Logo
শিরোনাম

সবচেয়ে বেশিবার দেখা এই ছবি!

প্রকাশিত:শনিবার ২৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৮৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সবুজ ঢেউ খেলানো ঘাস। উপরে নীল আকাশ। তাতে দুধ সাদার মতো মেঘ। উইন্ডোজ এক্সপি (Windows XP) ব্যবহার করেছেন যারা তাদের কাছে ছবিটি অতীত স্মৃতি। উইন্ডোজ এক্সপিতে ব্লিস নামের এই ওয়ালপেপার ডিফল্ট ছিল। আর এই ছবিকেই বিশ্বের সবচেয়ে বেশিবার দেখা ছবি মনে করা হয়।

১৯৯৬ সালে ছবিটি তুলেছিলেন মার্কিন ফটোগ্রাফার চার্লস ওরিয়ার। এটি তোলা হয়েছিল ক্যালিফোর্নিয়ার ন্যাপা ও সোনোমা এলাকায়। গাড়িতে যাওয়ার সময় দৃশ্যটি দেখে খুবই ভালো লেগে যায়। আর তখনই কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই ক্যামেরাবন্দি করেন দৃশ্যটি। ছবিটি তোলা হয় v Mamiya RZ 67 ফিল্ম ক্যামেরায়। ছবিটিতে ফটোশপ করা হয়নি।

চার্লস এরপর ছবিটি স্টক ফটো এজেন্সি ওয়েস্টলাইট-এর কাছে জমা দেন। ১৯৯৮ সালে ছবিটি চোখে পড়ে মাইক্রোসফটের কর্ণধার বিল গেটসের। আর তিনি ১ লক্ষ মার্কিন ডলারে ছবিটির স্বত্ব কিনে নেন। তবে প্রকৃত অর্থে কত টাকা লেনদেন হয়েছিল তা কখনোই জানায়নি চার্লস ও মাইক্রোসফট।

ধীরে ধীরে ফটোগ্রাফার হিসেবে খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে চার্লস ও'রিয়ারের। তারপর বড় বড় খ্যাতিমান সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে কাজ করতে থাকেন তিনি।


অন্যদিকে অপর একটি ছবিও মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ এক্সপি-তে ওয়ালপেপারের অপশনে থাকত। তা হচ্ছে Autumn. ছবিটি তুলেছিলেন ফটোগ্রাফার পিটার বুরিয়ান। একটি ফটোগ্রাফি ম্যাগাজিনের হয়ে একটি লেন্সের পরীক্ষা করার সময় তুলেছিলেন তিনি। এরপর ছবিটি মাইক্রোসফটের ফটোগ্রাফ কেনা-বেচার ওয়েবসাইট করবিস-এ পাঠিয়ে দেন। ছবিটি মাইক্রোসফট মাত্র ৩০০ ডলারের বিনিময়ে কিনে নেয়।

পিটার একদমই জানতেন না কোন কারণে ছবিটি কিনে নেয় মাইক্রোসফট। পরে যখন জানতে পারেন বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটারে তার ছবিটি ডিফল্ট হিসেবে থাকবে তখন আকাশ থেকে পড়েন তিনি। কেননা, এত কম দামে ছবি বিক্রি করায় অনেকটা আফসোসও করেন। বলেন, কিছু না ভেবেই তুলেছিলাম ছবিটি। কিন্তু এই ছবিই যে কোটি কোটি মানুষ দেখবে তা কী করে জানব!


আরও খবর

গাজরের মালাই পাটিসাপ্টা

রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১

মেজবানি মাংস রান্না করবেন যেভাবে

বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১




করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যু দেখল বরিশাল

প্রকাশিত:সোমবার ১২ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৬৩জন দেখেছেন
Image

সোমবার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় তাদের মৃত্যু হয়। আর এই সময়ে বিভাগে নতুন করে ৫৭৫ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা এযাবৎকালের সর্বোচ্চ।

এর আগের দিন ২৪ ঘণ্টায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছিল এযাবৎকালের সর্বোচ্চ ৭১০ জন। এ নিয়ে বিভাগে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ২২হাজার ৬৮৪ জন।

