Logo
শিরোনাম

শেষ হয়ে গেছে কাতার বিশ্বকাপের ১২ লাখ টিকিট

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৪৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি আর ১৫১ দিন। এর মাঝেই শুরু হয়ে গেছে উন্মাদনা। গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ খ্যাত বিশ্বকাপ ২০২২ অনুষ্ঠিত হবে এশিয়ার দেশ কাতারে। এই অঞ্চলের মানুষ এমনিতেই ফুটবল পাগল। আর যদি হয় বিশ্বকাপ তাহলে তো কথাই নেই!

এরই মধ্যে ঢেউ লেগেছে উন্মাদনার। সাধারণ দর্শকদের জন্য বরাদ্দ ২০ লাখ টিকেটের মধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে ১২ লাখ টিকেট। এমনটাই জানিয়েছে আয়োজক ফিফা।

যদিও টিকিট বিক্রি হবে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত। বলা হচ্ছে, শেষ ধাপের টিকিটের জন্য জমা পড়েছে ২ কোটি ৩৫ লাখ আবেদন। কাতার বিশ্বকাপের আয়োজক কমিটির মহাসচিব হাসান আল থাওয়াদির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, মেক্সিকো, কাতার, সৌদি আরব এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে এসেছে সবচেয়ে বেশি আবেদন।হাসান আল থাওয়াদি বলেছেন, এরইমধ্যে বিক্রি হয়েছে প্রায় ১২ লাখ টিকেট। বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখতে উন্মুখ হয়ে আছে সাধারণ দর্শকেরা।

থাওয়াদির আশা বিশ্বকাপ শুরুর আগেই শেষ হয়ে যাবে সব টিকিট। তার মতে, যারা আগে আবেদন করবেন তারাই পাবেন টিকিট। যদিও জানানো হয়নি শেষ ধাপের টিকিট কবে থেকে বিক্রি শুরু হবে। আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপ আসরে সব মিলে ২০ লাখ টিকিট বিক্রি করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

২৮ দিন ব্যাপী এই গ্রেটেস্ট শো অন আর্থের জন্য প্রস্তুত আরব দেশ কাতার। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা দর্শকদের জন্য হোটেল ছাড়াও বিভিন্ন রকম বাসস্থান তৈরি করেছে দেশটি। এমন কি দোহা বন্দরে চার হাজার কক্ষ বিশিষ্ট দুটি ক্রুজ জাহাজ রাখা হয়েছে।


আরও খবর



জঙ্গি আল্লিসনকে ২০ বছরের জেলের সাজা দিয়েছে আদালত

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ৬৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

স্কুলশিক্ষিকার চাকরি ছেড়ে সটান জঙ্গিগোষ্ঠীর ব্যাটেলিয়ন কমান্ডার! ব্ল্যাকবোর্ড ছেড়ে হাতে তুলে নেন কালাশনিকভ রাইফেল আর রকেট লঞ্চার। সিরিয়ার আইএস জঙ্গিগোষ্ঠীর সদস্যা সেই আল্লিসন ফ্লুক এক্রেনকে বুধবার ২০ বছরের জেলের সাজা দিয়েছে আমেরিকার একটি আদালত।

বছর বিয়াল্লিশের এক্রেনের বিরুদ্ধে আমেরিকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং শপিং মলে হামলার জন্য জঙ্গি নিয়োগের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এমনকি, আমেরিকা ছেড়ে পশ্চিম এশিয়ায় গিয়ে জঙ্গিদলে নাম লেখানোর পরে এক্রেন তাঁর নিজের ছেলের নিরাপত্তার ভয় দেখিয়ে প্রাক্তন স্বামীর থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ।

ভার্জিনিয়ার আলেকজন্দ্রিয়া আদালতে শুনানির সময় এক্রেন কবুল করেছেন, সিরিয়ায় আইএসের একটি মহিলা ব্যাটেলিয়নের কমান্ডার হিসেবে শতাধিক মহিলাকে নাশকতার প্রশিক্ষণ দিয়েছেন তিনি। শিখিয়েছেন, আগ্নেয়াস্ত্র চালানো এবং মানববোমা হওয়ার কৌশল। কিন্তু কোনও শিশুকে জঙ্গি হওয়ার প্রশিক্ষণ দেননি বলে তাঁর দাবি।

