Logo
শিরোনাম

চট্টগ্রামে বিষাক্ত পানি পানি খেয়ে ১৩ মহিষের মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৭৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চট্টগ্রামের আনোয়ারা থানাধীন রাঙ্গাদিয়া এলাকায় চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানির (সিইউএফএল) বর্জ্যের বিষাক্ত পানি খেয়ে ১৩ মহিষের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (২৪ এপ্রিল) সিইউএফএল কারখানার পশ্চিমে মাঝের চর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এর আগেও গত ১৪ এপ্রিল একইভাবে আরও দুটি গরুর মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা ঘটনা তদন্ত করে ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে ঘটনা তদন্তে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সিইউএফএল কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিইউএফএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জসিম উদ্দীন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বারশত ইউনিয়নের মাঝের চরে এলাকায় সিইউএফএলের সার কারখানার পশ্চিমে খালের বিষাক্ত বর্জ্যের পানি পান করে স্থানীয় পারকি এলাকার বাসিন্দা ইব্রাহিম, ইছহাক, নূর মোহাম্মদ ও ইলিয়াসের ১৩টি মহিষ মারা যায়। মহিষগুলোর আনুমানিক মূল্য ২২ লাখ টাকা বলে দাবি করছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

তাদের অভিযোগ, শনিবার রাতে সিইউএফএল কারখানা কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের ঘোষণা ছাড়াই বিষাক্ত বর্জ্য খালে অপসারণ করে। এতে খালের পানি বিষাক্ত হয়ে পড়ে। ওই পানি পান করে ১৩ মহিষের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে এলাকাবাসী রোববার দুপুরে মৃত মহিষগুলো উদ্ধার করে সিইউএলএফ কারখানা গেটের সামনে নিয়ে আসেন। পরে ক্ষতিগ্রস্তরা সার কারখানায় এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেন।

মহিষের মালিক মো. ইলিয়াছ সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, সিইউএফএল কর্তৃপক্ষ স্থানীয়দের কোনো ধরনের অবহিত না করে বিষাক্ত বর্জ্য খালে ছেড়ে দেয়। ওই পানি খেয়ে আমাদের গরু মহিষ মারা যাচ্ছে। বার বার এধরনের ঘটনা ঘটলেও আমরা ঠিকমত ক্ষতিপূরণ পাই না। তিনি আরও বলেন, প্রতি বছর কয়েক দফা এ ধরনের ঘটনা ঘটলেও কারখানা কর্তৃপক্ষকে টনক নড়ে না।

সিইউএফএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আখতারুজ্জামান স্থানীয়দের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বর্তমানে সিইউএফএল কারখানায় উৎপাদন চলমান আছে। আর কারখানা উৎপাদন চলাকালীন কোনো ধরনের বর্জ্য অপসারণ করা হয় না। গত ১৪ এপ্রিল যে দুটি গরু মারা গেছে সে ঘটনায় আমরা পানির নমুনা পরীক্ষা করে দেখেছি, এসব বর্জ্য মিশ্রিত পানি সিইউএফএল সার কারখানার ছিল না। এসব বর্জ্য ডিএপি সার কারখানার।

নিউজ ট্যাগ: মহিষের মৃত্যু

আরও খবর



প্রতিপক্ষের বল্লমের আঘাতে দর্জির মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৫০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বৃষ্টির সময় বাড়ির পানি ফিশারীর পুকুরে নামার প্রতিবাদ করায় সৃষ্ট সংঘর্ষে প্রতিপক্ষের লোকজনের বল্লমের আঘাতে বাবুল দত্ত (৫৫) নামে এক দর্জি নিহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (১১ মে) সকালে নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলায় নওপাড়া ইউনিয়নের দনাচাপুর গ্রামে।

নিহত বাবুল দত্ত দনাচাপুর গ্রামের প্রবোদ দত্তের ছেলে। তিনি পেশায় একজন দর্জি। পাশাপাশি তিনি ফিসারীতে মৎস্য চাষও করে আসছিলেন।

স্থানীয় এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দনাচাপুর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য সুবল দেব ও তাদের পরিবারের লোকজনের বাড়ির বৃষ্টির পানি প্রতিবেশী বাবুল দত্তদের ফিশারী পুকুরে যাওয়ার কারণে তারা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে বৃষ্টির পানি ফিসারীতে যাওয়ার কারণে বাবুল দত্ত ৭টার দিকে সুবলদের বাড়ীতে গিয়ে এর প্রতিবাদ জানায়। এ নিয়ে বাবুল দত্তের সাথে সুবল দেবের ঝগড়া শুরু হয়। ঝগড়ার এক পর্যায়ে সুবল দেব ও তাদের লোকজন দেশীয় অস্ত্রাদি নিয়ে বাবুল দত্তের উপর হামলা করে। এ সময় প্রতিপক্ষের বল্লমের আঘাতে বাবুল দত্ত মারাত্মক আহত হয়। আশপাশের লোকজন মুমূর্ষ অবস্থায় বাবুল দত্তকে উদ্ধার করে দ্রুত কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ব্যাপারে কেন্দুয়া থানার ওসি (তদন্ত) মীর মাহ্বুবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। নিহতের মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে প্ররণ করা হয়েছে। অভিযুক্তদের আটকের চেষ্টা করা হচ্ছে।


