Logo
শিরোনাম

মায়ের বুকের দুধে শিশুর যত উপকারিতা

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ডেলিভারি বা সিজারের পর বাচ্চাকে নিয়ে মায়েরা একটা স্বাভাবিক সমস্যা থাকে, যে বাচ্চা দুধ পাচ্ছে না। এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্ত্রী রোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ ডা. দীনা লায়লা হোসেন।

বাচ্চা জন্মের পর সাধারণত যে মেইন মিল্ক লেট ডাউন হয়, সেটা হচ্ছে বাচ্চার জন্মের তিনদিন পর। তাহলে প্রথম দিন এবং দ্বিতীয় দিন যে শাল দুধ পাওয়া যায় মায়ের, সেটাই বাচ্চার জন্য উপকারী। বাচ্চার যেটুকু পুষ্টির দরকার, এই শাল দুধ থেকে সে পরিমাণ পুষ্টি পাওয়া যায়। সুতরাং বাচ্চার জন্মের প্রথম দুই দিন সেই শাল দুধটাই বাচ্চাকে দিতে হবে।

শাল দুধটা পরিমাণে কম থাকে, তবে এটা ধবধবে সাদা থাকে না। সেজন্য মায়েরা একটু বিভ্রান্ত হন। এই দুধ বাচ্চার জন্য কতটা উপকারী হবে, বাচ্চার পেট ভরবে কিনা, এসব ব্যাপারে।

শিশু মায়ের গর্ভে যে সুন্দর পরিবেশে ছিল, সেই সুন্দর পরিবেশ থেকে যখন দুনিয়াতে আসে, তখন দুনিয়ার এইসব ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া সব কিছুর বিরুদ্ধে শিশুর শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে, মায়ের বুকের এই শাল দুধ।

তারপর বাচ্চার ইলেকট্রোলাইট দরকার হয়, পানির দরকার হয়, এসব কিছুই শাল দুধ থেকে পাওয়া যায়। এছাড়া বাচ্চার যে পরিমাণ গ্লুকোজ দরকার প্রোটিন দরকার সেটাও শাল দুধে থাকে।

সুতরাং দুধ আসছে না বলে যে সকল মায়েরা অস্থির হয়ে যায়, যে সকল মায়েরা নতুন মা হন তারা তো আসলে বুঝেন না। এক্ষেত্রে পরিবারের আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে যারা বয়স্ক আছেন কিংবা যারা এই সময়টা পার করে এসেছেন তারা নতুন মায়েদের কাউন্সেলিং করবেন। তারা নতুন মায়েদের বোঝাবেন যে, প্রথমে যে দুধ আসে সেটাই বাচ্চার জন্য দরকার, এখান থেকেই বাচ্চা সব ধরনের পুষ্টি পাবে।

কারণ বাচ্চা এখন মাত্র দুনিয়াতে এসেছে, সে যে এখনই খুব বেশি খাবে তা তো নয়। এই বাচ্চার জন্য যতটুকু খাবার দরকার ততটুকু খাবারই আল্লাহ মায়ের কাছে দিয়েছেন। আল্লাহ যদি এর থেকে বেশি দিত এবং সেটা যদি বাচ্চা না খেত, তখন দেখা যেত যে মায়ের বুকে ব্যথা হতো, মায়ের কষ্ট হতো। সুতরাং বাচ্চার জন্মের প্রথম দুইদিন যতটুকু দুধ প্রয়োজন, ততটুকু দুধই বাচ্চার জন্য আসে। এটাই বাচ্চাকে খাওয়াতে হবে। এটা খাওয়ার পরে বাচ্চার যে পুষ্টির প্রয়োজন, তার সবটুকু পূরণ হয়।

তবে কিছু আছে এর থেকে আলাদা। এক্ষেত্রে যেসব মায়েদের আনকন্ট্রোলড ডায়াবেটিস থাকে, বাচ্চা অনেক বড় থাকে, সেক্ষেত্রে হয়তোবা আরেকটু বেশি পুষ্টির প্রয়োজন হতে পারে। সেক্ষেত্রে বাচ্চার ওজনের উপর ভিত্তি করে, বাচ্চার বাড়তি খাবারের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু সেটা শতকরা খুব কমই হয়ে থাকে। যদি দরকার হয় সেক্ষেত্রে ডাক্তাররা পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সাধারণত ডেলিভারির পর প্রথম দুই দিন যে শাল দুধ মায়ের থেকে পাওয়া যায় সেটাই বাচ্চার খাবার হিসেবে যথেষ্ট।

