Logo
শিরোনাম

বাংলাদেশ : এশিয়ার বিস্ময়কর ডিজিটাল নেতা: জয়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৫ জুন ২০২১ | ২২৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
মোবাইল ফোনগুলো হচ্ছে এই বিস্ময়কর ঘটনার মূল চাবিকাঠি। বাংলাদেশে এখন জাতীয় জরুরি হেল্পলাইন ৯৯৯ চালু হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ টোলমুক্ত। এই সেবাটির মাধ্যমে নাগরিকরা দুর্ঘটনা

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাপ্তাহিক পত্রিকা নিউজ উইক-এর সর্বশেষ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইসিটিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নিবন্ধ।

নিবন্ধে বাংলাদেশ সরকারের 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' কর্মসূচিতে ২০০৯ সাল থেকে ১৩ লক্ষাধিক আইটি পেশাজীবী ও ১০ হাজার আইটি উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন জয়।

'বাংলাদেশ : এশিয়ার বিস্ময়কর ডিজিটাল নেতা' শিরোনামে প্রকাশিত নিবন্ধটিতে জয় লিখেছেন, 'ডিজিটাল বাংলাদেশ শুরুর পর থেকে, ১৩ লক্ষাধিক আইটি পেশাজীবী বাংলাদেশে স্থায়ী হয়েছে। পাশাপাশি তৈরি হয়েছে ১০ হাজার আইটি উদ্যোক্তাও।'

নিবন্ধটিতে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটির মাত্র এক দশকের মধ্যে ডিজিটালাইজেশনে রূপান্তরিত হওয়া ও এর ফলে কী সুফল পাচ্ছে এবং কীভাবে দেশটি তৃণমূল পর্যায়ে তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) সুবিধা পৌঁছে দিচ্ছে, তা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

নিচে জয়ের নিবন্ধটি তুলে ধরা হলো

এক দশক আগে, বাংলাদেশ ২০২১ সাল নাগাদ প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে একটি উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার প্রতিজ্ঞা নেয়। ২০২১ সাল বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী। তখন খুব বেশি লোক এটা বিশ্বাস করতে পারেনি।

প্রকল্পটির প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে যখন দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন মাত্র দুই কোটি বাংলাদেশি মোবাইল ফোন ব্যবহার করত। কিন্তু এখন ১২ কোটি বাংলাদেশি  মোবাইল ব্যবহার করে। এর পাশাপাশি কয়েক লাখ বাংলাদেশির মোবাইলে উচ্চগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে। এদের অনেকেই প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রামের বাসিন্দা। এর ফলে অসংখ্য মানুষের জীবন ও জীবিকার উন্নয়ন ঘটেছে।

পরিকল্পনামাফিক শ্রমসাধ্য, কাগজভিত্তিক সরকারি সেবাসমূহকে সহজে ব্যবহারযোগ্য ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন-ভিত্তিক কর্মসূচিতে রূপান্তরিত করতে ২০০৯ সালে উচ্চাভিলাষী ডিজিটাল বাংলাদেশের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়। পাশাপাশি ই-সিগনেচার ও ইলেকট্রনিক ফাইলিংও ব্যাপকভাবে চালু করা হয় ও এতে উৎসাহ দেওয়া হয়। এতে সুফল মেলে। সরকার আট হাজার ৫০০ ডিজিটাল সেন্টারের একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে- যা এখন মানুষকে কার্যত সব ধরনের অনলাইন সেবা দিয়ে যাচ্ছে। এই ডিজিটাল সেন্টারগুলো মানুষকে অনলাইনের মাধ্যমে জন্ম নিবন্ধন, চাকরি ও চিকিৎসাসেবা নিতে সহায়তা করছে। এমনকি অনেক জাতীয় কর্মকাণ্ডও অনলাইনে হচ্ছে। অনলাইনে এই ডিজিটাল সেবার কারণেই মূলত গত বছর করোনাভাইরাসের সময় প্রায় নির্বিঘ্নে সরকারি সেবাসমূহ দেওয়া হয়েছে।