জানা যায়, বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসাপাতালের করোনার আইসোলেশন ওয়ার্ডে উপসর্গ নিয়ে এযাবৎকালের সর্বোচ্চ ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায়। এছাড়া এর মধ্যে বরগুনায় দুজন ও ঝালকাঠিতে একসহ মোট তিনজন করোনা রোগীর মৃত্যু শনাক্ত হয়েছে। যা নিয়ে বরিশাল বিভাগে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৩৫২ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস জানান, মোট আক্রান্ত ২২ হাজার ৬৮৪ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৫ হাজার ৯৩৮ জন।

আক্রান্ত সংখ্যায় বরিশাল জেলায় নতুন সর্বোচ্চ ২১৬ জন নিয়ে মোট ৯ হাজার ৬১২ জন,পটুয়াখালী জেলায় নতুন ৪৯ জন নিয়ে মোট ২৮৯২, ভোলা জেলায় নতুন ৩৭ জনসহ মোট ২২৯৩,পিরোজপুর জেলায় নতুন ৯৪ জন নিয়ে মোট ৩১৯৭, বরগুনা জেলায় নতুন ৬৬ জন নিয়ে মোট আক্রান্ত ১৯০৩ এবং ঝালকাঠি জেলায় নতুন ১১৩ শনাক্ত নিয়ে মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭৮৭ জন।

এদিকে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় শুধুমাত্র বরিশাল শেবাচিম হাসাপাতালের করোনার আইসোলেশন ওয়ার্ডে উপসর্গ নিয়ে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা নিয়ে শুধুমাত্র শেবাচিম হাসপাতালেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৩১ জন এবং আইসোলেশন ওয়ার্ডে উপসর্গ নিয়ে ৬১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।


আরও খবর

এক মাছের দাম সাড়ে ৪ লাখ টাকা!

শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১




কুরবানির পশুর শতভাগ বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে: আতিক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৫৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাত ১২টার মধ্যেই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)-এর সব এলাকায় কুরবানির পশুর বর্জ্য শতভাগ অপসারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) সকালে ডিএনসিসির বিভিন্ন এলাকায় কুরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমের খোঁজখবর নিতে গিয়ে মেয়র এ কথা বলেন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবুল বাসার মুহাম্মদ তাজুল ইসলামের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ডিএনসিসি বলেন, স্থানীয় কাউন্সিলরসহ সবার আন্তরিক সহযোগিতায় ডিএনসিসির সব এলাকায় বুধবার রাত ১২টার মধ্যেই প্রথম দিনের শতভাগ বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে কুরবানির পশুর সব বর্জ্য অপসারণ করা সম্ভব হয়েছে। ডিএনসিসির ১০টি অঞ্চলের ৫৪টি ওয়ার্ডে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের আওতায় এবার কুরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ কাজে সর্বমোট ১১ হাজার ৫ শত ৮ জন কর্মী নিয়োজিত রয়েছে।

মেয়র বলেন, কুরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে গুলশানের নগর ভবনে কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়, কন্ট্রোল রুমের নম্বরগুলো হলো- ০২৫৮৮১৪২২০, ০৯৬০২২২২৩৩৩ এবং ০৯৬০২২২২৩৩৪। কন্ট্রোল রুমের নম্বরগুলো ছাড়াও সবার ঢাকা মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেও দ্রুততম সময়ের মধ্যে কুরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ করা হয়।

ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া থেকে বাঁচতে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, করোনা মহামারিকালে যাতে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ায় কারও মৃত্যু না হয়, সেজন্য নিজেদের ঘরবাড়ি ও আশেপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এডিস মশার বংশবিস্তারকে রোধ করতে হবে।

কুরবানির পশুর বর্জ্য দ্বারা যাতে নগরীর কোথাও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের সৃষ্টি না হয় সেজন্য মেয়র আতিকুল ইসলাম নগরবাসীকে যথাসময়ে ৬ লাখ ৫০ হাজার বর্জ্য ব্যাগ, ৫০ মেট্রিক টন ব্লিচিং পাউডার এবং ৫ লিটার আয়তনের ১ হাজার ৫ ক্যান স্যাভলন বিতরণ করেন।

সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুস্থ, সচল ও আধুনিক ঢাকা গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ডিএনসিসি মেয়র।


আরও খবর

মতিঝিলে গাড়ির গ্যারেজে আগুন

রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১




বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম গোলচত্বর থেকে ২২ কিলোমিটার যানজট

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

 সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম গোলচত্বর থেকে হাটিকুমরুল গোলচত্বর পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার মহাসড়কে ধীরগতিতে চলছে যানবাহন। যানজট নিয়ন্ত্রণে মহাসড়কটিতে এক লেন বন্ধ রেখে অপর লেনে চালানো হচ্ছে যানবাহন। বন্ধ থাকা লেনে ঘন্টার পর ঘন্টা থেমে রয়েছে গাড়ি। এতে করে যারা প্রিয়জনদের সাথে ঈদ করতে বাড়ি যাচ্ছেন তাদেরকে পোহাতে হচ্ছে দুর্ভোগ।

শনিবার (১৭ জুলাই) ভোর ছয়টা থেকে আটটা পর্যন্ত মহাসড়কে এমন পরিস্থিতি দেখা গেছে।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ শাহজাহান আলী ও বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ মোসাদ্দেক আলী বলেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষ ও গরুবোঝাই যানবাহনের চাপ বাড়ায় বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম গোলচত্বর থেকে হাটিকুমরুল গোলচত্বর পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার মহাসড়কে ধীরগতিতে চলছে যানবাহন।

মহাসড়কটিতে যানজট নিয়ন্ত্রণে রাখতে কখনো ঢাকাগামী লেন বন্ধ রেখে উত্তরবঙ্গগামি লেন আবার কখনও উত্তরবঙ্গগামী লেন বন্ধ রেখে ঢাকাগামী লেনে যানবাহন চলাচল করছে।

এদিকে বন্ধ থাকা লেনে ঘন্টার পর ঘন্টা থেমে থাকছে গাড়ি। ফলে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন মহাসড়ক ঘরমুখো মানুষ ও চালকেরা।


আরও খবর



আলেশা মার্টসহ সাত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব তলব

প্রকাশিত:বুধবার ৩০ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ১২২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ই-কমার্সের উপর নজরদারির অংশ হিসেবে এবার আরও সাতটি প্রতিষ্ঠানের হিসাব তলব করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণাধীন বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বা বিএফআইইউ। তবে হিসাব তলবের এই তালিকায় বিতর্কিত ও আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির নাম নেই।

হিসাব তলবকারী সাত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে আলেশা মার্ট, ধামাকা শপিং, সিরাজগঞ্জ শপ, আলাদিনের প্রদীপ, বুম বুম, আদিয়ান মার্ট ও নিডস ডট কম এর নাম। বাংলাদেশ ব্যাংকের শীর্ষ এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এসব প্রতিষ্ঠান এবং প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ সংশ্নিষ্ট ব্যক্তির নামে কোনো হিসাব বর্তমানে বা এর আগে পরিচালিত হলে তা জানাতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে হিসাব খোলার ফরম, কেওয়াইসি প্রোফাইল, শুরু থেকে হালনাগাদ লেনদেন বিবরণীও পাঠাতে হবে। চিঠি পাওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে এসব প্রতিষ্ঠানের লেনদেন সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য পাঠাতে হবে।

এর আগে সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মহাপরিচালক, ডাব্লিউটিও সেল) হাফিজুর রহমান জানান, ই-কমার্সের গ্রাহক পণ্য বুঝে পাওয়ার পর ডেলিভারি মেসেজ দিলে বিক্রেতা মূল্য পাবেন। আর এ প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গেটওয়ের মাধ্যমে এই অর্থ লেনদেন হবে। তবে তার পরামর্শ ছিলো, গ্রাহকেরা যেন ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ বা নগদের মতো মাধ্যম ব্যবহার করে কেনাকাটা করেন। তারা যেন আগাম নগদ অর্থ পরিশোধ না করেন।

