Logo
শিরোনাম

লকডাউনে বিকেলের নাস্তায় কিমা স্যান্ডউইচ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৮০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

লকডাউনে সবাই যখন বাড়িতে বিকেলের নাস্তা নিয়ে চিন্তা? এমন কিছু তৈরি করতে হবে, যা হবে পরিবারের সবার জন্য পুষ্টিকর এবং সুস্বাদু। এমনই একটি চটজলদি রেসিপি চিকেন কিমা স্যান্ডউইচ।

উপকরণ:

মুরগির মাংসের কিমা ২০০ গ্রাম

ছোট সাইজের পেঁয়াজ ২টি(কুচি)

আদা বাটা ১ চা চামচ

মরিচ বাটা ১ চা চামচ

শুকনা মরিচ গুঁড়া ১/২ চা চামচ

হলুদ -সামান্য

সয়াবিন তেল আড়াই চামচ

ধনেপাতা কুচি-১ চা চামচ

মাখন ৮ চা চামচ

পাউরুটি ৮ পিস

লবণ পরিমাণমতো।

প্রণালী

প্রথমে মাখন, পাউরুটি, ধনেপাতা বাদে বাকি সব উপকরণ একটু পানি দিয়ে তেলে ভালো করে কষিয়ে নিতে হবে।

কিমা সেদ্ধ হলে পানিটা কড়াইতেই শুকিয়ে নেবেন।

পানি শুকিয়ে এলে ধনে পাতা মিশিয়ে দিন। এবার এটা ঠাণ্ডা করুন। পাউরুটির ওপরে মাখন লাগান।

একটার ওপরে পুর দিয়ে আরেকটি পাউরুটির স্লাইস চাপা দিন।

পুর দেওয়া হলে ছুরি দিয়ে তিনকোনা করে কেটে নিন। পাউরুটির চারপাশের শক্ত অংশ ফেলে দিতে হবে। চাইলে সঙ্গে শসা কুচি দিতে পারেন। এবার স্যান্ডউইচ মেকারে, কিছুক্ষণের জন্য বেক করে পরিবেশন করুন।

নিউজ ট্যাগ: কিমা স্যান্ডউইচ

আরও খবর

গাজরের মালাই পাটিসাপ্টা

রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১

মেজবানি মাংস রান্না করবেন যেভাবে

বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১




তীব্র যানজটে নাকাল মানুষ

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে মহাসড়কে পরিবহনের চাপ বেড়েছে। এছাড়া দফায় দফায় বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায় বন্ধ ও সিরাজগঞ্জ অংশে পরিবহন চলাচলে বাধার কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব মহাসড়কে ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজটের। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রী সাধারণ।

রবিবার ভোর থেকে মহাসড়কের রাবনা বাইপাস, বিক্রমহাটি, রসুলপুর, পৌলি ও এলেঙ্গা, সল্লা, জোকারচর ও বঙ্গবন্ধু সেতু এলাকায় তীব্র যানজট দেখা গেছে। তবে মাঝে মাঝে ঢাকামুখী লেনে গাড়ি চললেও উত্তরবঙ্গমুখী লেনে গাড়ি আটকে রয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকামুখী গরুবাহী ট্রাকের চাপ বাড়ছে। এতে করে দীর্ঘমেয়াদি যানজটের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। যানজটের ফলে চালক ও ঘরমুখো যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তবে সকাল থেকে যাত্রীবাহী বাসের থেকে ট্রাকের সংখ্যা বেশি দেখা গেছে।

এছাড়া বঙ্গবন্ধু সেতুর দুই পাড়ের মহাসড়কে গাড়ির চাপ ও যানজটের কারণে দফায় দফায় সেতুতে টোল আদায় বন্ধ রাখছে সেতু কর্তৃপক্ষ।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়াসির আরাফাত বলেন, লকডাউন শিথিল ও আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে মহাসড়কে পরিবহনের চাপ বেড়েছে। 


আরও খবর



সবচেয়ে বেশিবার দেখা এই ছবি!