একটি নতুন জুডিশিয়ারি পোর্টালের সহায়তায় আদালতগুলোও তাদের কার্যাবলি অব্যাহত রাখে। কৃষকরা অনলাইনে অ্যাগ্রিকালচারাল পোর্টারের মাধ্যমে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও সর্বশেষ আবহাওয়া পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে পারে। নাগরিকরা এখন সহজলভ্য মোবাইল ব্যবহার করে কভিড-১৯ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য জানতে পারছে। অনলাইনে অনেক কর্মসূচি যুক্ত হয়েছে- যেগুলোর মাধ্যমে পাসপোর্ট থেকে শুরু করে ড্রাইভিং লাইসেন্স পর্যন্ত প্রায় সব সরকারি ফরম পূরণ করা যায়।

মোবাইল ফোনগুলো হচ্ছে এই বিস্ময়কর ঘটনার মূল চাবিকাঠি। বাংলাদেশে এখন জাতীয় জরুরি হেল্পলাইন ৯৯৯ চালু হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ টোলমুক্ত। এই সেবাটির মাধ্যমে নাগরিকরা দুর্ঘটনা, সাইবারক্রাইম, নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা, অগ্নিকাণ্ড, জরুরি চিকিৎসাসেবাসহ যেকোনো প্রয়োজনে কল করতে পারে। জাতীয় হেল্প ডেস্ক প্রতি মিনিটে ৬০টি কলে সাড়া দিচ্ছে। জাতীয় ডিজিটাল স্বাস্থ্য কৌশলের কল্যাণে টেলিমেডিসিন শুধু সম্ভবই নয়, বিশেষত সেবাদান এলাকার আওতার বাইরে প্রত্যন্ত গ্রামীণ অঞ্চলেও এখন বাস্তবতা। এসব কর্মসূচির আওতায় স্বাস্থ্যসম্পর্কিত মৌলিক তথ্য প্রচার করে স্বাস্থ্যকর জনসংখ্যা গড়ে তোলা হচ্ছে।

এ ছাড়া সরকার জবাবদিহি এবং সক্রিয় হয়ে উঠেছে। অনলাইন অভিযোগের প্রতিকারব্যবস্থা বাংলাদেশিদের সহজেই সরকারি পরিষেবা বা পণ্য সম্পর্কে অনলাইনে অভিযোগ জমা দেওয়ার সুযোগ করে দেয়। ব্যাপক কানেকটিভিটি অর্থনীতিতেও সহায়তা করেছে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। একটি দক্ষ, ডিজিটালি প্রস্তুত শ্রমশক্তি বিকাশের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে বাংলাদেশ তার পুরো শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হয়েছে এবং যা এখন বছরে পাঁচ লাখ স্নাতক কর্মী তৈরি করছে। শুধু গত বছরেই তাদের মধ্যে ৬৫ হাজারেরও বেশি তথ্য-প্রযুক্তি পেশাদার ছিলেন। ডিজিটাল কেন্দ্রগুলো নিজেরাই কর্ম সৃজনকারী। প্রতিটি কেন্দ্রে তিনজনের মধ্যে কমপক্ষে একজন মহিলা মনোনীত করা হয়েছে।

মোট জনসংখ্যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ২৫ বছরের কম বয়সী তরুণ হলো বাংলাদেশ সাইবার শ্রমিকদের জন্য উর্বর স্থল। তরুণরা এই সুযোগ পেয়ে লাফিয়ে উঠছে। বিগত বছরগুলোতে, তাদের বেশির ভাগ পরিবারের ব্যবসার বাইরে তাদের জীবন কল্পনাও করতে পারেনি। আজ তরুণ বাংলাদেশিরা ক্রমবর্ধমান হারে শহুরে, ভ্রাম্যমাণ এবং নতুন অর্থনীতিতে প্রবেশের জন্য প্রস্তুত।

ডিজিটালাইজেশন থেকে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য সুফল পাচ্ছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর থেকে ১৩ লক্ষাধিক প্রযুক্তিবিদ বাংলাদেশকে তাঁদের আবাসস্থল করে তুলেছে। প্রায় ১০ হাজারেরও বেশি প্রযুক্তি উদ্যোক্তা রয়েছে।

সব মিলিয়ে তাঁরা এখন তথ্য-প্রযুক্তি পরিষেবা থেকে বছরে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করছে। অন্যভাবে বলা যায়, ডিজিটাল বাংলাদেশ শুরু হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশিরা ২ বিলিয়ন ঘণ্টা, ৮ বিলিয়ন ডলার এবং সরকারি সেবা গ্রহণে ১ বিলিয়ন পরিদর্শন সাশ্রয় করেছে।

