Logo
শিরোনাম

বিবাহিত জীবনের ১৪ বছরই কেটেছে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায়!

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৭৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আমেরিকার নর্থ ক্যারোলাইনার বাসিন্দা প্যাটি হার্নান্দেজ। বয়স ৪০। গত বছরে জন্ম দিয়েছিলেন ১৬তম সন্তান। এখন আবারও তিনি অন্তঃসত্ত্বা! শুনে আশ্চর্য লাগতেই পারে! কিন্তু ঘটনাটি সত্য।

প্যাটির স্বামীর নাম কার্লোস। তার নামের সঙ্গে মিল রেখেই প্যাটির ১৬টি সন্তানের নামের প্রথম অক্ষর ইংরেজি হরফ সি দিয়ে রেখেছেন। বিবাহিত জীবনের ১৪ বছরই অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় কাটিয়েছেন তিনি। কার্লোস ও প্যাটির মোট ৬ ছেলে এবং ১০ মেয়ে। এদের মধ্যে তিন জোড়াই যমজ।


এ প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে প্যাটি বলেন, দিন কয়েক আগেই জানতে পারি আমি তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা। প্রায় ১৪ বছর আমি অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় কাটিয়েছি। ১৭ বার ঈশ্বর আমাকে মা হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। সেই জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আবার মা হতে পেরে আমি খুবই খুশি, উত্তেজিতও বটে। আমি এবং স্বামী গর্ভনিরোধকের ব্যবহারে বিশ্বাস করি না। ঈশ্বর চাইলে আবারও গর্ভধারণ করব।

এই দম্পতির বাড়িতে ৫টি শোয়ার ঘর রয়েছে। বাচ্চাদের জন্য প্রতিটি ঘরে একাধিক বাঙ্ক বেড এবং ক্রাইব রয়েছে। প্যাটি একটি ২০ আসনের বাস চালিয়ে সন্তানদের স্কুলে নিয়ে যান। প্রতি সপ্তাহে খাবারের জন্য দম্পতির প্রায় ৭২ হাজার টাকা ব্যয় হয়।


আরও খবর



টেনিসকে বিদায় ফেদেরারের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

টেনিসকে বিদায় জানিয়েছেন রজার ফেদেরার। টুইটারে এক পোস্টে তিনি এ ঘোষণা দিয়েছেন। আগামী সপ্তাহে লন্ডনে অনুষ্ঠেয় ল্যাভার কাপই হতে যাচ্ছে ৪১ বছর বয়সী ফেদেরারের সর্বশেষ পেশাদার টুর্নামেন্ট।

২০ বারের গ্রান্ড স্ল্যাম বিজয়ী ফেদেরার গত তিন বছর ধরে হাঁটুর সমস্যায় ভুগছিলেন। সুস্থ হওয়ার পরেই তিনি এই অবসরের ঘোষণা দিলেন।

টুইটারে পোস্ট করা এক চিঠিতে ফেদেরার বলেছেন, আমার টেনিস পরিবার এবং এর বাইরে যারা আছেন। বছরের পর বছর ধরে টেনিস আমাকে যে সব উপহার দিয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে বড় নিঃসন্দেহে, সেসব মানুষ যাদের সঙ্গে আমি দেখা করেছি: আমার বন্ধুরা, আমার প্রতিযোগীরা এবং বেশিরভাগ ভক্ত যারা খেলাটিকে প্রাণ দিয়েছেন,  আজ আমি আপনাদের সবার সাথে কিছু বিষয় শেয়ার করতে চাই।

তিনি বলেছেন, আপনারা অনেকেই জানেন, গত তিন বছর আমাকে আঘাত ও অস্ত্রোপচারের মতো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। আমি সম্পূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক ফর্মে ফিরে আসার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছি। কিন্তু আমি আমার শরীরের ক্ষমতা ও সীমা জানি এবং ইদানীং আমার কাছে এর বার্তা স্পষ্ট হয়েছে। আমার বয়স ৪১ বছর। আমি ২৪ বছরে দেড় হাজারেরও বেশি ম্যাচ খেলেছি।  টেনিস আমাকে আমার কল্পনার চেয়েও বেশি কিছু দিয়েছে। এখন আমার ক্যারিয়ারের ইতি টানার সময় হয়ে এসেছে। আগামী সপ্তাহে লন্ডনের ল্যাভার কাপ হবে আমার শেষ এটিপি টুর্নামেন্ট। ভবিষ্যতে আমি অবশ্যই আরও টেনিস খেলব, কিন্তু কোনো গ্রান্ড স্ল্যাম কিংবা আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট নয়।

