Logo
শিরোনাম

চুমু থেকে ছড়াতে পারে করোনা

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ১০২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
এইচআইভি বা হেপাটাইটিস বি-র মতো রোগ সংক্রমণের কিছুটা সম্ভাবনা থাকে। কাউকে চুমু খাওয়ার সময় দাঁতের কামড়ে ঠোঁট কেটে গেলে সামান্য হলেও সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না। বিশ্বের বিভিন্ন গবেষক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ভাইরাসটিকে নির্মূল করার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে। বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলে প্রতিনিয়ত ভ্যাকসিন প্রদান করা হচ্ছে। তারপরও প্রতিদিন মৃত্যু হচ্ছে অদৃশ্য শক্তিশালী এই ভাইরাসে। তবে এই সময়ের মধ্যে প্রেম থেমে নেই কারো। আর প্রেমে থাকলে তো ভালোবাসার মানুষকে চুমু খাওয়া খুব স্বাভাবিক ব্যাপার।

করোনার এই সময় সঙ্গীকে চুমু খাওয়া কতটুকু নিরাপদ, এ নিয়ে অনেক প্রেমিক যুগলের মনে প্রশ্ন রয়েছে। হালকা চুমু ঠিক আছে। কিন্তু ফ্রেঞ্চ কিস? করোনার এই সময় সচেতন প্রেমিকরা তো এই বিশেষ সময়ও সচেতন। ফ্রেঞ্চ কিস করলে তো জীবাণু প্রবেশ করবে না, করোনা হওয়ার শঙ্কা হবে না- ইত্যাদি ইত্যাদি বিভিন্ন প্রশ্ন জাগে মনে।

সুন্দর এই জিনিসকে অর্থাৎ ফ্রেঞ্চ কিসকে এখন পর্যন্ত বিশ্বের সেরা চুমু হিসেবেই মানা হয়। এই চুমুর সময় একজন অপরজনের মুখের ভেতর ঠোঁট, জিভ গভীরভাবে প্রবেশ করেন। দীর্ঘক্ষণ এভাবে অবস্থান করেন উভয়ই। আর এই মুহূর্তে শরীরে শিহরণ জেগে উঠার সঙ্গে সঙ্গে আবেগেরও সঞ্চার হতে থাকে। গভীরভাবে চুমু আদান-প্রদানের সময় একে অপরের মুখের লালারসও আদান-প্রদান হয়। এ কারণে রোগের আশঙ্কা করা হয়।

চুমুতে শরীর ভালো থাকবে: আপাত দৃষ্টিতে ফ্রেঞ্চ কিস থেকে রোগ সংক্রমণের কোনো ভয় নেই। বরং এতে মন ভালো হয়। তবে ভয়ের ব্যাপার হলো, দুজনের মধ্যে একজন যদি কোনো রোগে সংক্রমিত থাকেন তাহলে একজনের দ্বারা অপরজনের মধ্যে তা অনায়াসে সংক্রমিত হয়। এমনকি মুখের ইনফেকশন তো হয়ই এবং করোনা ছড়ানোরও সম্ভাবনা থাকে ফ্রেঞ্চ কিসের মাধ্যমে।

ফ্রেঞ্চ কিসের মাধ্যমে এইচপিভি (Human Papillomavirus) সংক্রমণও ছড়াতে পারে। তা থেকে এইচআইভি বা হেপাটাইটিস বি-র মতো রোগ সংক্রমণের কিছুটা সম্ভাবনা থাকে। কাউকে চুমু খাওয়ার সময় দাঁতের কামড়ে ঠোঁট কেটে গেলে সামান্য হলেও সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

যাদের ওসিডি (Obsessive Compulsive Disorder) সমস্যা রয়েছে তারা ফ্রেঞ্চ কিসের পর অনেক উদ্বেগে ভোগেন। এছাড়া দুজনের একজনের যদি এই ফ্রেঞ্চ কিসে অনীহা থাকে তাহলে সম্পর্কে কুপ্রভাব পড়ে। কেননা, একজন আরেকজন সঙ্গীর চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হলে সেই সম্পর্ক দীর্ঘায়িত হয় না।

রোগ সংক্রমণের কোনো সম্ভাবনা বা আশঙ্কা না থাকলেও ফ্রেঞ্চ কিসের সময় বেশ কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখা উচিত। এবার তাহলে সেই সকল বিষয়গুলো জেনে নেয়া যাক-

চুমু খাওয়ার আগে মুখের ভেতরের পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সতর্ক থাকুন।

চুমু খাওয়ার সময় মুখ থেকে দুর্গন্ধ বের হলে সম্পর্কের ইতি হতে পারে।

মুখে ইনফেকশন থাকলে চিকিৎসা করান। রোগ সাড়িয়ে তারপরই সঙ্গীকে চুমু দিন।

ফ্রেঞ্চ কিসের আগে এমন কিছু খাবেন না যা থেকে মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে।