বাংলাদেশ আক্ষরিক অর্থেই তারকা বনে যাচ্ছে। দেশটি ২০১৮ সালে প্রথম যোগাযোগ স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণ করেছে। উপগ্রহ টেলিযোগাযোগ সেবায় বিন্যস্ত করে সরবরাহ আমাদের অর্থনীতিকে আরো জোরদার করে তুলেছে। ২০০৮ সালে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হার ছিল প্রায় ৫ শতাংশ। আজ এটি ৮ শতাংশেরও ওপরে রয়েছে। এটি সহজেই উপলব্ধি করা যায়, উচ্চগতির সংযোগ বৃদ্ধির কারণেই এটি সম্ভব হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনেক কিছু অর্জন করেছে। তবে সেগুলোর মধ্যে কিছু রয়েছে, যা ইন্টারনেট যুগের দিকে দেশের নাটকীয় পদক্ষেপের চেয়ে আরো উল্লেখযোগ্য। এমনকি আমরা আমাদের ডিজিটাল দক্ষতা রপ্তানি করছি। বাংলাদেশি প্রশিক্ষকরা মালদ্বীপ, ভুটান এবং শ্রীলঙ্কায় আমাদের এশীয় প্রতিবেশীদের ডিজিটালাইজেশন সম্প্রসারণে দিতে সহায়তা করছেন। এক দশক আগে কেউই এটি সম্ভব হবে বলে ভাবেননি।


আরও খবর

করোনার টিকা ব্যবস্থাপনা: দশে দশ

বৃহস্পতিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২১




ঈদের পরেই বাড়ল করোনায় মৃত্যু ও আক্রান্ত

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৩ জুন ২০২১ | ১০১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিশ্বব্যাপী তাণ্ডব চালানো মহামারি করোনাভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ২৫ জন। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ১৪৯ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন আরও ৩৬৩ জনের দেহে। দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৮০ হাজার ১৫৯ জনে।

করোনাভাইরাস নিয়ে রবিবার (১৬ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৬০১ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ২২ হাজার ৩৬ জন। এদিন মোট করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫ হাজার ৪৩০ জনের।

এর আগে শনিবার (১৫ মে) দেশে করোনায় ২২ জন মারা যান, আর নতুন করে শনাক্ত হয় ২৬১ জন।

এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, রোববার (১৬ মে) সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে মারা গেছেন আরও প্রায় ১২ হাজার মানুষ। এখন পর্যন্ত বিশ্বে মোট করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩৩ লাখ ৮৩ হাজার ২৩০ জনের এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১৬ কোটি ৩১ লাখ ৬৫ হাজার ৫৭৩ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৪ কোটি ১৪ লাখ ৬২ হাজার ১৪৬ জন।

করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ৩৬ লাখ ৯৫ হাজার ৯১৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৯৯ হাজার ৮৬৩ জনের।

নিউজ ট্যাগ: করোনায় মৃত্যু

আরও খবর



আমলাতন্ত্রের বিকল্প শূন্যতা: পরিকল্পনামন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১০ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৫ জুন ২০২১ | ৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আমলাতন্ত্রের বিকল্প শূন্যতা। জীবনে শূন্যতা ভয়ংকর বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

বৃহস্পতিবার (১০ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিসংখ্যান ভবনে বিবিএস গ্লোসারি (কনসেপ্টস অ্যান্ড ডেফিশেন) শীর্ষক বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মহাপরিচালক মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। মূল প্রবদ্ধ উপস্থাপন করেন ন্যাশনাল স্ট্রাটেজি ফর ডেভেলপমেন্ট অব স্টাটিসটিকস (এনএসডিএস) প্রকল্পের পরিচালক দিলদার হোসেন।

