Logo
শিরোনাম

বাঁধ ভেঙে ঝালকাঠিতে ২৫ গ্রাম প্লাবিত

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ১৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে ঝালকাঠির সুগন্ধা-বিষখালী নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। কাঠালিয়া-রাজাপুর উপজেলার বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকে ২৫ গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে।

বিশেষ করে কাঠালিয়া সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র, বড় কাঠালিয়া, পূর্ব কচুয়া, লতাবুনিয়া, রঘুয়ার দড়ির চর, সোনার বাংলা, আওরাবুনিয়া, জাঙ্গালিয়া, ছিটকী ও আমুয়াসহ বিষখালী নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের পনেরোটির অধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

এছাড়াও রাজাপুর উপজেলার চর পালট এলাকার কয়েকটি গ্রাম, বাদুরতলা, বড়ইয়া ও মানকীরচর এলাকার গুচ্ছগ্রামসহ আরও দশটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় ১ কোটি ১৩ লাখ টাকা ও ২০০ টন চাল মজুদ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী। ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় ৫৯টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র ও ৪৯৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্রে রূপ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া গঠন করা হয়েছে ৩৭টি মেডিক্যাল টিম।

নিউজ ট্যাগ: ঘূর্ণিঝড় ইয়াস

আরও খবর



গাজায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা দিলো ই'সরায়েল

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ মে 20২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ৭৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় টানা ১১ দিন ভয়াবহ হামলা চালানোর পর অবশেষে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে অনুমতি দিয়েছে ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা। বৃহস্পতিবার (২০ মে) দিবাগত রাতে ইসরায়েলের বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম এ খবর প্রকাশ করেছে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (২১ মে) রাত ২টা থেকে যুদ্ধবিরতি হতে পারে। হামাসের কর্তৃপক্ষের একজন এই খবর বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছে।

গত ১০ মে থেকে ২০ মে গাজায় বোমা হামলা ও গোলাবর্ষণ করে ইসরায়েল। এতে ২৩০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৬৫টি শিশু রয়েছে। এছাড়া হামাসের রকেটে ১২ ইসরায়েলি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলা ও হামাসের রকেট হামলা বন্ধে শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর চাপ বাড়ে। এর আগে বাইডেন প্রশাসন আভাস দিয়েছিল যে চলতি সপ্তাহে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হতে পারে।

সামরিক অভিযান বন্ধে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও হামাস নেতাদের চাপ দিতে কাজ করে যুক্তরাষ্ট্রসহ মিসর, কাতার ও বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ।

তবে ফিলিস্তিনের ইসলামি জিহাদ আন্দোলনকে অনিশ্চিত অবস্থায় রেখে দেওয়া হচ্ছে। যদিও তারা উত্তেজনা উসকে দিতে পারে বলে উদ্বেগ রয়েছে।

বুধবার (২০ মে) এক ফোনালাপে উত্তেজনা উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কমিয়ে অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হতে নেতানিয়াহুকে বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। গত ১০ মে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর দুনেতার মধ্যে এটি চতুর্থ ফোনালাপ বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।


আরও খবর



যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এসএসএফ হবে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৫ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৮০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এসএসএফকে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত হতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, আমাদের সব সময় চেষ্টা ছিল, আধুনিক জগতের সঙ্গে তালমিলিয়ে আমাদের এই বিশেষ বাহিনীও সেভাবে প্রশিক্ষিত হবে এবং তাদের দক্ষতাও সবসময় বৃদ্ধি পাবে।

মঙ্গলবার (১৫ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিশেষ এই বাহিনীটির ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত হন তিনি।