মায়ের দুধ পানের সময় বাচ্চা মায়ের নিপল বা বোটা চুষলে মায়ের শরীরে এক ধরণের সুখানুভূতি সৃষ্টি হয়। বাচ্চার এ স্টিমুলেশন বা সুখানুভূতি মায়ের মস্তিষ্কে যায়। ফলে মায়ের শরীর থেকে এক ধরনের হরমোন তৈরি হয়। যার নাম প্রোল্যাকটিন। প্রোল্যাকটিনের কাজ হলো মায়ের বুকে দুধ তৈরি করা। বাচ্চা যত বুকের দুধ টানবে তত মায়ের সুখানুভূতি তৈরি হবে, তত প্রোল্যাকটিন উৎপাদন হবে। ফলে মায়ের বুকের দুধের পরিমাণ বাড়বে।

বাচ্চা কান্নাকাটি করলে অনেকে মনে করেন বাচ্চা দুধ ঠিকমতো পাচ্ছে না। তখন বাচ্চাকে মায়ের দুধ না দিয়ে কৌটার দুধ দেন। মায়ের বুকের দুধ টেনে খেতে বাচ্চার কিন্তু কিছুটা পরিশ্রম করতে হয়। এতে বাচ্চার ভালো হয়। তার মাঢ়ি, চোয়াল গঠিত হয়। কৌটার দুধ দিলে বাচ্চার কষ্ট করতে হয় না। তাই সে এক সময় মায়ের দুধ টেনে খাওয়া বন্ধ করে দেয়। বাচ্চা না দুধ টানলে মায়ের সুখানুভূতি হয় না এবং হরমোন তৈরি হয় না। ফলে মায়ের বুকের দুধ উৎপাদন কমে যায়।

আরেকটা জিনিস আমার যেটা মনে হয় যে, মাকে খুব অস্থির করে রাখা হয়, বাচ্চাকে দুধ খাওয়াচ্ছে না, না খেতে পারলে বাচ্চার কি হবে, তখন নতুন মায়েরা খুব প্যানিক হয়ে যায়। এই জিনিসটা কিন্তু সম্পূর্ণ একটা সার্কেল বা রিদমের ব্যাপার।

বাচ্চা যখন মায়ের বুকে সাক করবে, সেখান থেকে রিফ্লেক্স যাবে ব্রেইনে, ব্রেইন থেকে হরমোন আসবে, দুধ তৈরি হবে এবং নিপল এর মাধ্যমে বাচ্চার কাছে যাবে। যখনই সেখানে হরমোন, নার্ভাল সিস্টেম সবকিছু ইনভলভ থাকে, তখন কিন্তু একটা মাকে পরিবারের সদস্যরা সাপোর্ট দিয়ে স্ট্রেস-ফ্রি রাখতে হবে। মাকে কোন স্ট্রেসের মধ্য দিয়ে যেতে দেয়া যাবে না।

এমনিতেই সে নতুন মা হয়েছে, জীবনের একটা নতুন পর্বে প্রবেশ করেছে। সবকিছুতে তার মানিয়ে নিতে অসুবিধা হবে। তার মধ্যে পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজনরা যদি তাকে স্ট্রেস দিতে থাকে, তখন এই স্ট্রেসফুল কন্ডিশন নতুন মাকে অনেকখানি বাধা দেয়। এটা লাক্টেশন ফেইলিওরের অনেকখানি কারণ।

মায়েদের সাহস দিতে হবে এসময়। মা কে বোঝাতে হবে যে এই বিষয়গুলো স্বাভাবিক। যদি অস্বাভাবিক কিছু হয় তাহলে আমরা ডাক্তার, নার্স তাদের হেল্প নিয়ে ইনশাআল্লাহ এ বিষয়গুলো মোকাবেলা করা সম্ভব।



আরও খবর

আজকের ভালো মন্দ

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

প্রথম প্রেম দিবস আজ

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১




২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে আরও ২৭৬ ডেঙ্গু রোগী

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৯৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৭৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে ঢাকায় ২৪৩ জন ও ঢাকার বাইরের হাসপাতালে ৩৩ জন ভর্তি হন।

এ নিয়ে সারাদেশের হাসপাতালে ভর্তি মোট ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ১৪৬ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার হাসপাতালে এক হাজার ৫৯ জন ও ঢাকার বাইরে ৮৭ জন ভর্তি রয়েছেন। এদিকে চলতি মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি রোগীর সংখ্যা আট হাজার ৩১৭ জন।

সোমবার (২৩ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ভর্তি ২৭৬ জনের ঢাকার সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত হাসপাতালে ৮০ জন এবং বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ১৬৩ জন রয়েছেন। এছাড়া ঢাকার বাইরে বিভিন্ন বিভাগে ৮৭ জন ভর্তি হন।

