Logo
শিরোনাম

নিজেকেই বিয়ে করছেন এই তরুণী, যাবেন হানিমুনেও

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৩৯৬জন দেখেছেন
আব্দুল্লাহ আল মামুন

Image

আগামী ১১ জুন তার বিয়ে। সেজন্য কার্ডও ছাপা হয়ে গিয়েছে। হানিমুনের জন্য স্থানও ঠিক করে ফেলেছেন তিনি। তবে অবাক করার বিষয় হলো ওই তরুণীর এতো আয়োজন নিজেকে বিয়ে করার জন্য।

ক্ষমি বিন্দু নামে ভারতের গুজরাটের ওই তরুণী জানান, তিনি নিজেকে সবচেয়ে বেশি ভালবাসেন, তাই বিয়ের প্রতিশ্রুতিও নিজেকেই দিয়েছেন।

তার ভাষায়, জীবনের একপর্যায়ে তিনি বুঝতে পেরেছেন তার জীবনে রাজকুমারের প্রয়োজন নেই। কারণ, তিনি নিজেই নিজের রানি। তার কাছে বিয়ের দিনটাই গুরুত্বপূর্ন, পরের দিন নয়। তাই আগামী ১১ জুন নিজেকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, বিয়ের দিন তিনি কনের সাজে সাজবেন, অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। তার বিয়েতে বন্ধুরাও আসবেন এবং সবশেষে তিনি বরের সঙ্গে না গিয়ে নিজের বাড়িতেই ফিরে আসবেন।

ক্ষমি বিন্দু বলেন, স্বামী ছাড়া এই বিয়েতে তার মা সম্মতি দিয়েছেন। বিয়ের জন্য একজন পণ্ডিতও (পুরোহিত) ঠিক করেছেন তিনি। হিন্দুরীতি মেনেই বিয়ে করবেন তিনি।

নিজের এমন সিদ্ধান্ত সঠিক জানিয়ে ভারতীয় এই তরুণী জানান, অন্যদের নিজেকে ভালোবাসতে অনুপ্রাণিত করতে চাই। এমন অনেক মানুষ রয়েছে, যারা ভালোবাসা খুঁজে পেতে কিংবা একাধিকবার বিবাহ বিচ্ছেদ করতে করতে ক্লান্ত। উভকামী হওয়ায় আমি আগে এক পুরুষ ও এক নারীর প্রেমে পড়েছিলাম। কিন্তু এখন আমি নিজেকেই সবটুকু ভালোবাসা দিতে চাই।

তবে ভারতের হাইকোর্টের একজন আইনজীবী জানান, ভারতীয় আইন অনুযায়ী কেউ নিজেকে বিয়ে করতে পারবেন না। একটি বিয়েতে দুজন থাকতে হবে।

নিউজ ট্যাগ: নিজেকেই বিয়ে

আরও খবর



শুক্রাণুর হার কমছে, সন্তান জন্মদানে সংকটে পড়তে পারে মানবজাতি : গবেষণা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২২ নভেম্বর 20২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৫০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিশ্বজুড়ে পুরুষের শুক্রাণুর হার অর্ধেকের বেশি কমেছে। সম্প্রতি এ নিয়ে একটি গবেষণা নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি সাময়িকীতে। সেখানেই একদল গবেষক বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তাঁরা বলেছেন, পুরুষের শুক্রাণুর হার কমা রোধে এখনই পদক্ষেপ নেওয়া না হলে মানবজাতি সন্তান জন্মদানে সংকটে পড়তে পারে।

হিউম্যান রিপ্রোডাকশন আপডেট নামে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সাময়িকীতে গবেষণা নিবন্ধটি প্রকাশিত হয়েছে। নিজেদের শুক্রাণু উৎপাদনক্ষমতার বিষয়টি নিয়ে সচেতন ছিলেন না, এমন ১৫৩ জন পুরুষের শুক্রাণু নিয়ে গবেষণাটি করা হয়েছে। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

গবেষণায় দেখা গেছে, ১৯৭৩ সালের ২০১৮ সালে শুক্রাণুর ঘনত্ব গড়ে ৫১ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে। এ ছাড়া এই সময়ের মধ্যে (৪৫ বছর) শুক্রাণুর হার কমেছে ৬২ দশমিক ৩ শতাংশ।