প্রকাশিত:শনিবার ২৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৮৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সবুজ ঢেউ খেলানো ঘাস। উপরে নীল আকাশ। তাতে দুধ সাদার মতো মেঘ। উইন্ডোজ এক্সপি (Windows XP) ব্যবহার করেছেন যারা তাদের কাছে ছবিটি অতীত স্মৃতি। উইন্ডোজ এক্সপিতে ব্লিস নামের এই ওয়ালপেপার ডিফল্ট ছিল। আর এই ছবিকেই বিশ্বের সবচেয়ে বেশিবার দেখা ছবি মনে করা হয়।

১৯৯৬ সালে ছবিটি তুলেছিলেন মার্কিন ফটোগ্রাফার চার্লস ওরিয়ার। এটি তোলা হয়েছিল ক্যালিফোর্নিয়ার ন্যাপা ও সোনোমা এলাকায়। গাড়িতে যাওয়ার সময় দৃশ্যটি দেখে খুবই ভালো লেগে যায়। আর তখনই কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই ক্যামেরাবন্দি করেন দৃশ্যটি। ছবিটি তোলা হয় v Mamiya RZ 67 ফিল্ম ক্যামেরায়। ছবিটিতে ফটোশপ করা হয়নি।

চার্লস এরপর ছবিটি স্টক ফটো এজেন্সি ওয়েস্টলাইট-এর কাছে জমা দেন। ১৯৯৮ সালে ছবিটি চোখে পড়ে মাইক্রোসফটের কর্ণধার বিল গেটসের। আর তিনি ১ লক্ষ মার্কিন ডলারে ছবিটির স্বত্ব কিনে নেন। তবে প্রকৃত অর্থে কত টাকা লেনদেন হয়েছিল তা কখনোই জানায়নি চার্লস ও মাইক্রোসফট।

ধীরে ধীরে ফটোগ্রাফার হিসেবে খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে চার্লস ও'রিয়ারের। তারপর বড় বড় খ্যাতিমান সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে কাজ করতে থাকেন তিনি।


অন্যদিকে অপর একটি ছবিও মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ এক্সপি-তে ওয়ালপেপারের অপশনে থাকত। তা হচ্ছে Autumn. ছবিটি তুলেছিলেন ফটোগ্রাফার পিটার বুরিয়ান। একটি ফটোগ্রাফি ম্যাগাজিনের হয়ে একটি লেন্সের পরীক্ষা করার সময় তুলেছিলেন তিনি। এরপর ছবিটি মাইক্রোসফটের ফটোগ্রাফ কেনা-বেচার ওয়েবসাইট করবিস-এ পাঠিয়ে দেন। ছবিটি মাইক্রোসফট মাত্র ৩০০ ডলারের বিনিময়ে কিনে নেয়।

পিটার একদমই জানতেন না কোন কারণে ছবিটি কিনে নেয় মাইক্রোসফট। পরে যখন জানতে পারেন বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটারে তার ছবিটি ডিফল্ট হিসেবে থাকবে তখন আকাশ থেকে পড়েন তিনি। কেননা, এত কম দামে ছবি বিক্রি করায় অনেকটা আফসোসও করেন। বলেন, কিছু না ভেবেই তুলেছিলাম ছবিটি। কিন্তু এই ছবিই যে কোটি কোটি মানুষ দেখবে তা কী করে জানব!


আরও খবর

গাজরের মালাই পাটিসাপ্টা

রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১

মেজবানি মাংস রান্না করবেন যেভাবে

বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১




সরকারি চাকরির বয়সে ছাড় আসছে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৯ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ১৪১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
যে সময়টা তাদের ক্ষতি হয়েছে, যখন যে সময় বিজ্ঞপ্তি হওয়ার কথা ছিল, আগের সময় ধরেই পরবর্তীকালে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। এতে বয়সে ছাড় পাবেন প্রার্থীরা

করোনা সংক্রমণের কারণে মানুষের চলাচলে বিধিনিষেধ বা লকডাউনে সরকারি চাকরির পরীক্ষাগুলো নিতে না পারায় এ বছরও চাকরিপ্রার্থীদের বয়সে ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। 

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন, যে সময় থেকে চাকরির বিজ্ঞপ্তিগুলো হওয়ার কথা কিংবা পরীক্ষা নেওয়ার কথা সেই সময় থেকে কয়েক মাস বয়সে ছাড় পাবেন চাকরিপ্রার্থীরা।

করোনা মহামারির কারণে গত ৫ এপ্রিল থেকে লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। তা পর্যায়ক্রমে আরও কঠোর হয়ে ৭ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। সংক্রমণের ঊধ্বগতির পরিস্থিতির কারণে সরকারি চাকরির বিজ্ঞপ্তিগুলো আটকে আছে, কিছু পরীক্ষাও নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় দেশে বেকারের সংখ্যা বাড়ছে। অন্যদিকে সরকারি চাকরিতে শূন্যপদ তিন লাখের বেশি। 

কিন্তু করোনা মহামারির কারণে চাকরির বিজ্ঞপ্তিগুলোও তেমন প্রকাশ করতে পারছে না সরকার। আর নির্ধারিত কিছু পরীক্ষা স্থগিত রয়েছে। অন্যদিকে সাধারণ চাকরিপ্রার্থীদেরও নির্ধারিত ৩০ বছর বয়স অতিক্রম করছে। 

