Logo
শিরোনাম

স্নিগ্ধ সাজপোশাক বেছে নিন পূজার পাঁচ দিন

প্রকাশিত:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৯ অক্টোবর ২০২১ | ৯০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
মেয়েদের পূজার পোশাকে এবার শুধু সিঙ্গেল বা থ্রি-পিস নয়, ফোর পিসও নজর কাড়বে। ভারি কাজের লং ফোর পিসগুলো বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। অনেকটা কামিজের আদলে তৈরি নতুন প্যাটার্নের গাউনও নজর কাড়ছে

দিনগুণে পূজার পোশাক

এবার পূজার সময়টা যেহেতু দিনে গরম আর রাতে হালকা শীতের আমেজে, তাই এ সময় পূজার পোশাক নির্বাচনে আরামের দিকটাতে নজর দিতে হবে। শারদীয় দুর্গাপূজা বেশ কয়েকদিন ধরে চললেও ষষ্ঠী থেকে দশমী এ পাঁচ দিন সাজপোশাকের আয়োজনটা থাকে জোড়ালো। ষষ্ঠী এবং সপ্তমী পূজা শুরুর দিকে হওয়ায় এ দুই দিন সাধারণত সবাই হালকা স্নিগ্ধ সাজপোশাক বেছে নেন। সকালে মণ্ডপে অঞ্জলি দিতে যাওয়ার সময় শাড়ি, সালোয়ার কামিজ যে কোনোটাই পরতে পারেন। সন্ধ্যায় ভালো লাগবে সিল্কের হালকা নকশার মিষ্টি রঙা পোশাক। ছেলেরা পরতে পারেন সুতি কাপড়ের পাঞ্জাবি-পায়জামা কিংবা ট্রাউজার, ফতুয়া। অষ্টমী পূজায় অঞ্জলি বিশেষভাবে পালন হয় এবং এদিন কুমারী পূজা হওয়ায়। তাই সবাই চায় এদিন একটু জমকালো সাজপোশাক পরতে। অষ্টমীতে বেনারসি, কাতানের মতো ভারি শাড়ি পরতে পারেন। সালোয়ার-কামিজ পরলেও একটু ভারি কাজের নকশা বেছে নিন। ছেলেদের এদিন তসর, বলাকা সিল্ক, অ্যান্ডি সিল্ক, অ্যান্ডি সুতি পাঞ্জাবি বেশ মানায়। নবমীতে মেয়েরা পরতে পারেন সালোয়ার-কামিজ, গাউন, লং স্কার্ট প্রভৃতি। ছেলেদের ভালো লাগবে পাঞ্জাবি। তবে এ দিনটিতে পায়জামার বদলে ধুতি কিংবা প্যান্ট পরলে লুক চেঞ্জ হবে। দশমীতে সবাই সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠে। তাই গাঢ় রঙের সাজপোশাক বেছে নিন। দশমীতে লাল শাড়ি, সাদা শাড়ি লাল পাড়ের ঐতিহ্য লক্ষ করা যায়। তবে সাদা শাড়ি লাল পাড়ই যে পরতে হবে এমনও কোনো কথা নেই। জমিনে হালকা কাজ, ভারি আঁচলের কাতান, বেনারসিও চলতে পারে। রঙের ক্ষেত্রে কালচে মেরুন, ম্যাজেন্টা, সোনালি ভালো লাগবে। ছেলেরা এদিন ধুতি পরে বৈচিত্র্য আনতে পারেন। ধুতির সঙ্গে মিলিয়ে পরতে পারেন রাজকীয় মোটিফের পাঞ্জাবি। রাতে ফরমাল শার্ট-প্যান্ট, একরঙা পাঞ্জাবির সঙ্গে প্রিন্স কোট পরে বাজিমাত করতে পারেন।

