
যতই সার্জারি বা রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হোক না কেনো ত্বকের তারুণ্য
ধরে রাখতে প্রাকৃতিক উপাদানের বিকল্প নেই। রূপচর্চা-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকশিত প্রতিবেদন
থেকে ত্বকে বয়সের ছাপ দূর করার প্রাকৃতিক উপায় সম্পর্কে জানানো হল।
লেবুর রস:
লেবু শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। এটা বয়সের দাগছোপ
ও অন্যান্য সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।
পদ্ধতি: লেবুর রস ত্বকে ব্যবহার করে ১৫ মিনিট পর সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে
ফেলুন।
এক টেবিল-চামচ লেবুর রসের সঙ্গে আধা চা-চামচ মাখন ও এক টেবিল-চামচ ডিমের
সাদা অংশ মেশান।
সব উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে মিশ্রণটি মুখে মাখুন।
১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
পেঁপের মাস্ক:
পেঁপেতে আছে ভিটামিন এ তা চোখের পাশাপাশি ত্বক ভালো রাখতেও সাহায্য করে।
পেঁপে ভিটামিন ই ও বিটা ক্যারোটিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। যা ত্বককে ‘ফ্রি রেডিকেল’ থেকে রক্ষা করে।
ফলে বলিরেখা ও বয়সের ছাপ দূরে থাকে। এর পাপাইন নামক উপাদান ত্বকের মৃত কোষ দূর করে
এবং স্থিতিস্থাপকতা বাড়িয়ে ত্বক টানটান করে।
পদ্ধতি: পাকা পেঁপে টুকরা করে কেটে পেস্ট করে নিন। এটা মুখে মেখে ১৫
মিনিট অপেক্ষা করে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
গোলাপ জল:
লোমকূপ থেকে তেল ও ময়লা দূর করে ত্বক পরিষ্কার করে এর অ্যাস্ট্রিনজান্ট
উপাদান। ত্বক টানটান করে ও ফোলাভাব কমায়।
পদ্ধতি: দুই টেবিল-চামচ গোলাপ জলের সঙ্গে তিন-চার ফোঁটা গ্লিসারিন ও
আধা চা-চামচ লেবুর রস মিশিয়ে তুলার বলের সাহায্যে মুখে মাখুন।
প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ব্যবহার করুন।
শসা ও টক দইয়ের প্যাক:
শসা ভিটামিন সি ও ক্যাফেইক অ্যাসিড সমৃদ্ধ। যা চোখের নিচের ফোলাভাব ও
কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ পানি থাকায় ত্বক সুস্থ
ও মসৃণ রাখতে সহায়তা করে।
অন্যদিকে দইয়ে আছে ল্যাক্টিক অ্যাসিড যা ত্বকের মৃত কোষ দূর করে এবং
উজ্জ্বলতা বাড়ায়। শসা ও দইয়ের তৈরি ফেইস প্যাক সপ্তাহে দুদিন করে কয়েকমাস ব্যবহার করলে
তা ত্বকের তারুণ্য ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।
পদ্ধতি: আধা কাপ দইয়ের সঙ্গে দুই টেবিল-চামচ শসা কুচি মিশিয়ে প্যাক তৈরি
করে তা ত্বকে মেখে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন।
এরপর তা কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