নিউজ ট্যাগ: রজার ফেদেরার

আরও খবর

হার দিয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২

১৬৮ রানের লক্ষ্য পেল বাংলাদেশ

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২




খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল হয়েছে ৫ হাজার ৯৬০ কোটি টাকা

প্রকাশিত:বুধবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনা মহামারির কারণে ছোট-বড় অনেক ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হ‌য়েছে। অনেকে আগে থে‌কেই নিয়‌মিত ঋণ শোধ কর‌ছেন না। আবার অনিয়ম দুর্নীতি ক‌রে দেওয়া ঋণও আদায় কর‌তে পার‌ছে না সংশ্লিষ্ট ব্যাংক। এসব কারণে বাড়‌ছে খেলা‌পি ঋণ। যা বাড়িয়েছে ঋণ পুনঃতফসিলের পরিমাণ। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বল‌ছে, চলতি বছরে প্রথম ছয় মা‌সে (জানুয়ারি-জুন) ৫ হাজার ৯৬০ কোটি টাকার ঋণ পুনঃতফসিলের অনুমোদন দিয়েছে ব্যাংক। এ সময় সুদ মওকুফ করেছে ২ হাজার ৮১৬ কোটি টাকা।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অনেকে অনিয়ম, দুর্নীতি, রাজনৈতিক প্রভাব, ও পরিচালনা পর্ষদের স‌ঙ্গে আঁতাত ক‌রে নেওয়া ঋণ ফেরত দি‌চ্ছেন না। আবার কেউ ঋণ অন্য খাতে ব্যবহারের কারণেও খেলাপি হয়ে গেছে। এছাড়া খেলা‌পিরা একের পর এক ছাড় পা‌চ্ছে, এ কার‌ণে অনেকে এখন ঋণ শোধ কর‌ছে না আ‌রও ছাড় পাওয়ার আশায়।  সব কার‌ণে খেলাপি স‌ঙ্গে ঋণ পুনঃতফসিলের পরিমাণ বাড়ছে। এতে ঋণের টাকা আগামী‌তে ফেরত পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ছয় মা‌সে পুনঃতফসিল করা ঋণের মধ্যে রাষ্ট্র মালীকানাধীন ব্যাংকগুলো করেছে ১ হাজার ৩০ কোটি এবং বেসরকারি ব্যাংক করেছে ৪ হাজার ১৫০ কোটি টাকা। বাকি ৭৭৯ কোটি টাকা পুনঃতফসিল করেছে বিশেষায়িত ব্যাংক। ত‌বে ব্যাংকাররা বলছেন, নথিপত্রে ব্যাংকগু‌লো খেলাপি ঋণ যত দেখা‌চ্ছে, বাস্তবে এ চিত্র আ‌রও ক‌য়েক গুণ বে‌শি। কারণ অনেক প্রভাবশালী গ্রুপের ঋণ আদায় না ক‌রেও বছরের পর বছর নিয়‌মিত দেখা‌নো হ‌য়। আবার একই ঋণ একা‌ধিকবার পুনঃ তফসিল করে ঋণ নিয়মিত রাখা হয়।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গে‌ছে, ২০১৯ সালে ৫২ হাজার কোটি টাকারও বেশি ঋণ পুনঃতফসিল সুবিধা দেওয়া হয়। ওই সময় সুদ মওকুফ হয় ১ হাজার ৭৭১ কোটি টাকা। ঋণ পুনঃতফসিল কিংবা মওকুফ, সুবিধা দেওয়ার সব‌চে‌য়ে এগিয়ে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো। ত‌বে সুবিধা দিয়েও কাঙ্ক্ষিত ঋণ আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না। ২০২০ সালে ১৩ হাজার ৪৬৯ কোটি এবং ২০২১ সালে ৬ হাজার কোটি টাকা পুনঃতফসিল করা হয়। ২০১৯ সাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া উদার ছাড় নীতির কারণে, দেশের ঋণ খেলাপিরা প্রতি ১০০ টাকা ঋণে দুই টাকা ডাউন পেমেন্ট দিয়ে ১০ বছর পর্যন্ত পুনঃতফসিল সুবিধা নিয়েছেন। সেটাই ছিল সুবর্ণ সুযোগ ঋণ খেলাপিদের। করোনা শুরুর বছর (২০১৯ সালে) সবচেয়ে বেশি ঋণ পুনঃতফসিলের সুবিধা নিয়েছেন তারা। ওই সু‌বিধার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় ২০২২ সালের ১৮ জুলাই ঋণ পুনঃতফসিলের সুবিধা দিয়ে নতুন নির্দেশনা জারি ক‌রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নতুন নির্দেশনায় মাত্র আড়াই থেকে সাত শতাংশ ডাউনপেমেন্ট দি‌য়ে ২৯ বছর পর্যন্ত ঋণ নিয়মিত রাখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ ১৩ লাখ ৯৮ হাজার ৫৯২ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১ লাখ ২৫ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা ছিল খেলাপি, যা দেশের ব্যাংক খাতের মোট বিতরণ করা ঋণের ৮ দশমিক ৯৬ শতাংশ। গত মার্চ শেষে দেশের ব্যাংক খাতের বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ ছিল ১৩ লাখ ২৯ হাজার ৭৩৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ছিল ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ কোটি টাকার ঋণ। গত ডিসেম্বর শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৩ হাজার ২৭৩ কোটি টাকা। এ হিসেবে গত ছয় মাসে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ২১ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা।

