Logo
শিরোনাম

বাংলাদেশ : এশিয়ার বিস্ময়কর ডিজিটাল নেতা: জয়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
মোবাইল ফোনগুলো হচ্ছে এই বিস্ময়কর ঘটনার মূল চাবিকাঠি। বাংলাদেশে এখন জাতীয় জরুরি হেল্পলাইন ৯৯৯ চালু হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ টোলমুক্ত। এই সেবাটির মাধ্যমে নাগরিকরা দুর্ঘটনা

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাপ্তাহিক পত্রিকা নিউজ উইক-এর সর্বশেষ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইসিটিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নিবন্ধ।

নিবন্ধে বাংলাদেশ সরকারের 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' কর্মসূচিতে ২০০৯ সাল থেকে ১৩ লক্ষাধিক আইটি পেশাজীবী ও ১০ হাজার আইটি উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন জয়।

'বাংলাদেশ : এশিয়ার বিস্ময়কর ডিজিটাল নেতা' শিরোনামে প্রকাশিত নিবন্ধটিতে জয় লিখেছেন, 'ডিজিটাল বাংলাদেশ শুরুর পর থেকে, ১৩ লক্ষাধিক আইটি পেশাজীবী বাংলাদেশে স্থায়ী হয়েছে। পাশাপাশি তৈরি হয়েছে ১০ হাজার আইটি উদ্যোক্তাও।'

নিবন্ধটিতে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটির মাত্র এক দশকের মধ্যে ডিজিটালাইজেশনে রূপান্তরিত হওয়া ও এর ফলে কী সুফল পাচ্ছে এবং কীভাবে দেশটি তৃণমূল পর্যায়ে তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) সুবিধা পৌঁছে দিচ্ছে, তা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

নিচে জয়ের নিবন্ধটি তুলে ধরা হলো

এক দশক আগে, বাংলাদেশ ২০২১ সাল নাগাদ প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে একটি উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার প্রতিজ্ঞা নেয়। ২০২১ সাল বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী। তখন খুব বেশি লোক এটা বিশ্বাস করতে পারেনি।

প্রকল্পটির প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে যখন দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন মাত্র দুই কোটি বাংলাদেশি মোবাইল ফোন ব্যবহার করত। কিন্তু এখন ১২ কোটি বাংলাদেশি  মোবাইল ব্যবহার করে। এর পাশাপাশি কয়েক লাখ বাংলাদেশির মোবাইলে উচ্চগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে। এদের অনেকেই প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রামের বাসিন্দা। এর ফলে অসংখ্য মানুষের জীবন ও জীবিকার উন্নয়ন ঘটেছে।

পরিকল্পনামাফিক শ্রমসাধ্য, কাগজভিত্তিক সরকারি সেবাসমূহকে সহজে ব্যবহারযোগ্য ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন-ভিত্তিক কর্মসূচিতে রূপান্তরিত করতে ২০০৯ সালে উচ্চাভিলাষী ডিজিটাল বাংলাদেশের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়। পাশাপাশি ই-সিগনেচার ও ইলেকট্রনিক ফাইলিংও ব্যাপকভাবে চালু করা হয় ও এতে উৎসাহ দেওয়া হয়। এতে সুফল মেলে। সরকার আট হাজার ৫০০ ডিজিটাল সেন্টারের একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে- যা এখন মানুষকে কার্যত সব ধরনের অনলাইন সেবা দিয়ে যাচ্ছে। এই ডিজিটাল সেন্টারগুলো মানুষকে অনলাইনের মাধ্যমে জন্ম নিবন্ধন, চাকরি ও চিকিৎসাসেবা নিতে সহায়তা করছে। এমনকি অনেক জাতীয় কর্মকাণ্ডও অনলাইনে হচ্ছে। অনলাইনে এই ডিজিটাল সেবার কারণেই মূলত গত বছর করোনাভাইরাসের সময় প্রায় নির্বিঘ্নে সরকারি সেবাসমূহ দেওয়া হয়েছে।