আজও স্বতন্ত্র, অমলিন শাড়ি

আধুনিকা হাজারো নকশার পোশাকের ভিড়ে শাড়ি আজও স্বতন্ত্র, অমলিন। আর দুর্গোৎসবে শাড়ির সাজ চিরন্তন। ঐতিহ্যবাহী গরদের সাদা জমিনে লাল পাড়ের শাড়ির পাশাপাশি ভিন্নতা আনতে পূজার শাড়িতে এখন ডিজাইনাররা শরতের নীল, সবুজ, লাল, কমলাসহ বিভিন্ন রং ব্যবহার করছেন। জনপ্রিয় এখন দেশি সিল্ক, সুতি, মসলিন, জামদানি, কাতান শাড়ি। শঙ্খ, দুর্গা মায়ের গহনা, পদ্ম, ওম, অস্ত্র প্রভৃতি মোটিভ ব্যবহার হয়েছে পূজার শাড়িতে। নকশা ফুটিয়ে তুলতে এবার স্ক্রিন প্রিন্ট এবং হ্যান্ড অ্যাম্ব্র্র্রয়ডারির ব্যবহার বেশি হয়েছে। এ ছাড়া টাই-ডাই, অ্যাপলিক, মেশিন অ্যাম্ব্রয়ডারি, আড়িও নান্দনিক রূপে এসেছে শাড়ির নকশায়। পূজার শাড়ির সঙ্গে বেশ মানায় থ্রি-কোয়ার্টার হাতা, ঘটি হাতা, টিউলিপ হাতা, লম্বা হাতায় কুঁচি দেওয়া নকশার ব্লাউজ।

পূজার পাঞ্জাবি

পাঞ্জাবি ছাড়া পূজা যেন ভাবাই যায় না। প্রতি বারের মতো এবার পূজাতেও পাঞ্জাবির কাটছাঁট, ডিজাইন আর কলারে এসেছে পরিবর্তন। লং প্যাটার্নের পাশাপাশি সেমি লংও চলছে। রেগুলার ফিটের পাশাপাশি স্লিমফিট এখন ফ্যাশনেবল। পাঞ্জাবির গলায় এবার ব্যান্ড কলার, শার্টের কলার ছাড়াও সাদামাটা কাট চোখে পড়বে।

শেরওয়ানি গলার পাঞ্জাবি এখন অনেকেরই পছন্দ। সুতার কাজ ছাড়াও ভিন্ন কাপড়ের প্যাঁচওয়ার্ক, মেশিন অ্যাম্ব্রয়ডারি, ব্লক বেশ চলছে। স্ট্রাইপ ও প্রিন্ট পাঞ্জাবিও রয়েছে। পূজা কিছুটা গরম আর বৃষ্টির সময়টাতে হওয়ায় পাঞ্জাবির কাপড় যাতে আরামদায়ক হয় সেদিকে বিশেষ লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

কুর্তি-কামিজে নতুনত্ব

মেয়েদের পূজার পোশাকে এবার শুধু সিঙ্গেল বা থ্রি-পিস নয়, ফোর পিসও নজর কাড়বে। ভারি কাজের লং ফোর পিসগুলো বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। অনেকটা কামিজের আদলে তৈরি নতুন প্যাটার্নের গাউনও নজর কাড়ছে। নতুন নকশার এ গাউনগুলোর ওপরে আলাদাভাবে কলার দেওয়া শর্ট কোটি ব্যবহার করা হয়েছে। জর্জেটের টিউনিকও জনপ্রিয়তা পেয়েছে। গোল গলা, ল্যান্টার্ন হাতা, উঁচু-নিচু ছাঁটে কাটা হেম আর পিনটাকের কাজের এ টিউনিকগুলোতে ফ্লোরাল মোটিফের পাশাপাশি আল্পনা ধাঁচের নকশা করা হয়েছে। প্যাঁচওয়ার্কের কাজ করা লম্বা ধাঁচের কোটিতে নতুনত্ব পাওয়া যাবে। এর সঙ্গে বেল্ট দিয়ে স্টাইল করে পরলে গর্জিয়াস লুক আসবে। মিডি কামিজ কিংবা ফ্রক কুর্তির প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়েছে তরুণীদের। পূজার কালেকশনে মেয়েদের বিভিন্ন ধরনের পোশাকে লাইন, সিমেট্রিক, অ্যাসিমেট্রিক প্যাটার্নে তৈরি হয়েছে। বরাবরের মতো অধিকাংশ হাতা ঢোলা এবং ছড়ানো স্টাইলে করা হয়েছে। ফেব্রিক হিসাবে ব্যবহার হয়েছে সুতি, ভয়েল, লিনেন, জর্জেট, সফট সিল্ক ছাড়াও বিভিন্ন রকম অর্নামেন্টেড কাপড়। পূজায় শুধু যে দেশীয় ঘরানার সাজপোশাকই পরতে হবে, সেই ধারা ভেঙেছে অনেক আগেই। দুর্গোৎসবে অনেকেই এখন প্রতিদিন শাড়ি বা সালোয়ার কামিজ না পরে দু’একদিন ফিউশন পোশাক পরেন।

