Logo
শিরোনাম

ঝিনাইদহে ঝড়ের তাণ্ডবে প্রায় অর্ধশত ঘরবাড়ি লণ্ডভণ্ড

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ১০৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের আড়মুখী গ্রামে ঝড়ের তাণ্ডবে প্রায় অর্ধশত ঘরবাড়ি লণ্ডভণ্ড হয়েছে। এ সময় নারী-শিশুসহ অন্তত ৩ জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার আড়মুখী গ্রামে এ ঝড় আঘাত হানে।

নলডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কবীর হোসেন জানান, মঙ্গলবার বিকেলে থেকেই হালকা বাতাসের সঙ্গে বৃষ্টিপাত হয়। সন্ধ্যার পর হঠাৎ করেই আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায়। শুরু হয় ঝড়। ১৫ থেকে ২০ সেকেন্ড স্থায়ী এ ঝড়ে আড়মুখী গ্রামের কুটিপাড়া থেকে পশ্চিম পাড়া পর্যন্ত প্রায় ১শ মিটারের মতো ব্যাস ধারণ করে ২ কিলোমিটার লম্বা স্থান ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এতে অর্ধশত কাঁচা-পাকা বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। উপড়ে যায় শতশত গাছপালা। ঝড়ের কবলে পড়ে নারী ও শিশুসহ তিনজন আহত হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত ওই গ্রামের বাবলু শেখ বলেন, হঠাৎ করে ঝড় শুরু হলো। কিছু বোঝার আগেই ১৫ থেকে ২০ সেকেন্ডের মধ্যে গাছপালা উপড়ে গেল। বাড়িঘরে ভেঙে মাটির সঙ্গে মিশে গেছে।

এ ব্যাপারে ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক মজিবর রহমান বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতার জন্য সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও তাদের শুকনা খাবার দেওয়া হচ্ছে।

নিউজ ট্যাগ: ঝড়ের তাণ্ডব

আরও খবর



কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে প্রাইভেট সেক্টরকে এগিয়ে আসতে হবে : অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৪ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ৭৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, দেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে প্রাইভেট সেক্টরকে এগিয়ে আসতে হবে। শুক্রবার (৪ জুন) বিকেলে ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে সরকারের পাশাপাশি প্রাইভেট সেক্টরকে এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের এই বাজেট হচ্ছে ব্যবসাবান্ধব বাজেট। ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করবেন, আর তারা ব্যবসা করা মানেই হচ্ছে দেশে নতুন কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাওয়া। কারণ তারা নতুন নতুন উদ্যোগ নিলে কর্মসংস্থান বাড়বে। আমারা চাই দেশীয় ট্যাগ অর্থাৎ মেড ইন বাংলাদেশ আছে বা যেখানেই সম্ভাবনা আছে সেখানেই আমরা কাজে লাগাবো। আমাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে ব্যবসার জন্য। কারণ আমরা চাই কর্মসংস্থান বাড়াতে।

বৃহস্পতিবার (৩ জুন) বিকেলে ৩টায় জাতীয় সংসদে ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী। প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা।


আরও খবর



বিইআরসির ভুলে ৩০ হাজার কোটি টাকার এলপিজি শিল্প ধ্বংসের মুখে

প্রকাশিত:বুধবার ১৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৪২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) ভুলে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) শিল্পে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের ৩০ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ ধ্বংস হচ্ছে মন্তব্য করেছেন এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) সভাপতি আজম জে চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, এলপিজি হচ্ছে পেট্রোলিয়াম পদার্থ। এ ধরণের পণ্যের দাম বেঁধে দেওয়ার প্রবিধান বিইআরসির নেই। তবুও তারা আদালতের চাপে দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। আমরা ব্যবসায়ীরা তাদেরকে সহায়তা করেছি। কিন্তু দেখা গেলো যখন দাম ঘোষণা হলো, তারা একপেশে একটা দাম ঘোষণা করল। তারা আসলে এই খাতটিকে ধ্বংস করতে চায়।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে লোয়াব আয়োজিত এলপি গ্যাসের মূল্যহার এবং এলপি গ্যাস শিল্প, বাজার ও ভোক্তাসাধারণের ওপর ঘোষিত মূল্যহারে প্রভাব শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন লোয়াবের সভাপতি।