একটি নতুন জুডিশিয়ারি পোর্টালের সহায়তায় আদালতগুলোও তাদের কার্যাবলি অব্যাহত রাখে। কৃষকরা অনলাইনে অ্যাগ্রিকালচারাল পোর্টারের মাধ্যমে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও সর্বশেষ আবহাওয়া পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে পারে। নাগরিকরা এখন সহজলভ্য মোবাইল ব্যবহার করে কভিড-১৯ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য জানতে পারছে। অনলাইনে অনেক কর্মসূচি যুক্ত হয়েছে- যেগুলোর মাধ্যমে পাসপোর্ট থেকে শুরু করে ড্রাইভিং লাইসেন্স পর্যন্ত প্রায় সব সরকারি ফরম পূরণ করা যায়।

মোবাইল ফোনগুলো হচ্ছে এই বিস্ময়কর ঘটনার মূল চাবিকাঠি। বাংলাদেশে এখন জাতীয় জরুরি হেল্পলাইন ৯৯৯ চালু হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ টোলমুক্ত। এই সেবাটির মাধ্যমে নাগরিকরা দুর্ঘটনা, সাইবারক্রাইম, নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা, অগ্নিকাণ্ড, জরুরি চিকিৎসাসেবাসহ যেকোনো প্রয়োজনে কল করতে পারে। জাতীয় হেল্প ডেস্ক প্রতি মিনিটে ৬০টি কলে সাড়া দিচ্ছে। জাতীয় ডিজিটাল স্বাস্থ্য কৌশলের কল্যাণে টেলিমেডিসিন শুধু সম্ভবই নয়, বিশেষত সেবাদান এলাকার আওতার বাইরে প্রত্যন্ত গ্রামীণ অঞ্চলেও এখন বাস্তবতা। এসব কর্মসূচির আওতায় স্বাস্থ্যসম্পর্কিত মৌলিক তথ্য প্রচার করে স্বাস্থ্যকর জনসংখ্যা গড়ে তোলা হচ্ছে।

এ ছাড়া সরকার জবাবদিহি এবং সক্রিয় হয়ে উঠেছে। অনলাইন অভিযোগের প্রতিকারব্যবস্থা বাংলাদেশিদের সহজেই সরকারি পরিষেবা বা পণ্য সম্পর্কে অনলাইনে অভিযোগ জমা দেওয়ার সুযোগ করে দেয়। ব্যাপক কানেকটিভিটি অর্থনীতিতেও সহায়তা করেছে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। একটি দক্ষ, ডিজিটালি প্রস্তুত শ্রমশক্তি বিকাশের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে বাংলাদেশ তার পুরো শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হয়েছে এবং যা এখন বছরে পাঁচ লাখ স্নাতক কর্মী তৈরি করছে। শুধু গত বছরেই তাদের মধ্যে ৬৫ হাজারেরও বেশি তথ্য-প্রযুক্তি পেশাদার ছিলেন। ডিজিটাল কেন্দ্রগুলো নিজেরাই কর্ম সৃজনকারী। প্রতিটি কেন্দ্রে তিনজনের মধ্যে কমপক্ষে একজন মহিলা মনোনীত করা হয়েছে।

মোট জনসংখ্যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ২৫ বছরের কম বয়সী তরুণ হলো বাংলাদেশ সাইবার শ্রমিকদের জন্য উর্বর স্থল। তরুণরা এই সুযোগ পেয়ে লাফিয়ে উঠছে। বিগত বছরগুলোতে, তাদের বেশির ভাগ পরিবারের ব্যবসার বাইরে তাদের জীবন কল্পনাও করতে পারেনি। আজ তরুণ বাংলাদেশিরা ক্রমবর্ধমান হারে শহুরে, ভ্রাম্যমাণ এবং নতুন অর্থনীতিতে প্রবেশের জন্য প্রস্তুত।

ডিজিটালাইজেশন থেকে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য সুফল পাচ্ছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর থেকে ১৩ লক্ষাধিক প্রযুক্তিবিদ বাংলাদেশকে তাঁদের আবাসস্থল করে তুলেছে। প্রায় ১০ হাজারেরও বেশি প্রযুক্তি উদ্যোক্তা রয়েছে।