ক্যাজুয়ালে নজরকাড়া

ছেলেরা ষষ্ঠী থেকে নবমীতে পরতে পারেন ক্যাজুয়াল পোশাক। ক্যাজুয়াল পোশাকের মধ্যে গোল গলা ও কলার দুই ধরনের টি-শার্টই এখন চলছে। একরঙা ও চেকের টি-শার্টেরও কদর বেশ। চাইলে যে কোনো পূজায় দুপুরে বন্ধুবান্ধবের আড্ডায় কিংবা পূজামণ্ডপে ঘোরার সময় টি-শার্ট, শার্ট, ফতুয়া পরা যায়। এখন ব্লক, বাটিক, স্কিনপ্রিন্টসহ নানা ধরনের কাজ হচ্ছে টি-শার্টগুলোতে।

বয়স্কদের পূজার পোশাক

বয়স্কদের জন্য হালকা রং নকশার আরামদায়ক ফেব্রিকে তৈরি করা হয়েছে পূজার পোশাক। বিভিন্ন ধরনের সুতি শাড়ি, তাঁতের শাড়ি, সিল্ক শাড়িতে চিকন পাড়ে হালকা রং নকশা যেমন চোখে পড়বে তেমনি চওড়া পাড়ের শাড়িও আছে। তবে বয়স্কদের শাড়ির পাড় হালকা রাখা হয়েছে। নকশায় তুলে আনা হয়েছে পূজার পটভূমিতে তৈরি বিভিন্ন মোটিভ। পাঞ্জাবির ক্ষেত্রে আরামদায়ক ফেব্রিক এবং লুজ ফিটিংয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। কলারে চিকন কাজ হালকা রং ব্যবহার হয়েছে। শার্টে ব্যবহার হয়েছে পূজার বিভিন্ন মোটিভ।

 

শিশুর পোশাকে স্টাইলিশ লুক

শিশুদের জন্য নানা ধরনের স্টাইলিশ পোশাক পাওয়া যাচ্ছে। আরাম পেতে সুতি কাপড়ে তৈরি হয়েছে অধিকাংশ পোশাক। রঙের ক্ষেত্রে উজ্জ্বল রংকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। শিশুদের জন্য অ্যালাইন কাট, হাতাকাটা পোশাক ছাড়াও ঘটি হাতার ফ্রক, টপসের কালেকশন বেড়েছে। পার্টির জন্য কিনতে পারেন অ্যান্ডি সিল্ক, জর্জেট, লিনেনের ফ্রক, স্কার্ট, গাউন। ছেলে শিশুদের শার্ট, টি-শার্ট, ফতুয়া, কাতুয়ায় প্রাধান্য পেয়েছে শর্ট ও ফুল স্লিভ। সাদা পাঞ্জাবির পাশাপাশি ভাইব্রেন্ট কালারের পাঞ্জাবি রাখা হয়েছে।

 