আরও খবর



পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে লোকাল বাসের যাত্রীদের ভোগান্তি

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৮২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথ দিয়ে ঈদে ঘরে ফেরা লোকজনের মধ্যে লোকাল বাসের যাত্রীরা পড়েছে চরম ভোগান্তিতে। ঘাট এলাকা থেকে বেশ দূরে তাদের নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে। রিকশা, অটোরিকশা ও সিএনজি চলাচলের অনুমতি না থাকায় নারী- পুরুষ বয়স্ক-শিশু সকলকে পায়ে হেঁটে ফেরি ও লঞ্চ ঘাটে যেতে হচ্ছে। দীর্ঘ পথ হেটে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

সরেজমিন দেখা যায়, কাটা গাড়ির যাত্রীরা প্রচণ্ড গরমে পায়ে হেঁটে লঞ্চ ও ফেরি ঘাটে যাচ্ছেন। তবে দূর পাল্লার বাসের যাত্রীরা মোটামুটি স্বাচ্ছন্দ্যে পার হচ্ছেন।

শ্রমিক ও যাত্রীরা বলেন, সড়ক পথে ও ফেরি ঘাটে তেমন ভোগান্তি নেই। তবে লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী পারাপার হচ্ছে বলে অভিযোগ যাত্রীদের। ঘাট কর্তৃপক্ষ জানান, পর্যাপ্ত ফেরি থাকার কারণে ঘাটে সমস্যা হচ্ছে না।


আরও খবর



বনির সঙ্গেই প্রযোজনা সংস্থা খুলতে চলেছেন কৌশানী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মান-অভিমান অতীত। কথা দিয়েছিলেন দুজনেই, সাময়িক দূরত্ব মিটিয়ে বড় করে ফিরছেন তাঁরা। কথা রাখলেন বনি সেনগুপ্ত, কৌশানী মুখোপাধ্যায়। ১৭ মে কৌশানীর জন্মদিনে যুগলের ঘোষণা, প্রযোজনা সংস্থা আনতে চলেছেন তাঁরা! বিশেষ দিনে প্রকাশ্যে আসবে সংস্থার নাম।

কৌশানীর জন্মদিনের উল্লাস-পর্ব যদিও আগের দিন থেকে শুরু। এ দিন তিনি দুর্গাবাড়িতে দুহাজার লোককে খাইয়েছেন। পাশাপাশি ভোগ উৎসর্গ করেছেন দেবীপ্রতিমাকে। মন্দির সেজে উঠেছে নায়িকার ফুলে। সেজেছেন দেবীপ্রতিমাও। এই সমস্ত কাজে পাশে ছিলেন বনি। জন্মদিনের আগের রাত যথারীতি উদ্‌যাপনে মাতোয়ারা। কেক, পানীয়, উল্লাস সব সাজিয়ে দিয়েছেন বনি। কৌশানীর কথায়, জন্মদিনের কেক, বন্ধুদের আমন্ত্রণ, বাজি পোড়ানো, বাড়ির ছাদ সাজানো, ভাল-মন্দ খাওয়া দাওয়া কিচ্ছু বাকি রাখেনি বনি।

তাতেই কি সব অভিমান গলে জল? প্রশ্ন শুনে গলা ছেড়ে হাসি নায়িকার। যুক্তি, বলেইছিলাম, ছেড়ে যাচ্ছি না। নিজেকে সামলাতে সময় নিচ্ছি। এত সহজে ছেড়ে চলে যাওয়ার মতো সম্পর্ক নয় আমাদের। অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছি। আরও অনেক পথ হাঁটা বাকি। মান-অভিমান থাকবেই। সে সব ধরে বসে থাকলে চলবে কেন? জন্মদিনের সন্ধেও উৎসবমুখর। বনি-কৌশানী এ দিন নায়িকার সমস্ত অনুরাগীদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, অনেক দূর থেকে ছোট-বড় নানা বয়সের মানুষ সাড়া দিয়েছেন তাঁর আমন্ত্রণে। তাঁদের নিয়ে কেক কাটবেন। আমন্ত্রিতরাও অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন।

বনি রাতপার্টির আয়োজন করলেও এখনও নাকি বিশেষ কোনও উপহার কৌশানীর হাতে তুলে দেননি। তবে নিজেদের প্রযোজনা সংস্থা সম্পর্কে বনি জানিয়েছেন, ছবি প্রযোজনা দিয়েই কাজ শুরু করবেন তাঁরা। পাশে রয়েছেন পরিচালক বাবা অনুপ সেনগুপ্ত, ইম্পা-র সদস্য বনির মা পিয়া সেনগুপ্ত। জুলাই মাসে ছবির শ্যুট শুরুর ইচ্ছে তাঁদের। কোনও বড় পরিচালককে দিয়ে কি প্রথম ছবি বানাবেন? অভিনয়ে কোন কোন তারকাদের দেখতে পাওয়া যাবে? নায়কের দাবি, আপাতত সবটাই আলোচনার পর্যায়ে। খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিক ভাবে ছবির নাম ঘোষণা হবে।

