয়ে যাবে। পলিয়েস্টার প্যাডের তৈরি কুশন বাড়িতেই পরিষ্কার করে নিতে পারেন। তাই কেনার সময় কুশনের ফিলিং কী তা ভালো করে জেনে নিন।


আরও খবর

আজকের রাশিফল: জেনে নিন কেমন কাটবে দিন ?

শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩

অ্যাকনে যখন মাথার ত্বকে

বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩




রোজায় আমদানি পণ্যের দাম বেশি থাকবে ৩০ ভাগ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ডলারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে এবার রোজায় আমদানি করা পণ্যের দাম প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি থাকবে। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম না বাড়লেও দেশে এমন পরিস্থিতি বিরাজ করবে। এমন আশঙ্কার কথা ব্যক্ত করেছেন খোদ সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের উপপরিচালক মো. মাহমুদুল হাসান। সোমবার জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এমন মন্তব্য করেন। সরকারি এই কর্মকর্তার সঙ্গে সুর মিলিয়ে ব্যবসায়ীরা আরেক ধাপ এগিয়ে বলেন, আমদানির ক্ষেত্রে যদি স্বাভাবিকভাবে এলসি খোলা না যায়, তাহলে দাম বাড়বেই।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে রাজধানীর কাওরান বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) এএইচএম সফিকুজ্জামান। এফবিসিসিআই-এর সহসভাপতি মো. আমিন হেলালী, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন ও কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) প্রতিনিধি এবং গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। গুরুত্বপূর্ণ এ সভাটিতে পাইকারি এবং খুচরা ব্যবসায়ী নেতারাও যোগ দেন।

সভার শুরুতে কয়েকজন ব্যবসায়ী নেতা তাদের বক্তৃতায় বলেন, আমদানি না হওয়ায় আদা-রসুনের দাম বাড়ছে। ভারত থেকে রসুন আমদানি বন্ধ ছিল। চীন থেকেও আমদানি হচ্ছে না। আদা-রসুন আমদানিতে এলসি স্বাভাবিক না হলে দাম আরও বাড়বে। ডলারের মূল্য অনেক বেড়েছে। ব্যাংকে এলসি খোলা যাচ্ছে না। অনেক জটিল হয়ে গেছে। এ অবস্থায় আসন্ন রমজান সামনে রেখে এলসি জটিলতা দূর করাসহ শুল্ক প্রত্যাহার করে পণ্য আমদানি বাড়ানোর সুযোগ দিতে হবে। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এখন থেকে যদি পণ্য আমদানি করা না যায়, তাহলে রমজানে দাম বাড়বে।

এদিকে সভায় কোনো ধরনের রাখঢাক না রেখে খোলাখুলি আমদানি পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কার বিষয়টি সামনে আনেন সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের উপপরিচালক মো. মাহমুদুল হাসান। তিনি বলেন, ডলারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে এবার রোজায় আমদানি করা পণ্যের দাম প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি থাকবে। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম না বাড়লেও দেশে এমন পরিস্থিতি বিরাজ করবে। এর বেশি বাড়বে না।

ক্যাবের সহসভাপতি নাজের হোসাইন বলেন, ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ানোর জন্য একেক সময় একেক বাহানা সামনে নিয়ে আসেন। একসময় বলেন, ডলার সমস্যা, আবার এর মধ্যে বলেছেন, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ পরিস্থিতি দাম বাড়াচ্ছে। এখন আবার এলসি সমস্যাকে অজুহাত হিসাবে এনেছেন। তিনি বলেন, রমজানের জন্য যেসব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের প্রয়োজন; সেগুলো ইতোমধ্যেই এলসি করা হয়েছে। কারণ পণ্য আসার দুই থেকে তিন মাস আগে এলসি করতে হয়। সে অনুসারে রমজানের জন্য প্রয়োজনীয় পণ্য ইতোমধ্যেই বন্দরে এসে পৌঁছেছে। এলসি ইস্যুটা একটা অজুহাতমাত্র।