চুমু খাওয়ার আগে সুগন্ধি দিয়ে মুখশুদ্ধি করে নিন। সমীক্ষা বলছে চুমুর সময় স্বাভাবিক মুখ থাকলে সঙ্গী স্বস্তি পান।

চুমুর পর কখনোই সঙ্গীর সামনে মুখ ধুবেন না। এতে সে ভাববে আপনি তার প্রতি অস্বস্তি বোধ করছেন।


আরও খবর

যে ৫ খাবার লিভারের চর্বি দূর করে

বৃহস্পতিবার ১৭ জুন ২০২১




চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৫, আক্রান্ত ১৭

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০১ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়ে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে জেলায় ৪১ জনের মৃত্যু হলো। অন্যদিকে ১৭ জন নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৬৮ নমুনা পরীক্ষায় ১৭ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। জেলায় এ পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৮৪৭ জনের দেহে ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এদিকে করোনা পরিস্থিতির আরো অবনতি হওয়ায় জেলায় বিশেষ লকডাউন আরও ৭দিন বাড়ানো হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক মোঃ মঞ্জুরুল হাফিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় এই লকডাউন বাড়ানোর কথা জানানো হয়।

দ্বিতীয় পর্যায়ের ৭দিনের বিশেষ লকডাউনের প্রথমদিনে আজ মঙ্গলবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ৫ উপজেলার সকল অফিস-আদালত, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দোকানপাট, বিপণিবিতান বন্ধ রয়েছে। বন্ধ রয়েছে সকল গণপরিবহন ও রেল চলাচল। তবে আম পরিবহনকারী ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন ও পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

এছাড়া সোনামসজিদ স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে লকডাউনের নীতিমালা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাঁচাবাজার ও ওষুধের দোকানগুলো খোলা রয়েছে। লকডাউন কার্যকরে জেলা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এবং জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তৎপর রয়েছে। লকডাউনের নির্দেশনা অমান্য করার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৫১টি মামলায় ৩৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছে না।


নিউজ ট্যাগ: চাঁপাইনবাবগঞ্জ

আরও খবর



চীনে ভয়াবহ আবহাওয়ার কারনে ২০ জন দৌড়বিদ নিহত

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ৯০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

উত্তর পশ্চিম চীনে ভয়াবহ আবহাওয়ার কারণে অন্তত ২০ জন দৌড়বিদ প্রাণ হারিয়েছেন।

শনিবার ইয়েলো রিভার স্টোন ফরেস্টে ১০০ কিলোমিটার দৌড় প্রতিযোগিতায় আঘাত হানে তীব্র বাতাস আর হিমশীতল বৃষ্টি। ইয়েলো রিভার স্টোন ফরেস্ট চীনের গানসু প্রদেশের একটি পর্যটন কেন্দ্র বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

সিনহুয়া নিউজ এজেন্সি জানায়, ১৭২ জন অংশগ্রহণকারী নিখোঁজ হয়ে গেলে দৌড় স্থগিত করা হয়। রোববার উদ্ধারকারীরা এসব মরদেহ উদ্ধার করে।

পাহাড়ি এলাকায় সারারাত তাপমাত্রা অত্যন্ত নিম্ন থাকায় উদ্ধার কার্যক্রমও খুব কঠিন হয়ে যায় বলে জানায় সিনহুয়া।

ইয়লো রিভার স্টোন ফরেস্ট ৫০ স্কয়ার কিলোমিটারের একটি অসমতল এলাকা যেখানে দর্শনীয় সব পাথরের স্তম্ভ রয়েছে।



আরও খবর



করোনায় মৃত সহস্রাধিকের চিতাভস্ম ভাসানো হলো নদীতে

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৪ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৮ জুন ২০২১ | ৮৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পর পর সারি বেঁধে বসানো রয়েছে অসংখ্য মাটির পাত্র। সবই সাদা কাপড়ে বাঁধা। পাত্রগুলোতে রয়েছে করোনায় মৃত নাম-পরিচয়হীন সহস্রাধিকের চিতাভস্ম। বেঙ্গালুরু শহরের সুমনাহল্লি শ্মশানের চিত্র এটি।

প্রতিটি পাত্রের একটি নম্বর রয়েছে।  পাত্রগুলো কাবেরী নদীর ঘাটে আনা হয় প্রথা মেনে।  ঘাট থেকে ভাসিয়ে দেওয়া হয় অজ্ঞাতপরিচয় এক হাজার ২০০ জনের দেহাবশেষ। খবর আনন্দবাজারের।

ঘটনা বেশ অমানবিকই বটে। করোনা মহামারির ভয় মানুষের মধ্যে এমনভাবে ঢুকে গেছে যে, মানুষ মরদেহ সৎকারের ক্ষেত্রেও বাছবিচার শুরু করতে বাধ্য হয়েছে। করোনার আতঙ্কে বহু পরিবার মৃত স্বজনের চিতাভস্ম পর্যন্ত নিতে রাজি নয়। আবার প্রথা মেনে আচার-অনুষ্ঠান করার সামর্থ্যও নেই অনেকের।