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে সোমবার (২৩ আগস্ট) পর্যন্ত রাজধানীসহ সারাদেশে সর্বমোট আট হাজার ৩৬১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন সাত হাজার ১৩৪ জন।

চলতি বছর জানুয়ারিতে ৩২ জন, ফেব্রুয়ারিতে নয়জন, মার্চে ১৩ জন, এপ্রিলে তিনজন, মেতে ৪৩ জন, জুনে ২৭২ জন, জুলাইয়ে দুই হাজার ২৮৬ জন এবং চলতি মাসে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত পাঁচ হাজার ৬৫৯ জন রোগী ভর্তি হন। মোট ভর্তি রোগীদের মধ্যে ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ১২ জন জুলাইয়ে ও আগস্টের ২৩ দিনে ২৫ জন মারা যান।


আরও খবর

ডেঙ্গুতে হাসপাতালে আরও ২৩২ রোগী

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

করোনায় আরও ৩৫ জনের মৃত্যু

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১




১৭ অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে খুলছে বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৬ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১২৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এর আগে টিকা সংক্রান্ত তথ্য সব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছক আকারে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) পাঠাতে হবে। যে বিশ্ববিদ্যালয় শতভাগ টিকার আওতায় আসবে, সে বিশ্ববিদ্যালয় হলসহ সব কার্যক্রম শুরু করতে পারবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ টেকনিক্যাল কমিটির সঙ্গে বৈঠক হয়। সেখানে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

তবে এর আগে বৈঠকে ১৫ অক্টোবর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় খোলার কথা জানানো হয়। কিন্তু পরে এদিন শুক্রবার হওয়ায় সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ১৭ অক্টোবর (রবিবার) করা হয়।

বৈঠকে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের (ভিসি) আলোচনা শেষে ইউজিসি চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয় খোলার বিষয়ে জানতে চান শিক্ষামন্ত্রীর কাছে।

এ সময় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে বিশ্ববিদ্যালয় খোলা যেতে পারে। তার আগে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কতজন শিক্ষক-শিক্ষার্থী টিকা নিয়েছেন তার তথ্য ছক আকারে ইউজিসিতে পাঠাতে হবে। তার মধ্যে কতজন টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন, আর কতজন এক ডোজ নিয়েছেন, আবাসিক হলের কতজন শিক্ষার্থী টিকার আওতায় এসেছে এ সংক্রান্ত তথ্য ইউজিসিতে পাঠাতে হবে।

বৈঠকে আরও বলা হয়, যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) আছে, কিন্তু টিকা পাননি তাদের তথ্য পাঠাতে। আর যাদের এনআইডি নেই তাদেরও তথ্য পাঠাতে বলা হয়। গণটিকা চালুর আগে তাদের এনআইডি করে দ্রুত সময়ে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এটা না হলে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

দীপু মনি বলেন, তথ্য বিবেচনা করে সন্তোষজনক হলে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার অনুমোদন দিতে পারবে ইউজিসি। তবে যাদের টিকা কার্যক্রম শেষ হবে না তাদের বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেন তিনি।

এদিকে একই বৈঠকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আবারও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। এই ছুটি বাড়ানো হয় ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।



আরও খবর

৫ অক্টোবর খুলছে ঢাবির হল

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

অষ্টম ও নবম শ্রেণির ক্লাসও সপ্তাহে দুই দিন

বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১




অতিরিক্ত সচিব হলেন ৯২ কর্মকর্তা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১০৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

প্রশাসনে ৯২ জন যুগ্মসচিবকে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) ৮৯ জনের পদোন্নতির আদেশ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। লিয়েন ও শিক্ষাছুটিতে থাকা বাকি তিনজন ফিরলে তাদের পদোন্নতির আদেশ জারি করা হবে।

অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে ৮৭ কর্মকর্তাকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। তবে তাদের পদায়ন করা হয়নি। বাকি দুজন বিদেশে মিশনে কর্মরত আছেন।

পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রশাসনে অতিরিক্ত সচিবের সংখ্যা হলো ৫০৮ জন। যদিও অতিরিক্ত সচিবের স্থায়ী পদের সংখ্যা ১৩০টি।

অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের যোগদানপত্র ই-মেইলে ([email protected]) পাঠাতে হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে, অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দিতে ১৩তম ব্যাচকে মূল ব্যাচ হিসেবে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে এর আগের ব্যাচগুলোর বঞ্চিতরাও অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।

নিয়মিত পদ না থাকায় পদোন্নতিপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিবদের বেশিরভাগকেই পদোন্নতির আগে যেখানে ছিলেন, সেই কর্মস্থলেই থাকবেন অর্থাৎ ইনসিটু রাখা হবে।