২০১৪ সালে সিরিয়ায় গিয়ে আইএসে নাম লেখানোর পরে এক্রেনের নতুন পরিচয় হয়, উম্মে মহম্মদ আল-আমরিকি ওরফে উম্মে জাব্রিল নামে। ২০১৬-য় পশ্চিম এশিয়ার জঙ্গি সংগঠনটির মহিলা ব্যাটেলিয়নের দায়িত্ব পান তিনি। অস্ত্র ও বিস্ফোরক ব্যবহারের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি মহিলা রংরুটদের গাড়ি চালানো এবং শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানোর শিক্ষা দেওয়ায় দায়িত্ব পান তিনি। এমনকি, দিতেন ধর্মশিক্ষাও!

কানসাসের একটি স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষিকা এক্রেনের বিরুদ্ধে আমেরিয়ার নাশকতায় ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ২০১৯ সালে চার্জ গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু তখনও তিনি সিরিয়ায়। পরে তিনি ধরা পড়েন এবং আমেরিকায় ফেরত আনা হয়। গত মঙ্গলবার নাশকতার অভিযোগে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে ভার্জিনিয়ার আদালত। আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে শুরু হবে এক্রেনের দুদশকের কারাবাসের মেয়াদ।


আরও খবর



কুমিল্লা সিটি নির্বাচন: প্রার্থীদের প্রচারণায় সরগরম নগরী

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ জুন ২০২২ | ৭৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন তারা। এসময় মেয়র প্রার্থীরা নগরীর উন্নয়নে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।

কুমিল্লা নগরীর সর্বত্র একই আলোচনা আগামী ১৫ জুনের নির্বাচনে কে হতে যাচ্ছেন নগর পিতা। ভোটের মাঠে থাকা বিএনপির সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা নিজাম উদ্দিন কায়সার স্বতন্ত্র পদে প্রার্থী হয়েছেন। সম্প্রতি তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অপরদিকে নৌকার প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত ভোটের মাঠে রয়েছেন একক প্রার্থী হিসেবে। তবে প্রচারণাকালে ৩ মেয়র প্রার্থীই জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী বলে জানিয়েছেন।

এদিকে, সরকার দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছেন বিরোধী প্রার্থীরা। এছাড়া কাউন্সিলর প্রার্থীরাও নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। পাড়া-মহল্লা আর বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাচ্ছেন তারাও। কুসিকের দ্বিতীয় নির্বাচনে পাঁচ বছর আগে ভোটার ছিলেন দুই লাখ সাত হাজার ৫৬৬ জন। ভোটারের সংখ্যা বর্তমানে বেড়ে হয়েছে দুই লাখ ২৯ হাজার ৯২০ জন।

কুসিক নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহেদুন্নবী চৌধুরী জানিয়েছেন, এবারের নির্বাচনে ভোটার দুই লাখ ২৯ হাজার ৯২০ জন। তাদের মধ্যে নারী ভোটার এক লাখ ১৭ হাজার ৯২ জন এবং পুরুষ ভোটার এক লাখ ১২ হাজার ৮২৬ জন। এ ছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন দুজন। এবার নতুন ভোটার রয়েছেন ২২ হাজারের বেশি।

প্রচারণাকালে সাক্কু বলেন, আমার দুইবারের আমলে ১০ বছরে নগরীর ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে, বেশকিছু বড় প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, এবার বিজয়ী হওয়ার পর এসব প্রকল্প শেষ করা হলে কুসিক এলাকার চিত্রই পাল্টে যাবে, এটা হবে একটি আধুনিক নগরী।


আরও খবর



এবারের বাজেট ব্যবসায়ীক সক্ষমতা বাড়াবে : বিজিএমইএ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ৬০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে রপ্তানির জন্য সাব-কন্ট্রাক্টের বিপরীতে ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া ও নগদ সহায়তাগুলো চলমান রাখাসহ ৯ ধরনের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। যা ব্যবসা গতিশীল ও ব্যবসায়ীক সক্ষমতা বাড়াবে বলে মনে করে তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।

বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জাতীয় সংসদের বাজেট পেশ করেন। তার প্রতিক্রিয়ায় বিজিএমইএর পক্ষ থেকে এই মতামত ব্যক্ত করেন সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এস এম মান্নান (কচি)।