আছে ফ্যামিলি পোশাক

বিভিন্ন উৎসবে এখন একই নকশার পোশাকে পরিবারের সবাই সাজার সুযোগ রয়েছে। বরাবরের মতো বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজ এবারও পূজা উপলক্ষ্যে নিয়ে এসেছে দারুণ সব ডিজাইনের পূজার পোশাক। শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, পাঞ্জাবি, বাচ্চাদের পোশাক সব ড্রেসেই একই মোটিভে নকশা করা হয়েছে এসব পোশাকে। গতবারের মতো এবারও পূজা উদযাপিত হতে যাচ্ছে করোনা মহামারির মধ্যেই। তাই কেনাকাটার ক্ষেত্রে এবং পরে পূজামণ্ডপে ঘুরে বেড়াতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। জমকালো পোশাক আর ভরপুর সাজগোজ করলেও অবশ্যই মাস্ক পরুন।

নিউজ ট্যাগ: দুর্গাপূজা

আরও খবর

আজকের ভালো মন্দ

বুধবার ২৭ অক্টোবর ২০২১

বাটা মসলার স্বাদে চিংড়ির কোরমা

মঙ্গলবার ২৬ অক্টোবর ২০২১




ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিয়ে কিডনি-লিভার বিক্রি করে পাচার চক্র

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৮ অক্টোবর ২০২১ | ৮০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিয়ে বিক্রি হয় কিডনি-লিভার। তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে কিডনি ও লিভার নিয়ে প্রতারণা করে আসছে একটি চক্র। আর এই চক্রের অন‌্যতম কয়েকজন সদস‌্যকে গ্রেপ্তার করে চাঞ্চল‌্যকর তথ‌্য দিয়েছে র‌্যাব।

মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এ বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলন বিস্তারিত তথ‌্য জানান র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি জানান, কিডনি-লিভার নিয়ে এই চক্রের প্রধান মো. শাহরিয়ার ইমরান। তিনি মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিডনি ও লিভার দেওয়ার বিজ্ঞাপন দিয়ে আকৃষ্ট করে ডোনার খুঁজতে থাকেন। 

খন্দকার আল মঈন বলেন, র‌্যাবের সাইবার ক্রাইমের ইউনিট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অনুসরণ করে ক্রয়-বিক্রয় সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস‌্য মো. শাহরিয়ার ইমরান আহম্মেদ, মো. মেহেদী হাসান, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. আব্দুল মান্নান, মো. তাজুল ইসলাম ওরফে তাজুকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে চারটি পাসপোর্ট এবং ভিসা সম্পর্কিত বেশকিছু কাগজপত্র ও দেশি-বিদেশি মুদ্রা জব্দ করা হয়।’

র‌্যাব কর্মকর্তা বলেন, এই চক্রের মোট সদস্য ১৫-২০ জন। তারা তিনটি ভাগে বিভক্ত হয়ে অবৈধ  কিডনি ক্রয়-বিক্রয়ের সম্পূর্ণ কার্যক্রম সম্পন্ন করে থাকে।

চক্রের প্রথম গ্রুপ ঢাকায় অবস্থান করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিডনি ট্রান্সপ্লান্টেশন প্রয়োজন এমন বিত্তশালী রোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। দ্বিতীয় দলটি প্রথম দলের চাহিদা মোতাবেক দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের গরিব ও অভাবী মানুষদের চিহ্নিত করে এবং তাদের অর্থনৈতিক দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে অর্থের বিনিময়ে কিডনি ট্রান্সপ্লান্টেশনের জন্য ডোনার হতে প্রলুব্ধ করে ঢাকায় নিয়ে আসে। পরবর্তীতে তৃতীয় দলটি প্রলোভনের শিকার ভুক্তভোগী কিডনি ডোনারদের ঢাকায় বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কিডনি ট্রান্সপ্লান্টেশন রোগীর সঙ্গে ব্লাড ম্যাচিং এবং অন্যান্য পরীক্ষা নিরিক্ষা সম্পন্ন করে।  ব্লাড ম্যাচিং এবং অন্যান্য ডায়াগনস্টিক টেস্টে কিডনি ট্রান্সপ্লান্টেশনের উপযুক্ততা নিশ্চিত হলে তার পাসপোর্ট, ভিসা প্রসেসিং এবং ভূয়া কাগজপত্র তৈরির মাধ্যমে ভূক্তভোগী ডোনারকে পার্শ্ববর্তী দেশে পাঠানোর জন্য প্রস্তুত করে। চক্রের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী দেশে অবস্থানকারী আরেকটি চক্র পারস্পরিক যোগসাজশে ভূক্তভোগী কিডনি ডোনারকে বিদেশের এয়ারপোর্ট অথবা স্থলবন্দরে রিসিভ করা থেকে শুরু করে হাসপাতালের ডকুমেন্টেশন, অস্ত্রোপচারসহ যাবতীয় কার্যক্রম শেষে বৈধ বা অবৈধ উপায়ে বিমান বা উত্তর পূর্বাঞ্চলের সীমান্ত এলাকার মাধ্যমে দেশে ফেরত পাঠায়।’

