Logo
শিরোনাম

মধ্যযুগীয় কায়দায় ব্যবায়ীকে পিটিয়ে গুরুতর জখম (ভিডিও)

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ১৩০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

মধ্যযুগীয় কায়দায় হাত-পা বেঁধে আল-আমীন (৩১) নামে এক কাঠ ব্যবায়ীকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেছে স্থানীয় বখাটেরা। ঘটনাটি ঘটেছে পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী থানার পত্তাশী গ্রামে। নির্যাতনের পরও খ্যান্ত হননি তারা। এ ঘটনা জানজানি হলে উপয়ন্ত না দেখে, ঘটনা ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করার জন্য ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটা মামলা দায়ের করে।

অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদর চেয়ারম্যান এর সাথে পূর্ব শত্রুতা এবং চলমান ইউপি নির্বাচনে তার বিরোধীতা করায় পরিকল্পিত ভাবে ব্যবসায়ীকে নির্যাতন করা হয়। রবিবার রাতে এ বর্বরাচিত হামলার ঘটনায় ব্যবসায়ী মামলা করার কথা জানালে ইন্দুরকানী থানা পুলিশ তা আমলে নেয়নি।

বর্তমান পুলিশ প্রহরায় হ্যান্ডকাফ পরা অবস্থায় পিরাজপুর জেলা হাসপাতাল নির্যাতিত আল আমীনর চিকিৎসা চলছে। নির্যাতিত আল আমীন ওই গ্রামর মাঃ আলী আকবার এর ছেলে।

হাসপাতাল চিকিৎসাধীন আলী আমীন জানায়, রবিবার রাত স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় মাহফিল শুনে স্থানীয় এক যুবকের সাথ বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় পত্তাশী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জম হোসেন হাওলাদারর সমর্থিত ১০-১২ জন যুবক তার উপর অতর্কিত হামলা করে। এরপর তাদের সাথে আরও ১৫-২০ জন যোগ দেয় । এসময় সন্ত্রাসীরা তাক মাটিতে ফেলে হাত পা পিঠমোড়া দিয়ে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করে। এ সময় ওই ইউনিয়ন পরিষদের স্থানীয় গ্রাম পুলিশ মাঃ রিয়াজ উপস্থিত থাকলেও, সবাই নিরব ভূমিকা পালন করে।

আল আমীনর অভিযাগ ইউপি চেয়ারম্যান মায়াজ্জম এর সমর্থক থাকলেও, বর্তমান তার সাথে দূরত্ব রয়েছে । এজন্যই তার উপর ক্ষিপ্ত এই ইউপি চেয়ারম্যান। তার নির্দেশে বর্বরাচিত নির্যাতন করা হয়। নির্যাতনর এক পর্যায় অজ্ঞান হয় পড়ে। খবর পেয়ে ইদুরকানী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয় যায়। এরপর সেখান থেকে তাকে পুলিশ প্রহরায় পিরাজপুর জলা হাসপাতাল ভর্তি করা হয়। আল-আমীন অভিযোগ করেন, মারধারর ঘটনা ধামাচাপা দেওয়া এবং তাকে ফাঁসানার জন্য এ মামলা দেয়া হয়।

গ্রামপুলিশ রিয়াজ জানান, আল আমীনকে ব্যাপকভাবে মারধার করা হয় ।

এ বিষয় ইউপি চয়ারম্যান মোয়াজ্জেম জানান,আল আমীনক মারধারর খবর শুনে স্থানীয় চকিদার রিয়াজকে ঘটনাস্থেল পাঠিয়ে উদ্ধার করে। এরপর বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাব ইদুরকানী থানায় জানানা হয়। তবে এ ঘটনায় নিজেকে জড়িত থাকার কথা অম্বীকার করে বলেন, যারা এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ব্যাপার ইদুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাঃ হুমায়ুন কবির জানান, একটি মেয়েকে শ্লীলতাহানির অভিযাগে আল আমীনক আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ইদুরকানী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এরআগে তাকে মারধার করা হয়। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে। অপরাধিদের আইনের আওতায় আনা হবে।