২০১৭ সালে এই গবেষকেরাই শুক্রাণুর হার নিয়ে একটি গবেষণা করেছিলেন। ওই গবেষণায় দেখা যায়, গত চার দশকে পুরুষের শুক্রাণুর হার কমে অর্ধেকে নেমে এসেছে। তবে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের তথ্যউপাত্ত না থাকায় ওই গবেষণাটির ফল শুধু ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ার ওপর ভিত্তি করে তৈরি বলে সেবার সমালোচিত হয়েছিল।

তবে এবার গবেষকেরা ৫৩টি দেশের পুরুষদের শুক্রাণু নিয়ে গবেষণা করেছেন। ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া ছাড়াও মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকা ও এশিয়ার দেশগুলোর পুরুষদের শুক্রাণু কমার বিষয়টি এবার উঠে এসেছে।

১৯৭২ সাল থেকে সব মহাদেশ থেকে সংগৃহীত তথ্যউপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এই সময়ে শুক্রাণু উৎপাদন হ্রাস পাওয়ার হার বেড়ে চলেছে। গবেষকেরা দেখতে পেয়েছেন প্রতিবছর পুরুষের শুক্রাণুর হার কমেছে ১ দশমিক ১৬ শতাংশ করে।

তবে এ শতাব্দীতে শুক্রাণুর হার কমছে বেশি। কারণ, ২০০০ সালের পরের তথ্যউপাত্তে দেখা যায় যে এই সময়ে প্রতিবছর পুরুষের শুক্রাণুর হার গড়ে ২ দশমিক ৬৪ শতাংশ কমেছে।

গবেষণা নিবন্ধটির অন্যতম লেখক জেরুজালেমের হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাগাই লেভিন বলেন, আমি মনে করি, বিশ্ব যে ভুল পথে আছে, তার আরও একটি ইঙ্গিত এই গবেষণা। আমাদের এটা নিয়ে কিছু করতে হবে। এটা একটা সংকট। চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছানোর আগে এখনই এই সংকট মোকাবিলায় আমাদের পদক্ষেপ নিতে হবে।

তবে এই গবেষণার কিছু সীমাবদ্ধতা আছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, এখানে পুরুষের বয়স, বীর্যপাত না হওয়ার সময়সীমা, শুক্রাণু উৎপাদনের ক্ষমতা কম থাকার মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হলেও শুক্রাণুর মান যাচাইয়ের অন্য বিষয়গুলো বিবেচনা করা হয়নি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ধূমপান, মদ্যপান, স্থূলতা ও পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ খাবার না খাওয়ায় পুরুষের শুক্রাণুর হার কমতে পারে। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন শুক্রাণুর উৎপাদনক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।


আরও খবর

জাপানে করপোরেট মুনাফা ঊর্ধ্বমুখী

রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২




বরিশালে আজ বিএনপির গণসমাবেশ

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৬০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ বরিশালে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ। নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে (বেলস পার্ক) এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। পূর্বঘোষিত এ সমাবেশের আগের দিন থেকেই বরিশাল বিভাগের জেলাগুলোতে বিভিন্ন দাবিতে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়। ফলে সমাবেশে অংশ নিতে দুদিন আগে থেকেই বরিশালে আসতে শুরু করেন নেতাকর্মীরা। যার কারণে আনুষ্ঠানিক সমাবেশ শুরুর আগেই বঙ্গবন্ধু উদ্যান মুখর হয়ে ওঠে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীদের পদচারণায়। তবে পরিবহন ধর্মঘটের কারণে বিপাকে পড়েছে সাধারণ মানুষ। জরুরি প্রয়োজনেও কেউ নিজ জেলা-উপজেলার বাইরে যেতে পারছে না।