সাড়ে তিন শতাধিক কর্মকর্তা অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতির যোগ্য হলেও ৯২ জনকে পদোন্নতি দেওয়ায় অনেকেই বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

সরকারের উপসচিব, যুগ্মসচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি বিধিমালা, ২০০২-এ বলা হয়েছে, অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ও ৩০ শতাংশ অন্যান্য ক্যাডারের যুগ্মসচিব পদে কর্মরতদের বিবেচনায় নিতে হবে।

বিধিমালা অনুযায়ী, মূল্যায়ন নম্বরের অন্তত ৮৫ নম্বর পেতে হবে। যুগ্মসচিব পদে কমপক্ষে তিন বছর চাকরিসহ ২০ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা বা যুগ্মসচিব পদে কমপক্ষে দুই বছরের চাকরিসহ ২২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হন।

সর্বশেষ গত বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর ৯৮ জন যুগ্মসচিবকে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।


আরও খবর

অভিভাবকরা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১




সূচকের ইতিহাসে নতুন মাইল ফলক

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ব্যাংক, বিমা এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ প্রায় সব খাতের শেয়ারের দাম বাড়ায় সূচকের তেজিভাবের মধ্যদিয়ে শুরু হয়েছে সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রবিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দেশের পুঁজিবাজারের লেনদেন।

ফলে লেনদেনের প্রথম ৫ মিনিটে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক আগের দিনের চেয়ে ৫৪ পয়েন্ট বেড়ে ৭ হাজার ৩৫ পয়েন্ট অতিক্রম করেছে। যা সূচকটির ইতিহাসে নতুন মাইল ফলক।

শুধু তাই নয়, ডিএসইর ইতিহাসে সাড়ে ১১ বছরের মধ্যে এ প্রথম সূচক সাত হাজার পয়েন্ট অতিক্রম করলো।

এর আগে ২০১০ সালের মহাধসের পর ২০১১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ডিএসইর তৎকালীন প্রধান সূচক ছিল ৭ হাজার ১২৫ পয়েন্টে ছিল। এরপর পুরাতন সূচকটি পুনগঠন করে ২০১৪ সালের ২৯ জানুয়ারিতে প্রধান সূচকের হিসেবে চালু করা হয় ডিএসইএক্স সূচকটি।

ডিএসই তথ্য মতে, বৃহস্পতিবারে মতোই রবিবার লেনদেন শুরু হয় সূচকের উত্থানের মধ্যদিয়ে। আর তাতে লেনদেনের প্রথম ১৫ মিনিটে ডিএসইর প্রধান সূচক আগের দিনের চেয়ে ৬৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৭ হাজার ৪৬ পয়েন্টে। ডিএসইর অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইএস ১৩ পয়েন্ট এবং ডিএস-৩০ সূচক আগের দিনের চেয়ে ২০ পয়েন্ট বেড়েছে।


আরও খবর

সূচকের বড় উত্থানে নতুন রেকর্ড

বুধবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১




পরীমণির রিমান্ড: তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০২ সেপ্টেম্বর 2০২1 | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১০৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঢাকাই ছবির নায়িকা পরীমনির দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফা রিমান্ডের যৌক্তিকতা নিয়ে নিম্ন আদালতের দুই বিচারকের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে দুই তদন্ত কর্মকর্তাকে (কেসডকেট সিডিসহ) সশরীরে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

রিমান্ড মঞ্জুরকারী ঢাকার সংশ্লিষ্ট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের কি উপাদানের ভিত্তিতে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন এর ব্যাখ্যা  জানাতে বলা হয়েছে। এর জবাব সন্তোষজনক না হলে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটদের আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হবে।

এদিন আদালতে পরীমনির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট জেডআই খান পান্না, মো. মজিবুর রহমান, সৈয়দা নাসরিন ও মো. শাহীনুজ্জামান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবু ইয়াহহিয়া দুলাল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মিজানুর রহমান।

এর আগে ২৯ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের রায় না মেনে পরীমনিকে বারবার রিমান্ডে নেওয়ার বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের স্বপ্রণোদিত আদেশ প্রার্থনা করে একটি আবেদন করেন মানবাধিকার সংগঠন আইন ও শালিস কেন্দ্রের (আসক) পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দা নাসরিন।

গত ৩১ আগস্ট পরীমনিকে জামিন দেন বিচারিক আদালত।  পরে ১ সেপ্টেম্বর কাশিমপুরের মহিলা কারাগার থেকে মুক্তি মেলে পরীমনির। 


আরও খবর