এ সময় বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লিমিটেডের পক্ষে লোয়াবের প্রতিনিধি হিসেবে প্রকৌশলী জাকারিয়া জালাল এবং ওমেরার এলপি গ্যাসের পক্ষে প্রকৌশলী শামসুল হক প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন। বেক্সিমকোর মুনতাসির আলম ও পেট্রোম্যাক্সের নাফিস কামালসহ লোয়াবের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আজম জে চৌধুরী বলেন, আমরা এতো বড় একটা শিল্প গড়ে তুলেছি পাঁচ বছরে। সরকার খুবই সহানভূতিশীল এবং সরকারের উদ্যোগের ফলেই কিন্তু এই শিল্পের প্রসার ঘটেছে। প্রতি বছর ১০ লাখ টনের বেশি এলপিজি আমদানি হচ্ছে। এর সুবিধা সারা বাংলাদেশে মানুষ প্রতিটা ক্ষেত্রেই গ্রহণ করছে। সেটা বন্ধ হতে চলেছে। এখন যদি আমরা সরবরাহ বন্ধ করতে যায় তাহলে সাধারণ ভোক্তা কষ্ট ভোগ করবে। কিন্তু এখন যদি উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য কিছু ঘটে তাহলে সব দায়দায়িত্ব বিইআরসির।

লোয়াবের সভাপতি বলেন, বিইআরসি ঘোষিত মূল্যহার প্রকৃত উত্পাদন ব্যয়ের চেয়েও কম এবং ডিস্ট্রিবিউটর ও রিটেইলারদের যে ব্যয় ধরা হয়েছে তা সরকারি এলপি গ্যাসের তুলনায় অনেক কম। যেমন সরকারি এলপি গ্যাসের ডিস্ট্রিবিউটরের জন্য বিইআরসি নির্দিষ্ট করেছে ৫০ টাকা, অপরদিকে বেসরকারি এলপি গ্যাসের ডিস্ট্রিবিউটরের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে ২৪ টাকা মাত্র। এই অসঙ্গতি ডিস্ট্রিবিউটরদের ক্ষুব্ধ করেছে। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মচারি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘোষিত মূল্যহারে এলপি গ্যাস বিক্রির জন্য হয়রানি শুরু করলে অনেক ডিলার ও রিটেইলার এলপি গ্যাসের ক্রয় বিক্রয় বন্ধ করে দেয়।

আজম জে চৌধুরী আরো বলেন, আমাদের প্রস্তাবের সঙ্গে বিইআরসি ৫-৬টি কস্ট কম্পোনেন্টের ক্ষেত্রে বড় ধরনের গরমিল করায় এই সমস্যা হয়েছে। আশা করা যায়, বিইআরসি মূল্যহার সংশোধনের যে উদ্যোগ নিয়েছেন তাতে তারা এই গরমিল নিরসন করে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নতুন মূল্যহার ঘোষণা করবেন। ঘোষিত মূল্যহারে সৌদি কন্ট্রাক্ট প্রাইস (সিপি) গ্রহণ করার ক্ষেত্রেও ত্রুটি রয়েছে। যে মাসের  জন্য মূল্যহার ঘোষিত হবে সে মাসের মূল্যহার না নিয়ে এক মাস আগেকার মূল্যহার নেওয়ার ফলেও ভুল বোঝাবুঝি হচ্ছে।

সাবসিডির বিষয়ে লোয়াবের সভাপতি বলেন, জ্বালানির প্রত্যেকটি ফর্মেই সাবসিডি আছে, এলএনজি, ডিজেল ও ইলেকট্রিসিটিতেও সাবসিডি আছে। শুধু একমাত্র এলপিজি খাতেই সাবসিডি নেই। সব জ্বালানিতেই যেহেতু সাবসিডি আছে, এখন সরকার যদি মনে করেন ভোক্তা পর্যায়ে কম দামে পৌছে দেওয়ার জন্য এলপিজি খাতে সাবসিডি দেওয়া উচিত, তাহলে উদ্যোগ নিতে পারে। সহজলভ্য করতে হলে অবশ্যই সরকারের সাবসিডি দিতে হবে। বর্তমানে এই খাতের সবাই লস করছি।