সব মিলিয়ে তাঁরা এখন তথ্য-প্রযুক্তি পরিষেবা থেকে বছরে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করছে। অন্যভাবে বলা যায়, ডিজিটাল বাংলাদেশ শুরু হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশিরা ২ বিলিয়ন ঘণ্টা, ৮ বিলিয়ন ডলার এবং সরকারি সেবা গ্রহণে ১ বিলিয়ন পরিদর্শন সাশ্রয় করেছে।

বাংলাদেশ আক্ষরিক অর্থেই তারকা বনে যাচ্ছে। দেশটি ২০১৮ সালে প্রথম যোগাযোগ স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণ করেছে। উপগ্রহ টেলিযোগাযোগ সেবায় বিন্যস্ত করে সরবরাহ আমাদের অর্থনীতিকে আরো জোরদার করে তুলেছে। ২০০৮ সালে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হার ছিল প্রায় ৫ শতাংশ। আজ এটি ৮ শতাংশেরও ওপরে রয়েছে। এটি সহজেই উপলব্ধি করা যায়, উচ্চগতির সংযোগ বৃদ্ধির কারণেই এটি সম্ভব হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনেক কিছু অর্জন করেছে। তবে সেগুলোর মধ্যে কিছু রয়েছে, যা ইন্টারনেট যুগের দিকে দেশের নাটকীয় পদক্ষেপের চেয়ে আরো উল্লেখযোগ্য। এমনকি আমরা আমাদের ডিজিটাল দক্ষতা রপ্তানি করছি। বাংলাদেশি প্রশিক্ষকরা মালদ্বীপ, ভুটান এবং শ্রীলঙ্কায় আমাদের এশীয় প্রতিবেশীদের ডিজিটালাইজেশন সম্প্রসারণে দিতে সহায়তা করছেন। এক দশক আগে কেউই এটি সম্ভব হবে বলে ভাবেননি।


আরও খবর

শেখ ফজিলাতুন নেছা, আমার মা

রবিবার ০৮ আগস্ট ২০২১




‘বিএনপি নিজেদের ছেড়ে আ.লীগকে নিয়ে ভাবতে শুরু করেছে’

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৮১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি নেতাদের বক্তব্য শুনে মনে হয় তারা এখন নিজেদের ভাবনা ছেড়ে দিয়ে আওয়ামী লীগকে নিয়ে ভাবতে শুরু করছে। শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে তার বাসভবনে ব্রিফিংকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী লীগ দেউলিয়া হয়ে গেছে’— বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে তিনি আরও বলেন, জনগণের কাছে কখনও বাংলাদেশ নালিশ পার্টি আবার কখনও ষড়যন্ত্রবাদী দল হিসেবে পরিচিত পাওয়া বিএনপি এখন জাতীয় হতাশাবাদী দলে রূপ নিয়েছে।

তিনি বলেন, এসব আষাঢ়ে গল্পের অবতারণা করে তারা আত্মতুষ্টি বোধ করছেন। নিজেদের চরম ব্যর্থতা ঢাকতে এসব কাল্পনিক ও অন্তঃসারশূন্য বাক্য-চর্চা বিএনপির পুরোনো অভ্যাস। বিএনপি যেই অপরাজনীতি ও নেতিবাচক রাজনীতি অব্যাহত রেখেছে তাতে তারা ক্রমশ হতাশার গভীরেই নিমজ্জিত হচ্ছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, জনগণের প্রশ্ন, বিএনপি কী এখন বিএনপি আছে? সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদ আর স্বাধীনতার পরাজিত শত্রুদের সাথে সখ্যতা করতে গিয়ে বিএনপি এখন নিজ চরিত্র হারিয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কোন ভূঁইফোড় সংগঠন নয় যে কারো যোগসাজশে দেশ চালাত হবে। শেখ হাসিনা জনমানুষের আস্থা এবং সমর্থন নিয়েই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এদেশের মানুষ জানে আওয়ামী লীগ শোষণ করেনা বরং দেশকে শোষণমুক্ত করেছে।