গতকাল বরিশাল ঘাট থেকে মাত্র দুটি লঞ্চ ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। গতকাল সকাল থেকেই বন্ধ রয়েছে অভ্যন্তরীণ সব নৌ রুটের লঞ্চ। ধর্মঘটের কোনো যৌক্তিক কারণ সংশ্লিষ্টরা দেখাতে পারেননি। অন্যদিকে মহাসড়কে অবৈধ নছিমন, করিমন, ভটভটি চলাচল বন্ধ ও চাঁদাবাজির প্রতিবাদে নগরীর কেন্দ্রীয় নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে ১৪টি অভ্যন্তরীণ রুটে এবং রূপাতলী বাস টার্মিনাল থেকে ২১টি অভ্যন্তরীণ রুটে গতকাল সকাল থেকে যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।

এছাড়া বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকাসহ জেলার বিভিন্ন রুটে পারমিটবিহীন অবৈধ অটোরিকশা চলাচল বন্ধ, হয়রানি না করে চালককে দ্রুত সময়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান, চাঁদাবাজি বন্ধসহ পাঁচ দফা দাবিতে আজ ও আগামীকাল সব রুটেই থ্রি হুইলার, আলফা ও মাহেন্দ্রা হিসেবে পরিচিত যানবাহন বন্ধ রাখা হয়েছে।

ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছে বরিশালের সাধারণ মানুষ। গতকাল নগরীতে সীমিত পরিমাণ যানবাহন চলতে দেখা গিয়েছে। সড়কে ছিল না ব্যাটারি ও গ্যাসচালিত তিন চাকার যানবাহন। এমনকি নগরীর প্রবেশে সবগুলো খেয়াঘাটও বন্ধ ছিল। জরুরি প্রয়োজনে ঘর থেকে বাইরে বের হওয়া মানুষ দিনভর বিড়ম্বনায় পড়ে।

তবে গতকাল দিনভর মুখর ছিল বিএনপির গণসমাবেশস্থল বঙ্গবন্ধু উদ্যান। বিভাগের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে আগত হাজারো বিএনপির নেতাকর্মী বৃহস্পতিবার বিকাল থেকেই সেখানে অবস্থান নিতে শুরু করেন। তাঁবু টানিয়ে রাত কাটানোর পাশাপাশি চুলা তৈরি করে রান্না-খাওয়ার ব্যবস্থাও করেছেন তারা। বাস-লঞ্চ বন্ধ হয়ে যাবে এমন পূর্বঘোষণার কারণে নির্ধারিত দিনের আগেই বরিশালে পৌঁছেছেন তারা।

তবে কোনো বাধাই বিএনপির জনস্রোত ঠেকাতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপি নেতা ও মুলাদী উপজেলা বিএনপি সভাপতি আব্দুস ছাত্তার খান। তিনি বলেন, লঞ্চ-বাস বন্ধ থাকায় ট্রলারে করেও অনেক উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা আসছেন।

বরগুনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম মনি বলেন, সরকার যতই চেষ্টা করুক বিএনপিকে আর দাবিয়ে রাখা যাবে না। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব। সরেজমিনে দেখা গিয়েছে, বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশের আগের দিন গতকাল ভোর থেকে সব পথেই দেশের অন্যান্য স্থান থেকে বরিশালে প্রবেশ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এ অবস্থায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। প্রয়োজনে বরিশাল ছাড়তে পারছেন না কেউ, আবার প্রবেশও করা যাচ্ছে না। সার্বিক পরিস্থিতিতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ এলাকার মোড়ে মোড়ে তল্লাশি করছে পুলিশ। মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য।

একই অবস্থা বিরাজ করছে পটুয়াখালী, ভোলা, পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতেও। মহাসড়কে তিন চাকার বাহন বন্ধের দাবিতে গতকাল সকাল থেকে পটুয়াখালীতে বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির ডাকা ধর্মঘট চলছে। অভ্যন্তরীণ রুটসহ ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে পটুয়াখালী বাস-মিনিবাস মালিক সমিতি। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছে কুয়াকাটা যাওয়া পর্যটকসহ সাধারণ যাত্রীরা।

বাস বন্ধ থাকায় মোটরসাইকেল, অটো কিংবা অন্যসব বাহনে করে যার যার গন্তব্যে যেতে স্বাভাবিক ভাড়ার চেয়ে যাত্রীদের গুনতে হয়েছে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া।

জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সহসভাপতি গোলাম মাওলা দুলু মৃধা জানান, হাইকোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও তিন চাকার বিভিন্ন অবৈধ যানবাহন মহাসড়কে চলছে। যতদিন এসব বাহন উচ্ছেদ করা না হবে, ধর্মঘট চলবে।

একই সময়ে বন্ধ রয়েছে ভোলা-বরিশাল নৌপথে নৌযান চলাচল। পাশাপাশি মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার বন্ধের দাবিতে গতকাল সকাল থেকে ধর্মঘট পালন করছে ভোলা বাস মালিক সমিতি।


আরও খবর



মর্যাদা বজায় রেখে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১০ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ ডিসেম্বর 2০২2 | ৩৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাংলাদেশকে একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার জন্য জনসাধারণ ও ব্যবসায়ীসহ সবার কৃতিত্বের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মর্যাদা অক্ষুন্ন রেখে দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কম্বল ও শীতবস্ত্র গ্রহণকালে তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশকে একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে এসেছি। মর্যাদা বজায় রেখে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার দল আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকায় গত ১৪ বছরে বাংলাদেশে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে।

এই প্রসঙ্গে তিনি একটি আন্তর্জাতিক প্রোগ্রামে মালয়েশিয়ার নেতা মাহাথির মোহাম্মদের সঙ্গে আলোচনার কথা উল্লেখ করেন, যেখানে মাহাথির বলেছিলেন যে দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য দীর্ঘমেয়াদী সরকারের প্রয়োজন।

আমরা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকায় বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজ করতে পেরেছি, উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি বললাম, দেখেন জনগণ কতক্ষণ ভোট দেবে না দেবে সেটা তো বলতে পারি না। যদি ভোট পাই হয়ত থাকব। কারণ আমাদের দেশে তো পরিবেশটা অন্য রকম। দীর্ঘদিন মিলিটারি ডিক্টেটর ছিল, কখনো ডাইরেক্টলি কখনো ইনডাইরেক্টলি তারা ক্ষমতা দখল করে, আবার উর্দী খুলে রাজনীতিবিদ হয়। আর হত্যা, ক্যু, ষড়যন্ত্র এটা তো আমাদের দেশে লেগেই আছে। আমাদের তো ধারাবাহিক গণতান্ত্রিক ধারা থাকে না এই দেশে। যার জন্য একটা স্থিতিশীল পরিবেশও কখনো আসেনি। যেজন্য সার্বিক উন্নতিটা ঠিক হয়নি।

বাংলাদেশ যা কিছু অর্জন করেছে তাতে আপনাদের (ব্যবসায়ী) এবং জনগণের অবদান রয়েছে- যোগ করেন শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস।

ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (বিএবি) চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন। ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে সরকারপ্রধান বলেন, বাংলাদেশের যে সম্মানটা আজকে আন্তর্জাতিকভাবে আছে এটা যেন অব্যাহত থাকে। আমরা বাংলাদেশটাকে একটা সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে এসেছি এটা ধরেই যেন এগিয়ে যেতে পারি।

করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় আওয়ামী লীগ সরকারের নেওয়া নানা পদক্ষেপের কথাও প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন।

শেখ হাসিনা বলেন, যাই হোক, যতটুকু অর্জন আমি মনে করি এটা আপনাদের সবারই অবদান। বাংলাদেশের জনগণের অবদান। আমি তাদেরকেই ধন্যবাদ জানাই, কৃতজ্ঞতা জানাই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তবে অনেক দিন তো হয়ে গেল। মানুষকে তো এক সময় বিদায় নিতেই হবে এটা তো আল্লাহই বলে দিয়েছেন। সেটাও আল্লাহর ইচ্ছা যেদিন যেতে হয় চলে যাব। এখান থেকেও, এই চেয়ার থেকেও চলে যাব, আবার জীবন থেকেও চলে যাব। যেতেই হবে। এটা হলো বাস্তবতা। যেদিন যাবার সময় হবে। আর সময় না হলে ততদিন তো কাজ করতেই হবে। আল্লাহ যতক্ষণ সুযোগ দিয়েছেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যদের সঙ্গে নির্মমভাবে হত্যা করার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতার হত্যাকাণ্ডটা তো শুধু হত্যাকাণ্ড নয়।