নিউজ ট্যাগ: বনি-কৌশানী

আরও খবর



একদিনে সাড়ে ৪ হাজার ভারতীয় ভিসা প্রদান

প্রকাশিত:রবিবার ০১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৪১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে বাড়তি ভিসা আবেদন গ্রহণ ও ভিসা প্রদানের ঘোষণা দিয়ে রেখেছিল ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় ভিসা সেন্টার। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা থেকে গত একদিনে সাড়ে ৪ হাজার ভারতীয় ভিসা দেওয়া হয়েছে। রোববার (১ মে) ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ঈদের আগে ভারতীয় ভিসা প্রত্যাশীদের সুবিধার্থে ছুটির দিনেও গত ৩০ এপ্রিল ভারতের হাইকমিশন শুধুমাত্র ঢাকাতেই প্রায় ৪ হাজার ৫০০টি ভিসা ইস্যু করেছে। এদিন ভিসা ডেলিভারির সুবিধার্থে সারা বাংলাদেশের ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রগুলো (আইভিএসি) বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চালু ছিল।

আজও আইভিএসি খোলা রয়েছে। ভিসা আবেদন গ্রহণ ও পাসপোর্ট ডেলিভারি দেওয়া হচ্ছে। তবে ঈদের জন্য আগামী ২ ও ৩ মে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে।উল্লেখ্য, ঈদ সামনে রেখে ঢাকার ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র ভিসা আবেদন জমা ও পাসপোর্ট ডেলিভারি দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানো হয়।


আরও খবর



তোমায় পর্দায় দেখাতে বাড়তি আলো লাগবে, কটাক্ষের শিকার নওয়াজ

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৭১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বলিউডের একাধিক কুঅভ্যাস নিয়ে বারবারই সরব হয়েছেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে যেমন উঠে এল নতুন অভিনেতাদের সঙ্গে টিনসেলনগরীর দুর্ব্যবহারের কথা। নবীন অভিনেতা হিসেবে নিজেরই চূড়ান্ত হেনস্থা হওয়ার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন গ্যাংস অব ওয়াসিপুর-এর অভিনেতা।

নওয়াজ তখন বলিউডে একেবারেই নতুনদের দলে। প্রযোজক-পরিচালকদের দরজায় দরজায় ঘুরছেন কাজের আশায়। কোথাও শুনতে হচ্ছে, তাঁর চেহারা একেবারেই অভিনেতাসুলভ নয়। সময় নষ্ট করা বৃথা। কোথাও জুটছে গায়ের রং নিয়ে ব্যঙ্গ। এমনই পরিস্থিতির মধ্যে জীবনের সবচেয়ে কঠিন অপমানটাও সহ্য করতে হয়েছিল অভিনেতাকে।

কী শুনতে হয়েছিল সেক্রেড গেমস-এর তারকাকে?

সাক্ষাৎকারে নওয়াজ জানান, সে সময়ে ছোট পর্দায় কাজ খুঁজছিলেন তিনি। সেই সূত্রেই একটি টিভি শো-র নির্মাতাদের সঙ্গে দেখা করতে যান। নির্মাতারা তাঁকে মুখের উপর বলেন, ‘‘তোমায় নিলে তো খরচ বেড়ে যাবে আমাদের। কারণ পর্দায় তোমাদের দেখাতে হলে বাড়তি আলো লাগাতে হবে সেটে!

গায়ের রং নিয়ে এমন চূড়ান্ত অপমান মুখ বুজে সহ্য করে সে দিন ফিরতে হয়েছিল নওয়াজকে। তবু কাজ খোঁজা থামেনি। ছোট পর্দা থেকে বড় পর্দা, সর্বত্রই চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকেন অভিনেতা। পরের বেশ কয়েকটা বছরে কখনও আধ মিনিটের জন্য ছবিতে, কখনও বা এক-দুটো দৃশ্যে মুখ দেখানো লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন অভিনেতা। জেদ ছাড়েননি লাগাতার হেনস্থাতেও।

তার পর ভাগ্যের চাকা ঘুরেছে এক দিন। এক দশকের লড়াই শেষে একের পর এক ছবি-সিরিজে বলিষ্ঠ অভিনয়ে বলিউডে নিজের পাকাপাকি জায়গা তৈরি করেই ছেড়েছেন নওয়াজ। এক সময়ের বাতিল অভিনেতা এখন ছবি, সিরিজ বাছাই করেন নিজের ইচ্ছেয়। কয়েকশো চিত্রনাট্যের ভিড়ে কাজ করেন হয়তো হাতে গোনা কয়েকটিতে। আপাতত হিরোপন্তি ২ ছবিতে খলনায়কের চরিত্রে দেখা যাবে তাঁকে।


আরও খবর