চলতি বছরের জুন শেষে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ গিয়ে ঠেকেছে ৫৫ হাজার ৪২৯ কোটি টাকায়। রাষ্ট্রায়ত্ত এ ব্যাংকগুলোর বিতরণ করা ঋণের ২১ দশমিক ৯৩ শতাংশই বর্তমানে খেলাপি। জুন শেষে বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬২ হাজার ৬৭৭ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। যা মোট ঋণের ৬ শতাংশ। সরকারি বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ ১৭৯ কোটি টাকা। এই অংক মোট ঋণের ১১ দশমিক ৭৪ শতাংশ। আালো‌চিত সম‌য়ে বিদেশি খা‌তের ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ ৭৩ কো‌টি টাকা বা মোট ঋণের ৪ দশমিক ৪০ শতাংশ।

নিউজ ট্যাগ: খেলাপি ঋণ

আরও খবর

৩১ ডিসেম্বরের পর পাম অয়েল বিক্রি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২




কলমাকান্দায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে জরিমানা

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ১৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় গণেশ্বরী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে রফিকুল ইসলাম (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রোববার সন্ধ্যায় নাজিরপুর ইউনিয়নের কুট্টাকান্দা এলাকার গণেশ্বরী নদীতে অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শহিদুল ইসলাম এ অর্থদণ্ড করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মো.শহিদুল ইসলাম বলেন, কুট্টাকান্দা এলাকার গণেশ্বরী নদীতে অবৈধভাবে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করছিলেন ওই ব্যক্তি।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। পরে সরকারি আইন লঙ্ঘন করে নদী থেকে বালু উত্তোলনের দায়ে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন- ২০১০-এ দোষী সাব্যস্ত করে এ অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।


আরও খবর



মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে যোগদান করেছেন ড. নাহিদ রশীদ

প্রকাশিত:রবিবার ০২ অক্টোবর 2০২2 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ৩২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব হিসেবে যোগদান করেছেন ড. নাহিদ রশীদ। গত বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) তিনি এ মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন। আজ (০২ অক্টোবর) ড. নাহিদ রশীদ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে নিজ দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেছেন।

এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের  এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক (সচিব) ড. নাহিদ রশীদকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে বদলি করা হয়।

উল্লেখ্য, ড. নাহিদ রশীদ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারের ১০ম ব্যাচের সদস্য।


আরও খবর



বিশ্বে খাদ্য সঙ্কটে ৩৪.৫ কোটি মানুষ

প্রকাশিত:বুধবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ৩৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বৈশ্বিক নানা সংকট দিনে দিনে প্রবল আকার ধারণ করছে। বিশ্ব উষ্ণায়ন, কর্মহীনতার ছায়ায় ঢাকা দুনিয়া এক চরম খাদ্যসঙ্কটে দিকে এগোচ্ছে। যার প্রমাণসহ চিত্র জাতিসংঘে তুলে ধরলেন দুশোরও বেশি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মকর্তারা। যা জানাচ্ছে, প্রতি চার সেকেন্ডে এক জন, শুধু না খেতে পেয়ে মৃত্যুর কোলে ঢুলে পড়ছে। সংখ্যাটা দুনিয়া জুড়ে এখন এই রকম!

মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রপুঞ্জের ৭৭তম সাধারণ সভায় তুলে এই চিত্র। একটি খোলা চিঠিতে ৭৫টি দেশের ২৩৮টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এই সমস্যার প্রতিকারের জন্যে সব দেশকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

সংগঠনগুলোর পেশ করা রিপোর্ট অনুযায়ী, এই মুহূর্তে বিশ্বের ৩৪.৫ কোটি মানুষ তীব্র খাদ্য সঙ্কটে ভুগছেন। খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে ৪৫টি দেশের আরও ৫ কোটি বাসিন্দা। বিশেষ করে ২০১৯ সালের পর খাদ্যসঙ্কটে ভুগতে থাকা মানুষের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছে। একবিংশ শতকের ক্ষমতাপুর্ণ রাষ্ট্রনেতারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, এ বিশ্বকে আর দুর্ভিক্ষ দেখতে হবে না। সংগঠনগলোর ক্ষোভ, বাস্তবে তা হচ্ছে কোথায়?

সোমালিয়া আজ দুর্ভিক্ষের মুখে দাঁড়িয়ে। বস্তুত, দুর্ভিক্ষের ছায়া সবচেয়ে বেশি গ্রাস করেছে আফ্রিকা মহাদেশকে।

ইয়েমেনের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্তা মোহানা আহমেদ আলি এলজাবালি বলেছেন, কোনও একটা দেশ বা একটা মহাদেশের সমস্যা নয় এটা। দুর্ভিক্ষ কোনও একটা কারণে হয় না। মানবতার প্রতি অবিচারই এর আসল কারণ। এক দল মানুষ যখন প্রাচুর্যের আয়োজনে মগ্ন, অন্য দলের কাছে প্রাণ বাঁচানোর মতো খাবারটুকুও নেই।

দেরি না করে সকলকে এগিয়ে আসার ডাক দিয়ে মোহানা আরও বলেন, অভুক্ত মানুষের পাশে যে যতটা পারেন, দাঁড়ান। খাবার দিয়ে প্রাণ বাঁচান।

সোমালিয়ার পাশাপাশি ইথিয়োপিয়া, নাইজিরিয়া, ইয়েমেনের মতো দেশগুলিতেও লক্ষ লক্ষ মানুষ না খেতে পেয়ে মরণাপন্ন। ইথিয়োপিয়ার সীমান্তঘেঁষা সোমালি এলাকায় এক শরণার্থী শিবিরে চার সন্তানকে নিয়ে থাকেন সুমায়া। বত্রিশ বছরের সুমায়ার মুখে যেন আশি বছরের ক্লান্তির ছায়া।

তিনি জানান, খাবার নেই, পানি নেই, অর্থহীন একটা জীবন। ছেলেমেয়েরা ঠিক করে খেতে পায় না। চরম অপুষ্টিতে ভুগছে। এ বার খাবার না পেলে ওরা মরেই যাবে।

এ প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, সমস্যার শিকড়ে গেলে খাদ্যসঙ্কটের হাজারটা কারণ দেখা যাবে। দারিদ্র, সামাজিক অন্যায়, লিঙ্গবৈষম্য, কৃষিক্ষেত্রে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং তার পাশাপাশি অতিমারি, রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধের মতো সাম্প্রতিক কারণগুলো যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। মুদ্রাস্ফীতির মতো অর্থনৈতিক কারণে নিত্যপণ্যের দাম ক্রমশ বাড়ছে। ফলে সঙ্কটও বাড়ছে।

অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, শুধু মাত্র অতিমারি পর্বেই বিশ্বে ধনকুবেরদের সম্পত্তি বেড়েছে লাফিয়ে। তার সঙ্গে বেড়েছে খাদ্যের সঙ্কটও।” তাই দুর্ভিক্ষ এড়াতে চাইলে অবিলম্বে সব দেশের এখনই একজোট হয়ে এগিয়ে আসা দরকার।


আরও খবর

‘হাসি’ মানুষের সবচেয়ে ভালো ওষুধ

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২