Logo
শিরোনাম

বাংলাদেশ : এশিয়ার বিস্ময়কর ডিজিটাল নেতা: জয়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ১১৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
মোবাইল ফোনগুলো হচ্ছে এই বিস্ময়কর ঘটনার মূল চাবিকাঠি। বাংলাদেশে এখন জাতীয় জরুরি হেল্পলাইন ৯৯৯ চালু হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ টোলমুক্ত। এই সেবাটির মাধ্যমে নাগরিকরা দুর্ঘটনা

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাপ্তাহিক পত্রিকা নিউজ উইক-এর সর্বশেষ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইসিটিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নিবন্ধ।

নিবন্ধে বাংলাদেশ সরকারের 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' কর্মসূচিতে ২০০৯ সাল থেকে ১৩ লক্ষাধিক আইটি পেশাজীবী ও ১০ হাজার আইটি উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন জয়।

'বাংলাদেশ : এশিয়ার বিস্ময়কর ডিজিটাল নেতা' শিরোনামে প্রকাশিত নিবন্ধটিতে জয় লিখেছেন, 'ডিজিটাল বাংলাদেশ শুরুর পর থেকে, ১৩ লক্ষাধিক আইটি পেশাজীবী বাংলাদেশে স্থায়ী হয়েছে। পাশাপাশি তৈরি হয়েছে ১০ হাজার আইটি উদ্যোক্তাও।'

নিবন্ধটিতে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটির মাত্র এক দশকের মধ্যে ডিজিটালাইজেশনে রূপান্তরিত হওয়া ও এর ফলে কী সুফল পাচ্ছে এবং কীভাবে দেশটি তৃণমূল পর্যায়ে তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) সুবিধা পৌঁছে দিচ্ছে, তা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

নিচে জয়ের নিবন্ধটি তুলে ধরা হলো

এক দশক আগে, বাংলাদেশ ২০২১ সাল নাগাদ প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে একটি উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার প্রতিজ্ঞা নেয়। ২০২১ সাল বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী। তখন খুব বেশি লোক এটা বিশ্বাস করতে পারেনি।

প্রকল্পটির প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে যখন দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন মাত্র দুই কোটি বাংলাদেশি মোবাইল ফোন ব্যবহার করত। কিন্তু এখন ১২ কোটি বাংলাদেশি  মোবাইল ব্যবহার করে। এর পাশাপাশি কয়েক লাখ বাংলাদেশির মোবাইলে উচ্চগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে। এদের অনেকেই প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রামের বাসিন্দা। এর ফলে অসংখ্য মানুষের জীবন ও জীবিকার উন্নয়ন ঘটেছে।

পরিকল্পনামাফিক শ্রমসাধ্য, কাগজভিত্তিক সরকারি সেবাসমূহকে সহজে ব্যবহারযোগ্য ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন-ভিত্তিক কর্মসূচিতে রূপান্তরিত করতে ২০০৯ সালে উচ্চাভিলাষী ডিজিটাল বাংলাদেশের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়। পাশাপাশি ই-সিগনেচার ও ইলেকট্রনিক ফাইলিংও ব্যাপকভাবে চালু করা হয় ও এতে উৎসাহ দেওয়া হয়। এতে সুফল মেলে। সরকার আট হাজার ৫০০ ডিজিটাল সেন্টারের একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে- যা এখন মানুষকে কার্যত সব ধরনের অনলাইন সেবা দিয়ে যাচ্ছে। এই ডিজিটাল সেন্টারগুলো মানুষকে অনলাইনের মাধ্যমে জন্ম নিবন্ধন, চাকরি ও চিকিৎসাসেবা নিতে সহায়তা করছে। এমনকি অনেক জাতীয় কর্মকাণ্ডও অনলাইনে হচ্ছে। অনলাইনে এই ডিজিটাল সেবার কারণেই মূলত গত বছর করোনাভাইরাসের সময় প্রায় নির্বিঘ্নে সরকারি সেবাসমূহ দেওয়া হয়েছে।