তিনি বলেন, আমাদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে রপ্তানির জন্য সাব-কন্ট্রাক্টের বিপরীতে ভ্যাট অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে। নগদ সহায়তাগুলো চলমান রাখা হয়েছে। টেক্সটাইল বা বস্ত্র খাতের কর্পোরেট কর হার ১৫ শতাংশ আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

এস এম মান্নান বলেন, ম্যান মেড ফাইবার ও অন্যান্য কৃত্রিম আঁশের তৈরি সুতার ওপর ভ্যাটের পরিমাণ ৬ টাকা থেকে কমিয়ে ৩ টাকা প্রতি কেজি করার প্রস্তাব করা হয়েছে। পলিপ্রপাইলিন স্ট্যাম্পল ফাইবার উৎপাদনের ওপর ভ্যাট অব্যাহতি ও এর প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানির ওপর আগাম কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। টেক্সটাইল গ্রেড পিট চিপস উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় টেরিপ্যাথিলিক অ্যাসিড ও ইথেলিন গ্লাইকোল আমদানির ওপর আগাম কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং এই পণ্যটি তৈরির ক্ষেত্রে ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া এবং সিউএজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে।

এছাড়াও মোবাইল ফাইন্যানসিয়াল সার্ভিসের সার্ভিস চার্জসমূহ আয়করের বাইরে রাখার প্রস্তাব করা প্রতিবন্ধী বা তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের নিয়োগ প্রদান করা হলে কর রেয়াতের ব্যবস্থা পূর্বে ১০ শতাংশ বা ১০০ জনের অধিক ছিল, এটি আরও সহজ করে ১০ শতাংশ বা ২৫ জন করা হয়েছে।

এগুলো নিঃসন্দেহে আমাদের ব্যবসাকে গতিশীল করবে, আমাদের ব্যবসায়ীক সক্ষমতা বাড়াবে। তবে প্রস্তাবিত বাজেটে পোশাক রপ্তানির ওপর উৎসে কর শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে ১ করার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে শিল্পের জন্য অত্যন্ত কঠিন হবে।

কারণ হিসেবে বলা হয়, এই বাজেটের লক্ষণীয় দিক হলো, ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা, মূল্যস্ফীতি ও স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সমস্যা এসব কিছু সামাল দিয়ে সরকার দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সচেষ্ট, যা প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতিফলিত হয়েছে। বাজেটের মূল বিষয়ই হলো উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় পরিবর্তন এনে দেশকে আরও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধশালী করা। আর এটি করতে হলে অর্থনীতিতে অবদান রাখা শিল্পগুলোর প্রতি, বিশেষ করে পোশাক শিল্পের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি।

টালমাটাল বিশ্ব বাণিজ্য পরিস্থিতি আমাদের পোশাক শিল্পের জন্যও বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে একদিকে যেমন জ্বালানি তেলসহ খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে, অন্যদিকে ইউরোপসহ বিশ্বের বেশ কিছু দেশে অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা বাড়ছে। ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি তীব্র আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য দেশগুলো সুদের হার বাড়াচ্ছে। এটি আন্তর্জাতিক বাজারে আমাদের পণ্যের চাহিদা ও ক্রয় ক্ষমতা কমিয়ে দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।

নিউজ ট্যাগ: বিজিএমইএ বাজেট

আরও খবর



ঠাকুরগাঁওয়ে ঈদকে সামনে রেখে চলছে মাদক ব্যবসা জমজমাট!

প্রকাশিত:বুধবার ২২ জুন 20২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ জুন ২০২২ | ৪৮জন দেখেছেন

Image

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

ঈদকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও রোড রেলস্টেশন গাঁজার জমজমাট ব্যাবসা হয়ে উঠেছে। বারবার তাদের আটক করেও এ ব্যবসা দমন করা যাচ্ছে না।

পুলিশের তালিকায় রোড রেলস্টেশন ফকিরপাড়া শহরসহ বিভিন্ন এলাকায় শতাধিক মাদক স্পট রয়েছে। ও মধ্যে রোড রেলস্টেশন এক নাম্বারে এবং ২ শতাধিকেরও বেশি চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে। এ সব স্পট থেকে বিভিন্ন সময় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কিছু মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে আটক করে কারাগারে প্রেরণ করলে আইনের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে এসে পুনরায় এসব ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে।

