Logo
শিরোনাম

যেভাবে পুরো পরিবারকে হত্যার পরিকল্পনা করেন ফারহান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ডালাসের নিকটস্থ অ্যালেন শহরে বাংলাদেশি একটি পরিবারের চার সদস্যকে মর্মান্তিকভাবে হত্যার পর দুই ভাইয়ের আত্মহত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ছিল ফারহান তৌহিদ। ফারহান তৌহিদ দীর্ঘদিন ধরেই বিষন্নতায় ভুগছিলেন বলে তাদের পারিবারিক ও স্থানীয় বাংলাদেশিদের একটি সূত্রে জানা গেছে।

টেক্সাসের স্থানীয় সময় সোমবার (৫ এপ্রিল) সকালে দুই ভাই মিলে তাদের মা আইরিন ও বাবা তৌহিদুল ইসলামসহ নানী এবং একমাত্র বোনকে হত্যার পর নিজেরাও আত্মহত্যা করেছে। ঘটনার পর অ্যাপার্টমেন্ট থেকে পুলিশ ৬ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করেন।

এ ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ফারহান তৌহিদের ফেসবুকের স্ট্যাটাস পর্যালোচনা করে অ্যালেন সিটি পুলিশের সার্জেন্ট জন ফেলী জানান, সম্ভবত গত শনিবার এমন নৃশংসতার ঘটনা ঘটে। ১৯ বছর বয়সী একজনের এই পরিস্থিতির আলোকপাত করা হয়েছে। পুলিশের মতে আত্মহত্যার নোটে রয়েছে হতাশার ধারা বিবরণী।

তবে স্থানীয়রা জানিয়েছেন কোনো কারণে হয়তো তৌহিদুল ইসলামের দুই পুত্রই মন মরা ভাব বা বিষন্নতায় ভুগছিলেন। আত্মহত্যার সেই নোটে ফারহান উল্লেখ করেছেন ২০১৬ সালে নবম গ্রেডে পড়া অবস্থায় সে বিষন্নতায় আক্রান্ত হয় বলে চিকিৎসকরা জানায়। এজন্য সে পরীক্ষায় বারবার ফেল করে। আজ সে নিজের শরীরে দুইবার কেটেছে। খুবই কষ্ট পেয়েছে। তার মনে আছে ২০১৭ সালের ২২ আগস্ট, কাঁচির মতো ধারালো অস্ত্র দিয়ে নিজের শরীরে কেটেছিল। সে অনুভব করেছে কতটা অসহনীয় যন্ত্রণা। এরপর প্রায় দিনই শরীরে রান্নাঘরের চাকু দিয়ে কাটে। বিষন্নতার দুঃখবোধ লাঘবের পথ খুঁজেছিল সে। এ অবস্থায় তার ঘনিষ্ঠ তিন বন্ধু তাকে ত্যাগ করেছে। এমনি হতাশার মধ্যেই তাকে ভর্তি করা হয় ইউনিভার্সিটি অব অস্টিনে কম্পিউটার সায়েন্স ডিপার্টমেন্টে। এরপর সে ভাবে যে, এবার জীবনটা সঠিক ট্র্যাকে উঠেছে। বাস্তবে তা ঘটেনি। বিষন্নতায় জর্জরিত হয়ে পুনরায় সে নিজের শরীর রক্তাক্ত করে এবং কাঁদতে কাঁদতে বিছানায় ঘুমাতে যায়। সান্ত্বনা খোঁজে যে, সে সুস্থ হয়েছি। অন্যদের মতোই স্বাভাবিক। কিন্তু সেটি সত্য বলে কখনোই মনে হয়নি তার। এক পর্যায়ে সে লিখেছে, যদি আত্মহত্যা করি তাহলে গোটা পরিবার সারাটি জীবন কষ্ট পাবে। সেটি সে চায় না। সেজন্য পরিবারের সকলকে নিয়ে মারা যাবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে ভাইকে শমিল করেন। দুইভাই যায় বন্দুক ক্রয় করতে। সে হত্যা করবে ছোটবোন আর নানীকে। আর তার ভাই করবে মা-বাবাকে। এরপর উভয়ে আত্মহত্যা করবে এমন একটি সিদ্ধান্ত নেয় তারা। কেউ থাকবে না কষ্ট পাবার।

আত্মহত্যার প্রাক্কালে লেখা ওই নোটে সে আরও উল্লেখ করেছে যে, বন্দুক ক্রয়ের ব্যাপারটি খুবই সহজ। তার ভাই গেলেন দোকানে। বললেন যে, বাড়ির নিরাপত্তার জন্যে বন্দুক দরকার। দোকানি কয়েকটি ফরম ধরিয়ে দিলেন সেখানে স্বাক্ষর করলেন ভাই। এরপর হাতে পেয়ে যায় কাঙ্ক্ষিত বস্তুটি, যা দিয়ে নিজের কষ্ট এবং পরিবারের কষ্ট সহজ করতে মা আইরিন ও বাবা তৌহিদুল ইসলামসহ নানী এবং একমাত্র বোনকে তারা নির্মমভাবে হত্যা করে নিজেরা আত্মহত্যা পথ বেছে নেয়।