একটি নতুন জুডিশিয়ারি পোর্টালের সহায়তায় আদালতগুলোও তাদের কার্যাবলি অব্যাহত রাখে। কৃষকরা অনলাইনে অ্যাগ্রিকালচারাল পোর্টারের মাধ্যমে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও সর্বশেষ আবহাওয়া পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে পারে। নাগরিকরা এখন সহজলভ্য মোবাইল ব্যবহার করে কভিড-১৯ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য জানতে পারছে। অনলাইনে অনেক কর্মসূচি যুক্ত হয়েছে- যেগুলোর মাধ্যমে পাসপোর্ট থেকে শুরু করে ড্রাইভিং লাইসেন্স পর্যন্ত প্রায় সব সরকারি ফরম পূরণ করা যায়।

মোবাইল ফোনগুলো হচ্ছে এই বিস্ময়কর ঘটনার মূল চাবিকাঠি। বাংলাদেশে এখন জাতীয় জরুরি হেল্পলাইন ৯৯৯ চালু হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ টোলমুক্ত। এই সেবাটির মাধ্যমে নাগরিকরা দুর্ঘটনা, সাইবারক্রাইম, নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা, অগ্নিকাণ্ড, জরুরি চিকিৎসাসেবাসহ যেকোনো প্রয়োজনে কল করতে পারে। জাতীয় হেল্প ডেস্ক প্রতি মিনিটে ৬০টি কলে সাড়া দিচ্ছে। জাতীয় ডিজিটাল স্বাস্থ্য কৌশলের কল্যাণে টেলিমেডিসিন শুধু সম্ভবই নয়, বিশেষত সেবাদান এলাকার আওতার বাইরে প্রত্যন্ত গ্রামীণ অঞ্চলেও এখন বাস্তবতা। এসব কর্মসূচির আওতায় স্বাস্থ্যসম্পর্কিত মৌলিক তথ্য প্রচার করে স্বাস্থ্যকর জনসংখ্যা গড়ে তোলা হচ্ছে।

এ ছাড়া সরকার জবাবদিহি এবং সক্রিয় হয়ে উঠেছে। অনলাইন অভিযোগের প্রতিকারব্যবস্থা বাংলাদেশিদের সহজেই সরকারি পরিষেবা বা পণ্য সম্পর্কে অনলাইনে অভিযোগ জমা দেওয়ার সুযোগ করে দেয়। ব্যাপক কানেকটিভিটি অর্থনীতিতেও সহায়তা করেছে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। একটি দক্ষ, ডিজিটালি প্রস্তুত শ্রমশক্তি বিকাশের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে বাংলাদেশ তার পুরো শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হয়েছে এবং যা এখন বছরে পাঁচ লাখ স্নাতক কর্মী তৈরি করছে। শুধু গত বছরেই তাদের মধ্যে ৬৫ হাজারেরও বেশি তথ্য-প্রযুক্তি পেশাদার ছিলেন। ডিজিটাল কেন্দ্রগুলো নিজেরাই কর্ম সৃজনকারী। প্রতিটি কেন্দ্রে তিনজনের মধ্যে কমপক্ষে একজন মহিলা মনোনীত করা হয়েছে।

মোট জনসংখ্যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ২৫ বছরের কম বয়সী তরুণ হলো বাংলাদেশ সাইবার শ্রমিকদের জন্য উর্বর স্থল। তরুণরা এই সুযোগ পেয়ে লাফিয়ে উঠছে। বিগত বছরগুলোতে, তাদের বেশির ভাগ পরিবারের ব্যবসার বাইরে তাদের জীবন কল্পনাও করতে পারেনি। আজ তরুণ বাংলাদেশিরা ক্রমবর্ধমান হারে শহুরে, ভ্রাম্যমাণ এবং নতুন অর্থনীতিতে প্রবেশের জন্য প্রস্তুত।

ডিজিটালাইজেশন থেকে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য সুফল পাচ্ছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর থেকে ১৩ লক্ষাধিক প্রযুক্তিবিদ বাংলাদেশকে তাঁদের আবাসস্থল করে তুলেছে। প্রায় ১০ হাজারেরও বেশি প্রযুক্তি উদ্যোক্তা রয়েছে।

সব মিলিয়ে তাঁরা এখন তথ্য-প্রযুক্তি পরিষেবা থেকে বছরে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করছে। অন্যভাবে বলা যায়, ডিজিটাল বাংলাদেশ শুরু হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশিরা ২ বিলিয়ন ঘণ্টা, ৮ বিলিয়ন ডলার এবং সরকারি সেবা গ্রহণে ১ বিলিয়ন পরিদর্শন সাশ্রয় করেছে।