আপনারা একবার চিন্তা করেন তো, ১০ বছরের একটা শিশুর কী অপরাধ ছিল? তাকেও শেষ করেছে। কেন? ওই রক্তের কেউ যেন এই দেশে আর ক্ষমতায় আসতে না পারে। এটাই তো ছিল খুনিদের আকাঙ্ক্ষা বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

জাতির পিতাকে হত্যার সময় দেশের বাইরে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান তার দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। পরে ছয় বছর নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে দলের সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে দেশে ফেরেন শেখ হাসিনা।

অনুষ্ঠানে নির্মম সেই হত্যাকাণ্ডের সময়ের স্মৃতিচারণ করে সরকারপ্রধান জানান, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার আগে তার বিদেশ সফরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল এবং সফর শেষে তার মেয়েদের দেশে ফিরিয়ে আনার কথাও ছিল।দেশের উন্নয়নে আওয়ামী লীগ সরকারের নেওয়া নানা পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

খেলাধুলায় বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পদস্থ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ করে শেখ হাসিনা বলেন, এই খেলাধুলার ক্ষেত্রে আমার মনে হয় আমাদের সবার বিশেষ করে আপনাদের একটু সহযোগিতা বেশি করা উচিত।

খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা যদি সবাই উৎসাহিত না করি তাহলে এই ছেলে-মেয়েগুলো তাদের ভবিষ্যত কী? তারা যত বেশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি চর্চার মধ্যে থাকবে তত বেশি এই সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক থেকে দূরে থাকতে পারবে এবং দেশের উন্নতি হবে। এটা হলো বাস্তবতা।

এ সময় শিল্প প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যাদের রয়েছে তাদের প্রতিষ্ঠানে খেলোয়াড়দের চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথাও বলেন শেখ হাসিনা।


আরও খবর



পাকিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে নিউজিল্যান্ড

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নিউজিল্যান্ড। সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ম্যাচটি শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ সময় বুধবার (৯ নভেম্বর) দুপুর ২টায়।

টস নিয়ে দারুণ একটা তথ্য জানিয়ে রাখি, সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে শেষ ছয় ম্যাচের মধ্যে পাঁচটি ম্যাচে সেই দল জিতেছে, যে দল টস জিতে প্রথমে ব্যাট করেছে।

দুই দলের একাদশে কোনো পরিবর্তন নেই। অর্থাৎ সুপার টুয়েলভে সবশেষ ম্যাচে যে একাদশ নিয়ে খেলেছে দুই দল, ফাইনালে উঠার লড়াইয়েও অপরিবর্তিত একাদশ থাকছে।

১৯৯২ সালের বিশ্বকাপের পুনর্মঞ্চায়নের লক্ষ্য বাবর আজমদের। নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে শীর্ষ চারে আসায় স্বপ্নবাজও তারা। অন্যদিকে ২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়নদের নিয়ে সতর্ক নিউজিল্যান্ড।

এ যেন ৩০ বছর আগের অকল্যান্ডের সেই সেমিফাইনালের পুনরাবৃত্তি। মার্টিন ক্রোর দলকে ৪ উইকেটে হারিয়ে ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে যায় পাকিস্তান। সেবারও ইমরানের দলটা ধুঁকতে ধুঁকতে শিরোপার মঞ্চে উঠেই বাজিমাত করেছিল। তিন দশক পর আবারও কি হবে সে ঘটনার পুনর্মঞ্চায়ন? এবারও যে একই পথে শীর্ষ চারে উঠেছে পাকিস্তান। প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড সে আসরের মত এবারও দাপটের সঙ্গেই পা রেখেছে সেমির মঞ্চে।

বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ত্রিদেশীয় সিরিজেও স্বাগতিকদের হারিয়ে শিরোপা জয় করেছিল পাকিস্তান। খাদের কিনারা থেকে শীর্ষ চারে পৌঁছে যাওয়ায় স্বপ্নবাজ পাকিস্তান। ব্যাট হাতে শান মাসুদ, ইফতেখাররা ছন্দে আছেন। তবে, এখনও নিজেদের হারিয়ে খুঁজছেন সেরা ওপেনিং জুটির তকমা পাওয়া বাবর-রিজওয়ান। শাদাব খান প্রস্তুত তার স্পিন বিষে প্রতিপক্ষকে ছারখারের আশায়। শুরুটা বাজে হলেও ছন্দে ফিরেছেন শাহীন শাহ আফ্রিদি।

প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ডের কাছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা এখনও অধরাই আছে। তবে, এবার গ্লেন ফিলিপস, মিচেল স্যান্টনার, টিম সাউদিরা আশা দেখাচ্ছেন কিউইদের। এক সেঞ্চুরিতে ব্যাট হাতে দলটির মূল ভরসা ফিলিপস। ম্যাচের আগের দিন পাকিস্তান বিশ্রামে কাটালেও অনুশীলনে ঘাম ঝরিয়েছে নিউজিল্যান্ড। চেনা কন্ডিশনেও বাবরদের নিয়ে সতর্ক উইলিয়ামসন। টি-টোয়েন্টিতে পরিসংখ্যানের পাতায় আধিপত্য পাকিস্তানের। ২৮ বারের দেখায় ১৭ জয় বাবরদের। ১১টি ম্যাচ জিতেছে নিউজিল্যান্ড।

পাকিস্তানের একাদশ:মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), বাবর আজম (অধিনায়ক), মোহাম্মদ হারিস, শান মাসুদ, ইফতেখার আহমেদ, শাদাব খান, মোহাম্মদ নেওয়াজ, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, নাসিম শাহ, হারিস রউফ ও শাহিন শাহ আফ্রিদি।

নিউজিল্যান্ড একাদশ:ফিন অ্যালেন, ডেভন কনওয়ে (উইকেটরক্ষক), কেন উইলিয়ামসন (অধিনায়ক), গ্লেন ফিলিপস, ডেরিল মিচেল, জিমি নিশাম, মিচেল স্যান্টনার, টিম সাউদি, ইশ সোধি, লকি ফার্গুসন ও ট্রেন্ট বোল্ট।


আরও খবর

সাকিব-এবাদতে ১৮৬ রানেই থামলো ভারত

রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২




নারী নির্যাতনের অভিযোগ: বাধ্যতামূলক অবসরে উপসচিব রেজাউল

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ ডিসেম্বর 2০২2 | ৪৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মামলা তুলে নেওয়ার হুমকি ও নারী নির্যাতনের অভিযোগে উপসচিব এ কে এম রেজাউল করিমকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। গত সোমবার (২১ নভেম্বর) তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক থাকাকালীন তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ ওঠে। তিনি সাময়িক বরখাস্ত অবস্থায় ছিলেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রেজাউল করিম জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক (উপসচিব) হিসেবে কর্মরত থাকাকালে তার বিরুদ্ধে থানায় দায়ের করা মামলার তদন্ত শেষে আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৯(১) ধারায় চার্জশিট দাখিল করা হয়। ওই মামলা তুলে নেওয়ার জন্য মামলার বাদীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন, হুমকি প্রদান ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে থানায় আরেকটি ফৌজদারি মামলা হয়। তিনি বিজ্ঞ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনে থাকায় তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয় এবং ওই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ৩(খ) অনুযায়ী অসদাচরণ এর অভিযোগে রুজু করা বিভাগীয় মামলায় তাকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেয়।

এতে আরও বলা হয়, উপসচিবের দেওয়া জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় অভিযোগ তদন্তে করার জন্য তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্তে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে মর্মে প্রতিবেদন দাখিল হয়। তদন্ত প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রাদি পর্যালোচনা করে শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা অনুযায়ী রেজাউল করিমকে গুরুদণ্ড দেওয়ার প্রাথমিক ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়।

উপসচিব রেজাউল করিমকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর শাস্তির বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ চাওয়া হলে কমিশন এতে একমত পোষণ করে। পরে রাষ্ট্রপতিও এ বিষয়ে সম্মতি দেন বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।


আরও খবর