আমলাতন্ত্রের প্রসংশা করে এম এ মান্নান বলেন, আমলাতন্ত্রের যে কত প্রয়োজন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আমিও এক সময় ছোটখাট আমলা ছিলাম। তবে সকল পর্যায়ে কর্মকর্তাদের উচিত মাঠ পর্যায়ে যোগাযোগ বাড়ানো। ইউএন, ডিসিসহ মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের উচিত স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যান এমনকি মেম্বারদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, তথ্য লুকানোর কিছু নেই। ৯৯ শতাংশ ক্ষেত্রে সরকারি তথ্য প্রকাশে কোনো সমস্যা নেই। শুধু রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার কারণে ১ শতাংশ গোপনীয়তা রয়েছে। সেটির প্রতি গণমাধ্যম সম্মান দেখাবে অবশ্যই। আগামীতে হয়তো সেই ১ শতাংশও আর গোপন রাখার প্রয়োজন নাও হতে পারে। সরকার অত্যন্ত স্বচ্ছ।

পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, কোনো তথ্য লুকাবেন না। আপাদের জরিপে যদি কোনো ভয়ংকর কিছু আসে সে ক্ষেত্রে মহাপরিচালক ও সচিবকে জানাবেন। তারা মনে করলে আমাকে জানাবেন। আমি মনে করলে সরকার প্রধানকে জানাবো।

তিনি আরও বলেন, সরকার বিবিএস এর ওপর নির্ভরশীল। বিশেষ করে পরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রে মূল আকর আছে বিবিএস থেকে। এজন্য পরিসংখ্যান ব্যুরোর বিশুদ্ধতা দরকার। আমরা জনগণের পক্ষে কাজ করি। আমলাদের দক্ষতা বাড়াতে হবে। বেশি বেশি প্রশিক্ষণ দিতে হবে।

দিলদার হোসেন জানান, প্রকাশনাটিতে কৃষি, শিল্প, পরিবেশ, ব্যবসা, উৎপাদন, সেবা, জিডিপি, মূল্য ও মজুরি, বৈদেশিক বাণিজ্যে, ব্যাংকিং, দারিদ্র্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান, শ্রমশক্তি, জেন্ডার, রেমিট্যান্স, ডেমোগ্রামি, ফার্টিলিটি, মর্টালিটি, মাইগ্রেশনসহ বিভিন্ন বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক বিষয়ে ২ হাজার ৪১টি কনস্পেট ও ডেফিনেশন স্থান পেয়েছে। গ্রন্থটির বাংলা অনুবাদ এবং তিন বছর পর পর এর হালনাগাদকরণ প্রয়োজন হবে।

স্বাগত বক্তব্যে বিবিএস মহাপরিচালক তাজুল ইসলাম জানান, বাংলাদেশের সার্বিক পরিসংখ্যান ব্যবস্থার উন্নয়নে ২০১৩ সালে মন্ত্রিপরিষদ কর্তৃক জাতীয় পরিসংখ্যান উন্নয়ন কৌশলপত্র বা ন্যাশনাল স্ট্র্যাটিজি ফর দ্য ডেভলপমেন্ট অব স্টাটিসটিকস অনুমোদিত হয়। এটা বাস্তবায়নে সহায়তা এবং বিবিএস এর সার্বিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০১৮ সালে এনএসডিএস ইমপ্লিমেন্টেশন সাপোর্ট প্রজেক্ট গ্রহণ করা হয়। ওই প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম সম্পাদিত হয়েছে।


আরও খবর

সরকারি শূন্যপদ ৩ লাখ ৮০ হাজার

মঙ্গলবার ১৫ জুন ২০২১




বাংলাদেশিদের ইতালি প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ল

প্রকাশিত:সোমবার ৩১ মে ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৫ জুন ২০২১ | ৮৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কা থেকে ইতালিতে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়িয়েছে দেশটি। এর ফলে এই তিন দেশ থেকে কেউ ইতালিতে প্রবেশ করতে পারবে না। তবে ইতালির নাগরিকদের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

ডয়েচে ভেলে তাদের এক প্রতিবেদনে জানায়, কোভিডের ভারতীয় ধরন মোকাবেলায় গত এপ্রিলের শেষে এসে বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কার নাগরিকদের জন্য এ ভ্রমণনিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ইতালি। সেই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ গতকাল রবিবার (৩০ মে) পর্যন্ত ছিলো।

এরপর এদিনই আবারও এই নিষেধাজ্ঞা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় দেশটি। এ দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে তা এখন ২১ জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। এক বিবৃতিতে এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন ইতালির স্বাস্থ্যমন্ত্রী রবার্তো স্পারাঞ্জার মুখপাত্র।