বাংলাদেশ আক্ষরিক অর্থেই তারকা বনে যাচ্ছে। দেশটি ২০১৮ সালে প্রথম যোগাযোগ স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণ করেছে। উপগ্রহ টেলিযোগাযোগ সেবায় বিন্যস্ত করে সরবরাহ আমাদের অর্থনীতিকে আরো জোরদার করে তুলেছে। ২০০৮ সালে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হার ছিল প্রায় ৫ শতাংশ। আজ এটি ৮ শতাংশেরও ওপরে রয়েছে। এটি সহজেই উপলব্ধি করা যায়, উচ্চগতির সংযোগ বৃদ্ধির কারণেই এটি সম্ভব হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনেক কিছু অর্জন করেছে। তবে সেগুলোর মধ্যে কিছু রয়েছে, যা ইন্টারনেট যুগের দিকে দেশের নাটকীয় পদক্ষেপের চেয়ে আরো উল্লেখযোগ্য। এমনকি আমরা আমাদের ডিজিটাল দক্ষতা রপ্তানি করছি। বাংলাদেশি প্রশিক্ষকরা মালদ্বীপ, ভুটান এবং শ্রীলঙ্কায় আমাদের এশীয় প্রতিবেশীদের ডিজিটালাইজেশন সম্প্রসারণে দিতে সহায়তা করছেন। এক দশক আগে কেউই এটি সম্ভব হবে বলে ভাবেননি।


আরও খবর

করোনার টিকা ব্যবস্থাপনা: দশে দশ

বৃহস্পতিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২১




লেবু চা নাকি গ্রিন টি, কোনটায় লুকিয়ে স্বাস্থ্য

প্রকাশিত:রবিবার ২১ মার্চ 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৭৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সকালে ঘুম থেকে উঠে কিছুক্ষণ শরীরচর্চা করে কেউ পান করেন গ্রিন টি আর কেউ আবার পান করেন লেবু চা। এই লেবুজলে অনেকেরই গরমকালের মূল পানীয়। কাজের মাঝেও মনকে চাঙ্গা করতে এক কাপ লেবু চা যথেষ্ট। আবার খুব রোদে রোদে ঘুরে কাজ করলেও এই লেবু চা এনে দেয় আলাদা এনার্জি ও ফ্রেশনেস। কিন্তু শরীর ভালো রাখতে কোনটা বেশি কার্যকর লেবু চা পান নাকি গ্রিন টি?

লেবু চা: লেবু আমাদের শরীরের অভ্যন্তরীণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে তোলে। আবার শরীরের যে টক্সিন, সেই বিষগুলিকে লেবুই শরীর থেকে বের করে দিতে পারে বলে লেবু বডি ডিটক্সের জন্য খুব জরুরি। লেবুর রস দিয়ে যেটাই খাবেন সেটাই একটি লো-ক্যালোরি ফুডে পরিণত হবে যা ওজন কমাতে সহায়তা করবে।

যারা ডায়াবেটিস রোগে ভুগছেন তাদের জন্যও লেবু চা খুব উপকারী, যা ইনসুলিনের উৎপাদন বাড়ায়। লেবু চা নিয়মিত পান করলে আমাদের কার্ডিও-ভাসকুলার রোগে ভোগার ঝুঁকি কমে যায় অনেকটা প্রাকৃতিকভাবেই। অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ এবং ভাইরাস সংক্রমণ থেকে মুক্তি পেতে পারেন নিয়মিত লেবু চা পানে।

গ্রিন টি: এই সবুজ চায়ে রয়েছে নানা পুষ্টি উপাদান যেমন ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ছাড়াও বিভিন্ন খনিজ উপাদান যা প্রতিটি মানুষের শরীরেই শক্তি বৃদ্ধি করতে ও সারাদিনের কাজ করতে প্রয়োজন। শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে এই চা পান করলে। আবার শরীরকে বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার থেকে রক্ষা করতে পারে এই পানীয়।

দুটো পানীয়ই স্বাস্থ্যের জন্যে ভালো কিন্তু যেহেতু লেবুতে এসিটিক এসিড রয়েছে তাই সকালবেলা তা পানে অ্যাসিডিটি এবং গ্যাসের সমস্যা হতে পারে অনেকের।