তৌহিদুল ইসলামের দেশের বাড়ি পাবনা জেলার দোহার পাড়ায় বলে জানা গেছে। তিনি হায়দার পরিবার (জিয়া হায়দার ও রশিদ হায়দার)-এর নিকট আত্মীয় বলে জানা গেছে।


আরও খবর



শেখ হাসিনা হত্যাচেষ্টা : ১৪ আসামির ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
২০০০ সালের ২২ জুলাই কোটালীপাড়ায় শেখ লুৎফর রহমান সরকারি আদর্শ কলেজ প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভাস্থলে প্যান্ডেল তৈরির সময় শক্তিশালী বোমাটি দেখা যায়

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজ নির্বাচনী এলাকা গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় জনসভাস্থলে বোমা পুঁতে তাকে হত্যার ষড়যন্ত্রের মামলায় ১৪ জঙ্গিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে ঘোষিত রায়ের ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে এসেছে। মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার ব্যারিস্টার সাইফুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গতকাল সোমবার (৫ এপ্রিল) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ডেথরেফারেন্স এসেছে বলে জানা গেছে। গত ২৩ মার্চ ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ কোটালীপাড়ায় জনসভাস্থলে বোমা পুঁতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্রের মামলায় ১৪ জঙ্গিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করেন আদালত। ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৪ আসামি হলেন- মফিজুর রহমান, মাহমুদ আজহার, রাশেদুজ্জামান, তারেক, ওয়াদুদ শেখ ওরফে গাজী খান, আজিজুল হক, লোকমান, ইউসুফ ওরফে মোছহাব মোড়ল, মোছহাব হাসান ওরফে রাশু, শেখ মো. এনামুল হক, আনিসুল ইসলাম, সারোয়ার হোসেন, আমিরুল ইসলাম ও রফিকুল ইসলাম খান।

এই ঘটনায় মোট তিনটি মামলা হয়েছিল। তার মধ্যে দুটি মামলার রায় বিচারিক আদালতে আগেই হয়। ওইদিন অপর মামলাটির রায় হয়।

প্রসঙ্গত, ২০০০ সালের ২২ জুলাই কোটালীপাড়ায় শেখ লুৎফর রহমান সরকারি আদর্শ কলেজ প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভাস্থলে প্যান্ডেল তৈরির সময় শক্তিশালী বোমাটি দেখা যায়। সেনাবাহিনীর একটি দল ৭৬ কেজি ওজনের ওই বোমা উদ্ধার করে। পরদিন ২৩ জুলাই ৪০ কেজি ওজনের আরেকটি বোমা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় কোটালীপাড়া থানায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা, হত্যার ষড়যন্ত্র ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনটি মামলা করে পুলিশ।


আরও খবর



কাদের মির্জা-বাদলকে আসামি করে পাল্টাপাল্টি মামলার আবেদন

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ এপ্রিল ২০২১ | ৮৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের বিবাদমান দুটি গ্রুপের বিরোধের জেরে এবার আদালতে আবদুল কাদের মির্জা ও মিজানুর রহমান বাদলকে প্রধান আসামি করে পাল্টাপাল্টি মামলার জন‌্য আবেদন করা হয়েছে।

সোমবার (১৫ মার্চ) দুপুরের দিকে নোয়াখালীর চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মোছলেউদ্দিন মিজানের আদালতে এই দুটি মামলার আবেদন করা হয়।

মামলা দুটির বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. হারুনুর রশীদ হাওলাদার ও অ্যাডভোকেট শংকর ভৌমিক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, বিকেলে দুটি মামলার অভিযোগের ওপর শুনানি হবে।

একটি মামলার বাদী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আরজুমান  আরা পারভিন।  তিনি তার স্বামী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খাঁনকে মারধরের ঘটনায় মেয়র আবদুল কাদের মির্জাকে প্রধান আসামি করে ৯৮ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে একটি মামলার আবেদন করেছেন।

অপরদিকে,উপজেলার চাপরাশিরহাট বাজারে আওয়ামী লীগের দুগ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় মির্জা কাদেরের অনুসারী উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি সালাউদ্দিন পিটন বাদী হয়ে মিজানুর রহমান বাদলকে প্রধান আসামি করে ১০৫ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলার আবেদন করেছেন।

এরআগে, আওয়ামী লীগ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খানের ওপর হামলা ও আলাউদ্দিন হত্যার ঘটনায় এজাহার দুটিতে কাদের মির্জাকে প্রধান আসামি করে কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছিল। কিন্তু থানা পুলিশ সেই এজাহারগুলো মামলা হিসেবে গ্রহণ না করায় ওই দুই বাদী আদালতে মামলা দায়ের করেন।

আরজুমান পারভীন জানান, ৯ থেকে ১৩ মার্চ শনিবার পর্যন্ত অনেক চেষ্টা করেও পুলিশের টালবাহানায় কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলাটি রেকর্ড করাতে পারিনি।