গত ২০ জুন ই-কমার্স নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনের পর এ বিষয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, গ্রাহক ও মার্চেন্টদের কাছে ইভ্যালির দেনার পরিমাণ ৪০৩.৮০ কোটি টাকা। যেখানে কোম্পানিটির চলতি সম্পদ মাত্র ৬৫.১৭ কোটি টাকা।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৪ মার্চ, ২০২১ পর্যন্ত পণ্যমূল্য বাবদ গ্রাহকদের কাছ থেকে অগ্রিম ২১৩.৯৪ কোটি টাকা নিয়ে পণ্য সরবরাহ করেনি ইভ্যালি। অন্যদিকে, ইভ্যলি যেসব কোম্পানির কাছ থেকে পণ্য কিনে থাকে ওই সব মার্চেন্টদের কাছে কোম্পানিটির বকেয়া ১৮৯.৮৫ কোটি টাকা।

এমন পরিপ্রেক্ষিতে ব্র্যাক, সিটি, মিউচুয়াল ট্রাস্ট, ব্যাংক এশিয়া, ঢাকা ও প্রাইম ব্যাংক এরই মধ্যে তাদের ক্রেডিট, ডেবিট ও প্রিপেইড কার্ড ব্যবহার করে লেনদেন আপাতত স্থগিত করেছে দেশের ১০টি ই-কমার্স সাইটের সঙ্গে। এগুলো হলো- ইভ্যালি, আলেশা মার্ট, ধামাকা, ই-অরেঞ্জ, সিরাজগঞ্জ শপ, আলাদিনের প্রদীপ, কিউকম, বুম বুম, আদিয়ান মার্ট এবং নিডস।

শমী কায়সার বলেন, এক-দুটি প্রতিষ্ঠানের জন্য ই-কমার্স খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে, এটা কারও কাম্য নয়। ভোক্তা ও বিক্রেতা উভয়ের স্বার্থের জন্য এ খাতে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর বা পরিচালন নির্দেশিকা দরকার। এ ছাড়া পেমেন্টের নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি প্রয়োজন। নীতিমালা হওয়ার পর ডিজিটাল কমার্স আইনের দিকেও যেতে হবে।

ই-ভ্যালি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, তারা বিপুল ছাড় দিয়ে লোকসানে পণ্য বিক্রি করছে। যে কারণে দেশের ই-কমার্স ব্যবসায় অসুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে ভালো ও সৎ ই-কমার্স ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এবং ভবিষ্যতে এ খাতের প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট হবে।

বাংলাদেশে গত কয়েক বছরে বেশ কিছু এমন ই-কমার্স সাইট তৈরি হয়েছে, যেগুলো গ্রাহকদের অবিশ্বাস্য ছাড় দিয়ে পণ্য বিক্রি করছে। তবে কোম্পানিগুলোকে আগে টাকা পরিশোধ করতে হয় এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর পণ্য সরবরাহ করে। তবে টাকা নিয়েও পণ্য সরবরাহে বারবার সময়ক্ষেপণের অভিযোগ আছে। আবার তাদের ব্যবসার কৌশলটিও স্পষ্ট নয়। এ কারণে নানা সন্দেহ-সংশয় আছে জনগণের মধ্যে।

এর মধ্যেই ই-কমার্স সাইট ইভ্যালিকে নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি একটি তদন্ত চালিয়েছে। এতে বলা হয়েছে কোম্পানিটি এক টাকা আয় করতে সাড়ে তিন টাকার বেশি ব্যয় করে। আবার তাদের সম্পদের তুলনায় দেনা ছয় গুণ। ফলে তারা এই টাকা আদৌ পরিশোধ করতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।

মূলত বিভিন্ন অফারের নামে বাজার মূল্যের চেয়ে অনেক কম দামে পণ্য বিক্রি, পণ্য দেয়ার অনেক আগেই টাকা নেয়া এবং সময় মতো পণ্য সরবরাহ না করার অভিযোগ রয়েছে এসব ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।

