Logo
শিরোনাম

যশোর ও নওয়াপাড়া পৌর এলাকায় কঠোর বিধিনিষেধ শুরু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১০ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৬৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন জেলা প্রশাসন। ঊর্ধ্বমুখী এ হার রুখতে বুধবার মধ্যরাত থেকে যশোর পৌরসভা ও নওয়াপাড়া পৌরসভায় কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় বুধবার (৯ জুন) মধ্যরাত থেকে যশোর ও নওয়াপাড়া পৌরসভায় সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হয়েছে। এই বিধিনিষেধ চলবে ১৬ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার (১০ জুন) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিধিনিষেধ বাস্তবায়নের বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। বন্ধ রয়েছে দোকানপাট ও লোকাল রুটের বাস চলাচল। তবে দূরপাল্লা ও আন্তঃজেলা গণপরিবহন চলাচল করতে দেখা যায়। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য কেনাকাটার জন্য খোলা রয়েছে কাঁচাবাজার, মুদিবাজার ও ফার্মেসি।

এর আগে, যশোর পৌরসভা ও নওয়াপাড়া পৌরসভায় করোনা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার সকালে যশোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী সায়েমুজ্জামান জানান, করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন জেলা প্রশাসন। ঊর্ধ্বমুখী এ হার রুখতে বুধবার মধ্যরাত থেকে যশোর পৌরসভা ও নওয়াপাড়া পৌরসভায় কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বিধিনিষেধের প্রথম দিন প্রশাসন থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। যশোর পৌর এলাকায় ১৩টি ফিডার রোড এই দিনগুলোর জন্য বন্ধ করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এর আওতায় ঢাকা রোড (বারান্দিপাড়া), ডিআইজি রোড, পলিটেকনিক রোড, ঘোপ বাবলা তলা, পুরাতন কসবা চুয়াডাঙ্গা স্ট্যান্ড বাইলেন, পুরাতন কসবা লিচু তলা রোড, ধর্মতলা মোড়, চাঁচড়া বাজার, যশোর কলেজ রোড, সন্যাসি দিঘির পাড়, শংকরপুর বটতলা, শংকরপুর বাবলা তলা ও বেজতলা মেইন রোড, বিআরটিএ অফিসের সামনের রাস্তা বন্ধ করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক জানান, যশোর শহরে দশটি চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। এসব চেকপোস্টে পুলিশের একজন এসআই, একজন এএসআই, চারজন কনস্টেবল ও দুজন আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সাতজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে এসব চেকপোস্ট এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। একজন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে র‍্যাবেরও একটি টিমও মাঠে রয়েছে।


আরও খবর



ঘূর্ণিঝড় ইয়াস: সেন্টমার্টিনের জেটি বিধ্বস্ত

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ১১৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
রাস্তাঘাট ভাঙছে। আর প্রবল জোয়ারের ধাক্কায় বালিয়াড়িতে থাকা পাঁচটি ট্রলার ভেঙে গেছে। জোয়ারের পানির তোড়ে জেটির পন্টুনটি বিধ্বস্ত হয়েছে। নানা অংশ ভেঙে পড়েছে

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে জোয়ারের পানিতে কক্সবাজারের টেকনাফের প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের একমাত্র জেটিটি বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়াও উপড়ে পড়েছে গাছপালা। এতে আতঙ্কিত দ্বীপের ১০ হাজার বাসিন্দারা।

দ্বীপের বাসিন্দারা জানান, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের আতঙ্কে দ্বীপের মানুষ নির্ঘুম রাত কাটিয়েছে। বুধবার (২৬ মে) সকাল থেকে ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি বয়ে যাচ্ছে। তার চেয়ে বেশি আঘাত হানছে প্রবল জোয়ারের পানি।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ বলেন, সংকেত বাড়লে মাইকিং করে লোকজন নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হবে। সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে দ্বীপের উত্তর, উত্তর-পূর্ব দিকের অংশে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে বেশ কিছু গাছপালা উপড়ে গেছে। রাস্তাঘাট ভাঙছে। আর প্রবল জোয়ারের ধাক্কায় বালিয়াড়িতে থাকা পাঁচটি ট্রলার ভেঙে গেছে। জোয়ারের পানির তোড়ে জেটির পন্টুনটি বিধ্বস্ত হয়েছে। নানা অংশ ভেঙে পড়েছে।