উল্লখ্য, এর আগ গত বছরর ৪ নভম্বর একটি কর্মী সভায় ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন হাওলাদার এর সমালাচনা করায় রঞ্জন কুমার মজুমদার নাম ওয়ার্ড আওয়ামী লীগর এক সাধারণ সম্পাদকক পিটিয় পা ভেংগে দেয় তার সমর্থকরা। আসন ইউপি নির্বাচনক কেদ্র করে প্রতিদ্বন্ধীদের দমনের জন্য বিভিন্ন ভাবে নির্যাতনের অভিযাগ রয়েছে এই ইউপি চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে।



আরও খবর



আগামীকাল দেশের যেসব এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ জুলাই ২০21 | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আগামীকাল বুধবার (২১ জুলাই) পবিত্র ঈদুল আজহা। এ ঈদে ঢাকা বিভাগে ভারি বৃষ্টিপাত না হলেও কয়েকটি বিভাগে ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান বলেন, ঈদের দিন একটানা বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই, বৃষ্টি হলেও কিছুক্ষণের মধ্যে তা শেষ হয়ে যাবে। তবে ঈদের দিন ঢাকা বিভাগ, খুলনা বিভাগ ও বরিশাল বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা খুবই কম। সামান্য আকারে বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে চট্টগ্রাম, রংপুর, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী বিভাগে ভারি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

হাফিজুর রহমান বলেন, এ ছাড়া আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের আট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, মৌসুমী বায়ুর অক্ষের বাড়তি অংশ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বাড়তি অংশ উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় বিরাজ করছে।



আরও খবর



সবচেয়ে বেশিবার দেখা এই ছবি!

প্রকাশিত:শনিবার ২৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৮৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সবুজ ঢেউ খেলানো ঘাস। উপরে নীল আকাশ। তাতে দুধ সাদার মতো মেঘ। উইন্ডোজ এক্সপি (Windows XP) ব্যবহার করেছেন যারা তাদের কাছে ছবিটি অতীত স্মৃতি। উইন্ডোজ এক্সপিতে ব্লিস নামের এই ওয়ালপেপার ডিফল্ট ছিল। আর এই ছবিকেই বিশ্বের সবচেয়ে বেশিবার দেখা ছবি মনে করা হয়।

১৯৯৬ সালে ছবিটি তুলেছিলেন মার্কিন ফটোগ্রাফার চার্লস ওরিয়ার। এটি তোলা হয়েছিল ক্যালিফোর্নিয়ার ন্যাপা ও সোনোমা এলাকায়। গাড়িতে যাওয়ার সময় দৃশ্যটি দেখে খুবই ভালো লেগে যায়। আর তখনই কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই ক্যামেরাবন্দি করেন দৃশ্যটি। ছবিটি তোলা হয় v Mamiya RZ 67 ফিল্ম ক্যামেরায়। ছবিটিতে ফটোশপ করা হয়নি।

চার্লস এরপর ছবিটি স্টক ফটো এজেন্সি ওয়েস্টলাইট-এর কাছে জমা দেন। ১৯৯৮ সালে ছবিটি চোখে পড়ে মাইক্রোসফটের কর্ণধার বিল গেটসের। আর তিনি ১ লক্ষ মার্কিন ডলারে ছবিটির স্বত্ব কিনে নেন। তবে প্রকৃত অর্থে কত টাকা লেনদেন হয়েছিল তা কখনোই জানায়নি চার্লস ও মাইক্রোসফট।

ধীরে ধীরে ফটোগ্রাফার হিসেবে খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে চার্লস ও'রিয়ারের। তারপর বড় বড় খ্যাতিমান সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে কাজ করতে থাকেন তিনি।


অন্যদিকে অপর একটি ছবিও মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ এক্সপি-তে ওয়ালপেপারের অপশনে থাকত। তা হচ্ছে Autumn. ছবিটি তুলেছিলেন ফটোগ্রাফার পিটার বুরিয়ান। একটি ফটোগ্রাফি ম্যাগাজিনের হয়ে একটি লেন্সের পরীক্ষা করার সময় তুলেছিলেন তিনি। এরপর ছবিটি মাইক্রোসফটের ফটোগ্রাফ কেনা-বেচার ওয়েবসাইট করবিস-এ পাঠিয়ে দেন। ছবিটি মাইক্রোসফট মাত্র ৩০০ ডলারের বিনিময়ে কিনে নেয়।

পিটার একদমই জানতেন না কোন কারণে ছবিটি কিনে নেয় মাইক্রোসফট। পরে যখন জানতে পারেন বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটারে তার ছবিটি ডিফল্ট হিসেবে থাকবে তখন আকাশ থেকে পড়েন তিনি। কেননা, এত কম দামে ছবি বিক্রি করায় অনেকটা আফসোসও করেন। বলেন, কিছু না ভেবেই তুলেছিলাম ছবিটি। কিন্তু এই ছবিই যে কোটি কোটি মানুষ দেখবে তা কী করে জানব!