আরও খবর



রাজপ্রাসাদ ছেড়ে অবশেষে চাকরি নিলেন ব্রিটেনের রাজপুত্র

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ এপ্রিল ২০২১ | ৭৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ব্রিটিশ রাজপরিবার ছেড়ে গত বছরের মার্চ থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন ডিউক অব সাসেক্স হ্যারি। এবার তিনি সেখানে নতুন চাকরিতে যোগ দিতে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।

জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের কোচিং অ্যান্ড মেন্টাল হেলথ ফার্ম বেটারআপ-এর চিফ ইমপ্যাক্ট অফিসার হিসেবে প্রিন্স হ্যারি চাকরি শুরু করবেন। এক বিবৃতিতে হ্যারি নিজেই এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বলে বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

চলতি মাসের শুরুতে হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগান ব্রিটিশ রাজপরিবার নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত উপস্থাপিকা ওপরা উইনফ্রের কাছে এক বিস্ফোরক সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন। এর রেশ কাটতে না কাটতেই ব্রিটিশ রাজপুত্রের নতুন এই চাকরির খবর এলো।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন অঙ্গরাজ্য সান ফ্যান্সিস্কোতে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান অফিসে বসবেন প্রিন্স হ্যারি। তবে তিনি সেখানে কতটা সময় দেবেন, কী পরিমাণ পারিশ্রমিক পাবেন এবং তার কাজ কী হবে তা বিস্তারিত জানা যায়নি।

বিবৃতিতে হ্যারি জানান, তার নতুন কাজটি হলো মানসিক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে থাকা লোকদের জন্য একটি সহানুভূতিশীল সম্প্রদায় তৈরি করা; যেখানে তাদের সঙ্গে সৎ ও সহনীয় পরিবেশে কথোপকথনের সুযোগ থাকবে।


আরও খবর

মিয়ানমারে সেনা অভিযানে নিহত ৮২

রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১




হাইকোর্টে ভার্চ্যুয়ালি শুরু ৪ বেঞ্চের বিচারকাজ শুরু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৫২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সাতদিনের লকডাউন চলাকালে হাইকোর্ট বিভাগের নির্ধারিত চারটি বেঞ্চে ভার্চ্যুয়ালি বিচারকাজ শুরু হচ্ছে। এ চার বেঞ্চ মঙ্গলবারের (৬ এপ্রিল) কার্যতালিকাভুক্ত রয়েছে। আজ সকাল ১১টা থেকে এসব বেঞ্চের কার্যক্রম শুরু হয়।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন গতকাল সোমবার (৫ এপ্রিল) এ সব বেঞ্চ গঠন করেন। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের দ্বৈত বেঞ্চ জরুরি রিট মোশন গ্রহণ করবেন।

জরুরি সব ধরনের দেওয়ানি মোশন গ্রহণ করবেন বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের দ্বৈত বেঞ্চ।

বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের দ্বৈত বেঞ্চ জরুরি ফৌজদারি মোশন গ্রহণ করবেন। এছাড়া বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের একক বেঞ্চ কোম্পানি ও অ্যাডমিরালটি সংক্রান্ত আবেদনপত্র শুনানির জন্য গ্রহণ করবেন। নিষেধাজ্ঞার মধ্যে আদালত কিভাবে চলবে সে বিষয়ে গত রবিবার পৃথক তিনটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

প্রধান বিচারপতির আদেশক্রমে এ বিষয়ে জারি করা আপিল বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবজনিত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আপিল বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম আগামী ৫ এপ্রিল থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত সীমিত পরিসরে পরিচালিত হবে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে শুধু ভার্চ্যুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার সকাল এগারোটা হতে চেম্বার আদালত অতীব জরুরি বিষয়ে শুনানি করবেন।


আরও খবর



বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিধন্য স্থানে মুক্তিযুদ্ধ পাঠাগার

প্রকাশিত:শনিবার ২০ মার্চ ২০21 | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ১৫৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর অর্থায়নে

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত স্বরূপকাঠির সোহাগদলের বড়বাড়ীতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ পাঠাগার। মুজিববর্ষে উপহার হিসেবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের অর্থায়নে সোহাগদল গনমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ওই পাঠাগার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

