Logo
শিরোনাম

পাল্লা দিয়ে বেড়েছে শীতের পোশাকের দাম

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৬ নভেম্বর ২০২৩ | ৫৩০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

এক সপ্তাহ ধরে রাজধানীতে শীতের তীব্রতা ব্যাপক বেড়েছে। ফলে শীতের প্রাদুর্ভাব থেকে রক্ষায় প্রয়োজন পোশাকের। এ জন্য চাহিদাও বেড়েছে এই পোশাকের। কিন্তু চাহিদা যতই বাড়ছে, পাল্লা দিয়ে বেড়েছে শীতের পোশাকের দামও। শপিংমল থেকে শুরু করে ফুটপাত সবখানে বেড়েছে প্রয়োজনীয় পোশাকটির।

সরেজমিনে দেখা যায়, পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজার, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও কবি নজরুল সরকারি কলেজ-সংলগ্ন ফুটপাতের শীতবস্ত্রের দোকানগুলোয় শীতের পোশাক কেনার জন্য ভিড় জমেছে। কাছে যেতেই দেখা যায়, দর-কষাকষি করছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। কেউ নিচ্ছেন, কেউ ফিরে যাচ্ছেন।

লক্ষ্মীবাজারে ফুটপাত থেকে ছেলেমেয়ের জন্য শীতের পোশাক কিনতে আসেন রাবেয়া বেগম। জানতে চাইলে বলেন, ‌‌‌শীতের শুরুতে একবার শীতের পোশাক দেখে এসেছিলাম। তখন বাচ্চাদের একটা সোয়েটারের দাম ছিল ৩০০ টাকা। ভেবেছিলাম কদিন গেলে দাম আরও কমবে। কিন্তু আজ এসে দেখি সেই সোয়েটারের দাম আরও ১০০ টাকা বাড়িয়েছে। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দোকানদাররা পাল্লা দিয়ে শীতের পোশাকের দামও বাড়িয়েছে। আমাদের মতো মানুষের একটা নতুন জিনিস কিনতে তিনবার ভাবতে হয়। উপায় না দেখে অন্য একটা দোকান থেকে কম দামি একটা সোয়েটার কিনে দিয়েছি ছেলেকে। দাম কমলে অন্য আরেক দিন এসে মেয়েটার জন্য নেবো।

গ্রেট ওয়াল শপিংমলে ছেলেমেয়ের জন্য শীতের পোশাক কিনতে আসা শরিফা নামের এক ক্রেতা বলেন, শপিংমলের লোকাল ব্র্যান্ডের পণ্যগুলোয় এক সপ্তাহের ব্যবধানে দাম দ্বিগুণ হয়েছে। তার চেয়ে ব্র্যান্ডের পণ্য ভালো। শুরুতে যেই দাম, এখনও একই দাম। কিন্তু তা-ও আমাদের সাধ্যের বাইরে। দোকানদাররা কিছু পণ্যে মূল্য লাগিয়ে রেখেছে। শীত বেশি পড়ার কারণে এখন দামও বেড়ে গেছে। নাগালের বাইরে দাম চলে যাওয়া সত্ত্বেও বাচ্চাদের আবদার পূরণ করতে একটু দামি পোশাক কিনতে হচ্ছে। বছরে একবারই তো শীতের পোশাক কেনা হয়, এ জন্য সবাই ওত দামের কথা চিন্তা না করে সন্তানের খুশির জন্য কেনাকাটা করছে।

দাম বাড়ানোর বিষয়টি স্বীকার করে ফুটপাতে শীতের পোশাক বিক্রেতা মো. শাকিল বলেন, চাহিদা বাড়ায় পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে। আমরা তো খুচরা বিক্রেতা। কেনার ওপর বিক্রি নির্ভর করে। কম দামে কিনতে পারলে আমরা কম দামে বিক্রি করতে পারি। বেশি দামে কিনে তো আমরা লস দিয়ে বিক্রি করতে পারি না। তাই দাম না বাড়িয়ে আমাদের উপায় নেই। প্রতি লটে আগের চেয়ে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা বেশি খরচ হচ্ছে। আগে যে কাপড় গড়ে ১০০ টাকা করে কেনা পড়তো, সেটা এখন ১৩০ টাকা করে কিনতে হচ্ছে। আমাদের দোষ দিয়ে লাভ নাই। আমরা নিরুপায়।