সভায় উপস্থিত ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির ভূঁইয়া ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে ভোক্তা অধিদপ্তরসহ সরকারের বাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থাগুলোর মনিটরিং আরও জোরদার করতে হবে। বাজারে অভিযান চালালে বাজার নিয়ন্ত্রণে থাকে। যার প্রমাণ আমরা আগেও পেয়েছি।

ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ করে এফবিসিসিআই-এর সহসভাপতি মো. আমিন হেলালী বলেন, অসাধু ব্যবায়ীরা খুবই নগণ্য। তবে তাদের জন্য সবার ওপর দায় পড়ে। আমরা ব্যবসায়ীরা সরকারের সব আইনকানুন মেনে ব্যবসা করতে চাই। এজন্য এলসি এবং ডলারের দাম সমন্বয় করে বাজারব্যবস্থাকে স্বাভাবিক রাখতে হবে।

সব শেষে সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান বলেন, আসন্ন রমজানে বাজার মনিটরিং আরও জোরদার করা হবে। নিত্যপণ্যের আমদানি স্বাভাবিক না থাকলে রমজানে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে। তাছাড়া কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে বাজার অস্থির হয়ে যায়। আসন্ন রমজানে এসব অসাধু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকবে ভোক্তা অধিদপ্তর। রমজানের আগে আমাদের দেশি পেঁয়াজ উঠবে। এতে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির কোনো সম্ভাবনা নেই। ৫০ টাকার মধ্যেই থাকবে দাম। কিন্তু আদা-রসুনের বাজার অস্থির। রমজান আসার আগেই দাম বাড়তে শুরু করেছে। হঠাৎ করে আদা-রসুনের দাম ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজিতে উঠেছে। কিছু পণ্য আমদানিনির্ভর। ডলারের দাম বাড়ার হিসাব অনুসারে ২৫ শতাংশ দাম বাড়তে পারত। কিন্তু ডলার বাজারের তুলনায় পণ্যের দাম আরও বেশি বাড়ানো হয়েছে। তাই অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিদপ্তর এবার কঠোর অবস্থানে থাকবে।

আদা-রসুনের দাম বৃদ্ধি নিয়ে এএইচএম সফিকুজ্জামান বলেন, মূল্য যাচাইয়ে গত সপ্তাহে আমাদের টিম বাজার নিয়ে কাজ করেছে। সেখানে আমরা কাওরান বাজার, শ্যামবাজারসহ পাইকারি, খুচরা এবং আড়তে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, আদা, রসুন, শুকনা মরিচ ও হলুদ আমদানিনির্ভর পণ্য। ফলে এই পণ্যগুলোর সঙ্গে এলসি জড়িত। এসব পণ্যের ক্ষেত্রে দেশীয় উৎপাদন দিয়ে সম্পূর্ণভাবে বাজারের চাহিদা মেটানো সম্ভব না। ফলে এই পণ্যগুলোর ক্ষেত্রে চাহিদা অনুযায়ী আমদানি করা না গেলে অবশ্যই বাজারে ঘাটতি দেখা দেবে।

এখন বিবেচ্য বিষয় হলো-সামনে রমজানের পর আসবে কোরবানির ঈদ। তাই এসব পণ্য যদি আমদানি সচল না রাখতে পারি, তাহলে স্থানীয় উৎপাদন দিয়ে এই বাজার ধরে রাখা যাবে না। একইভাবে আমদানি স্বাভাবিক না থাকলে রমজানে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়বে।  সভায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার বিষয়ে যে পরামর্শ এসেছে, তা সুপারিশসহ লিখিত প্রতিবেদন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।