বেঙ্গালুরু টিআর মিলস শ্মশানের কনট্রাক্টর কিরণ কুমার বলেন, একটা পরিবারে দুই-তিনজন করোনায় মারা গেলে বাকি সদস্যরা আর শ্মশানে এসে ছাই সংগ্রহ করেন না।

দীর্ঘদিন ধরে প্রচুর ছাইভর্তি মাটির পাত্র জমেছে শহরের প্রায় সবকটি শ্মশানেই। তাই বাধ্য হয়ে সরকারকেই চিতাভস্ম নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার কাজ করতে হচ্ছে।


আরও খবর



বাড়লো ব্যাংক লেনদেনের সময়

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ১৩৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান বিধিনিষেধ আগামী ৬ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ সময় ব্যাংক আগের মতো সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে। তবে বিধিনিষেধের এই সাত দিন লেনদেন ও ব্যাংক খোলা রাখার সময় আগের চেয়ে ৩০ মিনিট বা আধাঘন্টা বাড়ানো হয়েছে। নতুন সময় অনুযায়ী লেনদেন সকাল ১০টা থেকে তিনটা পর্যন্ত চলবে। এতদিন বেলা ২:৩০টা পর্যন্ত লেনদেন হতো।

রবিবার (৩০ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ব্যাংক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার বিষয়ে ২০২১ সালের ১৩ এপ্রিল নির্দেশনা জারি করা হয়। পরবর্তী সময়ে ২০ ও ২৮ এপ্রিল, ৫ মে এবং ১৬ মে সীমিত পর্যায়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনের সময়সীমা ৩০ মে পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। কিন্তু ৩০ মে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান বিধিনিষেধ আগামী ৬ জুন পর্যন্ত বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে বিধিনিষেধের সময় ব্যাংক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে ৩১ মে থেকে ৬ জুন পর্যন্ত সীমিত পর্যায়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ সময় দৈনিক ব্যাংকিং লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে ৩টা পর্যন্ত। লেনদেন পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখা এবং প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ বিকাল ৪:৩০টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৩ এপ্রিল জারি করা ডিওএস সার্কুলার লেটার নং-১৫ এ প্রদত্ত অন্যান্য নির্দেশাবলী অপরিবর্তিত থাকবে। অর্থাৎ প্রতিটি ব্যাংকের উপজেলা শহরের একটি শাখা খোলা থাকবে বৃহস্পতিবার, রোববার ও মঙ্গলবার। এবং সিটি করপোরেশনের এলাকার দুই কিলোমিটারের মধ্যে একটি শাখা প্রতি কর্মদিবস খোলা রাখতে হবে।

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হলো- সার্কুলারে বলা হয়েছে।


আরও খবর



ফেসবুক নিয়ে মহা বিড়ম্বনায় সানাই

প্রকাশিত:রবিবার ০৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ১১৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সোশ্যাল মিডিয়াতে সরব থাকতে পছন্দ করেন স্তনের আকার বৃদ্ধি করে তুমুল আলোচিত ও সমালোচিত হওয়া অভিনেত্রী সানাই মাহবুব। সেখানে নিজের খোলামেলা ছবি ও ভিডিও পোস্ট করে বহুবার তিনি বিতর্কিত হয়েছে। তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় সানাইকে চেনেন না, এমন মানুষ খুব কমই আছে।

কিন্তু আশ্চর্য হলেও সত্যি যে, সেই সানাইয়ের এখন কোনো ফেসবুকে কোনো আইডি নেই। সামাজিক যোগাযোগের এই মাধ্যমটি নিয়ে তিনি মহা বিড়ম্বনায় পড়েছেন। সেখানে নতুন করে তিনি কোনো আইডি খুলতে পারছেন না। অর্থ ফেসবুকে তার নামেই অসংখ্য ভুয়া আইডি।

সানাই বলেন, এ পর্যন্ত আমি বেশ কয়েকটি ফেসবুক আইডি হারিয়েছি। এখন নতুন করে আমার নামে আর আইডি খুলতে পারছি না। কারণ, আমার নামে নতুন করে কোনো আইডি নিচ্ছে না ফেসবুক। এদিকে অসংখ্য ফেক আইডি আছে আমার নামে। এসব নিয়ে খুব যন্ত্রণায় আছি।

সানাই জানান, তিনি বর্তমানে গ্রামের বাড়ি রংপুরে অবস্থান করছেন। সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ক্লাস নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। বর্তমানে স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ নবম সেমিস্টারে পড়ছেন তিনি। সানাই জানান, ঈদের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ক্লাসের চাপ বেড়েছে। দিনের অধিকাংশ সময় ক্লাস ও পড়া নিয়েই ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে।


নিউজ ট্যাগ: সানাই মাহবুব

আরও খবর