তিনি আরও বলেন, এই চক্র বিপুল পরিমাণ অর্থ অবৈধ উপায়ে হাতিয়ে নিয়েছে।  প্রতিটি কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য তারা রোগীদের কাছ থেকে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা নিতো। বিপরীতে তারা কিডনি ডোনারকে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা দেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করে এবং অগ্রীম ২ লাখ টাকা দেয়। কিডনি ট্রান্সপ্লান্টেশনের পর কিডনি দাতাদের পুরো অর্থ না দিয়ে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাতো। চক্রের প্রধান ইমরান প্রতিটি কিডনি ট্রান্সপ্লান্টেশন বাবদ ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা এবং মান্নান ও তাজুল প্রতি কিডনি দাতা সংগ্রহ বাবদ যথাক্রমে ৫ লাখ এবং ৩ লাখ টাকা গ্রহণ করতো।’

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গ্রেপ্তার শাহরিয়ার ইমরান আহম্মেদ পার্শ্ববর্তী দেশে অবস্থানরত কিডনি ক্রয়-বিক্রয় চক্রের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতায় একটি দালাল চক্র প্রতিষ্ঠা করেন এবং অনলাইনের মাধ্যমে আগ্রহী বিত্তশালী কিডনি রোগী এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে স্থানীয় দালালদের মাধ্যমে কিডনি ডোনার সংগ্রহসহ যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতেন। ইমরান ফেসবুকে বাংলাদেশ কিডনি ও লিভার পেসেন্ট চিকিৎসা সেবা’ এবং কিডনি লিভার চিকিৎসা সেবা’ নামে ২টি পেজের এডমিন। এ পর্যন্ত তিনি কিডনি বিক্রয়ের জন্য প্রায় শতাধিক মানুষকে পার্শ্ববর্তী দেশে পাচার করেছেন।’


আরও খবর

দেশে ছড়িয়ে পড়ছে ভয়ংকর আইস

মঙ্গলবার ২৬ অক্টোবর ২০২১




দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ৭ কিলোমিটার যানজট

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৭ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৫ অক্টোবর ২০২১ | ৮৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফোরিঘাটের দৌলতদিয়া প্রান্তে ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ঘাটের ড্রেজিং কাজ চালু থাকায় এমন যানজটের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে ঘাট কর্তৃপক্ষ। এর ফলে ভোগান্তিতে পড়েছে দক্ষীণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার যাত্রীরা।

বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) সকাল ৯টায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের দৌলতদিয়া ঘাট এলাকার প্রায় ৭ কিলোমিটার অংশ জুড়ে যাত্রীবাহী বাস, কাচা পণবাহী ট্রাক এবং কাভার্ডভ্যানসহ ব্যক্তিগত গাড়ীর জট রয়েছে।

ঝিনাইদহ থেকে আসা বাস যাত্রী পায়েল সরকার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু কাজ থাকায় আজ ঢাকা যাচ্ছি। কিন্তু এই দীর্ঘ যানজটে বসে থাকতে এখন অসহ্য লাগতেছে। কখন ফেরিতে উঠতে পারবো,কোনো নিশ্চয়তা নাই।