গত বুধবার বিকেলে পাঠাগারের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোশারেফ হোসেন। বিদ্যালয়ের সভাপতি ও পিরোজপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি মনিরুজ্জামান নাসিম আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আলোচনা করেন ওসি আবীর মোহাম্মদ হোসেন, বড়বাড়ীতে বঙ্গবন্ধুকে ১৫ দিন সেবা দানকারী ১০৭ বছরের বৃদ্ধ আব্দুর রহমান তালুকদার, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জাহীদ হোসেন প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনের সময় ওই এলাকায় যুক্তফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী জয়নাল আবেদীন মোক্তারের সমর্থনে নির্বাচন পরিচালনা করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ওই সময় বঙ্গবন্ধু টানা ১৫ দিন বড়বাড়ীতে অবস্থান করেন। বঙ্গবন্ধুকে দেখাশোনা ও সেবা করার জন্য দায়িত্ব পালন করেন প্রার্থী জয়নাল আবেদীনের ছোট ভাই আব্দুর রহমান তালুকদার ও এলাকার দায়িত্বশীল সমাজসেবক সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহ আলমের বাবা মৃত মোসলেম আলী হাওলাদার।


আরও খবর



প্রতি কেজি সবজির দাম ১ লাখ টাকা

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৯৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সারাবিশ্বের কাছে এই গাছটির অবশ্য আলাদা একটি পরিচয় রয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে দামি সবজির গাছ এটি। এর প্রতি কেজির দাম ১ লাখ টাকারও বেশি!

বাজারে চাহিদা না থাকায় ভারত-বাংলাদেশে এই সবজির চাষ হয় না। মূলত ইউরোপ এবং আমেরিকায় এর বহুল উৎপাদন হয়ে থাকে।

হিউমুলাস লুপুলাস একটি বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ। সম্প্রতি ভারতের বিহারের এক ব্যক্তি তার জমিতে এই গাছের চাষ করেন। এক আইএএস অফিসার সবজির ছবিসহ দামের উল্লেখ করে ইন্টারনেটে পোস্ট করা মাত্রই হইচই পড়ে গেছে।

বিহারের ওই ব্যক্তির নাম অমরেশ সিংহ। ভারতে তিনিই প্রথম এই সবজির চাষ করছেন। এর নাম হপ শুটস।বিহারের আওরঙ্গবাদে প্রায় পৌনে তিন লাখ টাকা বিনিয়োগ করে ৫ কাঠা জমিতে তিনি এই সবজির চাষ করেছেন।

সবজিটি দেখতে অনেকটা অ্যাসপারাগাসের মতো। খেতেও অনেকটা সে রকমই। অ্যাসপারাগাস যেভাবে রান্না করে খেতে হয় এই সবজিও সেভাবেই খেতে পারেন। এ ছাড়া আরও অনেক ব্যবহার রয়েছে এর।

এই গাছের ফুল হপ নামে পরিচিত। এই ফুল দিয়ে বিয়ার তৈরি করা হয়। কোনও পানীয়তে সুগন্ধী দেওয়ার কাজেও লাগে এই ফুল। হপ ফুল দিয়ে তৈরি বিয়ার সহজে নষ্ট হয় না।

মূলত পানীয় তৈরিতেই প্রথম এই গাছের ব্যবহার সারা বিশ্বে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তারপর ধীরে ধীরে এর ঔষধি গুণ সামনে আসতে শুরু করে।

ওই সবজি প্রথম চাষ হয় ৭৩৬ সালে জার্মানিতে। তবে প্রথম হপ শুটস পানীয়তে ব্যবহার করা হয় ১০৭৯ সালে। পরবর্তী কালে হপ শুটস-এর আরও অনেক ঔষধি গুণের কথা সামনে আসে।

এর বিশেষ অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল গুণ রয়েছে। টিবি রোগীদের ওষুধ তৈরিতে, ক্যানসারের চিকিৎসায় কাজে লাগে হপ শুটস। এই সমস্ত কারণেই হপ শুটস-এর এমন আকাশছোঁয়া দাম।

হপ শুটস-এর মধ্যে থাকা অ্যাসিড ক্যানসার আক্রান্ত কোষগুলোকে নষ্ট করে দেয়। ক্যানসারের ওষুধ তৈরিতে চিকিৎসা বিজ্ঞানে এই হপ শুটস নিয়ে বহু গবেষণাও চলছে।

এই গাছটি মূলত ঝোপ প্রকৃতির। ফুলগলো সবুজ রঙের আর খুব নরম। তাই খুব সাবধানে গাছ থেকে তুলতে হয় সেগুলো। তোলার সময় ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা আর বিক্রির যোগ্য থাকে না।


আরও খবর