আরও খবর

গাজরের মালাই পাটিসাপ্টা

রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১

মেজবানি মাংস রান্না করবেন যেভাবে

বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১




দুদকের তালিকায় শতাধিক ভিআইপি

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ১০২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দীর্ঘদিনেও অনুসন্ধান, তদন্ত নিষ্পত্তি হয়নি এমন শতাধিক ভিআইপির নামে নতুন তালিকা করেছে দুদক। অবৈধ সম্পদ, ঋণ জালিয়াতি ও অর্থ পাচারে জড়িতদের এ তালিকায় আনা হয়েছে।

সংস্থাটি এদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগের ফাইলগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির পর নতুন নথি চালু করতে চায়। এছাড়া আগের তালিকাভুক্তদের নথিও দ্রুত নিষ্পত্তি করতে চাচ্ছে দুদক। এজন্য সংস্থাটির বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত শাখার মহাপরিচালক, পরিচালক ও তদন্ত কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

দুদক সূত্র জানায়, গত মার্চে বর্তমান কমিশনের নতুন চেয়ারম্যান ও একজন কমিশনার নিয়োগ পান। এরপর তিন কমিশনারের নেতৃত্বে গঠিত কমিশন দফায় দফায় বৈঠকে বসেন। কমিশন সভা ছাড়া মহাপরিচালক থেকে উপপরিচালক পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে পৃথক বৈঠক হয়। এতে ভিআইপিদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান ও তদন্ত ছাড়াও অন্যদের যেসব ফাইল চলমান তা দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশনা দেওয়া হয়। দুদকের প্রধান কার্যালয় ছাড়াও বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালকদের কাছেও একই বার্তা দেওয়া হয়েছে ।

নতুন তালিকায় রাজনীতিবিদদের মধ্যে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাঈদ খোকন, বিএনপি নেতা শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা উত্তরের সিটি করপোরেশনের বিএনপির মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল, সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ও গোল্ডেন মনিরসহ এক ডজন নেতার নাম আছে। এদের নাম অগ্রাধিকার তালিকায় রাখা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং দেশের বাইরে অর্থ পাচারের অভিযোগে অনুসন্ধান শেষ করে পরবর্তী ব্যবস্থা নিতে চায় দুদক।

এছাড়া আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাফিয়া শাহেদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. ইকবালসহ তিন পরিচালক ও অপর ৭০ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নারী নেত্রী পাপিয়া ও শাহেদের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান ও তদন্ত রিপোর্ট তৈরির কাজ চলছে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের পরিচালক আশরাফুল আলম, কার্গো বিভাগের জিএম আরিফ উল্লাহ, সাবেক জিএম আলী আহসান, শামসুল করিমসহ শীর্ষ পর্যায়ে ১০ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিমানের কার্গো শাখা থেকে ১১৮ কোটি টাকা লোপাটের একটি অনুসন্ধান শেষ পর্যায়ে রয়েছে। বিমানের সাবেক এমডি আবদুল মুনীম মুসাদ্দিক আহমেদের বিরুদ্ধেও ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান চলছে। তার বিদেশ গমনের ওপরও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

এদিকে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ছাড়াও সিভিল এভিয়েশন, রাজউক, সড়ক ও জনপথ, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরসহ সরকারের বিভিন্ন বিভাগের ৩৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট তথ্য নিয়ে দুদকের গোয়েন্দা বিভাগ থেকে গোপন অনুসন্ধান শুরু হয়েছে।