পটুয়াখালী থেকে আগত মেহজাবিন অন্যনা বলেন, প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে যানজটে বসে আছি। কখন ফেরিতে উঠতে পারব জানি না। এই গরমের মধ্যে যানজটে বসে থেকে হাঁপিয়ে উঠেছি।

খুলনা থেকে আগত সোহাগ পরিবহনের ড্রাইভার আব্দুল লতিফ মিয়া বলেন, দীর্ঘজটে বসে থেকে ক্লান্তি চলে আসছে। এর ফলে ঘুম ঘুম চোখে গাড়ি চালাতে গিয়ে দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে।

চুয়াডাঙ্গা থেকে আসা আরেক চালক কলিম উদ্দিন বলেন, গতকাল রাতে ঘাট এলাকায় আসলেও ফেরিতে উঠতি পারি নাই। জ্যামে আটকে আছি। আর এখানে হোটেল,বাথরুম না থাকায় আমাদের ভোগান্তি হচ্ছে।

যশোর থেকে কাচা পণ্য নিয়ে আসা ট্রাকচালক মো. সামসুল হক বলেন, গত রাত ১টার সময় ফেরীঘাটে আসলেও এখনো ফেরিতে উঠতে পারি নাই। ঘাটের ড্রেজিং কাজ চলায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘাটে কিছু হলেই আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এই নৌপথে আরও ফেরি ও ঘাটের সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন।

ফরিদপুর থেকে আগত আরেক ট্রাকচালক শিমুল বলেন, এই দীর্ঘ জটে  আমাদের ভোগান্তির শেষ নাই। এই নৌপথে এমন জট মাঝে মাঝেই দেখা যায়। এখানে ফেরি ও ঘাটের সংখ্যা বাড়াতে হবে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডাব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক মো. শিহাব উদ্দিন (বাণিজ্য) জানান, ঘাটের ড্রেজিং কাজ চলার কারণে যানবাহন পারাপারে একটু সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তবে সেটি নিরসনের জন্য কাজ করা হচ্ছে। এখন ২০টি ফেরির চলাচল করছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস ও কাঁচাপণ্যবাহী ট্রাক পারাপার করা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে দ্রুত সময়ে এই যানজট কেটে যাবে।



আরও খবর

বেগমগঞ্জে আ’লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

বৃহস্পতিবার ২৮ অক্টোবর ২০২১




মধ্যপ্রাচ্যে মানবপাচারকারী চক্রের হোতাসহ গ্রেফতার ৮

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৮ অক্টোবর ২০২১ | ৬৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে মানবপাচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা টুটুল ও তার সহযোগী তৈয়বসহ আটজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪

মধ্যপ্রাচ্যে মানবপাচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা টুটুলসহ আট সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

বুধবার সকালে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান।

তিনি বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে মানবপাচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা টুটুল ও তার সহযোগী তৈয়বসহ আটজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪। মানবপাচার করে টুটুল মুদি দোকানদার থেকে ওভারসিজ প্রতিষ্ঠানের মালিক হয়েছেন।

দুপুরে কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান তিনি।


আরও খবর

মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৮৯

বৃহস্পতিবার ২৮ অক্টোবর ২০২১




মহানবী (সা.) এর ব্যাঙ্গচিত্র আঁকা ব্যক্তি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৮ অক্টোবর ২০২১ | ১২৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মহানবী হযরত মুহাম্মদ(সা.)-এর ব্যঙ্গচিত্র আঁকা সুইডিশ কার্টুনিস্ট লার্স ভিকস সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। দেশটির স্থানীয় গণমাধ্যম এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিকস পুলিশের একটি গাড়িতে চড়ে সুইডেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মার্কইয়ার্ড শহরে ভ্রমণ করছিলেন এবং সে সময় একটি ট্রাকের সঙ্গে ওই গাড়িটির সংঘর্ষ ঘটে।

