Logo
শিরোনাম

অনাবৃষ্টিতে লোকসানের আশঙ্কায় আমচাষিরা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৮১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চরম দাবদাহ ও অনাবৃষ্টিতে নওগাঁয় গাছ থেকে আম ঝরে পড়ছে। এই অবস্থা চলমান থাকলে লোকসানের আশঙ্কা করছেন আমচাষিরা।

জেলার বিভিন্ন আমবাগান ঘুরে দেখা যায়, গাছের নিচে প্রচুর আম পড়ে আছে। চলতি বছর পর্যাপ্ত গুটি আসলেও অতিরিক্ত খরার কারণে সেসব গুটি গাছ থেকে ঝরে পড়ছে। এছাড়া গাছে থাকা আমগুলোতে কালো দাগ দেখা যাচ্ছে। রসের অভাবে আমের বোঁটাগুলো ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে পড়ছে। ধারণক্ষমতা না থাকায় বোঁটা থেকে আম খসে পড়ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এবার জেলায় আমের আবাদ হয়েছে ২৯ হাজার ৪৭৫ হেক্টর জমিতে। এই মৌসুমে আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ৫৮ হাজার ৪৩৫ মেট্রিক টন।

উপজেলাভিত্তিক আমচাষের পরিমাণ ধরা হয়েছে- সদর উপজেলায় ৪৪৫ হেক্টর, রানীনগরে ১১০ হেক্টর, আত্রাইয়ে ১২০ হেক্টর, বদলগাছীতে ৫২৫ হেক্টর, মহাদেবপুরে ৬৮০ হেক্টর, পত্নীতলায় ৪ হাজার ৮৬৫ হেক্টর, ধামইরহাটে ৬৭৫ হেক্টর, মান্দায় ৪০০ হেক্টর, পোরশায় ১০ হাজার ৫২০ হেক্টর, সাপাহারে ১০ হাজার হেক্টর, নিয়ামতপুরে এক হাজার ১৩৫ হেক্টর।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শামছুল ওয়াদুদ বলেন, এ রকম পরিস্থিতিতে প্রতিটি গাছের গোড়ায় প্রচুর পরিমাণে পানি দিতে হবে। সেইসঙ্গে আমগাছে পানি স্প্রে করা যেতে পারে। গাছের গোড়ায় এবং গাছে স্প্রে করে পানি দিলে আম ঝড়া কিছুটা রোধ হতে পারে। অনাবৃষ্টি, প্রচণ্ড গরম ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে আমের এই সমস্যাটা দেখা দিয়েছে। একটু বৃষ্টি হলে এই সমস্যার সমাধান হবে।

তিনি আরও বলেন, শঙ্কার তেমন কোনো কারণ নেই। বৈরী আবহাওয়া মোকাবিলা করে চলতি মৌসুমে আম উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। চলতি মৌসুমে জেলায় ২৯ হাজার ৪৭৫ হেক্টর জমিতে আমচাষ হয়েছে। আর এর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ৫৮ হাজার ৪৩৫ মেট্রিক টন।


আরও খবর



বন্যায় সাবস্টেশন ডুবে বিদ্যুৎহীন সিলেটের ৪৫ হাজার গ্রাহক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৩৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বন্যায় সিলেট নগরেই বিদ্যুৎহীন ৪৫ হাজার গ্রাহক সিলেটের বরইকান্দি সাবস্টেশনে উঠেছে বন্যার পানি। বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সিলেটের বিদ্যুৎব্যবস্থা। এরইমধ্যে জেলার কয়েক লাখ মানুষ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন।

জানা গেছে, কেবল সিলেট নগরেই ৪৫ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন ভুতুড়ে অবস্থায় রয়েছেন। এসব এলাকায় মঙ্গলবার (১৭ মে) দুপুর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। কেবল এ তথ্য নিশ্চিত করেন বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল কাদির।

তিনি বলেন, বরইকান্দি সাবস্টেশন ও শাহজালাল উপশহরে একটি ফিডার পানির নিচে চলে যাওয়ায় এগুলো বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে বরইকান্দি সাবস্টেশনের অধীনে ৪০ হাজার গ্রাহক ও শাহজালাল উপশহরের একটি ফিডারের অধীনে ৫ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন রয়েছেন।

বরইকান্দি সাবস্টেশনে মেশিন রক্ষায় পাম্প দিয়ে পানি দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, এখন এই মেশিনটাই রক্ষা করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের প্রধান প্রকৌশলী জানান, বাড়িঘরে পানি ওঠায় কানাইঘাট, জকিগঞ্জ, কোম্পানিগঞ্জ, জৈন্তাপুর, সদর ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার বেশিরভাগ এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