প্রকৌশলী জাকারিয়া জালাল বলেন, বর্তমান সরকারের একটি সুচিন্তিত ও ভালো সিদ্ধান্তের ফলে মাত্র ৫ বছরেই এই খাত প্রবৃদ্ধি করেছে। এতো অল্প সময়ের মধ্যে যে পরিবর্তন হয়েছে, তা অন্য কোনো খাতে দেখা যায়নি। আমরা চাই ফিক্সড একটা প্রাইজ হোক, সেটা অবশ্যই যুক্তিস্মত হোক। যেটা ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণ থাকবে এবং ব্যবসায়ীদের স্বার্থও সংরক্ষণ থাকবে। আবার ভোক্তাকে সংরক্ষণ করতে গিয়ে যাতে ব্যবসায়ীদের মেরে ফেলা না হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বর্তমান এলপিজি খাতে মোট ৩০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে, যা জিডিপির প্রায় ৭ শতাংশ। বাংলাদেশে এমন কোনো শিল্প নেই যা পাঁচ বছরে জিডিপির ৬/৭ শতাংশ হয়েছে। এলপিজি ইন্ডাস্ট্রির ফলে আমরা প্রতি বছর ৫০ হাজার কিউবিক মিটার গ্যাস সাশ্রয় করছি। এই ৫০ হাজার কিউবিক মিটার গ্যাস বর্তমানে প্রডাক্টিভ সেক্টরে ব্যবহার হচ্ছে, যা সার বিদ্যুত্ এবং অন্যান্য উৎপাদন খাতে ব্যবহার করা হয়। যেকোনো দেশে এলপিজি সেক্টরের বৃদ্ধি হলে এর পাশাপাশি অন্যান্য শিল্প বৃদ্ধি হয়।

সম্মেলনে আরো জানানো হয়, আমরা যে মূল্যে এলপিজি গ্যাস বিক্রি করেছিলাম তাতে লোকসানে ছিলাম। ২০১৬ সালে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশনের একটি মামলার কারণে বিইআরসি মূল্য নির্ধারণ করা শুরু করে। যখন এলপিজি গ্যাসের বাল্ক প্রাইস ছিল ১৫০০ টাকা, সেই প্রেক্ষাপটে এই মামলা দায়ের করা হয়। বর্তমানে সেই প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। এলপিজি গ্যাসের দাম নির্ধারণ বিষয়ে আমরা বিইআরসির সঙ্গে বারবার কথা বলেছি, তাদের কাছে গিয়েছি। কিন্তু এই বিষয়ে তাদের কোনো দক্ষতা, যোগ্যতা কোনো কিছুই নেই। দুঃখের বিষয় তারা এমন একটি মূল্য নির্ধারণ করেছে, যা বর্তমান বাস্তব মূল্যের চেয়ে অনেক কম।

অটোগ্যাস নিয়ে বলা হয়, অটোগ্যাসের এমআরপি প্রতিমাসে পরিবর্তন করা হলে গ্রাহক পর্যায়ে অসন্তোষ দেখা দেবে। কারণ বাজারে যানবাহনের অন্য যে সকল জ্বালানি- ডিজেল ও সিএনজি রয়েছে তার এমআরপি প্রতিমাসে পরিবর্তিত হয় না। তাই অপারেটর কর্তৃক অনুরোধ করা না হলে অটোগ্যাসের এমআরপি বছরে মাত্র একবার নির্ধারণ করার জন্য বিইআরসিকে অনুরোধ করা হয়েছে। 

নিউজ ট্যাগ: বিইআরসি

আরও খবর



ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাসপাতালে মাথার খুলি ও মগজ বিহীন শিশুর জন্ম!

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৬৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাথার মগজ ও খুলি ছাড়া এক কন্যা শিশুর জন্ম হয়েছে। শিশুটি অনেক অসুস্থ হলেও তার মা সুস্থ আছেন। নাসিরনগর উপজেলার জসিম উদ্দিনের স্ত্রী তানজিনা বেগম এই শিশুটিকে জন্ম দিয়েছেন।

সোমবার (২৪ মে) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে শিশুটি স্বাভাবিকভাবেই জন্ম নেয়।

তানজিনার প্রসব বেদনা উঠলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে গাইনী বিভাগে কোন প্রকার অপারেশন ছাড়াই শিশুটি জন্ম নেয়। শিশুটি জন্ম নেওয়ার পর তার মাথা খুলি ও মগজ ছিল না। বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালের গাইনী বিভাগের চিকিৎসক মাহফিদা আক্তার হ্যাপী।