ক্রেতার অর্ডার করা পণ্য হাতে না পাওয়া পর্যন্ত ওই পণ্যের পেমেন্ট সংশ্লিষ্ট বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্টে জমা হবে না। এ জন্য পণ্য অর্ডারের বিপরীতে পরিশোধিত টাকা বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং সরকার অনুমোদিত মিডলম্যান প্রতিষ্ঠানের কাছে জমা থাকবে।


আরও খবর

ব্যাংকে লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১




মুনিয়ার মৃত্যুতে বসুন্ধরা এমডির সংশ্লিষ্টতা পায়নি পুলিশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৯৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কলেজছাত্রী মুনিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগের মামলা থেকে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহানকে অব্যাহতি দিয়ে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে পুলিশ। তারা এ মৃত্যুতে সায়েম সোবহানের কোনো সংশ্লিষ্টতার তথ্য-প্রমাণ পায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে এ প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। এদিকে পুলিশের দেয়া ওই প্রতিবেদনের ওপর ২৯ জুলাই শুনানির দিন ধার্য করেন আদালত। ওইদিন আদালত সিদ্ধান্ত নেবেন চূড়ান্ত এই প্রতিবেদন গ্রহণ করবেন কিনা।

গত ২৬ এপ্রিল রাতে গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে ঢাকার একটি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মুনিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে গুলশান থানায় মামলা করেন মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহাদ। মামলার একমাত্র আসামি করা হয়েছিল বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরকে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, মোসারাত জাহান মুনিয়া (২১) মিরপুর ক্যান্টনম্যান্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। দুই বছর আগে মামলার আসামির সাথে মোসারাতের পরিচয় হয়। পরিচয়ের পর থেকে তারা বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় দেখা করতেন এবং সব সময় মোবাইলে কথা বলতেন। আসামির সাথে মুনিয়ার প্রেমের সম্পর্ক ছিল।

দুই বছর আগে মুনিয়াকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে রাজধানীর বনানীতে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নেন আসামি। সেখানে দুজনে বসবাস করতে শুরু করেন। এক বছর পরই আসামির পরিবার এক নারীর মাধ্যমে তাদের প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি জানতে পারে। পরে আসামির মা মুনিয়াকে ডেকে ভয়ভীতি দেখান এবং তাকে ঢাকা থেকে চলে যেতে বলেন। পরে আসামি মুনিয়াকে তাদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায় পাঠিয়ে দেন এবং পরে বিয়ে করবেন বলে আশ্বাস দেন।

এরপর গত ১ মার্চ মুনিয়াকে সাথে নিয়ে আবারো বাসা ভাড়া নেন আসামি। এবার গুলশানে ওঠেন তারা। মাঝে মাঝেই ওই ফ্ল্যাটে যাতায়াত করতেন আসামি। আসামি মুনিয়াকে বিয়ে করে বিদেশে স্থায়ী হওয়ার আশ্বাস দেন।

এজাহারে আরো উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি ওই বাসার মালিকের বাসায় ইফতার করেন মুনিয়া। পরে ছবিটি ফেসবুকে শেয়ার করেন। এ নিয়ে দুজনের মাঝে মনোমলিন্য হয়। আসামি মুনিয়াকে কুমিল্লায় চলে যেতে বলেন। আসামির মা জানতে পারলে মুনিয়াকে মেরে ফেলবেন।

২৫ এপ্রিল মুনিয়া কান্না করে বাদিকে বলেন, আসামি তাকে বিয়ে করবে না, শুধু ভোগ করেছে। আসামি তাকে ধোঁকা দিয়েছে। যেকোনো সময় তার বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।

পরে বাদি তার আত্মীয়স্বজনদের নিয়ে ২৬ এপ্রিল কুমিল্লা থেকে ঢাকায় রওনা হন। গুলশানের বাসায় পৌঁছে দরজা ভেতর থেকে লাগানো দেখতে পান। পরে মিস্ত্রি এনে তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে শোয়ার ঘরে সিলিংয়ের সাথে মুনিয়ার ঝুলন্ত লাশ দেখেন। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।



আরও খবর