তিনি বলেন, কিছু জায়গায় সাবস্টেশনের যন্ত্রপাতি পানিতে তলিয়ে গেছে। আবার অনেক জায়গার বাসাবাড়ির মিটার পর্যন্ত ডুবে গেছে। এ কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ আছে। পানি না কমলে এটি স্বাভাবিক হবে না। ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ না থাকায় পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

নগরের দক্ষিণ সুরমার উপজেলার তেললী গ্রামের বাসিন্দা শাহিন বলেন, ঘরে পানিতে আটকে আছি। তার ওপর বিদ্যুৎ নেই। মোবাইল ফোনও চার্জ দিতে পারছি না। ফলে জরুরি প্রয়োজনে কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। বিদ্যুৎহীন এলাকায় মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবাও ব্যাহত হয়েছে। সবমিলিয়ে বন্যাকবলিত মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

নিয়ামতপুর এলাকার বাসিন্দা ও পার্কভিউ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. রকিবুল হাসান জুয়েল বলেন, দুদিন ধরে বাসায় বিদ্যুৎ নেই। এ অবস্থায় বিশুদ্ধ পানি সংকট দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্কও চলে গেছে। পুরো এলাকার বাসিন্দারা খুবই খারাপ অবস্থায় রয়েছেন।

তিনি বলেন, বোতলজাত পানির মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানির সংকট কাটলেও বিদ্যুৎ না থাকায় লোকজন মোবাইলে চার্জ দিতে পারছেন না।

সিলেট নগরের মখন দোকান এলাকার বাসিন্দা মুজিবুর রহমান বলেন, তিনদিন ধরে ঘরে পানি। পানির কারণে ঘর থেকে বের হওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, খাবারের কোনো সংকট না থাকলেও সবচেয়ে সমস্যা হচ্ছে বাথরুম ব্যবহারে। বিশেষত নারী ও শিশুরা বেশি সমস্যায় পড়েছেন।

এদিকে, সিলেট সদর, কানাইঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, জকিগঞ্জ, জৈন্তাপুর, দক্ষিণ সুরমা, বালাগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়েছে। প্লাবিত হয়েছে নতুন নতুন এলাকা।


আরও খবর



ইমরান খানের ‘বিদেশি ষড়যন্ত্র’ অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিশন

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৫৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও তার দল তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) নেতাদের সরকার উৎখাতে বিদেশি ষড়যন্ত্রের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তদন্ত করবে পাকিস্তান সরকার। তদন্তের জন্য একটি কমিশন গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির নতুন তথ্যমন্ত্রী মরিয়ম আওরঙ্গজেব।

ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে তথ্যমন্ত্রী মরিয়ম আওরঙ্গজেব বলেন, এমন ব্যক্তিদের নিয়ে নিপেক্ষ তদন্ত কমিশন গঠন করা হবে যাদের বিশ্বাসযোগ্যতা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে না। সত্যটা নিশ্চয়ই বেরিয়ে আসবে। আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদনের কথাও বলেন তিনি।

মরিয়ম বলেন, ইমরান খানের অভিযোগ দেশের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি করেছে এবং দেশের বৃহত্তর স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ কমিশনের মাধ্যমে সত্যটা কী তা খুঁজে বের করা।

নতুন তথ্যমন্ত্রী মরিয়ম বলেন, ইমরান খান র‌্যালি ও সমাবেশ করে তার স্ত্রীর ঘনিষ্ঠ বান্ধবী ফারাহ খানের দুর্নীতির বিষয়টি ঢাকতে চান। পিটিআই সরকারের সময় ২০১৮ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে ৩৪টি ব্যাংক হিসাব খোলা হয়েছে, যেগুলোর অধিকাংশই ফারাহ খানের নামে। এই সময়ের মধ্যে এসব ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৮৭০ মিলিয়ন পাকিস্তানি রুপি স্থানান্তর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান শিগগির নির্বাচনের দাবি জানিয়েছিলেন। তার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পেছনে তিনি দাবি করেন এটি বিদেশি ষড়যন্ত্রের অংশ। পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল মূলত ২০২৩ সালের আগস্টে। কিন্তু তার আগেই অনাস্থা ভোটে হেরে ক্ষমতা ছাড়তে হয়েছে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে। অতীতের ধারা অনুসরণ করে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের পতনও হয়েছে মেয়াদ পূর্ণ করার আগেই।

পাকিস্তানের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো প্রধানমন্ত্রী অনাস্থা ভোটে হেরে বিদায় নিয়েছেন ক্ষমতা থেকে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলার শুনানি হতে পারে। রাজনীতির লড়াইয়ে গ্রেপ্তারও হতে পারেন পাকিস্তানের এই সাবেক ক্যাপ্টেন।


আরও খবর



৩২ মাস পর কারামুক্ত সম্রাট

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৫৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলাসহ মোট ৪টি মামলায় ৩২ মাস কারাভোগ করে অবশেষে জামিনে মুক্ত হয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট।

বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিজন সেল থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (কেরানীগঞ্জ) জেলার মাহবুবুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কারা কর্মকর্তা জামিনের কাগজ নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে যান। সব নিয়ম-কানুন মেনে সেখানে সিসিইউতে চিকিৎসাধীন সম্রাটের পাহারায় থাকা কারারক্ষীদের সরিয়ে নেওয়া হয়। বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

এর আগে আজই অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামান শুনানি শেষে তার জামিন মঞ্জুর করেন।

তার আইনজীবী মাহবুবুল আলম দুলাল গণমাধ্যমকে জানান, সম্রাটের বিরুদ্ধে মোট চারটি মামলা করা হয়। অস্ত্র, মাদক ও অর্থপাচারের মামলায় ইতোমধ্যে জামিন পেয়েছেন তিনি। কারাগারে ছিলেন দুদকের মামলায়।

১৯৫ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে সম্রাটের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং আইনে একটি মামলা করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি।সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগের উপপরিদর্শক রাশেদুর রহমান বাদী হয়ে রাজধানীর রমনা থানায় এই মামলা (মামলা নম্বর ১৪) করেন। সম্রাট তার সহযোগী এনামুল হক আরমানের মাধ্যমে ১৯৫ কোটি টাকা সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় পাচার করেছেন বলে মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে। সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার জিসানুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সিআইডি কর্মকর্তারা জানান, ২০১১ সালের ২৭ ডিসেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ৯ আগস্ট পর্যন্ত সম্রাট সিঙ্গাপুরে ৩৫ বার, মালয়েশিয়ায় তিনবার, দুবাইতে দুবার এবং হংকংয়ে একবার ভ্রমণ করেছেন। এছাড়া তার সহযোগী এনামুল হক আরমান ২০১১ সালের ১২ ডিসেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ১৮ মে পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে ২৩ বার ভ্রমণ করেছেন। সম্রাট ও আরমান অবৈধ অর্থ দিয়ে যৌথভাবে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন।

৬ অক্টোবর ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রামে আত্মগোপনে থাকা সম্রাটকে গ্রেফতার করা হয়। তার সঙ্গে আরমানকেও গ্রেফতার করা হয়। পরে ঢাকায় এনে তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদও করে র‌্যাব।

৬ অক্টোবর দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্ব একটি দল কাকরাইলে ভূঁইয়া ট্রেড সেন্টারে সম্রাটের কার্যালয়ে অভিযান শুরু করে। এদিন নিজ কার্যালয়ে পশুর চামড়া রাখার দায়ে তার ছয় মাসের জেল দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম। এর পর সম্রাটকে কারাগারে পাঠানো হয়।


আরও খবর



পাবনায় ১ লাখ ৪০ হাজার লিটার তেল জব্দ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৫১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পাবনা সদর, বেড়া, সুজানগর ও সাঁথিয়া উপজেলার বিভিন্ন বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ির গুদামে অভিযান চালিয়ে এক লাখ ৪০ হাজার লিটার ভোজ্যতেল জব্দ করেছে পুলিশ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এসময় পাঁচ ব্যবসায়িকে ছয় লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বুধবার (১১ মে) বিকেল থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত বেড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবুর আলী, সাঁথিয়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. মনিরুজ্জামান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর পাবনার সহকারী পরিচালক জতিরুল ইসলাম, আমিনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রওশন আলী ও পাবনা ডিবি পুলিশ এই অভিযান চালায়।

অভিযানে কাশীনাথপুর বাজারের ব্যবসায়ী সুনিল সাহার গুদামে ২৫ হাজার লিটার ও ব্যাংক সুনিলের গুদামে ২০ হাজার লিটার সয়াবিন, পাম্প ও সুপারপাম্প তেল এবং মীর আবুল খায়েরের গুদামে অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করা হয়। এসময় ওই তিন ব্যবসাীকে জরিমানা করা হয়।

পরে বেড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সবুর আলী সুনিল সাহাকে ২ লাখ টাকা ও ব্যাংক সুনিলকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করেন।

এদিকে সাঁথিয়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুজ্জামান ব্যবসায়ী মীর আবুল খায়েরকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

বেড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সবুর আলী বলেন, সুনিল সাহার গুদামে জব্দ করা ২৫ হাজার লিটার ও ব্যাংক সুনিলের গুদামে জব্দ করা ২৫ হাজার লিটার সয়াবিন, পাম্প ও সুপার পাম্প তেল জব্দ করা হয়েছে। ব্যবসায়ীদ্বয় তাদের দোষ স্বীকার করেছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও আমিনপুর থানার ওসির উপস্থিতিতে আগামী দুই দিনে সরকার নির্ধারিত মূল্যে জব্দ তেল বিক্রির নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