তবে ইতালির আরোপ করা এ নিষেধাজ্ঞা দেশটির নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কা থেকে ইতালির নাগরিকেরা সে দেশে যেতে পারবেন।

এর আগে গত বছরের জুলাইয়ে ঢাকা থেকে যাওয়া যাত্রীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যকের করোনাভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়ায় বাংলাদেশ থেকে সব ধরনের ফ্লাইট বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিল ইতালি কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশিদের জন্য দেশটিতে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা ওঠে গত অক্টোবর মাসে।

গত ২৯ মে নতুন করে বাংলাদেশসহ, ভারত ও শ্রীলঙ্কার নাগরিকদের দেশটিতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয় ইতালি। সে সময় ভারত থেকে আসা একটি ফ্লাইটের ২১৩ যাত্রীর ২৩ জনের করোনা শনাক্ত হওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

প্রসঙ্গত, গত বছরের শেষ দিকে বি.১.৬১৭ নামে করোনার নতুন একটি ধরন শনাক্ত হয়েছে ভারতে। দেশটিতে মারাত্মকভাবে করোনা ছড়িয়ে পড়ার জন্য এটিকে অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।


আরও খবর



রাজধানীর বেশ কয়েকটি এলাকায় ১০ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৪ জুন ২০২১ | ৬৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আজ শনিবার (৫ জুন) রাজধানীর বেশ কয়েকটি এলাকায় ১০ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না। শুক্রবার (৪ জুন) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শনিবার সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তেজকুনিপাড়া, তেজগাঁও বালিকা বিদ্যালয় এলাকা, কারওয়ান বাজার, খ্রিস্টান পাড়া, সোনারগাঁও হোটেল, কাঁঠালবাগান এলাকা, দিলু রোড, পরিবাগ, সোনারগাঁও রোডের পূর্ব পাশ এবং কাঁটাবন রোডের পশ্চিম এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

এছাড়া এসব এলাকার আশপাশেও গ্যাসের চাপ কম থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

উল্লিখিত সময়ে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের জরুরি কাজের জন্য তেজগাঁও রেল ক্রসিং থেকে সোনারগাঁও হোটেল পর্যন্ত গ্যাস পাইপলাইন স্থানান্তর করা হবে। এ কারণে গ্যাস সরবরাহ বিঘ্ন হওয়ায় তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি দুঃখ প্রকাশ করেছে।

নিউজ ট্যাগ: তিতাস গ্যাস

আরও খবর



চিকিৎসকের গলায়-পিঠে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে

প্রকাশিত:সোমবার ৩১ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৩ জুন ২০২১ | ৮৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানীর কলাবাগান এলাকা থেকে কাজী সাবিরা রহমান লিপি (৪৭) নামে গ্রিন লাইফ হাসপাতালের এক নারী চিকিৎসকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহের পিঠে দুটি ও গলায় একটি ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

সোমবার (৩১ মে) দুপুরে সাবিরার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাটি তদন্ত করতে যায় মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি দল। 

এ সময় ডিবি পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) আজিমুল হক বলেন, ডা. সাবিরা কলাবাগান প্রথম লেন ৫০/১ নম্বর বাড়ির একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন। তিনি ফ্ল্যাটের দুটি রুম অন্য একজনকে সাবলেট দিয়েছেন। সকালে সাবলেটে থাকা তরুণী কানিজ ফাতেমা হাঁটতে বের হয়েছিলেন। পরে ঘরে ফিরে দেখেন চিকিৎসক সাবিরার রুম বন্ধ। রুমের ভেতর থেকে ধোয়া বের হচ্ছে। এ সময় তিনি দারোয়ানকে ডেকে তারা চাবি এনে তালা খুলে দেখতে পান চিকিৎসক নিচে পড়ে আছেন। সবাই ভেবেছিল চিকিৎসক আগুনে পুড়েছেন। পরে ডিবি এসে তার গলায় একটি ও পিঠে দুটি আঘাতের চিহ্ন পায়। তদন্ত করছি। আশা করছি দ্রুত রহস্য উদঘাটন করবো। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি হত্যাকাণ্ড।

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসক নিহতের ঘটনায় এখন পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে হেফাজতে নিয়েছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বিস্তারিত তদন্তের পরই বলা যাবে।


আরও খবর