তবে অনেক রাঘব বোয়াল মাদক বিক্রেতারা বরাবরের মতোই থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে। আবার কিছু অসাধু আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কমিশনের ভিত্তিতে তাদের কে সুযোগ করে দেয়।

এখন চলছে কুরবানির ঈদ। কয়েকদিন পরেই ঈদ। আর ঈদকে সামনে রেখে শহরে এখন মাদকের ছড়াছড়ি। ঈদকে ঘিরে নড়েচড়ে বসেছে মাদক ব্যবসায়ীরা। প্রতিদিনই জেলার বিভিন্ন স্পট দিয়ে আসছে মাদকদ্রব্য। মদ, ইয়াবা, গাঁজা, ফেন্সিডিলসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য। এর মধ্যে গাঁজার গডফাদার হল ঠাকুরগাঁও রেলস্টেশন ফকিরপাড়ায়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, শহরের নিশ্চিন্তপুর, আর্টগ্যালারী বরগুনা গাঁ ঘাটপাড়া, মুন্সিপড়া। আবার বিভিন্ন স্পটে হেরোইন, গাঁজা, ফেনসিডিল, ইয়াবাসহ নেশাজাতীয় ইনজেকশন বিক্রি হচ্ছে। এসব স্পটে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার মাদক বিক্রি হয়।

ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে ততই মাদকের মজুদ বাড়াচ্ছে মাদক কারবারীরা। ভারত থেকে লাখ লাখ টাকার মাদক সীমান্তের বিভিন্ন স্পট দিয়ে এপারে আসার পর বিভিন্ন এলাকায় তা সরবরাহ করছে মাদক বিক্রেতারা। মাদক বিক্রেতারা বিভিন্ন কৌশলে উপজেলা জুড়ে সক্রিয় এখন। আর মাদকের টাকা যোগাড় করতে ওই সব এলাকায় চুরি, ছিনতাইসহ অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে। যুব সমাজ যাচ্ছে বিপথে।

আর বড় বাড়ি ও মুন্সিরহাট ১২ আউলিয়া এলাকায় ওপেন সকলের সামনে বাংলা মদ বিক্রি করছে। ঠাকুরগাঁও রোড রেলস্টেশনে ফকিরপাড়া রাস্তার উপরে চলছে গাঁজার বেপরোয়া ব্যবসা। আইন শৃঙ্খলা বাহিনির আবারও সু-দৃষ্টি কামনা করছি তাদের ধরেন শাস্তি দেন। না হলে আজ যুব সমাজ ধ্বংসের দিকে।


আরও খবর



বান্দরবানে পাহাড়ধসের শঙ্কা, সরে যেতে মাইকিং

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে বান্দরবানের জনজবিন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কখনো থেমে থেমে কখনো অনবরত বৃষ্টিতে পাহাড় ধসের আশঙ্কা রয়েছে।

বান্দরবান পার্বত্য জেলার পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করছে হাজারো পরিবার আর কয়েকদিনের বৃষ্টিতে বান্দরবানে দেখা দিয়েছে পাহাড় ধসের সম্ভাবনা।

এদিকে পাহাড় ধসে ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো ও জানমাল রক্ষার্থে শনিবার (১৮জুন) বিকেল থেকে পাহাড়ের পাদদেশ ঝুকিপূর্ণ পরিবারদের নিরাপদে সরে যেতে বান্দরবান পৌরসভার পক্ষ থেকে বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করে সর্তক করা হয়েছে।

মাইকিং-এ পাহাড়ের পাদদেশ ঝুকিপূর্ণ পরিবারদের নিরাপদে সরে যাওয়া জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী।

তিনি জানান, প্রতিবছর এই সময়টা প্রচুর বৃষ্টিপাতের ফলে বান্দরবানে বন্যা দেখা দেয় আর সেই সঙ্গে পাহাড় ধসে প্রাণহানীর ঘটনা ঘটে। আর তাই পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের সরে যেতে বান্দরবান পৌরসভার পক্ষ থেকে মাইকিং করা শুরু হয়েছে। 

তিনি বলেন, বান্দরবান পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে ১২টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রত্যেক ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের আমরা সার্বিক বিষয় তদারকির জন্য নিদের্শনা দিয়েছি।


আরও খবর