সাঁথিয়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুজ্জামান জানান, ব্যবসায়ী মীর আবুল খায়েকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জব্দ করা ৩০ হাজার লিটার সয়াবিন তেল জনপ্রতিনিধি ও আমিনপুর থানার ওসির উপস্থিতিতে ১৮৫ টাকা লিটার দরে আগামী ৩ তিন দিনের মধ্যে বিক্রয়ের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আমিনপুর থানার ওসি মো. রওশন আলী জানার, কাশিনাথপুর বাজারের তিনটি গুদামে অভিযান চালিয়ে ৭৫ হাজার লিটার সয়াবিন, পাম্প, সুপার পাম্প তেল জব্দ করা হয়েছে। ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দ্বয়ের নির্দেশনা অনুয়ায়ী স্থানীয় জনপ্রতিনিধির উপস্থিতিতে সরকার নির্দ্ধরিত মূল্যে আগামী তিন দিনের মধ্যে জব্দ তেল বিক্রি করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে পাবনা সদর উপজেলার পৌর সদরের বড় বাজারের উত্তম কুমার কুন্ডুর একটি গোডাউনে অভিযান চালিয়ে ৪৩ হাজার লিটার তেল জব্দ করা হয়। এ সময় গোডাউনের মালিক উত্তম কুমারকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান খোন্দকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে পাবনার সুজানগরে এক ব্যবসায়ীর বাসাবাড়ি ও গোডাউন থেকে অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা তিন হাজার ১৩৭ লিটার সয়াবিন তেল উদ্ধার এবং এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের আভিযানিক দল।

বুধবার দুপুর ১২টার দিকে সুজানগর পৌর বাজারের নন্দিতা সিনেমা হল রোডের ঘোষ স্টোরের মালিক শ্রী দুলাল ঘোষের বাসা বাড়ি ও গোডাউন থেকে এ তেল উদ্ধার ও জরিমানা করা হয়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অবৈধভাবে সয়াবিন তেল মজুদ রাখার খবর পেয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তররের পাবনার একটি আভিযানিক দল এ অভিযান চালায় । এ সময় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ও বিভিন্ন সাইজের প্যাকেটজাত ও বোতলজাত এক হাজার ৭০২ লিটার এবং এক হাজার ৪৩৫ লিটার ড্রাম ভর্তি সয়াবিন তেল উদ্ধার করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক শ্রী দুলাল ঘোষকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পরে প্যাকেটজাত ও বোতলজাতকৃত তেল বোতলের গায়ে লেখা পুরোনো মূল্যে স্থানীয় জনতার কাছে বিক্রি করে দেয়া হয়। এ সময় বৃষ্টি উপেক্ষা করে দীর্ঘ লাইন ধরে সয়াবিন তেল কিনে নিতে দেখা যায় নারী ও পুরুষ সকলকে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন পাবনা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম। এ সময় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম জানান, বাজারে সয়াবিন তেলের সরবরাহ কম দেখিয়ে তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা এবং অবৈধভাবে মজুদ করার অপরাধে ব্যবসায়ী শ্রী দুলাল ঘোষকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

নিউজ ট্যাগ: সয়াবিন তেল জব্দ

আরও খবর



ভূমধ্যসাগরে নৌকা ডুরে ১২ শরণার্থীর মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৮১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

উত্তর আফ্রিকার দেশ তিউনিসিয়ার উপকূলে শরণার্থীবোঝাই চারটি নৌকা ডুবে অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন আরও অন্তত ১০ জন। অবৈধভাবে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালি যাওয়ার চেষ্টাকালে নৌকাডুবির এ ঘটনা ঘটে। খবর রয়টার্সের।

ডুবে যাওয়া চারটি নৌকায় ১২০ জন আরোহী ছিলেন। মৃতদের সবাই আফ্রিকান। তিউনিসিয়ার কোস্টগার্ড কর্মকর্তা লে. কর্নেল আলি আয়ারি গণমাধ্যমকে জানান, ডুবে যাওয়া নৌকাগুলো থেকে ৯৮ শরণার্থীকে উদ্ধার করা হয়েছে।

তিউনিসিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, গত বছর দেশটির উপকূলীয় এলাকা থেকে ২০ হাজারেরও বেশি শরণার্থীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ছাড়া ২০২১ সালে অন্তত ১৫ হাজার শরণার্থী অবৈধভাবে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালির উপকূলে পৌঁছেছে।

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ইউএনএইচসিআরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অবৈধভাবে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ২০২১ সালে ১ লাখ ২৩ হাজারেরও বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী ইতালি পৌঁছেছেন। ২০২০ সালের চেয়ে ৯৫ হাজারের বেশি শরণার্থী ইতালি পাড়ি জমিয়েছে গত বছর।


আরও খবর