এসএসএফ-এর সদস্যদের দক্ষতার প্রশংসা করে শেখ হাসিনা বলেন, শুধু আমাদের দেশের রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী নয়, বিদেশি অতিথিরা আসলেও তাদের নিরাপত্তা দেওয়া- এটা একটা কঠিন দায়িত্ব। তবে আমি ধন্যবাদ জানাই, অভিনন্দন জানাই, যখনই যিনি (অতিথি) এসেছেন আমাদের এসএসএফ সদস্যরা এতো চমৎকারভাবে তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছেন তাদের (বিদেশি অতিথি) প্রত্যেকেই প্রশংসা করেছেন। সকলেই এসএসএফ সদস্যদের দক্ষতা এবং আন্তরিকতা দেখে মুগ্ধ হয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি আমরা ব্যবহার করছি। তাতে জীবন গতিশীল হচ্ছে, কর্মক্ষেত্র বিস্তৃত হচ্ছে। আমাদের সুযোগ দিচ্ছে। সেই সঙ্গে অপরাধীরাও সুযোগ পাচ্ছে, জঙ্গিরাও সুযোগ পাচ্ছে।

বিশেষ এই বাহিনীর দক্ষতা বৃদ্ধিতে নিয়মিতই দেশে-বিদেশে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সুযোগ থাকবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

মুজিববর্ষে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর স্মারক হিসেবে এসএসএফ-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মজিবুর রহমান সম্পাদিত মুজিব-বাঙালি-বাংলাদেশ নামে একটি ই-বুক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।


আরও খবর



জকিগঞ্জে দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান!

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৫ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৬০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সিলেটের জকিগঞ্জে অনুসন্ধান কূপে সফলতার আলামত দেখছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স)। এটি বাংলাদেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আজ মঙ্গলবার (১৫ জুন) সকাল সোয়া ১০টায় ডিএসটি (ড্রিল স্টিম টেস্ট) সৌভাগ্য শিখা জ্বালাতে সক্ষম হয় রাষ্ট্রীয় এ কোম্পানিটি।

কূপটির অভ্যন্তরে চাপ রয়েছে ৬ হাজার পিএসআই (প্রতি বর্গ ইঞ্চি), আর ফ্লোটিং চাপ রয়েছে ১৩ হাজারের অধিক। প্রথমমত একটি স্তরের টেস্ট চলমান। কূপটিতে মোট ৪টি স্তুরে গ্যাস প্রাওয়ার সম্ভাবনা দেখছে বাপেক্স। নতুন এই ফিল্ডটি থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরে বিয়ানীবাজার ও ৪৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গোলাপগঞ্জ।

বাপেক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলী গণমাধ্যমকে বলেন, এখনই এ বিষয়ে কিছু বলতে চাচ্ছি না। আমরা ভালো কিছু আশা করছি। অনেক সময় পকেট থাকতে পারে, তাই পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। ঘণ্টা দুয়েক পর্যবেক্ষণের পর বলতে পারবো। তার আগে বললে সেটি সঠিক নাও হতে পারে।

সম্প্রতি একটি সেমিনারে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব আনিসুর রহমান ওই ফিল্ডটি সম্পর্কে বলেছিলেন, আমরা নতুন একটি ফিল্ডে সফল হতে চলেছি। সেখানে কুপের প্রেসার ৬০ হাজারের অধিক রয়েছে। পরীক্ষা চলছে, এটি আমাদের জন্য দারুণ সুখবর হতে পারে। আশা করছি খুব শিগগিরই ভালো খবর দিতে পারবো।

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ২৭টি গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছে। এসব গ্যাসক্ষেত্রে প্রমাণিত মজুদের পরিমাণ ২১ দশমিক ৪ টিসিএফ, আরও ৬ টিসিএফ রয়েছে সম্ভাব্য মজুদ। এরমধ্যে প্রায় সাড়ে ১৮ টিসিএফ উত্তোলন করা হয়েছে। সে হিসেবে প্রমাণিত মজুদ অবশিষ্ট রয়েছে মাত্র ৩ টিসিএফ, আর সম্ভাব্য মজুদ রয়েছে আরও ৭ টিএসএফর মতো।


আরও খবর



বিদ্যুৎস্পৃষ্ট কিশোরীর মৃত্যু, বাঁচাতে গিয়ে গেল আরও ২ জনের প্রাণ

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৮ জুন ২০২১ | ৮২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানীর মালিবাগ চৌধুরিপাড়ায় বৃষ্টির সময় একটি টিনসেড বাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন- সাবিনা আক্তার পাখি (১০), ঝুমা (১৪) ও বাড়িটির দারোয়ান আবুল হোসেন (৬৫)।