এছাড়া পিকে হালদারের নেতৃত্বে ৪০ সিন্ডিকেটের মধ্যে পিপলস লিজিংয়ের সাবেক চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেনসহ বেশ কয়েকজনের অর্থ আত্মসাতের দায়ের ২০টি মামলা হচ্ছে। পাসপোর্ট অফিসের ১৫০০ কোটি টাকার কেনাকাটায় নিুমানের মালামাল সরবরাহের অভিযোগে সংস্থার শীর্ষ কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চলমান অনুসন্ধান শেষ করার ওপর জোর দিয়েছে কমিশন। সারা দেশে ই-পোস্ট অফিস নির্মাণের নামে ১০০০ কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগে ডাক অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক সুধাংশ শেখর ভদ্রসহ ১০ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শিগগিরই অনুসন্ধান প্রতিবেদন দেওয়া হচ্ছে।

ব্যাংকিং সেক্টরের মধ্যে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সাবেক এমডি ও এনসিসি ব্যাংকের সাবেক এমডি মোসলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ও এবি ব্যাংকে সাবেক চেয়ারম্যান এম. মোর্শেদ খান ও তার ছেলে ফয়সাল মোর্শেদ খানের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারসহ মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগের অনুসন্ধান প্রতিবেদন তৈরি হচ্ছে। অনুসন্ধান চলমান। এবি ব্যাংকের ঋণ গ্রহীতা এরশাদ ট্রেডার্সের বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতির অভিযোগে অনুসন্ধান শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

অপরদিকে, হেফাজতের আমির বাবুনগরী ও মুফতি মামুনুল হকসহ ৪০ জন হেফাজত নেতার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাত, দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শেষ করতে চায় দুদক।

সূত্র জানায়, ক্যাসিনোকাণ্ডে জড়িত চারজন এমপির বিরুদ্ধে দেশের বাইরে অর্থ পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানে রয়েছে। এ ছাড়া আরও দুজন এমপির বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধানও শেষ পর্যায়ে। কমিশন তাক লাগানোর মতো কিছু মামলা করতে চায় বলে জানান একজন এমপির বিরুদ্ধে দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহকারী অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা।

অনুসন্ধানে পাপুল পরিবারের মোট ব্যাংক হিসাব পাওয়া গেছে ৬১৭টি। এসব ব্যাংক হিসাব বর্তমানে আদালতের নির্দেশে জব্দ করে রেখেছে দুদক। তদন্ত কর্মকর্তারা শিগগিরই এ দুজনের বিষয়ে কমিশনে প্রতিবেদন দাখিল করবেন বলে জানা গেছে। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।

কয়েকজন আমলার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ ও অর্থ পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক। এই তালিকায় ১৮ জনের নাম রয়েছে বলে জানা গেছে। তাদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিংয়ের তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের কাছে তথ্য চেয়েছে দুদক।


আরও খবর



পিরোজপুরে ক্রিস্টাল মেথ আইসসহ গ্রেফতার ‘কাউয়া রাজ’

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৮০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
মূল্যবান ক্রিস্টাল মেথ আইস মাদক একটি ভয়াবহ ক্ষতিকর মাদক। যা দেশের প্রচালিত অন্যান্য সকল মাদকের থেকে ক্ষতিকর ও ভয়াবহ

পিরোজপুরে মূল্যবান ক্রিস্টাল মেথ আইস মাদক সহ মোহাম্মদ মাসুম খান রাজ (২৭) ওরফে কাউয়া রাজ এক মাদক ব্যবসায়ীকে র‌্যাব গ্রেফতার করেছে। সে ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। গ্রেফতারকৃত মাসুম খান রাজ জেলার সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের ওধনকাঠী গ্রামের মৃত মতিউর রহমান খানের ছেলে।

রবিবার (১৮জুলাই) র‌্যাব-৮ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পরে ওই দিন দুপুরে তাকে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় বরিশাল র‌্যাব-৮ এর ডিএডি মোহাম্মদ আল মামুন শিকদার বাদী হয়ে পিরোজপুর সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