তবে বিষয়টি সরকারের নজরে আছে বলে জানিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, করোনায় বিধিনিষেধের কারণে চাকরিপ্রার্থীরা বয়সের দিক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে বয়সটা যাতে ছাড় দেওয়া হয় সেই পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যে সময়টা তাদের ক্ষতি হয়েছে, যখন যে সময় বিজ্ঞপ্তি হওয়ার কথা ছিল, আগের সময় ধরেই পরবর্তীকালে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। এতে বয়সে ছাড় পাবেন প্রার্থীরা।

মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে চাকরিপ্রার্থীদের বয়সে ছাড় দিয়ে বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। 

গত বছর করোনা মাহামারিত সাধারণ ছুটির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত চাকরিপ্রার্থীদের বয়সের ছাড় দেয় সরকার। ওই বছর ২৫ মার্চ যাদের বয়স ৩০ বছর পূর্ণ হয়েছিল তাদের পরবর্তী পাঁচ মাস পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে আবেদনের সুযোগ দিয়ে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে নির্দেশনা দেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।


আরও খবর



ওবায়দুল কাদেরসহ ৩ জনকে ‘মেরে ফেলার হুমকি’ কাদের মির্জার

প্রকাশিত:শনিবার ২৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ জুলাই 20২১ | ১০০জন দেখেছেন
Image
কি কোরবেন আমাকে জেল দিবেন। দেন, অভ্যাস আছে। আমনেও রেডি অন,সময় মত যাইবেন। আমনে আমারে ঢুকাবেন, আমনে বুঝি বাঁচি যাইবেন। আরে মারি আলাইবেন। আমি রেডি করি যাবু। কারে রেডি করি যাবু বলতে পারবোনা। সেগুলোর পারিবারিক দায়িত্ব নিয়ের বলি দিছি। তিন জনের নাম বলেছি। আমাকে মারলে, তিনজনকে মেরে ফেলবি। আপনে,আপনার বউ আর একরাম। তিনটা মারি ফেলবি

নোয়াখালী প্রতিনিধি

বাংলাদেশ আলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা বলেছেন,ঘরের শক্রু বিভীষণ। আজকে ঘরের শক্র আমাকে শেষ করে দিচ্ছে। ওবায়দুল কাদের সাহেব আজকে আমার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। কি জন্য নিয়েছে, সেটাও খুঁজে পেয়েছি। আমি ওনার এবং ওনার স্ত্রীর অপরাজনীতির বিরুদ্ধে কথা বলেছি। ওবায়দুল কাদের সাহেবের কথাগুলো বলব। এতো ন্যাক্কারজনক, এতো ছোট মানসিকতা সম্পন্ন ব্যক্তি, আমার পরিবারে আমার আত্নীয় স্বজন ইতিমধ্যে সবাইকে অর্থ দিয়ে মন্ত্রীত্বের প্রভাব খাটিয়ে আমার বিপক্ষে নিয়েছে।

শনিবার (২৬ জুন) দুপুর ১২টায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র বলেন, আপনি যেমন বাহিরের কারে কারো সহযোগিতায় এখানে রাজনীতি করেন। আমরাও পিঁছিয়ে নেই। স্পষ্ট ভাষায় বলে দিচ্ছি। চোখ রাঙাবেননা, মুখ সামলান, যা ইচ্ছা তা করবেন হোতে পারেনা। একরামকে নিজামকে কে নোয়াখালী ফেনীর রাজনীতিতে পুনর্বাসন করেছে। আমার নানা কি শান্তি কমিটির প্রধান ছিল? আমার আব্বা কি রাজাকার ছিল। আপনি ডোন মাইন্ড ফ্যামিলির ছেলে। আপনি মেনে নিতে পারেন। আমি মেনে নিতে পারিনা। আমি যদি বেঁচে থাকি এর প্রতিশোধ আমি নেব। আপনি পারবেননা। একরাম আজকে বলে আমি ওবায়দুল কাদেরকে মাসোহারা দি। নিশ্চয় কোথাও আপনার দুর্বলতা আছে।