কোস্টগার্ড সেন্টমার্টিন স্টেশনের ইনচার্জ লে. কমান্ডার রাসেল মিয়া বলেন, দ্বীপের হোটেল, রিসোর্ট, স্কুল, ইউনিয়ন পরিষদ মিলে ৩০টি আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে। যেখানে ছয় হাজার মানুষকে আশ্রয় দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পারভেজ চৌধুরী বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে প্রবল জোয়ারের পানিতে জেটি কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সব ধরণের ট্রলার চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। আর ছোট ট্রলার, নৌকা ও স্পিডবোটসমূহ দ্বীপের উপকূলে নোঙর করে রাখা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: ঘূর্ণিঝড় ইয়াস

আরও খবর



সূচক বাড়ার মধ্য দিয়ে লেনদেন চলছে

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৮ জুন ২০২১ | ৮৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (২৪ মে) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক বাড়ার মধ্য দিয়ে লেনদেন চলছে। আধাঘণ্টার লেনদেনেই ডিএসইতে ৩৫০ কোটি টাকার লেনদেন হয়ে গেছে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিন দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে। যা লেনদেনের প্রথম আধাঘণ্টা অব্যাহত রয়েছে।

লেনদেনের শুরু হয় প্রায় সবকটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়ে যাওয়ায় প্রথম মিনিটেই ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। আর ৩০ মিনিটের লেনদেনে বাড়ে ৫০ পয়েন্ট।

লেনদেনের সময় গড়ানোর সঙ্গে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাও বাড়ছে। এতে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১০টা ৪৪ মিনিটের লেনদেনে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫৬ পয়েন্টে বেড়েছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ্ ৬ পয়েন্ট বেড়েছে। আর ডিএসই-৩০ সূচক বেড়েছে ১৩ পয়েন্ট।

এ সময় পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া ২৩৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দামবৃদ্ধির তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৫৪টির। আর ৪৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৪৬৪ কোটি ৫২ টাকা।

এদিকে, সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৪০ পয়েন্ট বেড়েছে। লেনদেন হয়েছে ২৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। লেনদেন অংশ নেয়া ১৭৪ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৮টির, কমেছে ৩৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টির।

 


আরও খবর



একদিনে রাজশাহীতে আরও ৯ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ১৩৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চাঁপাইনবাবগঞ্জের পর এবার রাজশাহী, করোনা পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে। গত ২৪ ঘন্টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শনাক্ত ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস।

এদের মধ্যে চারজন করোনা পজিটিভ ছিলেন। বাকি পাঁচজন উপসর্গ নিয়ে রামেক হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

মৃতদের মধ্যে চারজন চাঁপাইনবাবগঞ্জের, তিনজন রাজশাহীর, একজন নাটোর ও একজন কুষ্টিয়া জেলার বাসিন্দা। বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেলে ১৭৭ জন করোনা রোগী চিকিৎসাধীন। এদের মধ্যে ১৩ জন আছেন আইসিইউতে।

এর আগে গত বুধবার চাঁপাইনবাবগঞ্জের চারজন মারা যান। গত সোমবার রাজশাহী মেডিকেলে একদিনে সর্বাধিক ১০ জনের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে গত এক সপ্তাহে রাজশাহী মেডিকেলে শনাক্ত ও উপসর্গ নিয়ে ৪৬ জনের মৃত্যু হলো।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর



বঙ্গবন্ধুর ৪ খুনির রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি

প্রকাশিত:রবিবার ০৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৮৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪ খুনির রাষ্ট্রীয় পদক ও খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। রবিবার (৬ জুন) বিকেলে মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রথীন্দ্র নাথ দত্ত স্বাক্ষরিত এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

আত্মস্বীকৃত চার খুনি হলেন- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম, লে. কর্নেল এস এইচ এম এইচ এম বি নুর চৌধুরী, লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী ও নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান।

এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুসহ অন্যান্য শহীদদের হত্যা মামলায় আত্মস্বীকৃত আদালত কর্তৃক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই ৪ খুনির মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বসূচক খেতাব থাকা জাতির জন্য লজ্জাজনক সেজন্য এ গেজেট বাতিল করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৯ ফেব্রুয়ারি জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ৭২তম সভায় ৪ খুনির রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছিল।