মনোয়ার নামের আরেক বিক্রেতা বলেন, আমাদের তো আর দোকান ভাড়া দেওয়া লাগে না। লাইনম্যান আর পুলিশরে এদিক-সেদিক যা দিয়ে সারা যায়, সবকিছু মিলিয়ে আমরা পোশাক বিক্রি করি। আমাদের এখানকার একই পোশাক দোকানে গেলে আপনি আরও বেশি দামে কিনতে হবে। আমরা সব সময় সীমিত লাভে বিক্রি করি। কারণ, এখানে যারা আসে তারা অনেকেই রেগুলার কাস্টমার। একটা প্রোডাক্টে ২০ থেকে ৩০ টাকার বেশি লাভ করি না। আমরা যেই সোয়েটার ২০০ টাকা বিক্রি করি, সেটা দোকানে গেলে ৩০০ টাকার কমে কিনতে পারবেন না। সে হিসাবে আমরা বেশি বিক্রি করি না।

নিউজ ট্যাগ: শীতের পোশাক

আরও খবর



নির্বাচন নিয়ে আবারও অবস্থান পরিষ্কার করল জাতিসংঘ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | ৮৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আবারও বাংলাদেশের নির্বাচন ইস্যুতে কথা বলেছে জাতিসংঘ। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জানুয়ারি) জাতিসংঘের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ফের উঠে আসে নির্বাচন ইস্যু।

জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানান, বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের অবস্থান আগের মতোই রয়েছে। একইসঙ্গে নির্বাচনের পর জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যা বলেছেন সেটিও অপরিবর্তিত রয়েছে।

মূলত টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সোমবারের ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, মহাসচিবের এমন চিঠি নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের পূর্বের অবস্থান এবং নির্বাচন নিয়ে মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যে বিবৃতি দিয়েছেন তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিনা?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, এটি সাংঘর্ষিক না। জাতিসংঘ মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যেমনটা বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধানরা পুনর্নির্বাচিত হলে মহাসচিব পাঠিয়ে থাকেন।

তিনি আরও বলেন, তারা আগে যা বলেছেন এবং মানবাধিকার হাইকমিশনার আগে যা বলেছেন, তা অপরিবর্তিত রয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। ডুজারিক বলেছেন, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে জোর করে বা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়।

এছাড়া এদিনের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নকারী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন নিয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, আপনি জানেন- বাংলাদেশ ২০১৭ সাল থেকে প্রায় সাত বছর ধরে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।

অন্যদিকে, মানবিক তহবিল, আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সম্পর্কিত মনোযোগ, সবকিছু সঙ্কুচিত হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘ মহাসচিবের পরিকল্পনা কী?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র এই মুখপাত্র বলেন, প্রথমত, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। এটি এমন পদ্ধতিতে স্বেচ্ছায় হওয়া দরকার যেখানে তাদের মর্যাদা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে।

তিনি বলেন, এটা পরিষ্কার যে, মিয়ানমারের পরিস্থিতি বর্তমানে প্রত্যাবাসনের জন্য দরকারি প্রয়োজনীয়তা পূরণ করছে না। যেসব সম্প্রদায় উদারভাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আতিথেয়তা দিয়েছে, তাদের জন্য বিশ্বব্যাপী সংহতি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। যেমন কক্সবাজারের সম্প্রদায়, মহাসচিব এটি পরিদর্শন করেছেন।

স্টিফেন ডুজারিক বলেন, শরণার্থীদের সবার সংহতি প্রয়োজন এবং আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়গুলোরও জাতিসংঘের ও সারা বিশ্বের সংহতি প্রয়োজন। এবং এসব কিছুর জন্যই আমাদের তহবিল আরও বৃদ্ধি করা দরকার।


আরও খবর

দেশে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি

মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