অপরদিকে,নিহতের ছোট ভাই মো. এমদাদ হোসেন জানান, ১১ মার্চ (বৃহস্পতিবার) বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জাকে প্রধান আসামিসহ ১৬৪ জনের বিরুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলার এজাহার দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রধান আসামি মেয়র আবদুল কাদের মির্জার নাম বাদ না দেওয়ায় শনিবার বিকেল পর্যন্ত পুলিশ এজাহারটি রেকর্ড করেনি।


আরও খবর



সাতক্ষীরা সদর থানার ওসিকে স্ট্যান্ড রিলিজ

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ এপ্রিল ২০২১ | ৭৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
সাতক্ষীরা সদর থানার তদন্ত ওসি বোরহান তাৎক্ষণিক বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ সদর দফতরের এক আদেশে তাকে বদলি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তিনি দায়িত্ব বুঝে দিয়েছেন

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামানকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। পুলিশ সদর দফতরের নির্দেশে তাকে সিআইডি, ঢাকাতে যোগদান করতে বলা হয়েছে। ইতোমধ্যে তিনি সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি তদন্ত বোরহানের কাছে দায়িত্বভার বুঝেও দিয়েছেন। সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের একাধিক সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দফতরের এক আদেশে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামানকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়। ঢাকার সিআইডিতে তাকে যোগদান করতে বলা হয়। ওসি আসাদুজ্জামান পুলিশ সদর দফতরের আদেশ পাওয়ার পর সদর থানার দায়িত্ব বুঝে দিয়েছেন বলে সূত্র জানায়।

সাতক্ষীরা সদর থানার তদন্ত ওসি বোরহান তাৎক্ষণিক বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ সদর দফতরের এক আদেশে তাকে বদলি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তিনি দায়িত্ব বুঝে দিয়েছেন। ঢাকা সিআইডিতে তাকে যোগদান করতে বলা হয়েছে। তবে কী অভিযোগে তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে তা তিনি বলতে পারেননি।

গত বছর ২১ মার্চ আসাদুজ্জামান সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। এক বছরের মাথায় তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হলো।

নিউজ ট্যাগ: সাতক্ষীরা

আরও খবর



রাজধানীতে প্রকাশ্যে পুলিশের সামনে ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ৭২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানীর দক্ষিণখানে প্রকাশ্যে পুলিশের সামনে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করেছেন স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তি। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হান্নানসহ ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

রাজধানীর দক্ষিণখানের এই বাড়িতেই থাকেন জাপান ফেরত আমিনুল ইসলাম হান্নান। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় নিজের প্রভাব প্রতিপত্তি ব্যবহার করে পুরো এলাকা নিয়ন্ত্রণ করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বাড়িটির পাশেই রশিদ নামে এক ব্যক্তি বালু জমিয়ে রাখলেও, তা বিক্রি করে দেয়ার খবর পেয়ে বুধবার (২৪ মার্চ) সকালে হান্নানের কাছে এ বিষয়ে জানতে চান রশীদ। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে হান্নান নিজের শটগান থেকে রশীদকে গুলি করে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশের সামনেই তাকে হত্যা করে হান্নান। আমরা এসে দেখি সে শর্টগান রেডি করছে। এরপর গুলি করে। তার মুখের এক পাশ উড়ে যায়। হান্নান ও হান্নানের লোকজন এর আগে এখানে ১ লাখ টাকা চাঁদা চেয়েছিল। আমরা এই হান্নানের বিচার চাই। সে প্রকাশ্যে খুন করেছে।

এদিকে, চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা নিয়ে পুরো এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ বলছে, পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করা হবে। পুলিশ জানিয়েছে, মূল আসামি জাপানি হান্নানসহ ৭ জনকে আমরা গ্রেফতার করেছি। তার কাছে পিস্তল, শটগানসহ আরো অস্ত্র ছিল তাও উদ্ধার করেছি।

নিউজ ট্যাগ: গুলি করে হত্যা

আরও খবর

লকডাউনেও ট্রাফিক জ্যাম

মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১




ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়াতে চান বাস মালিক সমিতি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৬৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সরকারি নির্দেশনা মেনে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে বাস-মিনিবাস চালাতে রাজি মালিকরা। তবে সেক্ষেত্রে ৬০ শতাংশ বাড়তি ভাড়া নিতে চান তারা।

সোমবার (২৯ মার্চ) দিনগত রাতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে (বিআরটিএ) বৈঠকে এ দাবি জানান বাস মালিকরা।

রাতেই এ দাবি প্রস্তাব আকারে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে বিআরটিএ। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন এলে গণপরিবহনে অর্ধেক যাত্রী পরিবহন ও বাড়তি ভাড়া কার্যকর হবে।এর আগে করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে সোমবার আগামী দুই সপ্তাহের জন্য গণপরিবহনে অর্ধেক যাত্রী পরিবহনের নির্দেশ দেয় সরকার।

গত বছরও একই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। সে সময় দুই মাস বাস ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়িয়ে অর্ধেক যাত্রী পরিবহন করা হয়।

নিউজ ট্যাগ: বাস-মিনিবাস

আরও খবর