আরও খবর



২০১০ সাল থেকে নেপালে যত ভয়াবহ প্লেন দুর্ঘটনা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মর্মান্তিক প্লেন দুর্ঘটনা যেনো নেপালের পিছু ছাড়ছে না। দেশটিতে প্লেন বিধ্বস্তের ঘটনা প্রায়ই খবরের শিরোনাম হচ্ছে। প্রাণ হারাচ্ছেন অসংখ্য মানুষ। রবিবার (১৫ জানুয়ারি) নেপালে আবারও প্লেন দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে এখন পর্যন্ত ৬৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মূলত নেপালের বিমান পরিবহনখাত দুর্ঘটনায় জর্জরিত। দেশটিতে রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে জটিল ও দূরবর্তী রানওয়ে। সুউচ্চ পর্বতের কারণে দক্ষ পাইলটদেরও পড়তে হয় চ্যালেঞ্জেরে মুখে। ২০১০ সালের পর নেপালে প্লেন দুর্ঘটনার তথ্য-

মে ২৯, ২০২২: এদিন পশ্চিম নেপালের পোখারায় তারা এয়ারের একটি প্লেন বিধ্বস্ত হয়। ওই ঘটনায় নিহত হয় ২২ জন।

এপ্রিল ১৪, ২০১৯: একটি ছোট প্লেন মাউন্ট এভারেস্টের কাছে উড্ডয়নের সময় রানওয়ে থেকে সরে যায় ও একটি পার্ক করা হেলিকপ্টারকে আঘাত করে। ওই ঘটনায় তিনজন নিহত ও চারজন আহত হয়।

মার্চ ১২, ২০১৮: বাংলাদেশের ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি প্লেন বিধ্বস্ত হয় নেপালে। সে দুর্ঘটনায় ৭১ আরোহীর মধ্যে প্রাণ হারান ৫১ জন। এটি কয়েক দশকের মধ্যে ভয়াভহ দুর্ঘটনা ছিল।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৬: তারা এয়ার দ্বারা পরিচালিত একটি টুইন অটার প্লেন মায়াগদি জেলার একটি পাহাড়ের কাছে বিধ্বস্ত হয়, এতে ২৩ জন আরোহী নিহত হয়।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৪: আরঘাখাঞ্চি জেলায় নেপাল এয়ারলাইন্সের একটি প্লেন বিধ্বস্ত হয়। ওই ঘটনায় ১৮ জন নিহত হন।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১২: এদিন মাউন্ট এভারেস্টমুখী একটি প্লেন নেপালের রাজধানীর কাছে বিধ্বস্ত হয়। এতে প্লেনে থাকা সব আরোহী নিহত হন।

মে ১৪, ২০১২: উত্তর নেপালের জোমসমের বিমানবন্দরের কাছে ভারতীয় তীর্থযাত্রীদের বহনকারী অগ্নি এয়ারের একটি প্লেন বিধ্বস্ত হয়। এতে ১৫ জন মারা যায়, তবে ছয়জন অলৌকিকভাবে রক্ষা পায়।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১১: মাউন্ট এভারেস্টের চারপাশে পর্যটকদের নিয়ে যাওয়া একটি ছোট প্লেন কাঠমান্ডুর কাছে পাহাড়ে বিধ্বস্ত হয়। এতে ১৯ জনের সবাই মারা যায়।

ডিসেম্বর ১৫, ২০১০: নেপালের পূর্বাঞ্চলে একটি যাত্রীবাহী প্লেন বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় প্লেনে থাকা যাত্রী ও ক্রুসহ ২২ জন প্রাণ হারান।

আগস্ট ২৪, ২০১০: কাঠমান্ডুর কাছে খারাপ আবহাওয়ায় একটি ছোট অগ্নি এয়ারের প্লেন বিধ্বস্ত হয়, এতে ১৪ জনের সবাই মারা যায়।


আরও খবর



মেট্রোরেল

প্রথম দিনে পল্লবী স্টেশনে নেই যাত্রীর চাপ

প্রকাশিত:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মেট্রোরেলের পল্লবী স্টেশন বুধবার থেকে সচল হয়েছে। আজ থেকে এই স্টেশনে যাত্রী ওঠানামায় থামছে ট্রেন। এদিন সকাল সাড়ে ৮টায় শুরু হয়ে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ট্রেন চলবে। তবে প্রথম দিনে স্টেশনে যাত্রীর তেমন চাপ লক্ষ্য করা যায়নি।