আরও খবর



বাংলাদেশকে ৬০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্ব ব্যাংক

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ মে 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ১২৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত নারী, তরুণ ও বিদেশফেরত শ্রমিকদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশকে ৬০ কোটি ডলার ঋণ দেবে বিশ্ব ব্যাংক। এই ঋণ দুটি উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে দেয়া হবে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এ অর্থের পরিমাণ প্রায় ৫ হাজার ১০০ কোটি টাকা।

বিশ্বব্যাংকের ওয়াশিংটনের হেড অফিস এই অর্থের অনুমোদন দেয়। শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ব ব্যাংকের এই ঋণের অর্থ যুব, মহিলা ও সুবিধাবঞ্চিত কর্মীদের কর্মসংস্থান এবং জীবিকার সুযোগ উন্নত করতে ব্যয় করা হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত নারী, তরুণ ও বিদেশফেরত শ্রমিকসহ সাড়ে ১৭ লাখের বেশি মানুষ উপকৃত হবেন। এই ঋণ পাঁচ বছর গ্রেস পিরিয়ডসহ ৩০ বছরে পরিশোধ করতে হবে বাংলাদেশকে।

মোট ঋণের অর্ধেক অর্থাৎ ৩০ কোটি ডলার দক্ষতা উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রকল্পে ব্যয় করা হবে। এর মাধ্যমে ১০ লাখের বেশি তরুণ ও বিদেশফেরত শ্রমিক ভবিষ্যত গড়তে কর্মদক্ষতা বাড়াতে পারবেন।

করোনাভাইরাস মহামারি চলাকালে বা মহামারির পর শ্রমবাজারে নিজেদের সম্পৃক্ত করতে তরুণ, নারী ও প্রতিবন্ধী সুবিধাবঞ্চিতরা এই প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ পাবেন।

বিশ্ব ব্যাংকের ত্বরণ এবং দক্ষতা শক্তিশালীকরণ মাধ্যমে অর্থনৈতিক রূপান্তরকরণ (এএসএসইটি) শীর্ষক প্রকল্পে বাকি ৩০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে সংস্থাটি। বিশ্ব ব্যাংকের এ প্রকল্পের মাধ্যমে ১০ লাখেরও বেশি যুব, মহিলা এবং সুবিধাবঞ্চিতদের সহায়তা করা হবে। প্রকল্পটি মহামারির সময় এবং তার পরে শ্রমিকদের পুনরায় প্রশিক্ষণ দিতে এবং এভাবে অর্থনৈতিক গতি পুনরুদ্ধারের শিল্পগুলোকে সহায়তা করবে।

এছাড়াও প্রকল্পটির মাধ্যমে ২০টি জেলার ৩ হাজার ২০০ গ্রামের ৭ লাখ ৫০ হাজার দরিদ্র ও দুর্বল গ্রামীণ মানুষের জীবন-জীবিকা উন্নয়নে সহায়তা করা হবে।

বাংলাদেশ ও ভুটানের দায়িত্বে থাকা বিশ্ব ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর দানদান চেন বলেন, বিশ্ব ব্যাংকের এই প্রকল্পের মাধ্যমে করোনাভাইরাসে বাংলাদেশে ক্ষতিগ্রস্ত লাখ লাখ মানুষ, বিশেষত তরুণ, নারী শ্রমিক ও বিদেশফেরতদের প্রশিক্ষণ দিয়ে ভবিষ্যৎ শ্রমবাজারের জন্যে প্রস্তুত করা হবে।

প্রকল্পটির বিশ্বব্যাংক টিম লিডার জ্যান সেন্ট-জিউর্স বলেন, প্রকল্পটি গ্রামীণ দরিদ্র জনগণকে জরুরিভিত্তিতে কোভিড-১৯ মহামারির ভবিষ্যৎ ধাক্কা মোকাবিলায় তাদের দক্ষতা উন্নয়ন করবে। এছাড়া আয়-উৎপাদনমূলক কার্যক্রম এবং দক্ষতা বিকাশের মাধ্যমে দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেতে সহায়তা করবে।

নিউজ ট্যাগ: বিশ্ব ব্যাংক

আরও খবর