শনিবার (৫ জুন) বেলা ২টার দিকে মালিবাগ চৌধুরিপাড়া আবুল হোটেলের পিছনে সোনা মিয়ার গলির মাজেদা বেগমের টিনসেড বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।

অচেতন অবস্থায় বেলা পৌনে ৩টার দিকে পাখিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আর বাকি দুইজনকে মালিবাগ কমিউনিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে মৃত্যু হয় তাদের।

পাখিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া প্রতিবেশী ভাড়াটিয়া আলআমিন জানান, বেলা ২টার দিকে বৃষ্টির সময় বাচ্চাটি বাসার সামনে খেলা করছিল। তখন বাসার লোহার গেট থেকে স্পৃষ্ট হয়ে অচেতন হয়ে পড়ে পাখি। তাকে ছাড়াতে গেলে ঝুমা ও পরে আবুল হোসেনও অচেতন হয়ে পড়ে। তখন পাখিকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়া যাওয়া হয়। আর বাকি দুইজনকে কমিউনিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রশিদ গণমাধ্যমকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিন জনের মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

হাতিরঝিল থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. শরিফুল ইসলাম ৩ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বৃষ্টির সময় বাসার সামনের বিদ্যুতের খুঁটির উপর বজ্রপাত হয়। এতে তাদের টিনসেড বাসাটি বিদ্যুতায়িত হয়ে শিশুসহ তিনজন অচেতন হয়ে পড়ে। পরে ঢাকা মেডিকেলে পাখিকে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আর বাকি দুইজনকে মালিবাগ কমিউনিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাদের মৃত্যু হয়। সিলেট জেলার জাবেদ আলীর মেয়ে ঝুমা।


আরও খবর



করোনায় মৃত সহস্রাধিকের চিতাভস্ম ভাসানো হলো নদীতে

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৪ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৮ জুন ২০২১ | ৮৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পর পর সারি বেঁধে বসানো রয়েছে অসংখ্য মাটির পাত্র। সবই সাদা কাপড়ে বাঁধা। পাত্রগুলোতে রয়েছে করোনায় মৃত নাম-পরিচয়হীন সহস্রাধিকের চিতাভস্ম। বেঙ্গালুরু শহরের সুমনাহল্লি শ্মশানের চিত্র এটি।

প্রতিটি পাত্রের একটি নম্বর রয়েছে।  পাত্রগুলো কাবেরী নদীর ঘাটে আনা হয় প্রথা মেনে।  ঘাট থেকে ভাসিয়ে দেওয়া হয় অজ্ঞাতপরিচয় এক হাজার ২০০ জনের দেহাবশেষ। খবর আনন্দবাজারের।

ঘটনা বেশ অমানবিকই বটে। করোনা মহামারির ভয় মানুষের মধ্যে এমনভাবে ঢুকে গেছে যে, মানুষ মরদেহ সৎকারের ক্ষেত্রেও বাছবিচার শুরু করতে বাধ্য হয়েছে। করোনার আতঙ্কে বহু পরিবার মৃত স্বজনের চিতাভস্ম পর্যন্ত নিতে রাজি নয়। আবার প্রথা মেনে আচার-অনুষ্ঠান করার সামর্থ্যও নেই অনেকের।

বেঙ্গালুরু টিআর মিলস শ্মশানের কনট্রাক্টর কিরণ কুমার বলেন, একটা পরিবারে দুই-তিনজন করোনায় মারা গেলে বাকি সদস্যরা আর শ্মশানে এসে ছাই সংগ্রহ করেন না।

দীর্ঘদিন ধরে প্রচুর ছাইভর্তি মাটির পাত্র জমেছে শহরের প্রায় সবকটি শ্মশানেই। তাই বাধ্য হয়ে সরকারকেই চিতাভস্ম নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার কাজ করতে হচ্ছে।


আরও খবর