সকালে সরেজমিনে পল্লবী স্টেশন ঘুরে দেখা গেছে, ভিড় না থাকায় যারা মেট্রোরেলে চড়তে এসেছেন তারা খুব সহজেই টিকিট কেটে ট্রেনে চড়েছেন। যাত্রীদের ভাষ্য, মানুষের উচ্ছ্বাস আগারগাঁও স্টেশন চালু হওয়ার সময়ই ছিল। তাই পল্লবী স্টেশন ঘিরে তেমন ভিড় নেই।

যাত্রী ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, মেট্রোরেল প্রথম যেদিন চালু হয়, সেদিন চড়ার বা দেখার খুব আগ্রহ ছিল। ধীরে ধীরে এখন সেটা কমে গেছে। তাই হয়তো তেমন একটা যাত্রী দেখা যাচ্ছে না।’

আরেক যাত্রী আহমেদ ফারুক বলেন, প্রথমদিকে মানুষ আসতো মেট্রোরেলে ঘুরতে। আগারগাঁও বা উত্তরা স্টেশন চালু হওয়ার পর দর্শনার্থীর সংখ্যাই ছিল বেশি। আমরা এখন যারা চড়ছি তারা বেশির ভাগ অফিসগামী যাত্রী। দর্শনার্থীর সংখ্যা কম বলেই যাত্রীর চাপ কম।’

এ বিষয়ে পল্লবী স্টেশনের জেনারেল ম্যানেজার ইফতেখার হোসেন বলেন, জনগণের দাবি ছিল স্টেশনগুলো চালু করার জন্য। আমরা একে একে সবগুলো স্টেশনই চালু করব। আজ প্রথম দিন বিধায় যাত্রী কিছুটা কম, আশা করছি সামনের দিনে যাত্রীর সংখ্যা বাড়বে।’

উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত বাণিজ্যিকভাবে মেট্রোরেল চালু হয়েছে গত ২৯ ডিসেম্বর। এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে বুধবার চালু হলো পল্লবী স্টেশন। উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেলের স্টেশন আছে ৯টি। উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ভাড়া ৬০ টাকা। মাঝখানে পল্লবীর ভাড়া ৩০ টাকা। অর্থাৎ উত্তরা বা আগারগাঁও যে কোনো গন্তব্য থেকে পল্লবী পর্যন্ত যাতায়াত করলে ভাড়া দিতে হবে ৩০ টাকা।

উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত দূরত্ব পৌনে ১২ কিলোমিটার। এ পথ পাড়ি দিতে মেট্রোরেলের সময় লাগছে ১০ মিনিটের মতো। আজ থেকে উত্তরা ও আগারগাঁওয়ের মধ্যবর্তী স্টেশন পল্লবী থেকে যাত্রী ওঠানামা করতে পারবে। তবে আগামী ২৬ মার্চের মধ্যে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য স্টেশনে মেট্রোরেল থামানো হবে বলে জানিয়েছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ।

মেট্রোরেল নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্বে আছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আজ থেকে মেট্রোরেলের চলাচলের সময়েও কিছু পরিবর্তন আসবে। সকাল ৮টায় স্টেশনের গেট খোলা হবে। তখন যাত্রীরা ভেতরে প্রবেশ করে টিকিট কাটবেন। এরপর ট্রেন ছাড়া হবে সকাল সাড়ে আটটায়। শুরু থেকে সকাল ৮টায় গেট খোলার সঙ্গে সঙ্গেই ট্রেন চলাচল করে আসছে। এ ছাড়া কাল থেকে মেট্রোরেলের চলাচল বন্ধ হবে দুপুর ১২টার পরিবর্তে সাড়ে ১২টায়।