র‌্যাব-৮ জানান, গত শনিবার (১৭ জুলাই) রাত পৌনে ৯টার দিকে জেলার সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের ওধনকাঠী গ্রামের আটককৃত মাসুম খানের বাড়ির সামনের ইটের রাস্তার উপর বসে মাদক জাতীয় দ্রব্য বেচা-কেনা হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব সদস্যরা সেখানে অভিযান চালান। এ সময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে সেখানে থাকা অন্য মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে গেলেও মাসুম খান দৌড়ে পালানোর সময় আটক হয়। এ সময় তার কাছে থাকা একশত গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস নামের দামীয় মাদক উদ্ধার করা হয়।

সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল করিম শিকদার মন্টু গ্রেফতারকৃত মোহাম্মদ মাসুম খান রাজ ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসাবে নিশ্চিত করেছেন। তবে ওই কমিটি এখনো অনুমোদিত হয় নি।

র‌্যাব সূত্র আরও জানায়, মূল্যবান ক্রিস্টাল মেথ আইস মাদক একটি ভয়াবহ ক্ষতিকর মাদক। যা দেশের প্রচালিত অন্যান্য সকল মাদকের থেকে ক্ষতিকর ও ভয়াবহ।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) একাধীক সূত্র জানান, আটককৃত মোঃ মাসুম খান রাজ একজন তালিকা ভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী।এর আগে মাদকসহ তার ভাই মামুন ও তার স্ত্রীসহ গ্রেফতার করা হয়েছিলো।

পিরোজপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আ.জ.ম মাসুদুজ্জামান জানান, ওই মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। তাকে থানার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ মাদক অত্যন্ত দামি। যার একশ গ্রামের দাম ১৫ লক্ষ টাকা। জেলা শহরে এই মাদক ঢুকে পড়েছে সত্যিই দুঃখজনক।


আরও খবর



করোনার উৎস খোঁজার তদন্তে ‘না’ চীন

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৫২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনা ভাইরাসের উৎস কোথায়? কোথা থেকে ছড়িয়েছে এই মহামারী? অতিমারীর ২ বছর কেটে গেলেও এখনও রহস্যে মোড়া এই প্রশ্নের উত্তরগুলি। আর তাই কোভিড-১৯ এর উৎস খুঁজতে দ্বিতীয়বার তদন্ত করতে চেয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তাঁদের সেই প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করল চীন। জানিয়ে দিল, দ্বিতীয় দফা গবেষণার কোনও প্রয়োজন নেই। স্বাভাবিকভাবে চীনের এ হেন আচরণে স্তম্ভিত গোটা বিশ্ব।

বেজিংয়ের সওয়াল, শুধু চীনে কেন তদন্ত হবে? বিশ্বের অন্যান্য দেশেও তদন্ত হোক। চীনের আরও দাবি, প্রাণীদেহ থেকেও ভাইরাস ছড়াতে পারে। তাই হু-এর উচিৎ প্রাণী নিয়ে গবেষণা করা। তাঁদের কথায়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার  উচিৎ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে এই তদন্ত করা।

করোনা ভাইরাসের উৎস কী? প্রাথমিকভাবে মনে করা হয়েছিল, বাদুড়ের দেহে করোনার উৎপত্তি। যদিও এনিয়ে দ্বিমত রয়েছে। বহু দেশের অভিযোগ, চিনের ইউহানের গবেষণাগারেই তৈরি হয়েছে করোনা। তাই সেই সন্দেহ দূর করতে আরও একবার করোনার উৎস সন্ধানের পরিকল্পনা করেছিল হু। সেই মতো প্রস্তাবও দিয়েছিল। কিন্তু তাদের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিল চীন।

সংবাদ সম্মেলনে চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের মন্ত্রী জ্যাং ইশিন বলেছেন, হুর প্রস্তাবে আমি বিস্মিত। এই প্রস্তাব বিজ্ঞানসম্মত নয়। তিনি আরও বলেন, আমরা আশা করি, চীনের বিশেষজ্ঞরা যেসব পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবে এবং করোনার উৎস খোঁজার বিষয়টি তারা বিজ্ঞানসম্মতভাবে করবে। তারা সবরকমের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত থাকবে। ইউহানের গবেষণাগারকে সম্পূর্ণ নিরাপদ বলে দাবি করেছেন তাঁরা। বলা হয়েছে, ইউহানের গবেষণাগারের বায়োপ্রোটেকশন সিস্টেম নির্ভরযোগ্য ও আন্তর্জাতিক মানের।



আরও খবর