ওই দুর্ঘটনায় পুলিশের দুই কর্মকর্তাও নিহত হয়েছেন এবং ট্রাক চালক আহত হয়েছেন। ৭৫ বছর বয়সী ভিকস তার আঁকা ব্যঙ্গচিত্রের কারণে হত্যার হুমকি পেয়েছিলেন। এ কারণে তাকে পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছিল।

২০০৭ সালে তার আঁকা ছবি প্রকাশিত হলে বহু মুসলিম ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। ইসলাম ধর্মে মহানবীর ছবি আঁকার অনুমতি নেই। একে ধর্ম অবমাননা হিসেবেই দেখা হয়। ভিকস মহানবীর ব্যঙ্গচিত্র আকার পর থেকেই তাকে নিয়ে বেশ সমালোচনা হচ্ছিল।

রোববারের ওই দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিচয় প্রকাশ করেনি পুলিশ। তবে ভিকসের সঙ্গী স্টকহোম থেকে প্রকাশিত ডাগেন নাইটার পত্রিকার কাছে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পুলিশের গাড়ি এবং ট্রাকের মধ্যে কিভাবে সংঘর্ষ হয়েছে তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে প্রাথমিকভাবে অন্য কোন পক্ষের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

লার্স ভিকসের আঁকা সেই ব্যঙ্গচিত্র মুসলিম বিশ্বে এতটাই ক্ষোভ তৈরি করে যে সুইডেনের তখনকার প্রধানমন্ত্রী ফ্রেডরিক রাইনফেল্ট পরিস্থিতি সামাল দিতে ২২টি মুসলিম দেশের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। এর পরপরই ইরাকের আল-কায়েদা লার্স ভিকসকে হত্যার জন্য এক লাখ ডলার পুরস্কার ঘোষণা করে।

২০১৫ সালে ভিকস কোপেনহেগেনে বাক স্বাধীনতার উপর একটি বিতর্কে যোগ দেন। ওই অনুষ্ঠানটি বন্দুকধারীদের হামলার লক্ষ্যে পরিণত হয়। ভিকস সে সময় জানান, তিনিই ছিলেন ওই হামলার লক্ষ্যবস্তু। কিন্তু সে সময় তিনি ওই হামলা থেকে বেঁচে যান। কিন্তু হামলায় এক চলচ্চিত্র পরিচালক নিহত হন।


আরও খবর



নিজ দেশে ফিরতে চাওয়ায় রোহিঙ্গা নেতাকে হত্যা করা হয়েছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ০২ অক্টোবর 2০২1 | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ অক্টোবর ২০২১ | ৭৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, রোহিঙ্গানেতা মুহিবুল্লাহকে হত্যাকারীদের অবশ্যই বিচারের সম্মুখীন করা হবে। মুহিবুল্লাহ নিজ দেশ মিয়ানমারে ফেরত যেতে চেয়েছিলেন। সে কারণে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল তাঁকে হত্যা করেছে। এ হত্যাকাণ্ডে যে বা যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সরকার। এ ব্যাপারে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’ রোহিঙ্গাদের নেতা মুহিবুল্লাহর হত্যার ঘটনায় প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে আজ শনিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের পর জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। তারা এ হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানায় এবং সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করে। এ পরিপ্রেক্ষিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রী আজ আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানান।

গত বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্প-১ ইস্ট-এর ব্লক-ডি ৮-এ মুহিবুল্লাহর নিজ অফিসে পাঁচটি গুলি করে। এ সময় তিনটি গুলি তাঁর বুকে লাগে। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। খবর পেয়ে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যেরা তাঁকে উদ্ধার করে এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে উখিয়া থানা পুলিশ রাত ১টার দিকে তাঁর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে নিয়ে আসেন।

ময়নাতদন্তের পর মুহিবুল্লাহর মরদেহ গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হলে বিকেলেই কুতুপালং লম্বাশিয়া ক্যাম্পে জানাজার পর তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়। এ সময় সেখানে হাজার হাজার রোহিঙ্গার ঢল নামে।



আরও খবর