নিউজ ট্যাগ: মেট্রোরেল

আরও খবর

শুক্রবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩

রাজধানীতে ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু

বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩




হঠাৎ করেই হার্ট অ্যাটাক হতে পারে যাদের

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৫৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

অস্বাস্থ্যকর খাবার ও শরীরচর্চার অভাবে বাড়ে কোলেস্টেরলের মাত্রা। যা হৃদরোগ, শিরা ও ধমনী রোগ, হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। কোলেস্টেরল হলো একটি মোমযুক্ত, আঁঠালো পদার্থ যা রক্তের শিরায় পাওয়া যায়। বিভিন্ন খাবার গ্রহণের মাধ্যমে আবার লিভারও তৈরি করে কোলেস্টেরল। মূলত ২ ধরনের কোলেস্টেরল আছে- ভালো ও খারাপ কোলেস্টেরল।

শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি হয়ে গেলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি দ্বিগুণ বাড়ে। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক কাদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি-

সিডিসির তথ্য মতে, যারা স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও ট্রান্স ফ্যাট সমৃদ্ধ খাবার বেশি খায় তাদের শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। যা হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম কারণ। ঘি, মাখন, কেক, মাংস, বিস্কুট, পনির ইত্যাদি খাবার হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তা এগুলো খাওয়া কমিয়ে আনুন।

এর পাশাপাশি যারা নিয়মিত শরীরচর্চা করেন না তাদের রক্তে কোলেস্টেরল বেড়ে যায় অনেক। সিডিসি অনুসারে, স্থূলতা কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়, আর এ কারণেই বাড়ে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও। এমনকি ধূমপানের কারণেও রক্তনালিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় ও এতে চর্বি জমে। ধূমপান উচ্চ-ঘনত্বের লাইপোপ্রোটিন কমাতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ধূমপান হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায় দ্বিগুণ। এছাড়া কিছু লোকের পারিবারিক হাইপারকোলেস্টেরোলেমিয়া (এফএইচ) নামে একটি বংশগত জেনেটিক অবস্থা থাকে।

খুব কম ঘনত্বের লাইপোপ্রোটিন (এলডিএল) অর্থাৎ খারাপ কোলেস্টেরলের কারণে অল্প বয়সেই এই অবস্থা শুরু হয়। চিকিৎসা না করা হলে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে এটি আরও খারাপ হয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেও কিন্তু কোলেস্টেরলের ঝুঁকি বাড়ে। বয়স বাড়লে শরীর রক্ত থেকে কোলেস্টেরল অপসারণ করতে পারে না সহজে।

গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৫৫ বছর বয়সী পুরুষদের তুলনায় নারীদের শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কম থাকে।

নিউজ ট্যাগ: হার্ট অ্যাটাক

আরও খবর

৮ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি

বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩




রাজধানীতে বাসা থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:রবিবার ২২ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানীর পশ্চিম জুরাইনের একটি বাসা থেকে শারমিন আক্তার (১৮) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে শ্যামপুর থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

শ্যামপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নুরুজ্জামান জানান, স্বামী আল ইসলামের সঙ্গে পশ্চিম জুরাইন তোলাবাগিচা এলাকায় টিনশেড বাড়িতে ভাড়া থাকতেন শারমিন। আলী একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিজীবী আর শারমিন গৃহিণী। এক মাস আগে বিয়ে হয় তাদের।

তিনি আরও জানান, শারমিন আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যেতে চাওয়ায় শনিবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় স্বামীর সঙ্গে মনোমালিন্য হয়। এরপর রাতে দুইজনই ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে স্বামী উঠে দেখেন রুমে লোহার অ্যাঙ্গেলের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছেন শারমিন। তখন তিনি শ্যামপুর থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ এসে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করে।


আরও খবর

শুক্রবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩

রাজধানীতে ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু

বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