কাদের মির্জা বলেন, কি কোরবেন আমাকে জেল দিবেন। দেন, অভ্যাস আছে। আমনেও রেডি অন,সময় মত যাইবেন। আমনে আমারে ঢুকাবেন, আমনে বুঝি বাঁচি যাইবেন। আরে মারি আলাইবেন। আমি রেডি করি যাবু। কারে রেডি করি যাবু বলতে পারবোনা। সেগুলোর পারিবারিক দায়িত্ব নিয়ের বলি দিছি। তিন জনের নাম বলেছি। আমাকে মারলে, তিনজনকে মেরে ফেলবি। আপনে,আপনার বউ আর একরাম। তিনটা মারি ফেলবি। জেলে দেক, আমাদেরকে হত্যা করবে বলে হুমকি দিছে বলে আর বিরুদ্ধে মামলা করুক, কোরবে জানি। আমারে করলে কইছি। আমার বিরুদ্ধে অস্ত্র যখন গত পরশু দিন ধরা পড়ল। ট্রলারসহ আসছে মাল। র‌্যাব যদি সেখানে না যেত তাহলে হয়তো আজকে আমার জীবন বিপন্ন হত।

তিনি আরও বলেন, সাতবার আমাকে মারার পরিকল্পনা করছে। আপনার কাছে কোন বিচার পায় নাই। আমি প্রশাসনকে বলছি তারা টাকা পয়সা খাই সরে গেছে। এটাতো আমি বুঝি আপনি আমাকে মারতে চান। আপনার স্ত্রীকে এখানে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য,এটা স্পষ্ট। আমনে মারি পালাইলে মারি পালান। আমি আপনার স্ত্রীর ভোট করতে পারবনা। আমিও আর কখনো ভোটেও দাঁড়াবো না। আমি কোন ভোটে দল থেকে নমিনেশন চাইলে জিহ্বা কেটে দিবেন। ওবায়দুল কাদের সাহেব ৬-৭ জন ছাড়া এরাকি আমার বিরুদ্ধে যায়। সব আপনি নিছেন। আমার কাছে প্রমাণ আছে। আমি একটা একটা করে প্রমাণ করে দেব। না করতে পারলে হিজরত করুম। আমি আপনার বিরুদ্ধে এমনে বলতেছিনা। ভাই ভাইয়ের বিরুদ্ধে কখন বলে। যখন দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায়। তখন বলে, এর আগে বলার সুযোগ থাকেনা। আপনাকে অন্তর থেকে শ্রদ্ধা করার যোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছেন। আপনার স্ত্রীর কারণে। কোথায় যান দেখবেন। এখানে মওদুদের শোকসভা বন্ধ করেদি,আপনার শোকসভায় কত লোক আসবেনা, এটা দেখবেন। আপনিতো মারা গেলে দেখবেননা। আপনার স্ত্রী ও আপনার লোকজন দেখবে।


আরও খবর



বিএনপি নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে অপচেষ্টা চালাচ্ছে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৯ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ১১০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি নিজেদের ব্যর্থতা এবং জনবিচ্ছিন্নতা আড়াল করতে নির্বাচন ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

রাজধানীর সংসদ ভবন এলাকায় তাঁর সরকারি বাসভবনে আজ মঙ্গলবার সকালে ব্রিফিংকালে একথা বলেন সেতুমন্ত্রী।

আওয়ামী লীগ একচ্ছত্র শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য রাষ্ট্রকাঠামো পরিবর্তন করে দিচ্ছে- বিএনপির নেতাদের এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, এটা একেবারেই কল্পিত, মনগড়া ও মুখরোচক। এর সঙ্গে বাস্তবতার কোনো সম্পর্ক নেই। বিএনপি প্রতিদিন সরকারের বিরুদ্ধে কিছু না কিছু বলতেই হবে, এটি সেই ধারাবাহিকতারই অংশ। রাষ্ট্র এবং সরকার চলে সুনির্দিষ্ট সাংবিধানিক কাঠামো ও বিধিবিধানের আওতায়।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, বিএনপি মুখে রাষ্ট্রকাঠামো কিংবা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার কথা বললেও নিজেরাই নির্বাচন থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। বিএনপি যদি নির্বাচনে না থাকে তাহলে গণতন্ত্র কিভাবে অর্থবহ হবে? উল্টো তারা গণতন্ত্রকে দুর্বল করতে নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। শক্তিশালী রাষ্ট্রকাঠামোর প্রতি বিএনপির কমিটমেন্ট থাকলে তারা সরকারের বিরুদ্ধাচারণ করতে গিয়ে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধাচারণ করত না।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, একদিকে রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্ট এবং দেশ-বিদেশে রাষ্ট্রবিরোধী অপপ্রচার অব্যাহত রাখা, অন্যদিকে রাষ্ট্র কাঠামোর শক্তিশালীকরণের কথা বলা বিএনপির দ্বিচারিতা ছাড়া কিছু নয়।


আরও খবর