তিনি জানান, এই শিশুটি মাথার খুলি ও মগজ ছাড়া জন্ম নিয়েছে। এমন জন্ম নেওয়া শিশুদের চিকিৎসা বিজ্ঞানে এনেনসেফালি বলে। এই শিশুরা সচরাচর ২৪ ঘন্টা থেকে ৪৮ ঘন্টা বেঁচে থাকে। আমরা শিশুটিকে ঢাকা শিশু হাসপাতালে রেফার করেছি।

উল্লেখ্য, তানজিনার ৭ মাসের গর্ভাবস্থায় চিকিৎসক তাকে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করে জানিয়েছিলেন জন্ম নিতে যাওয়া শিশুটি শারীরিকভাবে অসুস্থ হবেন এবং তার মাথার খুলি হবে না। কিন্তু চিকিৎসকের সেই কথায় তানজিনার শ্বশুরবাড়ির লোকজন কর্ণপাত করেননি।


নিউজ ট্যাগ: ব্রাহ্মণবাড়িয়া

আরও খবর



প্রবল আকার ধারণ করেছে ‘ইয়াস’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৭৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ইয়াস প্রবল আকার ধারণ করে সমুদ্রে একই এলাকায় অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর। এমন অবস্থায় সমুদ্র বন্দরগুলোর জন্য দুই নম্বর সতর্কতা সংকেত জারি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে আবহাওয়াবিদ একেএম রুহুল কুদ্দুস জানিয়েছেন, গত ছয় ঘণ্টায় ঘূর্ণিঝড়টি নয় কিলোমিটার গতিতে এগিয়েছে এবং এটি আরও শক্তি সঞ্চয় করবে। তবে ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশে আঘাত হানার সম্ভাবনা ক্ষীণ বলে জানান তিনি।

রুহুল কুদ্দুস বলেন, এখনও পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে, এই ঘূর্ণিঝড়ের পুরো গতিপথ ভারতের উড়িষ্যা এবং পশ্চিমবঙ্গের দিকে। উপকূলে আসার পর ভারতের দিকে যাওয়ার পথে বাংলাদেশের খুলনা এবং সাতক্ষীরা উপকূলে কিছু বৃষ্টিপাত হবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিনে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ২৬ মে ভোর নাগাদ উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে পৌঁছাতে পারে।

মঙ্গলবার সকাল ছয়টায় ঘূর্ণিঝড় ইয়াস চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ৫২০ কিলোমিটার, মংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৫১৫ কিলোমিটার এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৪৮০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার। ঝড়ো হাওয়ার আকারে এর গতি ১১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। গভীর নিম্নচাপ থেকে সোমবার ভোরে এটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়।


নিউজ ট্যাগ: ঘূর্ণিঝড় ইয়াস

আরও খবর



চট্টগ্রামে চালবোঝই ট্রাক উল্টে নিহত ৩

প্রকাশিত:শনিবার ২২ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ১৯৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় চালবোঝাই ট্রাক উল্টে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ট্রাকচালক ও সহকারীসহ আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন।

শনিবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনাইছড়ি ইউনিয়নের শীতলপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- আতিকুর রহমান (২৭), শরিফুল ইসলাম (৪৬) ও আবদুল খালেক (৪০)। নিহত তিনজনের বাড়ি নওগাঁর বদলগাছি উপজেলায় বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রংপুর থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামমুখী চালবোঝাই ট্রাক সকালে মহাসড়কের শীতলপুর এলাকা অতিক্রমকালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে উল্টে যায়।

এতে ঘটনাস্থলে ট্রাকের ওপরে থাকা শরিফুল ইসলামের মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনায় আহত মহসিন, সজীব, আলম, নবী হোসেন, আতিকুর রহমান ও বাবুলকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে দুপুরে আতিকুর রহমান ও আবদুল খালেকের মৃত্যু হয়।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের সহকারী উপরিদর্শক (এএসআই) আলাউদ্দিন তালুকদার বলেন, সকালে দুর্ঘটনায় আহত ছয়জনকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে আতিকুর রহমান ও নবীন হোসেনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের মধ্যে মহসিন ও আলমের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার ওসি নজরুল ইসলাম  বলেন, দুর্ঘটনার পর কুমিরা ফায়ার সর্ভিসের কর্মীদের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাকটি মহাসড়ক থেকে সরিয়ে থানায় রাখা হয়েছে।

নিহত তিনজনের লাশ চমেক হাসপাতালে মর্গে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তিনজনের লাশ তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।




আরও খবর