আরও খবর



করোনায় তিন মাসে সর্বনিম্ন মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গত একদিনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩৮ জন, যা তিন মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে গত ৯ জুন এর চেয়ে কম ৩৬ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর। মারা যাওয়া ৩৮ জনকে নিয়ে দেশে করোনায় সরকারি হিসেবে মোট মারা গেলেন ২৬ হাজার ৮৩২ জন। একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৩২৫ জন। তাদের নিয়ে দেশে করোনাতে সরকারি হিসেবে মোট শনাক্ত হলেন ১৫ লাখ ২৭ হাজার ২১৫ জন।

শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন তিনি হাজার ৮৫৬ জন। তাদের নিয়ে দেশে করোনাতে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হলেন ১৪ লাখ ৭২ হাজার ৬৭ জন।

একই সময়ে করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ২৭ হাজার ২৩০টি আর নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৬ হাজার ৮৭৮টি। দেশে এখন পর্যন্ত মোট ৯২ লাখ দুই হাজার ৭৯০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে জানিয়ে অধিদফতর জানাচ্ছে, এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৬৮ লাখ পাঁচ হাজার ৮৪৭টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ২৩ লাখ ৯৬ হাজার ৯৪৩টি।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে রোগী শনাক্তের হার আট দশমিক ৬৫ শতাংশ আর এখন পর্যন্ত রোগী শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৬০ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ আর শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৭৬ শতাংশ।


আরও খবর

দেশে করোনায় আরও ৪৩ জনের মৃত্যু

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

ডেঙ্গুতে হাসপাতালে আরও ২৩২ রোগী

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১




ডেঙ্গুতে হাসপাতালে আরও ২৩২ রোগী

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৩২ জন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ১৮৭ জন এবং ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৫ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া অধিকাংশ রোগীই রাজধানীর বাসিন্দা। সবমিলিয়ে করোনাকালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৫৯ জন মানুষ।

শনিবার বিকেলে সারাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গু বিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন ২৩২ জন ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ভর্তি থাকা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ১৯৭ জনে।

ঢাকার ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৯৯০ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন ২০৭ জন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আজ পর্যন্ত হাসপাতালে সর্বমোট রোগী ভর্তি হয়েছেন ১৫ হাজার ৪৬০ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১৪ হাজার ২০৪ জন রোগী। ডেঙ্গুতে এ সময়ে ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।


আরও খবর

দেশে করোনায় আরও ৪৩ জনের মৃত্যু

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

করোনায় আরও ৩৫ জনের মৃত্যু

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১




১৮ বছরের নিচে শিক্ষার্থীরা পাবে ফাইজার-মডার্নার টিকা

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

১৮ বছরের নিচে শিক্ষার্থীদের ফাইজার এবং মডার্নার টিকা দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কোর্সে কম্প্রেহেনসিভ পরীক্ষায় তেজগাঁওয়ের একটি কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ১৮ বছরের ওপরে যে কোনো টিকা দেওয়া যাবে। ১৮ বছরের নিচে হলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও অন্যান্য দেশের নির্দেশনা দেখে ফাইজার ও মডার্নার টিকা দেওয়া হতে পারে। তিনি বলেন, কীভাবে শিশুদের টিকা দেওয়া যাবে সে বিষয়ে  আগামীকাল (৫ সেপ্টেম্বর) আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে।

তিনি বলেন, ১২ বছরের বেশি হলে অন্যান্য দেশে যেভাবে দেওয়া হচ্ছে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনে শিশুদের ফাইজার এবং মডার্নার টিকা দেওয়া হচ্ছে। আমরাও এটি অনুসরণ করতে পারি।

ক্যাম্পেইনের দ্বিতীয় ডোজের টিকা মজুত আছে জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে যাদের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর থেকে তাদের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে। প্রথম ডোজ যে কেন্দ্র দেওয়া হয়েছে, দ্বিতীয় ডোজও একই কেন্দ্রে নিতে হবে। গ্রামের টিকা নেওয়ার জন্য মানুষের আগ্রহ কম ছিল, আমরা তাদের অনুপ্রাণিত করতেই এ কর্মসূচি হাতে নিয়েছেলাম।

মন্ত্রী বলেন, টিকা পাওয়ার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে বাকিদেরও টিকা নিশ্চিত করা হবে। চীনের সঙ্গে নতুন করে ছয় কোটি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে সাড়ে ১০ কোটি টিকা চাহিদা দেওয়া হয়েছে। আগামী বছরের জানুয়ারি নাগাদ এসব টিকা পাওয়ার আশা করা হচ্ছে। এ সাড়ে ১৬ কোটি টিকা পেলে সংকট কেটে যাবে।



আরও খবর

দেশে করোনায় আরও ৪৩ জনের মৃত্যু

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

ডেঙ্গুতে হাসপাতালে আরও ২৩২ রোগী

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১




ঝিনাইদহে নিউমোনিয়া ডায়রিয়ার প্রকোপ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬০জন দেখেছেন
Image

ঝিনাইদহে শিশুদের নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়া রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। প্রতিদিনই ঝিনাইদহ সদর ও শিশু হাসপাতালে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা নিতে আনা হচ্ছে। হাসপাতাল দুটিতেই শিশু ওয়ার্ডে স্থান সংকুলান না হওয়ায় মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ডে শয্যা আছে আটটি। গতকাল সোমবার ভর্তি ছিল ১১৭ শিশু। এর মধ্যে ৯০ জন নিউমোনিয়াতে আক্রান্ত। বাকি শিশুরা ডায়রিয়াতে আক্রান্ত। এ হাসপাতালে প্রতিদিন আউটডোরে কমপক্ষে ১৫০ নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশুকে চিকিৎসাসেবা দিতে আনা হচ্ছে। এর মধ্যে যাদের রোগ জটিল আকার ধারণ করেছে তাদের ভর্তি করা হচ্ছে। বাকিদের ব্যবস্থাপত্র ও কিছু ওষুধ দিয়ে বাড়ি পাঠানো হচ্ছে।

ঝিনাইদহ শিশু হাসপাতালে শয্যা আছে ২৫টি। গতকাল সোমবার সেখানে ৪০ জন শিশু রোগী ভর্তি ছিল। তারা সবাই নিউমোনিয়াতে আক্রান্ত। এ হাসপাতালেও প্রতিদিন নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত কমপক্ষে ১০০ শিশুকে অভিভাবকরা নিয়ে আসছেন। তাদের মধ্যে যাদের রোগ জটিল আকার ধারণ করেছে তাদের ভর্তি করা হচ্ছে। বাকিদের ব্যবস্থাপত্র ও কিছু ওষুধ দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বড় কামারকুন্ডু গ্রামের তামান্না বেগম বলেন, তার শিশুকে সাত দিন আগে সদর হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়েছে। নিউমোনিয়া হয়েছে। এখনো ভালো হয়নি। তাদের গ্রামে আরো শিশু নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে। শৈলকুপা উপজেলার কাতলাগাড়ি গ্রামের হজরত বিশ্বাস বলেন, তার শিশু নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হলে সদর হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়েছে। এ ওয়ার্ডে ডাক্তারের অভাব রয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি ডাক্তার বাড়ানোর দাবি করেন। শিশু হাসপাতালের কনসালট্যান্ট ডা. আলি আহসান ফরিদ (জামিল) বলেন, নতুন চালু হওয়া এ হাসপাতালে শয্যার অভাব রয়েছে। নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশু রোগীর চাপ বেড়ে গেছে। শয্যা বাড়ানো প্রয়োজন বলে তিনি জানান।

ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের শিশু বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. আনোয়ার হোসেন বলেন, আগস্ট মাস থেকে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশু রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। এ ওয়ার্ডে বর্তমানে এক জন ডাক্তার আছেন। রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন ডাক্তার ও নার্সরা। তিনি জানান, ঋতু পরিবর্তনের কারণে শিশুরা নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। এ সময় শিশুদের যাতে ঠান্ডা না লাগে সে ব্যাপারে মায়েদের সতর্ক থাকতে পরামর্শ দেন তিনি।


আরও খবর